২০২১–২২ আই-লিগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আই-লিগ
মৌসুম২০২১–২২
তারিখ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ – মে ২০২২
চ্যাম্পিয়নগোকুলাম কেরালা এফসি (২য় শিরোপা)[১]
অবনমনকেঁকরে এফসি
মোট খেলা১১৪
মোট গোলসংখ্যা২৯৪ (ম্যাচ প্রতি ২.৫৮টি)
শীর্ষ গোলদাতামার্কাস জোসেফ (১৫ গোল)
সেরা গোলরক্ষকভাস্কর রায় (১০৯ মিনিট প্রতি গোল)
সর্বোচ্চ স্কোরিংগোকুলাম কেরালা ৬–২ কেঁকরে
দীর্ঘতম টানা জয়গোকুলাম কেরালা (৬টি ম্যাচ)
দীর্ঘতম টানা অপরাজিতগোকুলাম কেরালা (১৬টি ম্যাচ)
দীর্ঘতম টানা জয়বিহীনকেঁকরে (১২টি ম্যাচ)
দীর্ঘতম টানা পরাজয়কেঁকরে (৬টি ম্যাচ)
মোট উপস্থিতি৩৮,৬৫০[ক]
সব পরিসংখ্যান ১৪ মে ২০২২ অনুযায়ী সঠিক।

২০২১–২২ আই-লিগ বা স্পনসরজনিত কারণে হিরো আই-লিগ হল আই-লিগের ১৫তম সংস্করণ, যা ভারতীয় ফুটবল পিরামিডের ১ম সারির ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা। ভারতে করোনা পরিস্থিতিতে কলকাতা শহরে পুরো প্রতিযোগিতাটি সংঘটিত হবে। এই মরসুমে জয় লাভের মাধ্যমে গোকুলাম কেরালা প্রথম আই-লিগ ক্লাব হিসেবে টানা দুবার শিরোপা অর্জন করার রেকর্ড গড়ে।

গোকুলাম কেরালা এফসি হল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন্স।[২]

গত মৌসুম থেকে পরিবর্তন[সম্পাদনা]

উত্তীর্ণ ক্লাব[সম্পাদনা]

এছাড়া কেঁকরে এফসি উত্তীর্ণ হয়।[খ]

বিডিং[সম্পাদনা]

২০২০ সালের ৫ জুন সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন আই-লিগে নতুন ক্লাবের অংশগ্রহণের জন্য বিডিং গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।[৩] ১২ আগস্ট শ্রীনিদি ডেকান এফসি লিগের আমন্ত্রণ পায় ও খেলার সুযোগ অর্জন করে।[৪]

অবনমিত ক্লাব[সম্পাদনা]

নেরোকা পূর্ব মৌসুমে অবনমিত হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন তাদের অবনমন প্রণালী বাতিল করে।[৫]

নোট[সম্পাদনা]

  1. কেবলমাত্র দ্বিতীয় পর্বের নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচে দর্শক ঢোকার অনুমতি মিলেছিল।
  2. চেন্নাই সিটি এফসির নাম বাদ পড়লে তাদের বদলি হিসেবে কেঁকরে এফসি উত্তীর্ণ হয়।

ফরম্যাট[সম্পাদনা]

দল[সম্পাদনা]

ক্লাব অবস্থান
আইজল এফসি আইজল, মিজোরাম
ইন্ডিয়ান অ্যারোস মুম্বই, মহারাষ্ট্র
গোকুলাম কেরালা এফসি কালিকট, কেরালা
চার্চিল ব্রাদার্স মারগাও, গোয়া
মহামেডান এসসি কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
কেঁকরে এফসি কোলহাপুর, মহারাষ্ট্র
ট্রাউ এফসি ইম্ফল, মণিপুর
নেরোকা এফসি
সুদেবা দিল্লি এফসি নয়া দিল্লি, দিল্লি
শ্রীনিদি ডেকান এফসি বিশাখাপত্তনম, অন্ধ্রপ্রদেশ
রিয়েল কাশ্মীর এফসি শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর
রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব এফসি লুধিয়ানা, পাঞ্জাব
রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি ভিলওয়ারা, রাজস্থান

