ফেসবুক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ফেইসবুক থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ফেইসবুক, ইনক.
Facebook.svg
ধরণ পাবলিক
ব্যবসা হিসাবে ন্যাসড্যাকএফবি
সংস্থাপিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০০৪
(১১ বছর আগে)
 (২০০৪-০২-০৪) ক্যামব্রিজ, ম্যাসাচুসেট্‌স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৪)
সদর দপ্তর ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
অঞ্চলিক পরিসেবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪–০৫)
বিশ্বব্যাপী (২০০৫–বর্তমান)
প্রতিষ্ঠাতা
প্রধান ব্যক্তি মার্ক জাকারবার্গ
(চেয়ারম্যান এবং সিএও)
শেরিল স্যান্ডবার্গ
(সিওও)
শিল্প ইন্টারনেট
আয় বৃদ্ধি ইউএস$১২.৪৬৬ বিলিয়ন (২০১৪)[১]
বিক্রয় আয় বৃদ্ধি ইউএস$৪.৯৮২ বিলিয়ন (২০১৪)[১]
নীট আয় বৃদ্ধি ইউএস$২.৯৪ বিলিয়ন (২০১৪)[১]
মোট সম্পদ বৃদ্ধি ইউএস$৪০.১৮৪ বিলিয়ন (২০১৪)[১]
মোট ইকুইটি বৃদ্ধি ইউএস$৩৬.০৯৬ বিলিয়ন (২০১৪)[১]
কর্মী ৯,১৯৯ (ডিসেম্বর ২০১৪)[২]
সহায়কারী প্রতিষ্ঠান ইন্সটাগ্রাম
হোয়াটসএ্যাপ
ওকুলাস ভিআর
প্রাইভেট কোর
ওয়েবসাইট www.facebook.com তোর: facebookcorewwwi.onion[৩]
যে ভাষায় লিখিত সি++, পিএইচপি(এইচএইচভিএম হিসেবে)[৪] এবং ডি প্রোগ্রামিং ভাষা[৫]
আলেক্সা স্থান অপরিবর্তিত ২ (সেপ্টেম্বর ২০১৪)[৬]
সাইটের ধরন সামাজিক নেটওয়ার্কিং পরিষেবা
নিবন্ধীকরণ আবশ্যক
ব্যবহারকারীরা ৮৯০ মিলিয়ন প্রত্যাহিক সক্রিয় ব্যবহারকারি ডিসেম্বর ২০১৪ সালের গড় থেকে [২]
উপলব্ধ ভাষাসমূহ বহুভাষিক (৭০)
বর্তমান অবস্থা সক্রিয়

ফেইসবুক বা ফেসবুক (ফেবু হিসাবে সংক্ষিপ্ত) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।

মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সারাবিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ৩০০ মিলিয়ন কার্যকরী সদস্য।

ফেসবুক তার চলার পথে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়া, চায়না এবং ইরান সহ বেশ কয়েকটি দেশে এটা আংশিকভাবে কার্যকর আছে। এটার ব্যবহার সময় অপচয় ব্যাখ্যা দিয়ে কর্মচারীদের নিরুৎসাহিত করে তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফেসবুক ওয়েবসাইট কে আইন জটিলতায় পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকবার জুকেরবার্গের সহপাঠী কর্তৃক, তারা অভিযোগ এনেছেন যে ফেসবুক তাদের সোর্স কোড এবং অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী ফেসবুকের মূলধন ২১২ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে উঠেছে।[৭]

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মার্ক জাকারবার্গ, হার্ভার্ড এ তার ২য় বর্ষ চলাকালীন সময়ে, অক্টোবর ২৮, ২০০৩ এ তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বসূরি সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যাবহার করেন। তিনি দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষারথিদের ভোট দিতে বলেন। কোন ছবিটি হট আর কোনটি হট নয়। 'হট অর নট'। এজন্য মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাঁক করেন। ফেসম্যাস সাইট এ মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন।

  • ২০০৪: ফেসম্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ এর জানুয়ারিতে মার্ক তার নতুন সাইট এর কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে দিফেসবুক.কম এর উদ্বোধন করেন। শিঘ্রই মার্ক জাকারবার্গ এর সাথে যোগ দেন ডাস্টিন মস্কোভিৎজ (প্রোগ্রামার), ক্রিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন (ব্যবসায়িক মুখপাত্রও) এবং অ্যান্ডরু ম্যাককলাম (গ্রাফিক্ আর্টিস্ট)। জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
  • ২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
  • ২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
  • ২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়। এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
  • ২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়। এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়। আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
  • ২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি। ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
  • ২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।

যৌথ কারবার[সম্পাদনা]

ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

২০১২ সালের হিসাব অনুযায়ী ফেসবুকের মালিকানা নিম্নরূপ:

২০০৮ সালের মে মাসে ফেসবুকের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা এবং মার্ক জাকারবার্গের বন্ধু অ্যাডাম ডি’অ্যাঞ্জেলো পদত্যাগ করেন। প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল, এবং তিনি এই কোম্পানির আংশিক মালিকানার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।[১১]

প্রধান পরিচালনার কর্মিবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন ক্রিস কক্স (ভাইস প্রেসিডেন্ট), শেরিল স্যান্ডবার্গ (প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা), মার্ক জাকারবার্গ (চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা)। ২০১১ সালের এপ্রিল অনুযায়ী, ফেসবুকের প্রায় ২,০০০ জন কর্মচারি রয়েছে এবং তাদের দপ্তর রয়েছে ১৫টি দেশে।[১২]

আয়[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:ফেসবুক আয় ফেসবুকের বেশিরভাগ আয় হয় বিজ্ঞাপন থেকে।[১৩][১৪] ফেসবুকে সাধারণত অন্যান্য প্রধান ওয়েবসাইট থেকে কম ক্লিকথ্রু হার (সিটিআর) রয়েছে। বিজনেসউইক.কমের মতে ফেসবুকের ব্যানার বিজ্ঞাপনে পাঁচ ভাগের একভাগ ক্লিক পড়ে অন্য ওয়েবের তুলনায়[১৫], যদিও সত্যিকার বিশেষ তুলনায় এটা অসম হতে পারে। উদাহরণসরূপ, যেখানে গুগল ব্যবহারকারী খোঁজার ফলাফলের প্রথম বিজ্ঞাপনের লিংকগুলোতে ক্লিক করে গড় হিসেবে ৮% (৮০০০০ ক্লিক প্রতি এক মিলিয়ন সার্চে)[১৬] সেখানে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে গড়ে ০.০৪% (৪০০ ক্লিক প্রতি এক মিলিয়ন পাতায়)[১৭]

সারাহ স্মিথ, যিনি ফেসবুকের অনলাইন বিক্রয় কার্যের ব্যবস্থাপক ছিলেন ২০১২ পর্যন্ত[১৮], প্রতিবেদন করেছিলেন যে সাইটে বিজ্ঞাপন সফলতার হার ছিল ০.০৫% থেকে ০.০৪% এবং বিজ্ঞাপন সিটিআর দুই সপ্তাহের মধ্যেই কমে যাওয়ার প্রবণতা ছিল।[১৯]

ফেসবুকের কম সিটিআর হওয়ার কারন হল তরুণ ব্যবহারকারিদের বিজ্ঞাপন বন্ধের সফটওয়্যার এবং বিজ্ঞাপন এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা সেই সাথে যোগ করা যায় সাইটটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য যা ছিল শুধুমাত্র একটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট থাকা শুধুমাত্র বিষয়বস্তু দেখার বদলে।[২০] ডিজিটাল পরামর্শ দাতা আইস্ট্রেটেজি ল্যাবের মতে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মধ্যভাগে ১৩ থেকে ১৭ বছরের তরুণরা ফেসবুকের সামাজিক বিজ্ঞাপনের কর্মসূচিতে ছিল যাদের সংখ্যা ছিল মাত্র তিন মিলিয়ন ২০১১ তুলনায়। [২১]

