ক্যালভিন কুলিজ
ক্যালভিন কুলিজ | |
|---|---|
কুলিজ ১৯২৪ সালে | |
| ৩০তম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট | |
| কাজের মেয়াদ ২ আগস্ট, ১৯২৩ – ৪ মার্চ, ১৯২৯ | |
| উপরাষ্ট্রপতি | |
| পূর্বসূরী | ওয়ারেন জি. হার্ডিং |
| উত্তরসূরী | হার্বার্ট হুভার |
| ২৯তম যুক্তরাষ্ট্রের সহ-সভাপতি | |
| কাজের মেয়াদ ৪ মার্চ, ১৯২১ – ২ আগস্ট, ১৯২৩ | |
| রাষ্ট্রপতি | ওয়ারেন জি. হার্ডিং |
| পূর্বসূরী | থমাস আর. মার্শাল |
| উত্তরসূরী | চার্লস জি. ডাউস |
| ৪৮তম ম্যাসাচুসেটসের গভর্নর | |
| কাজের মেয়াদ ২ জানুয়ারি, ১৯১৯ – ৬ জানুয়ারি, ১৯২১ | |
| লেফটেন্যান্ট | চ্যানিং এইচ. কক্স |
| পূর্বসূরী | সামুয়েল ডব্লিউ. ম্যাককাল |
| উত্তরসূরী | চ্যানিং এইচ. কক্স |
| ৪৬তম ম্যাসাচুসেটসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর | |
| কাজের মেয়াদ ৬ জানুয়ারি, ১৯১৬ – ২ জানুয়ারি, ১৯১৯ | |
| গভর্নর | সামুয়েল ডব্লিউ. ম্যাককাল |
| পূর্বসূরী | গ্রাফটন ডি. কাশিং |
| উত্তরসূরী | চ্যানিং এইচ. কক্স |
| ম্যাসাচুসেটস সিনেটের প্রেসিডেন্ট | |
| কাজের মেয়াদ ৭ জানুয়ারি, ১৯১৪ – ৬ জানুয়ারি, ১৯১৫ | |
| পূর্বসূরী | লেভি এইচ. গ্রিনউড |
| উত্তরসূরী | হেনরি গর্ডন ওয়েলস |
| ম্যাসাচুসেটস সিনেটে সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ৩ জানুয়ারি, ১৯১২ – ৬ জানুয়ারি, ১৯১৫ | |
| পূর্বসূরী | অ্যালেন টি. ট্রেডওয়ে |
| উত্তরসূরী | জন বি. হল |
| নির্বাচনী এলাকা | বার্কশায়ার, হ্যাম্পডেন, এবং হ্যাম্পশায়ার কাউন্টি |
| ১৬তম মেয়র | |
| কাজের মেয়াদ ৩ জানুয়ারি, ১৯১০ – ১ জানুয়ারি, ১৯১২ | |
| পূর্বসূরী | জেমস ডব্লিউ. ও'ব্রায়েন |
| উত্তরসূরী | উইলিয়াম ফেইকার |
| -নির্বাচিত সদস্য ১ম হ্যাম্পশায়ার জেলা থেকে | |
| কাজের মেয়াদ ২ জানুয়ারি, ১৯০৭ – ৬ জানুয়ারি, ১৯০৯ | |
| পূর্বসূরী | মূসেস এম. বাসেট |
| উত্তরসূরী | চার্লস এ. মন্টগোমেরি |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | জন ক্যালভিন কুলিজ জুনিয়র ৪ জুলাই ১৮৭২ প্লাইমাউথ নটচ, ভারমন্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| মৃত্যু | ৫ জানুয়ারি ১৯৩৩ (বয়স ৬০) নর্থাম্পটন, ম্যাসাচুসেটস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| সমাধিস্থল | প্লাইমাউথ নটচ সেমেট্রি |
| রাজনৈতিক দল | রিপাবলিকান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | গ্রেস গুডহিউ (বি. ২০২৬) |
| সন্তান | ২, এর মধ্যে জন |
| পিতামাতা |
|
| আত্মীয়স্বজন | ক্যালভিন গ্যালুশা কুলিজ (দাদামহাশায়)