স্টেডিয়াম ও মাঠ[সম্পাদনা]

স্টেডিয়াম সমূহের অবস্থান
স্টেডিয়াম ধারণ ক্ষমতা অবস্থান
কল্যাণী স্টেডিয়াম ২০,০০০ কল্যাণী, নদিয়া
মোহনবাগান গ্রাউন্ড ২০,০০০ ময়দান, কলকাতা
নৈহাটি স্টেডিয়াম ২৫,০০০ নৈহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা

বিদেশী খেলোয়াড়ের তালিকা[সম্পাদনা]

ক্লাব বিদেশী খেলোয়াড়
এএফসি
খেলোয়াড়
প্রাক্তন খেলোয়াড়
আইজল ত্রিনিদাদ ও টোবাগো রবার্ট প্রাইমাস ক্যামেরুন আসার পেরিক দিপান্দা ডিকা ত্রিনিদাদ ও টোবাগো উইলিস প্লাজা তাজিকিস্তান বখতিয়র কালান্দারভ প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ড বেজি আর্মান্ড
উজবেকিস্তান ওলিমজন কারিমোভ
কেঁকরে ক্যামেরুন যাচারিয়ে মবেন্দা
চার্চিল ব্রাদার্স ব্রাজিল গুইলহার্মে এসকুরো গিনি সেকোউ সিল্লা নাইজেরিয়া কেনেথ ইকেচুকু লেবানন সাদি স্কাফ
গোকুলাম কেরালা ক্যামেরুন আমিনোউ বৌবা ঘানা রহিম ওসুমানু আফগানিস্তান শরিফ মুখাম্মদ
মহামেডান এসসি সার্বিয়া নিকোলা স্ট্যানজানোভিচ মন্টিনিগ্রো অ্যান্ডজেলো রুডোভিচ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইসমার তান্দির সিরিয়া শাহির শাহিন
নেরোকা ঘানা বেন কানশাহ স্পেন জুয়ান মেরা স্পেন সার্জিও মেন্ডিগুটজিয়া লেবানন মহম্মদ কদুহ
পাঞ্জাব স্পেন জোসেবা বেইটিয়া ইংল্যান্ড কুর্টিস গুথরিয়ে ইংল্যান্ড জোসেফ ইয়ার্নে অস্ট্রেলিয়া ট্রাভিস মেজর
রিয়েল কাশ্মীর স্কটল্যান্ড ম্যাসন রবার্টসন স্পেন ফ্র্যান গঞ্জালেজ ব্রাজিল টিয়াগো আদান দক্ষিণ কোরিয়া পার্ক জং-ওহ
সুদেবা দিল্লি
শ্রীনিদি ডেকান কলম্বিয়া জুয়ান ডেভিড কাস্তানেদা ঘানা মহম্মদ আওয়াল
ট্রাউ ব্রাজিল হেলদার লোবাতো রেবেইরো ব্রাজিল ডগলাস সান্তানা ভেলোসো নাইজেরিয়া জোসেফ ওলালেয়ে ব্রাজিল ফার্নান্দিনহো সেন্ট কিট্‌স ও নেভিস গেরার্ড উইলিয়ামস উজবেকিস্তান আকোবির তুরায়েভ
রাজস্থান ইউনাইটেড এফসি ব্রাজিল মার্সেলিনহো নাইজেরিয়া আকিম আবাওইয়ে আর্জেন্টিনা দিয়েগো বিয়েলকেউইকজ তাজিকিস্তান কোমরোন টুর্সুনোভ

প্রথম পর্ব[সম্পাদনা]

পয়েন্ট তালিকা[সম্পাদনা]

অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট যোগ্যতা অর্জন
গোকুলাম কেরালা ১২ ৩৩ ১০ +২৩ ৩০ চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ড
মহামেডান ১২ ২৩ ১২ +১১ ২৬
পাঞ্জাব ১২ ২৫ ১৭ +৮ ২৩
শ্রীনিদি ডেকান[ক] ১২ ১৮ ১৪ +৪ ২১
চার্চিল ব্রাদার্স ১২ ১৬ ১৫ +১ ২০
নেরোকা ১২ ১৭ ১৬ +১ ১৮
রাজস্থান ইউনাইটেড ১২ ১০ +২ ১৬
রিয়েল কাশ্মীর ১২ ১৮ ২২ −৪ ১৩ অবনমন রাউন্ড
ট্রাউ ১২ ১২ ১৫ −৩ ১২
১০ আইজল ১২ ১৫ ১৯ −৪ ১২
১১ সুদেবা দিল্লি ১২ ১৬ −৭ ১০
১২ ইন্ডিয়ান অ্যারোস[খ] ১২ ২০ −১৪
১৩ কেঁকরে ১২ ১০ ২৪ −১৮
উৎস:[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১ পয়েন্ট; ২) হেড-টু-হেড পয়েন্ট; ৩) হেড-টু-হেড গোল পার্থক্য; ৪) হেড-টু-হেড গোল করা; ৫) গোল পার্থক্য; ৬) গোল সংখ্যা; ৭) ন্যায্য খেলা র‌্যাঙ্কিং; ৮) লটারি
টীকা:
  1. শ্রীনিদি ডেকান সরাসরি লিগে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের অবনমন হবে না[৬]
  2. এটি একটি এআইএফএফ উন্নয়নশীল দল হবার জন্য এটির অবনমন হবে না

ফলাফল[সম্পাদনা]

স্বাগতিক \ সফরকারী AIZ CHB GOK ARW KEN MOH NER RGP RAJ REK SRD SUD TRU
আইজল ১–২ ১–০ ০–২ ০–২ ১–২
চার্চিল ব্রাদার্স ২–১ ০–১
গোকুলাম কেরালা ১–০ ৫–০ ৬–২ ১–১ ৫–১
ইন্ডিয়ান অ্যারোস ০–২ ১–২ ১–০ ১–২
কেঁকরে ১–২ ০–৪
মহামেডান এসসি ১–২ ১–১ ৪–০ ১–০ ১–৩ ২–১ ৩–১ ২–১
নেরোকা ০–২ ২–৪ ০–০ ১–০ ২–১ ১–১ ১–১ ৩–২
পাঞ্জাব ৪–৩ ২–২ ১–৩ ৩–১ ১–১ ০–২ ১–২ ৩–২ ১–০
রাজস্থান ইউনাইটেড ১–০ ২–০ ০–০ ০–০ ০–২ ২–২ ০–০
রিয়েল কাশ্মীর ৩–২ ০–১ ১–১ ১–১ ১–৩ ৩–৩ ১–১ ২–২ ১–১
শ্রীনিদি ডেকান ১–১ ১–২ ২–১ ০–০ ৩–১
সুদেবা দিল্লি ১–২ ০–৪ ০–১ ১–০ ১–১ ০–১
ট্রাউ ২–০ ২–৩ ০–০ ৩–০ ১–২ ০–২ ০–২ ০–০
উৎস: আই-লিগ
রং: নীল = স্বাগতিক দল বিজয়ী; হলুদ = ড্র; লাল = সফরকারী দল বিজয়ী।

রাউন্ড প্রতি ফলাফল[সম্পাদনা]

দল ╲ রাউন্ড১০১১১২
আইজলহাহাহাহাহাহাহাহা
চার্চিল ব্রাদার্সহাড্রহাহাহাড্র
গোকুলাম কেরালাড্রড্রড্র
ইন্ডিয়ান অ্যারোসড্রহাড্রহাহাহাড্রহাহাহা
কেঁকরেড্রহাহাহাহাড্রহাহাহাহাহাহা
মহামেডানহাড্রহাড্র
নেরোকাড্রড্রড্রড্রহাহাড্রড্র
রাজস্থানহাড্রড্রড্রড্রহাড্রড্রড্র
রিয়েল কাশ্মীরড্রহাড্রড্রড্রড্রহাড্রহাড্র
পাঞ্জাবড্রহাড্রহাহা
শ্রীনিদি ডেকানহাহাড্রড্রহাড্র
সুদেবা দিল্লিহাহাড্রহাহাড্রড্রহাড্রহা
ট্রাউড্রহাহাহাহাহাড্রহাড্র
উৎস: আই-লিগ, এআইএফএফ
  = জয়;   = ড্র;   = হার