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ফ্রাঙ্ক এন. মজিদ এবং সহযোগিদের প্রতিবেদনে বলা হয় ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়স্ক ব্যবহারকারির সংখ্যা ৮৮% নেমে এসেছে যা ২০১৩ সালে ছিল ৯৪% এবং ২০১২ সালে ছিল ৯৫%।[২২]

স্টক ইতিহাস[সম্পাদনা]

ফেসবুক স্টকের চার্ট
  • ডিসেম্বর ২২, ২০১৪ সর্বকালের উচ্চ সমাপ্তি ইউএস $৮১.৮৯ closing high
  • ডিসেম্বর ২৩, ২০১৪ দিন সূচক ইউএস $৮২.১৭ All-time intra-day high[FB ID: Prince Sakile]

একত্রীকরণ এবং অধিগ্রহণ[সম্পাদনা]

নভেম্বর ১৫, ২০১০ সালে ফেসবুক ঘোষনা করে এটি আমেরিকান ফার্ম বিউরো ফেডারেশন থেকে ডোমেইন নাম এফবি.কম কিনে নিয়েছে যার মূল্য তারা গোপন রেখেছে। ২০১১ সালের ১১ই জানুয়ারি, আমেরিকান ফার্ম বিউরো ফেডারেশন জানায় $৮.৫ মিলিয়ন ডলারে তারা ডোমেইনটি বিক্রি করে। যার ফলে এই ডোমেইন বিক্রয় ডোমেইন বিক্রির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের বিক্রিত দশটি ডোমেইনে জায়গা করে নিয়েছে।[২৩]

অফিস[সম্পাদনা]

২০১১ সালের শুরুর দিকে ফেসবুক ঘোষনা করে তাদের নতুন মূল অফিস সান মাইক্রোসিস্টেমের ক্যাম্পাস ম্যানলো পার্কে সরানোর পরিকল্পনার কথা।[২৪] আমেরিকা এবং কানাডার বাইরে সকল ব্যবহারকারীর ফেসবুকের আইরিস অধীনস্ত কোম্পানি "ফেসবুক আয়ারল্যান্ড লি." সাথে চুক্তিবদ্ধ। এর ফলে যারা ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের জন্য কোন আমেরিকান কর ফেসবুককে দিতে হয় না। ফেসবুক দ্বৈত আইরিশ সমঝোতা ব্যবহার করছে যার ফলে আন্তজার্তিক আয়ের উপর তাদের ২-৩% করর্পোরেশ কর দিতে হচ্ছে।[২৫]

২০১০ সালে ফেসবুক তাদের চতুর্থ অফিস খুলে হায়দ্রাবাদে[২৬][২৭][২৮] এবং এশিয়ায় সেটিই প্রথম[২৯]। ফেসবুক ঘোষনা করে তাদের হায়দ্রাবাদ কেন্দ্র ব্যবহার করা হবে বিজ্ঞাপন এবং ডেভেলপার সমর্থন দলের কাজে এবং বৃত্তাকারে ব্যবহারকারী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের বহুভাষী সমর্থন দেবে[৩০]। এর সাথে তারা গুগল, মাইক্রোসফট, ওরাকল, ডেল, আইবিএম এবং কম্পিউটার এসোসিয়েটসের সাথে যোগ দেয় যাদের ইতিমধ্যেই দোকান রয়েছে[৩১]। হায়দ্রাবাদে এটি নিবন্ধন করা হয়েছে "ফেসবুক ইন্ডিয়া অনলাইন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড" হিসেবে।[৩২][৩৩][৩৪]

ফেসবুক জানিয়েছে তারা হায়দ্রাবাদের কেন্দ্রে কর্মী নেয়া শুরু করেছে[৩৫] যা ফেসবুকের মূল কর্মযজ্ঞে ক্যালিফোর্নিয়া, ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড) এবং অস্টিনের (টেক্সাস) পাশাপাশি ভূমিকা রাখবে।

২০১১ সালের এপ্রিলে অরিগনের প্রিন্সভিলে ফেসবুক ডাটা সেন্টার স্থাপন করে যা ৩৮% কম শক্তি ব্যবহার করে তাদের আগের ডাটা সেন্টারের তুলনায়[৩৬]। ২০১২ সালের এপ্রিলে ২য় আরেকটি ডাটা সেন্টার স্থাপন করে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার ফরেস্ট সিটিতে[৩৭]

২০১২ সালের পহেলা অক্টোবর ফেসবুকের সিইও জাকারবার্গ মস্কো ভ্রমন করেন রাশিয়ার সামাজিক মাধ্যমের নব্যরীতি উদ্দিপনা জাগাতে এবং রাশিয়ার বাজারে ফেসবুকের অবস্থান বাড়াতে[৩৮]। রাশিয়ার যোগাযোগ মন্ত্রী টুইটারের মাধ্যমে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রী মেদভেদেব সামাজিক মাধ্যমের আবিষ্কারকে আহবান জানিয়েছেন যেন তিনি রাশিয়ার প্রোগ্রামারদের লোভ দেখানোর পরিকল্পনা বাদ দেন এবং এখানেই একটি গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করেন। রাশিয়ায় ফেসবুকের প্রায় ৯ মিলিয়ন ব্যবহাকারি রয়েছে, যেখানে তাদের নিজস্ব ভিকে সাইটের ব্যবহারকারি আছে ৩৪ মিলিয়ন।[৩৯]


মুক্ত উৎসে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

ফেসবুক ফ্রি এবং মুক্ত উৎসের সফটওয়্যারের ভোক্তা এবং এর উন্নয়নে অবদানকারি। ফেসবুকের অবদানগুলোর মধ্যে আছে হিপহপ ফর পিএইচপি, ফেয়ার শিডিউলার ইন এ্যাপাচি হাডুপ, এ্যাপাচি হাইভ, এ্যাপাচি ক্যাসান্ড্রা এবং মুক্ত গণনা প্রকল্প

ফেসবুক অন্যান্য মুক্ত প্রকল্পেও অবদান রাখে যেমন ওরাকলের মাইএসকিউএল ডাটাবেজ ইঞ্জিন।

ওয়েবসাইট[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০৮ সালের ২০শে জুলাই ফেসবুক "ফেসবুক বেটা" সূচনা করে কিছু নির্বাচিত নেটওয়ার্কে, যা ছিল এর ব্যবহারকারি ইন্টারফেসে গুরুত্বপূর্ন পরিবর্তন। মিনি-ফিড এবং ওয়াল সুসংহত করা হয়, প্রোফাইল আলাদা ট্যাবে ভাগ করা হয় এবং সুন্দর করার একটা প্রচেষ্টা নেয়া হয়।[৪০] প্রথম অবস্থায় ব্যবহারকারিকে পুরনো এবং নতুন চেহারার মাঝে নির্বাচন করতে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সব ব্যবহারকারিকেই নতুন চেহারার ভার্সনে পরিবর্তিত করা হয় যা ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়।[৪১] ১১ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে এটি ঘোষনা করে ফেসবুক একটি অতি সাধারণ সাইনআপ বা রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া পরিক্ষণ করে দেখছে।[৪২]

ব্যবহারকারি জীবনলেখ্য (প্রোফাইল)[সম্পাদনা]

