সারদা পীঠ

সারদা পীঠ দেবী সরস্বতীর প্রাচীন মন্দির, যা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম নদীর কাছাকাছি অবস্থিত। এর ধ্বংসাবশেষ ইন্দো-পাক কন্ট্রোল লাইনের কাছে অবস্থিত।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]পুরাণ

সত্য যুগে সতী দেবী তার স্বামীর প্রতি পিতার অপমান সহ্য করতে না পেরে দক্ষযজ্ঞে আত্মাহুতি দেন। শোকাহত মহাদেব রাগান্বিত হয়ে দক্ষর যজ্ঞ ভণ্ডুল করেন এবং সতী দেবীর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। অন্যান্য দেবতাদের অনুরোধে বিষ্ণুদেব তার সুদর্শন চক্র দ্বারা সতী দেবীর মৃতদেহ ছেদন করেন। এতে সতী মাতার দেহখণ্ডসমূহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পড়ে এবং পবিত্র পীঠস্থান (শক্তিপীঠ) হিসেবে পরিচিতি পায়। এখানে দেবীর কান বা দক্ষিণ হস্ত পরেছে। এটি ১৮ মহাশক্তিপীঠের একটি।
পরবর্তী
৬ ও ১২ শতাব্দীর মাঝামাঝি সারদা পীঠ ভারতীয় উপমহাদেশ এর অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় ছিল।[২][৩][৪][৫][৬] একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে, এটি কাশ্মীরী পন্ডিতদের তিনটি বিখ্যাত "তীর্থ" বা পবিত্র স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। অন্য দুটি হচ্ছে মার্তন্ড সূর্য মন্দির এবং অমরনাথ মন্দির [৭][৮]।২০০৫ সালে ভূমিকম্পে এটির ক্ষতি হয়।
আইকনোগ্রাফি
[সম্পাদনা]
ধ্যানমন্ত্র অনুযায়ী শারদা দেবী হলেন ছয়টি হাতবিশিষ্টা সিংহবাহিনী । শারদা যিনি সমস্ত প্রাপ্তি প্রদান করেন। তার তিনটি চোখ,একটি পূর্ণিমার মত উজ্জ্বল মুখ; তার ছয়টি উজ্জ্বল হাতে একটি বর্শা(শক্তি অস্ত্র), একটি ধনুক, তীর, একটি ঘণ্টা, অমৃতের একটি পাত্র; এবং একটি রত্নখচিত কলস। শারদা, শৈলে অবস্থিতা হাস্যরতা দেবী, তিনি হলেন ত্রিলোকজননী, সূর্য ও আগুনের চোখ এবং ছয়টি হাত সহ সর্বশক্তিমান রূপ। ভগবতীকে নমস্কার যা সাধকদের ভক্তি দ্বারা অর্জিত হয়। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত শারদা শীঘ্রই কাঙ্ক্ষিত ফলদায়ক কল্যাণ পূর্ণ করুক!
এছাড়াও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ধ্বংসের অপেক্ষায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরের এই হিন্দু তীর্থক্ষেত্র"। Anandabazar। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ Kulbhushan, Warikoo (এপ্রিল–জুন ১৯৯৯)। "Eco-cultural Heritage of Kashmir"। Himalayan and Central Asian Studies। ৩ (2): ৪০।
For a long time, Kashmir along with Nalanda and Taxila shared fame as an important seat of learning and culture in India. Known as Sharda Peeth, its remains are still existing across the Line of Control inside Pak-occupied Kashmir.
- ↑ Raina, Mohini Qasba (২০১৩)। Kashur: The Kashmiri Speaking People। Trafford Publishing। পৃ. ১৯১। আইএসবিএন ১৪৯০৭০১৬৫৬।
The main centre of excellence was at Sharda Peeth - an ancient seat of learning on the banks of the river Kishenganga in the valley of Mount Harmukh.
- ↑ Raina, Dina Nath (১৯৯৪)। Kashmir - distortions and reality। Michigan: Reliance Publishing House, University of Michigan। পৃ. ৩৭। আইএসবিএন ৮১৮৫৯৭২৫২৪।
during which Kashmir emerged as the "Sharda Peeth", a hallowed place for ancient learning.
- ↑ Singh, Sahana (২০১৭)। The Educational Heritage of Ancient India। Chennai: Notion Press। পৃ. ২২–২৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৪৭৫৮৬-৫৩-৬।
- ↑ Raina, Mohini Qasba (২০১৩)। Kashur: The Kashmiri Speaking People। Trafford Publishing। পৃ. ১৯১। আইএসবিএন ১৪৯০৭০১৬৫৬।
- ↑ Kumar, Ramesh (১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮ – ১৫ জানুয়ারি ১৯৯৯)। "Sarada Pilgrimage - its Socio-Historicity - I" (পিডিএফ)। Kashmir Sentinel। ৫: ১৬। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "কোথায় সরস্বতী? পাক অধীকৃত কাশ্মীরে খণ্ডহর জ্ঞানচর্চার এই পীঠস্থান"। publicvibe.com। ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৯।