পার্ক পোলার্ড (কোতু) |
| শিক্ষা | আমহার্স্ট কলেজ (এবি) |
| পেশা |
|
| স্বাক্ষর | |
ক্যালভিন কুলিজ (জন্মের নাম জন ক্যালভিন কুলিজ জুনিয়র; ৪ঠা জুলাই, ১৮৭২ – ৫ই জানুয়ারি, ১৯৩৩) আমেরিকার ৩০তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯২৩ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ম্যাসাচুসেটসের এই রিপাবলিকান আইনজীবী এর আগে ১৯২১-১৯২৩ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রেসিডেন্ট ওয়ারেন জি. হার্ডিংয়ের অধীনে) আর ১৯১৯-১৯২১ সালে ম্যাসাচুসেটসের গভর্নর হিসেবে কাজ করেছিলেন। খুব বেশি কথা বলতেন না, মজাও করতেন শুকনো স্টাইলে—এই স্বভাবের জন্য তাঁকে ডাকা হত "চুপচাপ ক্যাল" (Silent Cal)। সরকার যেন ছোট থাকে, এই রক্ষণশীল ধারণারও তিনি পক্ষপাতী ছিলেন।
কুলিজের কর্মজীবন শুরু ম্যাসাচুসেটসের রাজ্য সরকারে কাজ করার মধ্য দিয়ে। ধীরে ধীরে রাজ্য রাজনীতিতে উঠে ১৯১৮ সালে গভর্নর নির্বাচিত হন। গভর্নর থাকার সময় টাকাপয়সার হিসাব নিকাশে কড়াকড়ি, মহিলাদের ভোটাধিকরের জোরালো সমর্থন আর মদ নিষিদ্ধ করার বিরোধিতা—এই বিষয়গুলো নিয়ে তিনি প্রচার চালিয়েছিলেন। ১৯১৯ সালে বোস্টন পুলিশের ধর্মঘটে তাঁর দ্রুত আর কড়া পদক্ষেপ সারা দেশে তাঁকে এক "কাজের মানুষ" হিসেবে পরিচিত করে তোলে। পরের বছর, ১৯২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি তাঁকে হার্ডিংয়ের সহপ্রার্থী (ভাইস প্রেসিডেন্ট) মনোনীত করে। তারা বিপুল ভোটে জিতে যায়। হার্ডিং ১৯২৩ সালে মারা গেলে কুলিজ প্রেসিডেন্ট হন।
তাঁর প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন হার্ডিং আমলের কেলেঙ্কারিগুলোর পর আবার মানুষ হোয়াইট হাউসে ভরসা ফিরে পায়। তিনি ১৯২৪ সালে ইন্ডিয়ান নাগরিকত্ব আইন পাস করান, যার ফলে সব আদিবাসী আমেরিকান নাগরিকত্ব পায়। তাঁর সময়েই আমেরিকায় "হৈ-হুল্লোড়ে ভরা বিশের দশক" (Roaring Twenties) নামে অর্থনীতির জোয়ার আসে। বেশ জনপ্রিয় অবস্থায় তিনি প্রেসিডেন্টের চাকরি ছাড়েন। ব্যবসায় সরকার যেন হাত না গলায়, এই নীতিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন। জীবনীকার ক্লড ফিউস লিখেছিলেন: "তিনি মধ্যবিত্ত মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষারই প্রতীক ছিলেন, তাদের মনের কথা বুঝতে আর বলতে পারতেন। সাধারণ মানুষেরই প্রতিনিধি ছিলেন বলেই তিনি এত শক্তিশালী ছিলেন।" ১৯২৮ সালে তিনি আর প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াননি। কারণ তাঁর মতে, দশ বছর প্রেসিডেন্ট থাকা "কারো থেকেই বেশি—খুবই বেশি!"