একক ব্যবহারকারি পাতার ফরমেটটি ২০১১ সালের শেষের দিকে পুর্নগঠন করা হয় এবং যা পরবর্তীতে হয় প্রোফাইল অথবা ব্যক্তিগত টাইমলাইন হিসেবে পরিচিত হয়ে আসছে।[৪৩][৪৪] ব্যবহারকারিরা তাদের প্রোফাইল ছবি, চিত্র, ব্যক্তিগত আগ্রহ, যোগাযোগ ঠিকানা, জীবনের স্মরনীয় ঘটনা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: চাকুরি তথ্য) সহকারে তৈরি করতে পারে।[৪৫] ব্যবহারকারিরা একে অন্যের সাথে উন্মুক্ত এবং গোপনীয়ভাবে যোগাযোগ করেতে পারে বার্তা ও চ্যাটের সাহায্যে। এছাড়া ওয়েব সাইট ঠিকানা, ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করে নিতে পারে।[৪৬] ২০১২ সালে পিউ ইন্টারনেট এবং আমেরিকান লাইফ স্টাডি চিহ্ণিত করেন যে ২০ থেকে ৩০ ভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারি হল "শক্তিশালী ব্যবহারকারি" যারা ঘনঘন লিংক, পোক, পোস্ট এবং ট্যাগিং সহ অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করেন নিজের এবং অন্যের সাথে।[৪৭]

২০০৭ সালে ফেসবুক যাত্রা করে ফেসবুক পেজের (যাকে ভক্তদের পাতাও ডাকা হয়) যার উদ্দেশ্য ছিল ব্যবহারকারিদের ব্যবসায় এবং কোম্পানির সাথে মিথস্ক্রিয়ায় জড়ানো যা তারা অন্য যেকোন ফেসবুক ব্যবহারকারির প্রোফাইলের সাথে করে থাকে। ৬ই নভেম্বর ২০০৭ সালে ১০০,০০০ বেশি ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়েছিল।[৪৮]

মাইস্পেসের সাথে তুলনা[সম্পাদনা]

গণমাধ্যমগুলো অনেকসময় ফেসবুককে মাইস্পেসের সাথে তুলনা করে কিন্তু তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য হল পরিবর্তন করার স্তর।[৪৯] অন্য একটি পার্থক্য হল ফেসবুক ব্যবহারকারিদের আসল পরিচয় চায় যা মাইস্পেসে করা হয় না।[৫০] মাইস্পেসে ব্যবহারকারি তার প্রোফাইল এইচটিএমএল এবং সিএসএসের সাহায্যে সাজাতে পারে কিন্তু ফেসবুক শুধুমাত্র লেখা ভিত্তিক।[৫১] ফেসবুকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রাখা আছে যার ফলে ব্যবহারকারিরা সেগুলোর দিয়ে নিজেদের প্রকাশ করতে পারে। এতে আছে ওয়াল যাতে ব্যবহারকারি নিজে এবং তার বন্ধুরা তাতে বার্তা প্রকাশ করতে পারে যাতে ব্যবহারকারি তা দেখে।[৫২] আছে পোক বৈশিষ্ট্য যা একজন আরেকজনের কাছে ভার্চুয়ালি পাঠাতে পারে (একটি বিজ্ঞপ্তি ব্যবহারকারিকে জানিয়ে দেয় যে অন্য ব্যবহারকারি তাকে পোক করেছেন)।[৫৩] ছবি আপলোড করে ব্যবহারকারি এ্যালবাম সাজাতে পারেন[৫৪], আর স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ব্যবহারকারি তার বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন কর্মকান্ড ভাগাভাগি করে নিতে পারেন।[৫৫] গোপনীয়তার সেটিংয়ের উপর ভিত্তি করে যদি কেউ প্রোফাইল দেখতে পারে তবে সে তার ওয়ালে কি আছে তাও দেখতে পারে। জুলাই ২০০৭ সালে, ফেসবুক ওয়ালে সংযুক্তি যোগ করার সুবিধা দিয়েছে যেখানে আগে শুধু মাত্র লেখা লিখা যেত।[৫২]

খবর/নিউজ ফিড[সম্পাদনা]

৬ই সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে খবরের বিষয়টি প্রকাশিত হয় যা প্রতিটি ব্যবহারকারির হোমপেজ আসে এবং বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে যেমন প্রোফাইলে কোন পরিবর্তন, আগত কোন ইভেন্ট বা বন্ধুদের জন্মদিনের খবর ইত্যাদি।[৫৬] এটি স্প্যামারদেরসহ অন্যান্য ব্যবহাকারিদের এই বৈশিষ্ট্যটি বাজেভাবে ব্যবহারের সুবিধা করে দিয়েছে যেমন অবৈধভাবে ইভেন্ট তৈরি বা ভুয়া জন্মদিনের তথ্য দিয়ে অন্য ব্যবহারকারিদের মনোযোগ আকর্ষন করা ইত্যাদি।[৫৭] শুরুতে ফেসবুকের এই খবরের বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহারকারিদের অসন্তুষ্ট করে, কিছু ব্যবহারকারি একে বিশৃঙ্খল এবং অনিচ্ছাকৃত তথ্য ভরপুর হিসেবে অভিযোগ করে, অন্যরা বুঝতে সক্ষম হয় যে এর ফলে একক কোন ব্যক্তির কর্মকান্ড (সম্পর্কের অবস্থার পরিবর্তন, ইভেন্ট, অন্যদের সাথে যোগাযোগ/কথা বলা) অনুসরণ অন্যদের বুঝতে পারার বিষয়টি খুবই সহজ হয়ে গেছে।[৫৮]

নোট[সম্পাদনা]

২০০৬ সালের আগষ্টের ২২ তারিখ ফেসবুক নোট চালু করা হয়, যা মূলত একটি ব্লগিং বৈশিষ্ট্যের ধারক। এটিতে ট্যাগ এবং ছবি যোগ করা যায়। ব্যবহাকারিরা পরবর্তীতে তাদের জাংগা (Xanga), লাইভজার্নাল, ব্লগার এবং অন্যান্য ব্লগিং সেবা থেকে ব্লগ আমদানি করতে পারার সুবিধা যোগ হয়।

চ্যাট[সম্পাদনা]

২০০৮ সালের ৭ই এপ্রিলের সপ্তাহে কমেট ভিত্তিক[৫৯] তাৎক্ষনিক বার্তা আদান প্রদান এ্যাপ্লিকেশ চালু করে যা চ্যাট নামে পরিচিত বিভিন্ন নেটওয়ার্কে[৬০]। এটি ব্যবহাকারিদের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয় আর এটির ডেস্কটপ ভিত্তিক তাৎক্ষনিক বার্তার এ্যাপ্লিকেশনের সাথে মিল রয়েছে।

উপহার[সম্পাদনা]

২০০৭ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি ফেসবুক উপহার সেবাটি চালু করে। যাতে ব্যবহারকারি বিভিন্ন উপহার তাদের বন্ধুদের পাঠাতে পারে। প্রতিটি এক ডলার করে দাম এবং এর সাথে প্রেরকের নিজস্ব বার্তা জুড়ে দেওয়া যায়।[৬১][৬২]

বাজার/মার্কেটপ্লেস[সম্পাদনা]

২০০৭ সালের ১৪ই মে ফেসবুক তাদের বাজার বা মার্কেটপ্লেস চালু করে। এতে ব্যবহারকারিরা ফ্রি শ্রেণীবিনস্ত বিজ্ঞাপন দিতে পারে।[৬৩] মার্কেটপ্লেসটিকে ক্রেইগলিস্টের সাথে তুলনা করে সিনেট.কম এবং দুটোর তুলনা হিসেবে দেখায় যে মার্কেটপ্লেসে ব্যবহারকারিরা একই নেটওয়ার্কে থাকলে বিজ্ঞাপন দেখবে আর ক্রেইগলিস্টে যেকেউ এটি দেখতে পারবে।[৬৪]

বার্তা[সম্পাদনা]

একটি নতুন বার্তার পথ যার নাম প্রজেক্ট টাইটান চালু করা হয় ১৫ই নভেম্বর ২০১০ সালে। কয়েকটি প্রকাশনা এটিকে জিমেইল হত্যাকারি হিসেবে অভিহিক করে, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ব্যবহারকারিরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে ফেসবুক দিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে (যার মধ্যে আছে বিশেষ ইমেইল ব্যবস্থা, লেখ্য বার্তা অথবা ফেসবুক ওয়েবসাইট বা মোবাইল এ্যাপ দিয়ে)। যে পদ্ধতিই হোক না কেন তা ইনবক্সে একটি একক সূত্র বা থ্রেড হয়ে জমা হয়। অন্যান্য ফেসবুক বৈশিষ্ট্যের মত ব্যবহারকারি এখানেও কার থেকে বার্তা গ্রহন করবে তা ঠিক করে দিতে পারে তা হতে পারে শুধু বন্ধু, বন্ধুর বন্ধু অথবা যে কেউ।[৬৫][৬৬] ইমেইল সেবাটি ২০১৪ সালে কম ব্যবহারের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।[৬৭]