রাউন্ড প্রতি অবস্থান[সম্পাদনা]

দল ╲ রাউন্ড১০১১১২১৩
আইজল১৩১৩১৩১২১০১০১০
চার্চিল ব্রাদার্স১২১০১১১১১২
গোকুলাম কেরালা
ইন্ডিয়ান অ্যারোস১০১০১২১২১১১১১২১১১২
কেঁকরে১১১২১৩১৩১৩১৩১৩১৩১৩১৩১৩
মহামেডান
নেরোকা
পাঞ্জাব
রাজস্থান১৩১২
রিয়েল কাশ্মীর
শ্রীনিদি ডেকান১০
সুদেবা দিল্লি১১১১১০১১১১১১১২১২১১১২১১
ট্রাউ১০১২১০১০১০১০
চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ড
অবনমন রাউন্ড
উৎস: আই-লিগ

দ্বিতীয় পর্ব[সম্পাদনা]

চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ড[সম্পাদনা]

পয়েন্ট তালিকা[সম্পাদনা]

অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট যোগ্যতা অর্জন
গোকুলাম কেরালা ১৮ ১৩ ৪৪ ১৫ +২৯ ৪৩ চ্যাম্পিয়ন২০২৩-২৪ এএফসি কাপ গ্রুপ পর্ব প্লে-অফ
মহামেডান এসসি ১৮ ১১ ৩৪ ১৮ +১৬ ৩৭
চার্চিল ব্রাদার্স ১৮ ২৪ ২২ +২ ৩১
শ্রীনিদি ডেকান ১৮ ২৭ ১৯ +৮ ৩০
রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ১৮ ৩৩ ২৯ +৪ ২৮
রাজস্থান ইউনাইটেড ১৮ ১৬ ১৬ ২২
নেরোকা ১৮ ২১ ৩০ −৯ ২০
উৎস: আই-লিগ
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) হেড-টু-হেড পয়েন্ট; ৩) হেড-টু-হেড গোল পার্থক্য; ৪) গোল পার্থক্য; ৫) গোল সংখ্যা; ৬) লটারি

সূচি[সম্পাদনা]

স্বাগতিক \ সফরকারী GOK MOH RGP SRD CHB NER RAJ
গোকুলাম কেরালা ২–১ ২–০ ১–৩ ৪–০
মহামেডান এসসি ২–২ ২–০ ২–০
রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ০–২ ৩–৩ ২–১
শ্রীনিদি ডেকান ২–২ ০–০ ১–২
চার্চিল ব্রাদার্স ১–১ ২–১ ০–১ ২–১
নেরোকা ১–৩ ০–২
রাজস্থান ইউনাইটেড ০–১ ০–২
উৎস: আই-লিগ
রং: নীল = স্বাগতিক দল বিজয়ী; হলুদ = ড্র; লাল = সফরকারী দল বিজয়ী।

অবনমন রাউন্ড[সম্পাদনা]

পয়েন্ট তালিকা[সম্পাদনা]

অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট যোগ্যতা অর্জন
আইজল ১৭ ১০ ২৩ ২৬ −৩ ২১
ট্রাউ ১৭ ১৫ ১৭ −২ ১৮
ইন্ডিয়ান অ্যারোস ১৭ ১০ ২৩ −১৩ ১৭[ক]
সুদেবা দিল্লি ১৭ ১৩ ২৩ −১০ ১৭[ক]
রিয়েল কাশ্মীর ১৭ ২৩ ৩১ −৮ ১৪
কেঁকরে ১৭ ১১ ১১ ২৫ −১৪ ১২ ২০২২–২৩ আই-লিগ দ্বিতীয় বিভাগ-এ অবনমন
উৎস: আই-লিগ
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) হেড-টু-হেড পয়েন্ট; ৩) হেড-টু-হেড গোল পার্থক্য; ৪) গোল পার্থক্য; ৫) গোল সংখ্যা; ৬) লটারি
টীকা:
  1. হেড-টু-হেড: ইন্ডিয়ান অ্যারোস ৪ পয়েন্ট, সুদেবা দিল্লি ১ পয়েন্ট