জাতিগত বিভেদ যখন তুঙ্গে, সেই সময়ে সব জাতির সমান অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য কুলিজকে এখনও স্মরণ করা হয়। যারা ছোট সরকার আর বাজারে সরকারি হস্তক্ষেপ না চান, তাঁরাও তাঁকে সম্মান করেন। তবে যারা চান সরকার সক্রিয় হোক, তাদের কাছে কুলিজের কদর ততটা নেই। সমালোচকরা বলেন, দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগোচ্ছিল, তখন তিনি কৃষক বা পিছিয়ে পড়া শিল্পের শ্রমিকদের সাহায্য করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। আর একটা বড় বিতর্ক হলো—তাঁর নীতিই কি পরের মহামন্দার কারণ? কারণ তিনি প্রেসিডেন্ট ছাড়ার পরপরই এই মন্দা শুরু হয়। গবেষকরা সাধারণত আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের তালিকায় তাঁকে মাঝামাঝি বা নিচের দিকেই রাখেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]জন ক্যালভিন কুলিজ জুনিয়র ১৮৭২ সালের ৪ঠা জুলাই ভেরমন্টের উইন্ডসর কাউন্টির প্লেমাউথ নচে জন্মগ্রহণ করেন। জন ক্যালভিন কুলিজ সিনিয়র (১৮৪৫-১৯২৬) এবং মাতা ভিক্টোরিয়া জোসেফিন মুর (১৮৪৬-১৮৮৫) দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে কুলিজ জুনিয়র জ্যেষ্ঠ। কুলিজ সিনিয়র বিভিন্ন রকমের পেশার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং রাজ্য জুড়ে কৃষক, দোকান মালিক ও সরকারি চাকুরে হিসেবে তার খ্যাতি ছিল। তিনি বিভিন্ন স্থানীয় দপ্তরে কাজ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে জাস্টিস অব দ্য পিস, ট্যাক্স কালেক্টর, ও ভেরমন্ট হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সিনেট।[১] কুলিজের মাতা জোসেফিন মুর ছিলেন প্লেমাউথ নচের একজন কৃষকের কন্যা। কুলিজের যখন ১২ বছর বয়স তখন তিনি সম্ভবত যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার ছোট বোন অ্যাবিগেইল গ্রেস কুলিজ (১৮৭৫-১৮৯০) পনের বছর বয়সে অ্যাপেন্ডিসাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তখন কুলিজের বয়স ছিল ১৮ বছর। কুলিজের বাবা পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে প্লেমাউথের এক স্কুল শিক্ষিকাকে বিয়ে করেন এবং ৮০ বছর পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ সোবেল ১৯৯৮, পৃ. ২২।
- ↑ ফুয়েস ১৯৪০, p. ১৭; ম্যাকয় ১৯৬৭, p. ৫; হোয়াইট ১৯৩৮, p. ১১.
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- ↑ কুলিজ, ওয়ারেন জি. হার্ডিংয়ের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং ২ আগস্ট, ১৯২৩ তার মৃত্যুর পর প্রেসিডেন্ট হন। এটি ছিল ১৯৬৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে বিশ্লেষণের পূর্বে, সহ-সভাপতির পদটি পূর্ণ হয় নি যতক্ষণ না পরবর্তী নির্বাচনে ও শপথ গ্রহণের সময়।
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি- ১৮৭২-এ জন্ম
- ১৯৩৩-এ মৃত্যু
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন রাজনীতিবিদ
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন লেখক
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি
- মার্কিন আত্মজীবনীকার
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন পুরুষ লেখক
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অ-কল্পকাহিনী লেখক
- অ্যামহার্স্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০শ শতাব্দীর রাষ্ট্রপতি
- রিপাবলিকান পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সন্তান