ফেসবুক ওয়েবসাইট ছাড়াও বার্তাগুলো মোবাইল এ্যাপ থেকে ব্যবহার করা যায়। এর জন্য ফেসবুকের একান্ত একটি এ্যাপ রয়েছে যা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার নামে পরিচিত।[৬৮]

ভয়েস কল[সম্পাদনা]

২০১১ সালে এপ্রিল থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারিরা লাইভ ভয়েস কল করতে পারেন ফেসবুক চ্যাট দিয়ে, যা দিয়ে সারা বিশ্বের ব্যবহারকারিরা একে অন্যের সাথে চ্যাট করতে পারেন। এই বৈশিষ্ট্য টি-মোবাইলের নতুন ববস্লেড সেবার আওতায় ফ্রি ব্যবহার করা যায় যার ফলে ব্যবহারকারিরা ভয়েস চ্যাট করতে পারে এবং ভয়েস বার্তা রেখে দিতে পারে।[৬৯]

ভিডিও কল[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ৬ই জুলাই ফেসবুকের ভিডিও কল সেবা চালু করা হয় স্কাইপকে তাদের প্রযুক্তি অংশীদার করে। এতে স্কাইপ রেস্ট এপিআই ব্যবহার করে এক-থেকে-এক ব্যবস্থায় কল করা যায়।

ভিডিও দেখা[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফেসবুক ঘোষনা করে তারা প্রতিদিন ১ বিলিয়ন ভিডিও দেখার সুবিধা প্রদান করছে এবং ব্যবহারকারি, পাতা, এবং জনপ্রতিনিধিদের যে সব ভিডিও উন্মুক্ত সেগুলোর গণনা দেখাবে সবাইকে দেখার সুবিধা যোগ করবে। কোন ব্যবহারকারি একটি ভিডিও দেখার পর আরেকটি বাড়তি ভিডিও দেখার সুপারিশ করার বিষয়টি ফেসবুক নিশ্চিত করে। ৬৫ ভাগ ফেসবুকের ভিডিও দেখা হয় ফেসবুক মোবাইল থেকে যার ব্যবহারকারি দিন দিন বাড়ছে এবং ভিডিও দেখার হার ৫০ ভাগে এসে যায় মে থেকে জুলাই মাসে যখন আইসবাকেট চ্যালেঞ্জের হিড়িক পড়ে ফেসবুকে।[৭০]

অনুসরণ[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর ফেসবুকে ব্যবহারকারি পাতায় "সাবস্ক্রাইব" বোতাম যোগ করে যা অন্য ব্যবহারকারিদের সাবস্ক্রাইব করা ব্যবহারকারির উন্মুক্ত পোস্টগুলো দেখার সুযোগ করে দেয়।[৭১] এর সাথে ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পরিচিতি যাচাইয়ের সুবিধা যোগ করে বিশেষ বিশেষ একাউন্টের ক্ষেত্রে। টুইটারের মত যাচাইকৃত পাতাগুলো কোন বিশেষ যাচাইয়ের তকমা রাখে না, কিন্তু সাবস্ক্রিপশনের সুপারিশে অধিক অগ্রাধিকার দেয়।[৭২]

২০১২ সালের ডিসম্বরে ফেসবুক ঘোষনা করে ব্যবহারকারিদের দ্বিধার কথা মাথায় রেখে তারা সাবস্ক্রাইব বোতামকে "ফলো" বোতামে প্রতিস্থাপন করে যার ফলে অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কের সাথে এতেও মিল থাকে। [৭৩]

গোপনীয়তা[সম্পাদনা]

এফটিসি নিষ্পত্তি[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ২৯শে নভেম্বর, ফেসবুক ইউএস ফেডারেল ট্রেড কমিশনের অভিযোগ নিষ্পত্তি করার জন্য রাজি হয়। অভিযোগটি ছিল ফেসবুক ব্যবহারকারিদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।[৭৪]

প্রযুক্তিগত রূপ[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের ২০শে মার্চ ফেসবুক ঘোষনা করে একটি নতুন মুক্তি উৎসের প্রোগ্রামিং ভাষা "হ্যাকের" কথা। জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করার আগে ফেসবুকের একটি বড় অংশ এই নতুন ভাষা দ্বারা পরিক্ষন এবং একই সাথে চালানো হচ্ছিল।[৭৫]

ফেসবুক মোমেন্টাম প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের বার্তা ব্যবস্থার জন্য যা দিয়ে অসংখ্য আকারের ইমেইল তার ব্যবহারকারিদের কাছে প্রতিদিন পাঠায়।[৭৬]

পছন্দ বোতাম[সম্পাদনা]

সামাজিক নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য হল লাইক বোতামটি যার দ্বারা ব্যবহারকারিরা তাদের সাধুবাদ জানায় স্ট্যাটাস আপডেটে, কমেন্টে, ছবিতে এবং বিজ্ঞাপনে। এটি একই সাথে ফেসবুক প্লাটফর্মের একটি সামাজিক প্লাগইন, যা শুরু করা হয় ২১শে এপ্রিল ২০১০ সালে।[৭৭][৭৮] যার ফলে অংশগ্রহণকারি ইন্টারনেট ওয়েবসাইটগুলোকে একই রকম লাইক বোতাম প্রদর্শন করার সক্ষমতা দেয়।

ফেসবুক বাগ বাউন্টি কর্মসূচি[সম্পাদনা]

ফেসবুকের একটি "হোয়াইট হ্যাট" ডেবিট কার্ড, গবেষকরা যা নিরাপত্তা ঝুঁকি ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে প্রদান করে

২৯শে জুলাই ২০১১ সালে ফেসবুক তাদের বাগ বাউন্টি প্রোগ্রাম ঘোষনা করে যাতে নিরাপত্তা গবেষকদের সর্বনিম্ন ৫০০ ডলার দেয়া হবে ফেসবুকের কোন নিরাপত্তা ঝুঁকি বের করতে পারলে। ফেসবুক হোয়াইটহ্যাট পাতায় বলা আছে: "যদি তুমি তোমার প্রতিবেদনের জন্য যথার্থ সময় দিতে পার বিষয়টি জন সম্মুখে প্রকাশের পূর্বে এবং বিশ্বাসযোগ্য ভাল চেষ্টা চালাও গোপনীয়তা ভঙ্গ এড়াতে, ডাটা ধ্বংস এবং তোমার গবেষনার সময় আমাদের সেবাতে বাধা বা মর্যাদাহানি না কর, আমরা তোমার বিরুদ্ধে কোন মামলা করব না বা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব না তোমাকে তদন্ত না করতে" [৭৯][৮০]

বিশ্বব্যাপি অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক দেশ অনুযায়ী

কমস্কোরের মতে, মাসিক অনন্য ভিজিটরের ভিত্তিতে ফেসবুক প্রধান সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট এবং তার ফলে এটি মাইস্পেসকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ২০০৮ সালে এপ্রিলে।[৮১] কমস্কোর আরো বলে, ফেসবুক ১৩০ মিলিয়ন অনন্য ভিজিটরকে আকর্ষিত করেছে মে ২০১০ সালে যা ৮.৬ মিলিয়ন লোকের সমাগম।[৮২] এ্যলেক্সার মতে, ওয়েবসাইটটির পদমর্যাদা ৬০তম থেকে ৭মে এসেছে সেপ্টেম্বর ২০০৬ থেকে সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালের মধ্যে এবং বর্তমানে ২য়।[৮৩] কোয়ান্টকাস্ট ফেসবুককে ২য় পদসারির সাইট বলেছে আমেরিকায়[৮৪] এবং কমপিট.কম একে ২য় স্থানে রেখেছে আমেরিকায়।[৮৫] এটি আপলোডের জন্যও জনপ্রিয় প্রায় ৫০ বিলিয়ন আপলোডের ক্রমবর্ধমান হিসাবে।[৮৬]