সূচি[সম্পাদনা]

স্বাগতিক \ সফরকারী AIZ TRU ARW SUD REK KEN
আইজল ৩–১ ৩–২ ০–১
ট্রাউ ২–০ ০–০ ০–১
ইন্ডিয়ান অ্যারোস ১–২ ১–০
সুদেবা দিল্লি ০–০ ০–৩
রিয়েল কাশ্মীর ১–১ ১–২ ১–২
কেঁকরে ০–০ ১–০
উৎস: আই-লিগ
রং: নীল = স্বাগতিক দল বিজয়ী; হলুদ = ড্র; লাল = সফরকারী দল বিজয়ী।

সর্বশেষ অবস্থান[সম্পাদনা]

অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট
গোকুলাম কেরালা (C) ১৮ ১৩ ৪৪ ১৫ +২৯ ৪৩
মহামেডান ১৮ ১১ ৩৪ ১৮ +১৬ ৩৭
শ্রীনিদি ডেকান ১৮ ২৭ ১৯ +৮ ৩২
চার্চিল ব্রাদার্স ১৮ ২৪ ২২ +২ ৩০
পাঞ্জাব ১৮ ৩৩ ২৯ +৪ ২৮
রাজস্থান ইউনাইটেড ১৮ ১৬ ১৬ ২২
নেরোকা ১৮ ২১ ৩০ −৯ ২০
আইজল ১৭ ১০ ২৩ ২৬ −৩ ২১
ট্রাউ ১৭ ১৫ ১৭ −২ ১৮
১০ ইন্ডিয়ান অ্যারোস ১৭ ১০ ২৩ −১৩ ১৭
১১ সুদেবা দিল্লি ১৭ ১৩ ২৩ −১০ ১৭
১২ রিয়েল কাশ্মীর ১৭ ২৩ ৩১ −৮ ১৪
১৩ কেঁকরে (R) ১৭ ১১ ১১ ২৫ −১৪ ১২
উৎস: আই-লিগ
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) হেড-টু-হেড পয়েন্ট; ৩) হেড-টু-হেড গোল পার্থক্য; ৪) গোল পার্থক্য; ৫) গোল সংখ্যা; ৬) লটারি
(C) চ্যাম্পিয়ন; (R) অবনমিত।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

হিরো অব দ্য ম্যাচ[সম্পাদনা]

