বিষয়বস্তুতে চলুন

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ লোগো
ধরনমেডিকেল কলেজ
স্থাপিত৫ নভেম্বর ১৯৯২; ৩৩ বছর আগে (1992-11-05)
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (এমবিবিএস)
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পোস্ট গ্রাজুয়েট)
অধ্যক্ষঅধ্যাপক ডাঃ মোঃ ওয়াদুদুল হক তরফদার
পরিচালকব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম নূরুল ইরফান
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
১০৬
শিক্ষার্থী৯০০
অবস্থান,
২৪°৪৯′৪৯″ উত্তর ৮৯°২১′১০″ পূর্ব / ২৪.৮৩০২° উত্তর ৮৯.৩৫২৮° পূর্ব / 24.8302; 89.3528
শিক্ষাঙ্গনশহুরে, ৪০ একর (১৬ হেক্টর)
ভাষাবাংলা, ইংরেজি
সংক্ষিপ্ত নামশজিমেক
ওয়েবসাইটszmc.gov.bd
মানচিত্র
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ। এটি বগুড়া শহরে অবস্থিত। এটি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ‍্যালয়ের অধিভুক্ত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।[১]

কলেজ পাঁচ বছর মেয়াদী কোর্স শেষে এমবিবিএস ডিগ্রি প্রদান করে। স্নাতক পরবর্তী এক বছরের ইন্টার্নশিপ সমস্ত স্নাতকদের জন্য বাধ্যতামূলক। ডিগ্রীটি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত।[২]

অবস্থান

[সম্পাদনা]

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। এর ঠিক সামনেই উত্তরবঙ্গের প্রথম ও বিখ্যাত চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেন অবস্থিত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ১৯৯২ সালের ৫ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।[৩] শুরুর দিকে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে এর অস্থায়ী ক্যাম্পাস ছিল। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট শহরের অদূরে সিলিমপুরে কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বগুড়ার কৃতি সন্তান শহীদ জিয়াউর রহমানের নামে এই কলেজটির নামকরণ করা হয়েছে। শুরুতে কলেজটির আসন সংখ্যা ৫০ টি থাকলেও ২০০৫ সাল থেকে তা ১৫০ এ উন্নীত হয়। বর্তমানে এর আসন সংখ্যা ২০০ টি।[৪]

২০০৬ সালে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু হয়। ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সরকার এটিকে ১২০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করে।[৫][৬]

অবকাঠামো

[সম্পাদনা]

প্রাক-ক্লিনিকাল এবং প্যারা-ক্লিনিকাল বিভাগগুলো কলেজ ভবনে এবং ক্লিনিকাল বিভাগগুলো হাসপাতাল ভবনে রয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণে গ্যালারী ১, ২, ৩, ৪, টিউটোরিয়াল কক্ষ, ব্যবচ্ছেদ কক্ষ, ব্যবহারিক শ্রেণীকক্ষ, পরীক্ষাগার, জাদুঘর, মেডিকেল শিক্ষা শাখা রয়েছে। কলেজ ভবনে মেডিকেল দক্ষতা কেন্দ্র, ময়নাতদন্তের মর্গ, সেমিনার কক্ষ, গ্রন্থাগার (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত), কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে।[৩]

শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ছেলেদের ২ টি হল, মেয়েদের ২ টি হল, একটি বড় খেলার মাঠ, একটি ভলিবল কোর্ট, ব্যাডমিন্টন কোর্ট, একটি কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং একটি ক্যান্টিন রয়েছে।[৭]

অধিভুক্তি ও অধ্যয়ন

[সম্পাদনা]

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অধিভুক্ত কলেজ। শিক্ষার্থীরা পাঁচ বছর মেয়াদী কোর্স শেষ করে এবং চূড়ান্ত এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে।[৩] প্রফেশনাল পরীক্ষাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়া হয় এবং ফলাফল দেওয়া হয়। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলো যেমন: কার্ড সম্পূর্ণতা, টার্ম শেষ এবং নিয়মিত মূল্যায়ন নিয়মিত বিরতিতে নেওয়া হয়। এছাড়া কলেজটি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৭টি বিষয়ে ২ বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা, শারীরতত্ত্ব বিষয়ে ২ বছর মেয়াদী এমফিল এবং ৫ বছর মেয়াদী ডক্টর অব মেডিসিন (এমডি) কোর্স পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ http://www.szmc.gov.bd/
  2. ↑ "শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
  3. 1 2 3 "Welcome to SZMC"। szmc.gov.bd (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
  4. ↑ "History"। szmc.gov.bd (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
  5. ↑ "৫শ থেকে ১২শ শয্যায় উন্নীত হলো শজিমেক হাসপাতাল"। জাগো নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
  6. ↑ "১২০০ শয্যায় উন্নিত হলো বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
  7. ↑ "General information"। szmc.gov.bd (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]