টেমপ্লেট:ফেসবুকের বিকাশ

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে, দেশভিত্তিক বেশিরভাগ ব্যবহারকারি ফেসবুকে ছিল:[৮৭]

  • আমেরিকায় ১৬৮.৮ মিলিয়ন সদস্য
  • ব্রাজিলে ৬৪.৬ মিলিয়ন সদস্য
  • ভারতে ৬২.৬ মিলিয়ন সদস্য
  • ইন্দোনেশিয়ায় ৫১.৪ মিলিয়ন সদস্য
  • মেক্সিকোতে ৪০.২ মিলিয়ন সদস্য

সমালোচনা এবং বিতর্ক[সম্পাদনা]

সরকার কতৃক বন্ধ হওয়া[সম্পাদনা]

ফেসবুক অনেক দেশেই বারেবারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারনে বন্ধ করা হয়েছে যার মধ্যে আছে চীন[৮৮], ইরান[৮৯], উজবেকিস্থান[৯০], পাকিস্থান[৯১], সিরিয়া[৯২][৯৩], বাংলাদেশ[৯৪], ভিয়েতনাম[৯৫] এবং উত্তর কোরিয়া[৯৬]। উদাহরণসরূপ এটি পৃথিবীর অনেক দেশেই ধর্মীয় বৈষম্য ও ইসলাম বিরোধী কর্মের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অনেক জায়গায় অফিসের কর্মীদের কর্ম সময়ে ফেসবুক ব্যবহার না করার জন্য বন্ধ করা হয়েছিল।[৯৭] ফেসবুকে ব্যবহারকারির গোপনীয়তাও একটি সমস্যা হয়ে দেখা দেয় এবং তার নিরাপত্তাও বিভিন্ন সময় আপোস-মীমাংসা হয়। ফেসবুক একটি মামলা লড়ে সোর্স কোড এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মামলায়।[৯৮] ২০১১ সালের মে মাসে সাংবাদিক এবং ব্লগারদের কাছে ইমেইল পাঠানো হয় গুগলের গোপনীয়তার নীতির অভিযোগ নিয়ে। যদিও শেষে দেখা যায় যে, গুগল প্রতিরোধকল্পে পিআর খ্যাত বারসন-মারসটেলার এটি করে এবং অর্থদাতা ছিল ফেসবুক যা সিএনএন সহ বেশ কিছু গণমাধ্যমে সমালোচিত হয়।[৯৯] ফেসবুক কুর্দিস্থানের রাজধানী আরবিলে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় নিরাপত্তা জনিত কারনে।[১০০]

ইভেন্টে মাত্রাতিরিক্ত ভিড়[সম্পাদনা]

২০১১ সালে জার্মানির কতৃপক্ষ ফেসবুকের ইভেন্ট বৈশিষ্ট্যটি বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা করে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যাতে আসলে দাওয়াত না দেয়া সত্বেও মানুষ চলে এসেছে ইভেন্টে এমন ঘটনা দায়ী।[১০১][১০২] একটি ঘটনায় দেখা যায় প্রায় ১৬০০ অতিথি একটি হামবার্গে মেয়ের ১৬তম জন্মদিনে উপস্থিত হয়েছেন কারন মেয়েটি তার জন্মদিনের ইভেন্টটিকে ফেসবুকে অসাবধানতা বশত পাবলিক বা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় একশরও বেশি পুলিশকে নামাতে হয়েছিল ভিড় সামলাতে। এতে একজন পুলিশ অফিসার আহত এবং এগার অংশগ্রহনকারি আটক করা হয়েছিল বিভিন্ন কারনে।[১০৩] এমন অন্য একটি ঘটনায় দেখা যায়, ৪১ তরুনকে আটক করা হয়েছে এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন।[১০৪]

ব্রিটিশ অফিসে কর্মীদের ফেসবুক ব্যবহারে বাধা[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে প্রতিবেদনে বলা হয় ৪৩% ব্রিটিশ অফিস কর্মী কর্মক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা হয় কারন দেখানো হয় কর্মীদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ফাঁস।[১০৫]

একাউন্ট হ্যাক[সম্পাদনা]

২০১১ সালের নভেম্বরে, ভারতের ব্যাঙ্গালোরের অনেকগুলো ফেসবুক ব্যবহারকারি জানায় যে তাদের একাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে এবং তাদের প্রোফাইল ছবি অশ্লীল ছবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ব্যবহারকারিদের নিউজ ফিড অশ্লীল, হিংস্র ও যৌনতা ভিত্তিক বিষয়বস্তু দ্বারা স্প্যাম প্লাবিত হয় এবং প্রতিবেদনে বলা হয় ২০০,০০০ বেশি একাউন্ট এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফেসবুক এই প্রতিবেদনকে অসত্য বলে বর্ণনা করে এবং ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ বিষয়টি পরিদর্শন করে মন্তব্য করেন যে হয়ত এটি ফেসবুকের প্রতিযোগীদের কোন গুজব হতে পারে।[১০৬][১০৭]

প্রভাব[সম্পাদনা]

ফেসবুক ইর্ষা[সম্পাদনা]

সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে ফেসবুকের কারণে আত্ম-সম্মানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যা ইর্ষার জন্ম দেয় যেমন অবকাশ এবং ছুটির দিনের ছবি কথা। অন্যান্য ইর্ষার কারনগুলোর মধ্যে আছে বন্ধু বান্ধবের পারিবারিক সুখী এবং কারো দৈহিক সোন্দর্যের ছবি। এধরনের ইর্ষান্বিত অনুভূতি মানুষকে তাদের জীবনে একা এবং অতৃপ্ত করে দেয়। জার্মান দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষনায় দেখা গেছে তিন জনের মধ্যে একজন ফেসবুক চালানোর পর নিজেদের জীবন নিয়ে অসন্তুষ্ট। এবং অন্য একটি গবেষনা যা উটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক পরিচালিত হয়েছিল, উঠে আসে যে, ফেসবুকে সময় কাটানোর বাড়ানোর পর তারা তাদের জীবন সম্পর্কে নিকৃষ্ট অনুভূতি হয়েছিল।[১০৮][১০৯][১১০]

নির্বান্ধব করার মানসিক প্রভাব[সম্পাদনা]

মনোবিজ্ঞানি সুজান ক্রাস হুইটব্রানের মতে[১১১] যদিও ফেসবুকে বন্ধু করার ব্যপারটিই প্রবল, তবু্ও সেখানে কাউকে আনফ্রেন্ড বা নিবান্ধব করা বা ফিরিয়ে দেয়ার খারাপ প্রভাব রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন নিবান্ধব করা লোকটি ফেসবুকের বিচ্ছেদের শিকার।[১১১] অন্য দিকে আনফ্রেন্ড করে দেওয়া কদাচিৎ পাস্পরিক সিদ্ধান্তে হয় এবং প্রায়শই দেখা যায় যাকে আনফ্রেন্ড করা হয়েছে তিনি তা জানেন না।[১১১]

সর্বাধিক জনপ্রিয় পাতা[সম্পাদনা]

জুলাই ২০১৪ সালে সাকিরা প্রথম প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হন যার পাতা ১০০ মিলিয়ন লাইক পার করে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো ছিলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি যার লাইক ১০০ মিলিয়নে পৌ্ছায়। এরপরই আছেন্ রিহানা (৯৮ মিলিয়ন) এবং এমিনেম (৮৯ মিলিয়ন)।[১১২][১১৩] মার্ক জাকারবার্গ অভিনন্দনসূচক বার্তা রাখেন তাদের ওয়ালে।[১১৪]