ম্যাচ হিরো অব দ্য ম্যাচ ম্যাচ হিরো অব দ্য ম্যাচ ম্যাচ হিরো অব দ্য ম্যাচ
খেলোয়াড় ক্লাব খেলোয়াড় ক্লাব খেলোয়াড় ক্লাব
ভারত অহন প্রকাশ ইন্ডিয়ান অ্যারোস আফগানিস্তান শরিফ মুহাম্মদ গোকুলাম কেরালা ভারত শ্রেয়ংশ চৌধুরী রাজস্থান ইউনাইটেড
স্পেন সের্জিও মেন্দিগুচিয়া নেরোকা ব্রাজিল তিয়াগো আদান রিয়াল কাশ্মীর ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান
কলম্বিয়া দাভিদ কাস্তানিয়েদা শ্রীনিদি ডেকান স্পেন হুয়ান মেরা নেরোকা ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান
১০ ভারত পার্থিব সুন্দর ইন্ডিয়ান অ্যারোস ১১ স্কটল্যান্ড মেসন রবার্টসন রিয়াল কাশ্মীর ১২ নাইজেরিয়া কেনেথ ইকেচুকু চার্চিল ব্রাদার্স
১৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান ১৪ জ্যামাইকা জর্দাইন ফ্লেচার গোকুলাম কেরালা ১৫ ভারত মুহাম্মদ আব্দুল সালাম নেরোকা
১৬ ভারত অমন থাপা রাজস্থান ইউনাইটেড ১৭ ইংল্যান্ড কার্টিস গুথ্রি রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ১৮ ভারত উইলিয়াম পাউলিয়ানখুম সুদেবা দিল্লি
১৯ ভারত শৌভিক দাস সুদেবা দিল্লি ২০ ভারত রামহলুনচুঙ্গা আইজল ২১ ভারত ফাল্গুনি সিং শ্রীনিদি ডেকান
২২ ব্রাজিল দোগলাস সান্তানা ট্রাউ ২৩ স্লোভেনিয়া লুকা মায়ৎসেন গোকুলাম কেরালা ২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান
২৫ ভারত লালিয়ানসাঙ্গা আইজল ২৬ নাইজেরিয়া ওগানা লুইস শ্রীনিদি ডেকান ২৭ স্পেন সের্জিও মেন্দিগুচিয়া নেরোকা
২৮ ভারত ভিবিন মোহানন ইন্ডিয়ান অ্যারোস ২৯ নাইজেরিয়া কেনেথ ইকেচুকু চার্চিল ব্রাদার্স ৩০ ভারত ক্রিশানন্দা সিং ট্রাউ
৩১ ক্যামেরুন আসের দিপান্দা আইজল ৩২ কলম্বিয়া দাভিদ কাস্তানিয়েদা শ্রীনিদি ডেকান ৩৩ ভারত জিতেশ্বর সিং নেরোকা
৩৪ ভারত গিয়ামার নিকুম রাজস্থান ইউনাইটেড ৩৫ স্লোভেনিয়া লুকা মায়ৎসেন গোকুলাম কেরালা ৩৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান
৩৭ কলম্বিয়া দাভিদ কাস্তানিয়েদা শ্রীনিদি ডেকান ৩৮ ভারত নিশ্চল চন্দন সুদেবা দিল্লি ৩৯ তাজিকিস্তান কোমরোন তুরসুনভ চার্চিল ব্রাদার্স
৪০ তিব্বত তেনজিন সামদুপ কেঁকরে ৪১ স্কটল্যান্ড মেসন রবার্টসন রিয়াল কাশ্মীর ৪২ ভারত জিতিন এমএস গোকুলাম কেরালা
৪৩ ভারত প্রতীক কুমার সিং নেরোকা ৪৪ ভারত রামহলুনচুঙ্গা আইজল ৪৫ ভারত ফাল্গুনি সিং শ্রীনিদি ডেকান
৪৬ ব্রাজিল তিয়াগো আদান রিয়াল কাশ্মীর ৪৭ স্লোভেনিয়া লুকা মায়ৎসেন গোকুলাম কেরালা ৪৮ ভারত ফয়সাল আলি মহামেডান
৪৯ ভারত ফাল্গুনি সিং শ্রীনিদি ডেকান ৫০ জ্যামাইকা জর্দাইন ফ্লেচার গোকুলাম কেরালা ৫১ ভারত সৌরভ মণ্ডল চার্চিল ব্রাদার্স
৫২ ভারত রাজ বাসফোর ইন্ডিয়ান অ্যারোস ৫৩ ভারত সুমীত পাসি রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ৫৪ ভারত রিকি শাবং রাজস্থান ইউনাইটেড
৫৫ ভারত পিটার হাওকিপ নেরোকা ৫৬ ক্যামেরুন আমিনু বুবা গোকুলাম কেরালা ৫৭ ভারত খানঙ্গাম হোরাম ট্রাউ