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে[সম্পাদনা]

  • আমেরিকান লেখক বেন মাজরিচ ২০০৯ সালের জুলাইয়ে একটি বই প্রকাশ করেন জাকারবার্গ এবং ফেসবুকের প্রতিষ্ঠা নিয়ে, বইটির নাম দ্য এক্সিডেন্টাল বিলিয়নিয়ারস: দ্য ফাউন্ডিং অব ফেসবুক, এ টেল অব সেক্স, মানি, জিনিয়াস, এন্ড বিট্রেয়াল।[১১৫]
  • দ্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক একটি নাট্য চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০১০ সালের পহেলা অক্টোবরে, পরিচালক ছিলেন ডেভিড ফিঞ্চার।[১১৬] এটি বেন মাজরিচের বইয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। জাকারবার্গ দাবি করেন দ্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক ঠিক ভাবে উপস্থাপিত হয়নি।[১১৭]
  • এভরিবডি ড্র মোহাম্মদ ডে বির্তকের হেতু ধরে এবং পাকিস্থানে ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করার ফলে একটি ইসলামিক ভার্সনের ওয়েবসাইট তৈরী করা হয় যার নাম মিলাতফেসবুক।[১১৮]
  • ২০১০ সালের এপ্রিলে তৈরি করা আমেরিকান হাস্যরসাত্মক কার্টুন সাউথ পার্কের "ইউ হেভ জিরো ফ্রেন্ডস" একটি পর্ব যা ফেসবুক নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক রূপে উপস্থাপ করা হয়।[১১৯]
  • ২০০৮ সালে ইংল্যান্ড ব্রাডফোর্ডের আইভি বিন, ১০২ বছর বয়সে ফেসবুকে যোগ দেন। এভাবে তিনি ফেসবুকের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পান।[১২০] জুলাই ২০১০ সালে তার মৃত্যুর সময় তার বন্ধুর সংখ্যা ছিল ৪৯৬২ জন এবং টুইটারে তার অনুসরণকারী ছিল ৫৬০০০ জন।[১২১]
  • ২০১১ সালের ১৬ই মে ইসরাইলের এক দম্পতি ফেসবুকের "লাইক" বৈশিষ্ট্যের অনুকরণে তাদের মেয়ের নাম রাখেন।[১২২][১২৩]

প্রতিযোগী[সম্পাদনা]

ফেসবুকের প্রধান প্রতিযোগীর মধ্যে আছে চীনে কিউজোন এবং রেনরেন; ব্রাজিলে অরকুট (২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে বন্ধের আগ পর্যন্ত); দক্ষিন কোরিয়ায় সাইওয়ার্ল্ড; রাশিয়া, বেলারুস, কাজাকস্থান, কিরগিস্থান, মালডোবা, ইউক্রেন, উজবেকিস্থানে ভিকে এবং অডনক্লাসনিকি; ড্রাগিয়েম.এলভি লাটভিয়ায়; ইরানে ক্লুব; ভিয়েতনামে জিং এবং জাপানে মিক্সি[১২৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকাসমূহ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ "10-K Annual Report"SEC Filings। Facebook। জানুয়ারি ৩১, ২০১৪। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৪ 
  2. ২.০ ২.১ "Company Info | Facebook Newsroom"। Facebook। ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৫। 
  3. Muffett, Alec (অক্টোবর ৩১, ২০১৪)। "Making Connections to Facebook more Secure"Protect the Graph। Facebook। সংগৃহীত ডিসেম্বর ৪, ২০১৪ 
  4. Clarke, Gavin (ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০)। "Facebook re-write takes PHP to an enterprise past"The Register (London)। 
  5. Bridgwater, Adrian (অক্টোবর ১৬, ২০১৩)। "Facebook Adopts D Language"Dr Dobb's (San Francisco)। 
  6. "Facebook.com Site Info"Alexa Internet। সংগৃহীত এপ্রিল ১, ২০১৪ 
  7. "facebook"Yahoo Finance। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৫ 
  8. "Facebook's $5bn IPO falls short of expectations"। WhoOwnsFacebook.com। সংগৃহীত ১ জুলাই ২০১৩ 
  9. "Facebook's friend in Russia"Fortune। ৪ অক্টোবর ২০১০। সংগৃহীত ১ জুলাই ২০১৩ 
  10. Kirkpatrick, David (২০১০)। The Facebook effect: the inside story of the company that is connecting the world। নিউ ইয়র্ক: Simon & Schuster। আইএসবিএন 978-1-4391-0980-9 
  11. McCarthy, Caroline (১১ মে ২০০৮)। "As Facebook goes corporate, Mark Zuckerberg loses an early player"CNET.com। সংগৃহীত ১ জুলাই ২০১৩ 
  12. "Facebook Factsheet"। সংগৃহীত ১০ এপ্রিল ২০১১ 
  13. January 17, 2011 by Jolie O'Dell 203 (জানুয়ারি ১৭, ২০১১)। "Facebook's Ad Revenue Hit $1.86B for 2010"। Mashable.com। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২১, ২০১১ 
  14. Womack, Brian (সেপ্টেম্বর ২০, ২০১১)। "Facebook Revenue Will Reach $4.27 Billion, EMarketer Says"। Bloomberg। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২১, ২০১১ 
  15. "Facebook May Revamp Beacon"BusinessWeek। New York। নভেম্বর ২৮, ২০০৭। সংগৃহীত জুলাই ১৮, ২০১০ 
  16. "Google AdWords Click Through Rates Per Position"। AccuraCast। অক্টোবর ৯, ২০০৯। সংগৃহীত জুলাই ১৮, ২০১০ 
  17. Denton, Nick (মার্চ ৭, ২০০৭)। "Facebook 'consistently the worst performing site'"Gawker। সংগৃহীত জুলাই ১৮, ২০১০ 
  18. "How did Sarah Smith get recruited to Quora?"Quora। Quora। অক্টোবর ২৮, ২০১২। সংগৃহীত জানুয়ারি ৩০, ২০১৪ 
  19. "Facebook Says Click Through Rates Do Not Match Those At Google"TechPulse 360। আগস্ট ১২, ২০০৯। সংগৃহীত জুলাই ১৮, ২০১০ 
  20. Leggatt, Helen (জুলাই ১৬, ২০০৭)। "Advertisers disappointed with Facebook's CTR"BizReport। সংগৃহীত জুলাই ১৮, ২০১০ 
  21. DJ Saul (জানুয়ারি ১৫, ২০১৪)। "3 Million Teens Leave Facebook In 3 Years: The 2014 Facebook Demographic Report"iStategy Labs। iStategy Labs। সংগৃহীত জানুয়ারি ৩০, ২০১৪ 
  22. "Survey Says: Teens Hate Facebook"। PC Magazine। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২২, ২০১৪ 
  23. "FB.com acquired by Facebook"NameMon News। জানুয়ারি ১১, ২০১১। 
  24. Laird, Sam (ডিসেম্বর ১৯, ২০১১)। "Facebook Completes Move Into New Menlo Park Headquarters"। Mashable.com। সংগৃহীত আগস্ট ৪, ২০১৪ 
  25. Drucker, Jesse (অক্টোবর ২১, ২০১০)। "Google 2.4% Rate Shows How $60 Billion Lost to Tax Loopholes"Bloomberg (Bloomberg.com)। 
  26. PTI (সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১০)। "Facebook opens office in India"The Hindu (Chennai, India)। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  27. "Kirthiga Reddy: The face behind Facebook"। Businesstoday.intoday.in। মে ১৫, ২০১১। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  28. Nikhil Pahwa (জুলাই ১৬, ২০১০)। "Facebook Appoints Kirthiga Reddy As Head Of Indian Operations"। Medianama.com। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  29. "Facebook's India face-Meet Kirthiga Reddy, Head and Director Online Operations, Facebook India."MSN India। নভেম্বর ১৪, ২০১১। 
  30. "Facebook's Hyderabad Office Inaugurated – Google vs Facebook Battle Comes To India"। Watblog.com। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  31. "City back as investors' top pick"। Articles.timesofindia.indiatimes.com। ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  32. "Not responsible for user-generated content hosted on website: Facebook India"। Articles.economictimes.indiatimes.com। ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০১২। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  33. Facebook India to court: Not responsible for user-generated content[অকার্যকর সংযোগ]
  34. "Facebook India to court: Not responsible for user-generated content"। M.timesofindia.com। ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০১২। সংগৃহীত মে ৫, ২০১২ 
  35. Hyderabad, India[অকার্যকর সংযোগ]: "At the tech epicenter of India, our Hyderabad office is where we help support the region's growing users base, advertisers, and developers."
  36. "Zuckerberg at Ore. Facebook data center"The Boston Globe। Associated Press। এপ্রিল ১৬, ২০১১। সংগৃহীত এপ্রিল ১৬, ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  37. Chloe Albanesius (নভেম্বর ১১, ২০১০)। "Facebook Building $450M North Carolina Data Center"PC Mag (Ziff Davis)। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৩ 
  38. "Zuckerberg in Moscow to boost Facebook's presence"। France24.com। অক্টোবর ১, ২০১২। [অকার্যকর সংযোগ]
  39. "Russia pushes Facebook to open research center"। FoxNews। অক্টোবর ১, ২০১২। 
  40. Havenstein, Heather (জুলাই ২১, ২০০৮)। "Facebook Facelift Targets Aging Users and New Competitors"The New York Times 
  41. Slee, Mark (সেপ্টেম্বর ১০, ২০০৮)। "Moving to the new Facebook"। The Facebook Blog। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ১২, ২০০৮ 
  42. "Facebook Testing Even Simpler Sign Up; Closing The Gap With MySpace In The U.S"TechCrunch। ডিসেম্বর ১১, ২০০৮। 
  43. Charlie White (ডিসেম্বর ১৬, ২০১১)। "Facebook Timeline: How to Enable It With One Click [PICS]"Mashable। Mashable। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  44. "Desktop > HelpPages"Facebook। Facebook। ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  45. "Introducing Timeline"Facebook। Facebook। ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  46. "Desktop Help"Facebook। Facebook। ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  47. Margaret Weigel (ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০১২)। "Why most Facebook users get more than they give"Journalist's Resource। Harvard Kennedy School। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  48. Rob Hof (নভেম্বর ৬, ২০০৭)। "Facebook Declares New Era for Advertising"Bloomberg Businessweek। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৪ 
  49. Stone, Brad (মে ২৫, ২০০৭)। "Facebook Expands Into MySpace's Territory"The New York Times। সংগৃহীত মার্চ ৮, ২০০৮ 
  50. Ciccone, David (মে ৭, ২০০৯)। "Facebook Connect fully integrated into Mobility Today"। Mobility Today Fitness। আসল থেকে অক্টোবর ২৪, ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ১০, ২০১০ 
  51. Sullivan, Mark (জুলাই ২৪, ২০০৭)। "Is Facebook the New MySpace?"PC World (San Francisco)। সংগৃহীত এপ্রিল ৩০, ২০০৮ 
  52. ৫২.০ ৫২.১ Der, Kevin। "Facebook is off-the-wall"। The Facebook Blog। সংগৃহীত জুলাই ৩০, ২০০৭ 
  53. "Inbox, Messages and Pokes"। Facebook। সংগৃহীত মার্চ ৯, ২০০৮ 
  54. "The Facebook Gifts"। Facebook। সংগৃহীত মার্চ ৫, ২০০৮ 
  55. Ramadge, Andrew (নভেম্বর ২৬, ২০০৭)। "Facebook is ... reconsidering the word "is""news.com.au Technology blog (Sydney)। সংগৃহীত মার্চ ৮, ২০০৮ 
  56. Sanghvi, Ruchi (সেপ্টেম্বর ৬, ২০০৬)। "Facebook Gets a Facelift"। The Facebook Blog। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০০৮ 
  57. "Facebook: Celebrate Your Birthday Every Day"। Colnect blog। সংগৃহীত মার্চ ৯, ২০১০ 
  58. Lacy, Sarah (সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৬)। "Facebook Learns from Its Fumble"BusinessWeek (New York)। সংগৃহীত জুন ২৮, ২০০৮ 
  59. Eugene (মে ১৪, ২০০৮)। "Facebook Chat"। Facebook। সংগৃহীত জুন ২, ২০০৮ 
  60. "Announcement: Facebook Launches Facebook Chat" (Press release)। Facebook। এপ্রিল ৬, ২০০৮। সংগৃহীত এপ্রিল ১১, ২০০৮ 
  61. "Give gifts on Facebook!"। Facebook। সংগৃহীত মার্চ ১৫, ২০০৮ 