৫৮ ইংল্যান্ড কার্টিস গুথ্রি রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ৫৯ সার্বিয়া নিকোলা স্তোয়ানোভিচ মহামেডান ৬০ ভারত কিংসলে ফের্নান্দেস চার্চিল ব্রাদার্স
৬১ ভারত ফয়জউদ্দিন শাহ ট্রাউ ৬২ স্লোভেনিয়া লুকা মায়ৎসেন গোকুলাম কেরালা ৬৩ ভারত লালরেমসাঙ্গা ফানাই আইজল
৬৪ ভারত কিংসলে ফের্নান্দেস চার্চিল ব্রাদার্স ৬৫ স্কটল্যান্ড মেসন রবার্টসন রিয়াল কাশ্মীর ৬৬ ইংল্যান্ড কার্টিস গুথ্রি রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব
৬৭ কলম্বিয়া দাভিদ কাস্তানিয়েদা শ্রীনিদি ডেকান ৬৮ স্পেন ওমর রামোস রাজস্থান ইউনাইটেড ৬৯ ভারত এসকে ফয়েজ মহামেডান
৭০ ভারত ব্রিজেশ গিরি ইন্ডিয়ান অ্যারোস ৭১ স্লোভেনিয়া লুকা মায়ৎসেন গোকুলাম কেরালা ৭২ ভারত ফ্রেডি লালুমাউমা রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব
৭৩ ভারত রিকি শাবং রাজস্থান ইউনাইটেড ৭৪ ভারত জিতেশ্বর সিং নেরোকা ৭৫ তাজিকিস্তান কোমরোন তুরসুনভ চার্চিল ব্রাদার্স
৭৬ ভারত উইলিয়াম পাউলিয়ানখুম সুদেবা দিল্লি ৭৭ ক্যামেরুন আমিনু বুবা গোকুলাম কেরালা ৭৮ স্কটল্যান্ড মেসন রবার্টসন রিয়াল কাশ্মীর
৭৯ ভারত সামুয়েল লালমুয়ানপুইয়া আইজল ৮০ ভারত অনিকেত পঞ্চল কেঁকরে ৮১ ভারত কিশন সিং ট্রাউ
৮২ ভারত গুরমুখ সিং রাজস্থান ইউনাইটেড ৮৩ ভারত অ্যালেক্স সাজি গোকুলাম কেরালা ৮৪ ভারত ফয়সাল আলি মহামেডান
৮৫ ভারত পার্থিব সুন্দর ইন্ডিয়ান অ্যারোস ৮৬ ভারত শুভ পল সুদেবা দিল্লি ৮৭ ভারত রঞ্জিত পান্দ্রে কেঁকরে
৮৮ স্পেন ওমর রামোস রাজস্থান ইউনাইটেড ৮৯ ভারত জিতেশ্বর সিং নেরোকা ৯০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান
৯১ ভারত লালরেমসাঙ্গা ফানাই আইজল ৯২ ভারত লৈটংবাম বিসর্জিত সিং ট্রাউ ৯৩ ভারত ভানলালজুইদিকা ছাকছুয়াক সুদেবা দিল্লি
৯৪ ভারত আকাশ সাংওয়ান রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ৯৫ আফগানিস্তান শরিফ মুহাম্মদ গোকুলাম কেরালা ৯৬ ভারত মনোজ মুহাম্মদ মহামেডান
৯৭ ভারত ভিবিন মোহানন ইন্ডিয়ান অ্যারোস ৯৮ ভারত অরবিন্দরাজ রাজন কেঁকরে ৯৯ ভারত লৈশরাম মিলান সিং ট্রাউ
১০০ স্পেন ওমর রামোস রাজস্থান ইউনাইটেড ১০১ কোত দিভোয়ার নোহেরে ক্রিজো চার্চিল ব্রাদার্স ১০২ ভারত তাহির জামান গোকুলাম কেরালা
১০৩ ভারত হিমাংশু জাংরা ইন্ডিয়ান অ্যারোস ১০৪ ভারত বিলাল খান রিয়াল কাশ্মীর ১০৫ ভারত সামুয়েল লালমুয়ানপুইয়া আইজল
১০৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান ১০৭ নাইজেরিয়া ওগানা লুইস শ্রীনিদি ডেকান ১০৮ ভারত রিশাদ পিপি গোকুলাম কেরালা
১০৯ ভারত কিংসলে ফের্নান্দেস চার্চিল ব্রাদার্স ১১০ ভারত ব্রেন্ডন ভানলালরেমদিকা মহামেডান ১১১ ভারত লালরোমাউইয়া শ্রীনিদি ডেকান
১১২ স্পেন হুয়ান মেরা নেরোকা ১১৩ ভারত লালরোমাউইয়া শ্রীনিদি ডেকান ১১৪ ক্যামেরুন আমিনু বুবা গোকুলাম কেরালা
উৎস: এআইএফএফ

মরসুমের পুরস্কার[সম্পাদনা]

পুরস্কার বিজয়ী
হিরো অব দ্য লিগ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ (মহামেডান)
গোল্ডেন বুট ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ (মহামেডান)
সোনার গ্লাভস ভারত ভাস্কর রায় (রাজস্থান ইউনাইটেড)
জার্নাইল সিং পুরস্কার (সেরা ডিফেন্ডার) ক্যামেরুন আমিনৌ বৌবা (গোকুলাম কেরালা)
সেরা মিডফিল্ডার ভারত জিতিন এমএস (গোকুলাম কেরালা)
সৈয়দ আব্দুল রহিম পুরস্কার (সেরা প্রশিক্ষক) ইতালি ভিনসেঞ্জো অ্যালবার্টো অ্যানেস (গোকুলাম কেরালা)
সেরা উঠতি খেলোয়াড় ভারত জিতেশ্বর সিং (নেরোকা)
ফেয়ার প্লে পুরস্কার ইন্ডিয়ান অ্যারোস

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

সর্বোচ্চ গোলদাতা[সম্পাদনা]

অব. খেলোয়াড় ক্লাব গোল
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মার্কাস জোসেফ মহামেডান ১৫
ইংল্যান্ড কুর্টিস গুথরিয়ে রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব ১৩
স্লোভেনিয়া লুকা ম্যাজসেন গোকুলাম কেরালা
স্পেন সার্জিও মেন্ডিগুটজিয়া নেরোকা ১০
কলম্বিয়া ডেভিড কাস্তানেদা শ্রীনিদি ডেকান
নাইজেরিয়া কেনেথ ইকেচুকু চার্চিল ব্রাদার্স
স্কটল্যান্ড ম্যাসন রবার্টসন রিয়েল কাশ্মীর
জ্যামাইকা জৌরদেইন ফ্লেচার গোকুলাম কেরালা
ব্রাজিল টিয়াগো আদান রিয়েল কাশ্মীর
১০ নাইজেরিয়া ওগানা লুইস শ্রীনিদি ডেকান
তাজিকিস্তান কোমরন টুর্সুনোভ চার্চিল ব্রাদার্স

হ্যাট-ট্রিক[সম্পাদনা]

খেলোয়াড় দল প্রতিপক্ষ ফলাফল তারিখ
স্পেন সার্জিও মেন্ডিগুটজিয়া নেরোকা শ্রীনিদি ডেকান ৩–২ ২৭ ডিসেম্বর ২০২১
স্লোভেনিয়া লুকা ম্যাজসেন গোকুলাম কেরালা কেঁকরে ৬–২ ১২ মার্চ ২০২২
সুদেবা দিল্লি ৪–০ ১৫ এপ্রিল ২০২২
ভারত লালরোমাউইয়া শ্রীনিদি ডেকান গোকুলাম কেরালা ৩–১ ১০ মে ২০২২

শৃঙ্খলা[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

  • সর্বাধিক হলুদ কার্ড:
    • আর্জেন্টিনা মাউরো ডস স্যান্টস (রাজস্থান ইউনাইটেড)
  • সর্বাধিক লাল কার্ড:
    • ত্রিনিদাদ ও টোবাগো রবার্ট প্রাইমাস (আইজল)

ক্লাব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. TEAM SPORTSTAR, 21:22 IST (১৪ মে ২০২২)। "Gokulam Kerala 2-1 Mohammedan SC Highlights: GKFC becomes 1st club in 15 years to defend the I-League"sportstar.thehindu.comKolkata, West Bengal: Sportstar। ১৪ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০২২ 
  2. "গোকুলামের প্রথম শিরোপা জয়"টাইমস অফ ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  3. "এআইএফএফ আই-লিগ বিডিং আহ্বান"এআইএফএফ। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  4. "সুদেবা দিল্লি ও শ্রীনিদি ডেকান খেলার সুযোগ পেল"এআইএফএফ 
  5. "এআইএফএফ আপাতত অবনমন স্থগিত রাখল"এআইএফএফ। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  6. "Sudeva FC wins bid for direct entry into the I-League - All you need to know | Goal.com"www.goal.com। ১৯ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-০১