  62. "Gifts"। Facebook। সংগৃহীত মার্চ ১৫, ২০০৮ [অকার্যকর সংযোগ]
  63. Morgenstern, Jared (মে ১৪, ২০০৭)। "The Marketplace Is Open."। The Facebook Blog। সংগৃহীত মার্চ ১৫, ২০০৮ 
  64. McCarthy, Caroline (মে ১৩, ২০০৭)। "Hands-on with Facebook Marketplace"CNET। সংগৃহীত মার্চ ১৫, ২০০৮ 
  65. Gabbatt, Adam; Arthur, Charles (নভেম্বর ১৫, ২০১০)। "Facebook mail: it might kill Gmail, but 'it's not email'"The Guardian (London)। 
  66. "Facebook adds 'social inbox' – with E-mail"San Jose Mercury News। নভেম্বর ১৬, ২০১০। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১১ 
  67. Drake, Sarah (ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৪)। "Facebook closes down email addresses"Silicon Valley Business Journal। ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৪-এ মূল থেকে আর্কাইভ 
  68. "Facebook Messenger for Windows launched"Hindustan Times (New Delhi)। মার্চ ৬, ২০১২। সংগৃহীত এপ্রিল ২৯, ২০১২ 
  69. Swartz, Jon (এপ্রিল ১৯, ২০১১)। "Facebook hops aboard T-Mobile's Bobsled Service"USA Today (Washington DC)। 
  70. Constine, Josh (সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৪)। "Facebook hops aboard T-Mobile's Bobsled Service"TechCrunch 
  71. Meghan Peters (সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১১)। "Facebook Subscribe Button: What It Means for Each Type of User"। Mashable.com। সংগৃহীত এপ্রিল ২৯, ২০১২ 
  72. "Facebook Launches Verified Accounts and Pseudonyms"। TechCrunch। সংগৃহীত মার্চ ৩, ২০১২ 
  73. "Facebook snubs 'Subscribe' button in favor of Twitter-esque 'Follow' on all profile pages"। The Verge। সংগৃহীত ডিসেম্বর ৬, ২০১২ 
  74. "Facebook Settles FTC Charges That It Deceived Consumers By Failing To Keep Privacy Promises"FTC। নভেম্বর ২৯, ২০১১। সংগৃহীত নভেম্বর ২৯, ২০১১ 
  75. Metz, Cade (মার্চ ২০, ২০১৪)। "Facebook Introduces 'Hack,' the Programming Language of the Future"Wired 
  76. Clancy, Heather (অক্টোবর ৬, ২০১৪)। "The biggest email provider you've never heard of"Fortune 
  77. Siegler, MG (এপ্রিল ২১, ২০১০)। "Facebook: We'll Serve 1 Billion Likes on the Web in Just 24 Hours"TechCrunch। সংগৃহীত ডিসেম্বর ১৯, ২০১১ 
  78. Fletcher, Dan (এপ্রিল ২২, ২০১০)। "Facebook Looks to Get Personal"Time। সংগৃহীত ডিসেম্বর ১৯, ২০১১ 
  79. "Facebook"। Facebook। সংগৃহীত আগস্ট ৪, ২০১৪ 
  80. "Facebook Offers $500 Bounty for Reporting Bugs: Why So Cheap"। PC Magazine। সংগৃহীত ২০১৫-০১-১৮ 
  81. "Facebook: Largest, Fastest Growing Social Network"Techtree.com। আগস্ট ১৩, ২০০৮। সংগৃহীত আগস্ট ১৪, ২০০৮ 
  82. "Privacy, Schmivacy: Facebook Is Attracting Near-Record Numbers Of New Visitors"TechCrunch। জুন ৭, ২০১০। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৮, ২০১০ 
  83. "Related info for: facebook.com/"Alexa Internet। সংগৃহীত ডিসেম্বর ১০, ২০১২ 
  84. "Facebook.com Web Site Audience Profile"Quantcast। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৯, ২০১০ 
  85. "We're Number Two! Facebook moves up one big spot in the charts"Compete.com। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৯, ২০১০ 
  86. McGrath, Kristin (জুলাই ২২, ২০১০)। "Status update: Facebook logs 500 million members"USA Today (Washington DC)। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৯, ২০১০ 
  87. "Facebook Statistics by country"। মার্চ ৩, ২০১২। 
  88. "China's Facebook Status: Blocked"ABC News blog। জুলাই ৮, ২০০৯। সংগৃহীত জুলাই ১৩, ২০০৯ 
  89. Shahi, Afshin (জুলাই ২৭, ২০০৮)। "Iran's Digital War"Daily Star (Cairo)। আসল থেকে আগস্ট ১৪, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত আগস্ট ১৬, ২০০৮ 
  90. "Uzbek authorities have blocked access to Facebook"Ferghana News (রুশ ভাষায়)। সংগৃহীত অক্টোবর ২১, ২০১০ 
  91. Cooper, Charles (মে ১৯, ২০১০)। "Pakistan Bans Facebook Over Muhammad Caricature Row – Tech Talk"CBS News। সংগৃহীত জুন ২৬, ২০১০ [অকার্যকর সংযোগ]
  92. "Red lines that cannot be crossed"The Economist (London)। জুলাই ২৪, ২০০৮। সংগৃহীত আগস্ট ১৭, ২০০৮ 
  93. Protalinski, Emil (ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১১)। "Facebook and YouTube Unblocked in Syria Today"। The Next Web। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২৬, ২০১২ 
  94. "Bangladesh 'blocks Facebook' over political cartoons"। BBC। মে ৩০, ২০১০। সংগৃহীত অক্টোবর ২২, ২০১৪ 
  95. "Vietnam internet restrictions come into effect"। BBC। সেপ্টেম্বর ১, ২০১৩। 
  96. Williams, Martyn (নভেম্বর ৪, ২০১৪)। "Report: Twitter, Facebook blocked in North Korea"North Korea Tech। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২২, ২০১৪ 
  97. Benzie, Robert (মে ৩, ২০০৭)। "Facebook banned for Ontario staffers"Toronto Star। সংগৃহীত আগস্ট ১৬, ২০০৮ 
  98. Stone, Brad (এপ্রিল ৭, ২০০৮)। "Facebook to Settle Thorny Lawsuit Over Its Origins"The New York Times (blog)। সংগৃহীত নভেম্বর ৫, ২০০৯ 
  99. Pepitone, Julianne (মে ১২, ২০১১)। "Facebook vs. Google fight turns nasty"CNN Money 
  100. "Twitter / RudawEnglish: Facebook is temporarily blocked"। Twitter.com। সংগৃহীত আগস্ট ১০, ২০১৪ 
  101. "Alemanha: Festas convocadas pelo Facebook são "ameaça à ordem pública""। Ptjornal.com। সংগৃহীত অক্টোবর ২৯, ২০১১ 
  102. "Alemanha pode proibir festas combinadas pelo Facebook"। Destakjornal.com.br। সংগৃহীত অক্টোবর ২৯, ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  103. "Facebook blunder invites 15,000 to teen's 16th birthday party; 100 cops show up, too – Crimesider"। CBS News। জুন ৭, ২০১১। সংগৃহীত অক্টোবর ২৯, ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  104. "Alemanha pretende acabar com eventos via Facebook" (Portuguese ভাষায়)। Mtv.uol.com.br। সংগৃহীত অক্টোবর ২৯, ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  105. "Don't Ban Facebook at Work, Researchers Advise"। PC World। সেপ্টেম্বর ৩, ২০০৭। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ৪, ২০১২ 
  106. Kurup, Deepa (নভেম্বর ১৭, ২০১১)। "Facebook feeds spammed globally"The Hindu (Chennai, India)। 
  107. Anuradha Shetty (নভেম্বর ১৮, ২০১১)। "Facebook denies hack in India, assures safety"। Tech2.in.com। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২১, ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  108. Sachs, Wendy (ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১২)। "Facebook Envy: How Cruising Can Kill Self Esteem"Huffington Post। সংগৃহীত জুন ১০, ২০১৩ 
  109. Goldsmith, Belinda (জানুয়ারি ২২, ২০১৩)। "Facebook Study Says Envy Is Rampant On The Social Network"Huffington Post। সংগৃহীত জুন ১০, ২০১৩ 
  110. Richardson, Michael (মে ২৫, ২০১৩)। "Facebook Envy When social networking only brings you down"Healthy Magazine। সংগৃহীত জুন ১০, ২০১৩ 
  111. ১১১.০ ১১১.১ ১১১.২ Whitbourne, Susan Krauss (জুন ১৯, ২০১২)। "Unfriended? Five Ways to Manage Online Rejection"Psychology Today 
  112. "Shakira reaches 100 million 'likes': Do Facebook fans and Twitter followers matter?"correspondentMetro UK। জুলাই ২৫, ২০১৪। সংগৃহীত আগস্ট ১৩, ২০১৪ 
  113. "Shakira is Facebook's most popular celebrity with 100million likes – enough to fill 1,359 Maracana stadiums"Ella AlexanderIndependent UK। জুলাই ২১, ২০১৪। সংগৃহীত আগস্ট ১৩, ২০১৪ 
  114. "Mark Zuckerberg Congratulates Shakira, Singer Attains "Most Liked Page on Facebook""Correspondent। OnoBello.com। জুলাই ২২, ২০১৪। সংগৃহীত আগস্ট ১৩, ২০১৪ 
  115. Hempel, Jessi (জুন ২৫, ২০০৯)। "The book that Facebook doesn't want you to read"CNN। সংগৃহীত জুলাই ৩, ২০১০ 
  116. "The Social Network (2010)"। Internet Movie DataBase। সংগৃহীত জুলাই ৩, ২০১০ 
  117. Racheff, Jeffery (অক্টোবর ২০, ২০১০)। "Mark Zuckerberg Calls The Social Network Inaccurate"Limelife 
  118. Hussain, Waqar (মে ২৭, ২০১০)। "Pakistanis create rival Muslim Facebook"। Agence France-Presse। সংগৃহীত জুন ৯, ২০১০ 
  119. "South Park parodies Facebook"Guardian media blog (London)। এপ্রিল ৮, ২০১০। সংগৃহীত জুন ৭, ২০১০ 
  120. "Oldest Tweeter talks cuppas and casserole on Twitter at 104"The Daily Telegraph (London)। মে ১৫, ২০০৯। 
  121. Gray, Melissa (জুলাই ২৮, ২০১০)। "Ivy Bean, 'world's oldest Twitter user,' dead at 104"CNN। সংগৃহীত জুলাই ৩১, ২০১০ 
  122. Ehrlich, Brenna (মে ১৭, ২০১১)। "Parents name child after Facebook 'Like' button"CNN 
  123. Olivarez-Giles, Nathan (মে ১৬, ২০১১)। "Israeli newborn named 'Like' in tribute to Facebook"Los Angeles Times 
  124. "thetechbook » Countries where facebook is not number #1 social networking website"। Woolor.com। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২৬, ২০১২ 

অধিকতর পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]