মাইস্পেস
| ব্যবসার প্রকার | সাবসিডিয়ারি |
|---|---|
সাইটের প্রকার | সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম |
| উপলব্ধ | ১৪টি |
| প্রতিষ্ঠা | ১ আগস্ট ২০০৩ |
| সদরদপ্তর | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| পরিবেষ্টিত এলাকা | বৈশ্বিক |
| মালিক | ভায়ান্ট টেকনোলজি এলএলসি |
| প্রতিষ্ঠাতা(গণ) |
|
| প্রধান ব্যক্তি |
|
| কর্মচারী | ১৫০ (২০১৮)[১] |
| ওয়েবসাইট | myspace |
| নিবন্ধন | আবশ্যক |
| চালুর তারিখ | ১ আগস্ট ২০০৩ |
| বর্তমান অবস্থা | সক্রিয় |
মাইস্পেস (ইংরেজি: Myspace) একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটি ২০০৩ সালের ১ আগস্ট চালু হয় এবং বৈশ্বিক দর্শকপ্রাপ্ত প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক হিসেবে প্রযুক্তি, জনপ্রিয় সংস্কৃতি ও সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।[২] ইউটিউবসহ[৩] বহু প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক বিকাশে মাইস্পেস ভূমিকা রাখে এবং এর ডেভেলপার প্ল্যাটফর্ম থেকে জিঙ্গা, ফটোবাকেট প্রভৃতি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল।[৪][৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]২০০৫ সালের জুলাইয়ে নিউজ কর্পোরেশন ৫৮০ মিলিয়ন ডলারে মাইস্পেস কিনে নেয়।[৬] ২০০৬ সালে এটি যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াহু মেইল ও গুগল অনুসন্ধানকেও ছাড়িয়ে সর্বাধিক পরিদর্শিত ওয়েবসাইটে পরিণত হয়।[৭][৮] ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে মাইস্পেসের মাসিক ভিজিটর ছিল ১১ কোটি ৫০ লাখ।[৯] তবে একই সময়ে দ্রুত উত্থান ঘটছিল ফেসবুকের, যা ২০০৯ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনন্য ভিজিটরের সংখ্যায় মাইস্পেসকে ছাড়িয়ে যায়।[১০] এরপর থেকে ব্যবহারকারী হ্রাস পেতে থাকে।[১১] ২০১৯ সালে এর মাসিক দর্শকসংখ্যা নেমে দাঁড়ায় মাত্র ৭০ লাখে।[১২]
২০১১ সালে স্পেসিফিক মিডিয়া গ্রুপ ও গায়ক জাস্টিন টিম্বারলেক যৌথভাবে ৩৫ মিলিয়ন ডলারে মাইস্পেস অধিগ্রহণ করেন।[১৩] ২০১৬ সালে এটি টাইম ইনক. কিনে নেয়,[১৪][১৫] পরে ২০১৮ সালে টাইম ইনক.-কে অধিগ্রহণ করে মেরেডিথ কর্পোরেশন।[১৬] ২০১৯ সালে ভায়ান্ট টেকনোলজি হোল্ডিং ইনক.-এর কাছে মাইস্পেস হস্তান্তর করা হয়।[১৭]
মাইস্পেসে সঙ্গীত ছিল অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। অসংখ্য শিল্পী এই প্ল্যাটফর্ম থেকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন, যেমন—টেইলর সুইফট, লেডি গাগা, ক্যাটি পেরি প্রমুখ।[১৮] তবে ২০১৯ সালে সার্ভার মাইগ্রেশনের সময় ২০০৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে আপলোড করা প্রায় ৫ কোটি গান ও অন্যান্য কনটেন্ট স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায়।[১৯]
২০২২ সালের পর থেকে মাইস্পেসে নতুন গান আপলোড বা প্লেব্যাক বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সাইট কার্যত "রিড-অনলি" অবস্থায় চলে যায়।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Myspace stats"। expanding ramblings। ৬ অক্টোবর ২০১৩। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ Molloy, Fran (২৭ মার্চ ২০০৮)। "Internet connectivity – Science Features"। Abc.net.au। ২৬ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০১২।
- ↑ Cashmore, Pete (১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "MySpace: We'll Crush YouTube"। Mashable। ৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২০।
- ↑ "The rise and fall of MySpace"। Financial Times। ৪ ডিসেম্বর ২০০৯। ১১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২০।
- ↑ "These are 13 of the most popular social networks a decade ago that have died or faded into obscurity"। Business Insider। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ১৫ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ "News Corporation"। Newscorp.com। ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "Google's antisocial downside"। CNET News। ১৩ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২০।
- ↑ "MySpace grabs top spot among U.S. sites", CNET, ১১ জুলাই ২০০৬, সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৫
- ↑ Moreau, Elise (২১ জানুয়ারি ২০২২) [2021-02-24]। "Is Myspace Dead or Does It Still Exist?"। Lifewire। ৫ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Albanesius, Chloe (১৬ জুন ২০০৯)। "More Americans Go To Facebook Than MySpace"। PCMag.com। ১৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২০।
- ↑ Felix Gillette (২২ জুন ২০১১)। "The Rise and Inglorious Fall of Myspace"। Bloomberg Businessweek। ২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১১। Alt URL ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুন ২৫, ২০১১ তারিখে
- ↑ Moreau, Elise (২১ জানুয়ারি ২০২২) [2021-02-24]। "Is Myspace Dead or Does It Still Exist?"। Lifewire। ৫ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Fixmer, Andy, "News Corp. Calls Quits on Myspace With Specific Media Sale" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ১, ২০১১ তারিখে, Business Week, June 29, 2011
- ↑ Spangler, Todd (১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "Time Inc. Buys Myspace Parent Company Viant"। ১১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ Spangler, Todd (১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "Time Inc. Buys Myspace Parent Company Viant"। Variety। ১১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ Chokshi, Niraj (১৯ মার্চ ২০১৯)। "Myspace, Once the King of Social Networks, Lost Years of Data From Its Heyday"। The New York Times। ৮ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৯।
- ↑ "Meredith Corporation Sells Equity Stake in Viant Technology Holding Inc"। ২০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ Nichols, Shaun (২ জুন ২০১৪)। "Myspace: Where are you going? We still have all your HUMILIATING PICS"। The Register। ১৩ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Brodkin, Jon (১৮ মার্চ ২০১৯)। "Myspace apparently lost 12 years' worth of music, and almost no one noticed"। Ars Technica। ৭ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৯।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- মাইস্পেস
- Tom Anderson MySpace co-founder.
- ইন্টারনেট
- সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা
- ওয়েবসাইট
- ইন্টারনেট কোম্পানি
- ২০০৩-এ প্রতিষ্ঠিত ইন্টারনেট সম্পত্তি
- ২০১৬-এর অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণ
- ২০১১-এর অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণ
- ২০০৩-এ ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিষ্ঠিত
- ২০০৩-এ প্রতিষ্ঠিত মার্কিন কোম্পানি
- মার্কিন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট
- অ্যান্ড্রয়েড (অপারেটিং সিস্টেম) সফটওয়্যার
- ব্লগ হোস্টিং পরিষেবা
- ২০১৯-এর অধিগ্রহণ ও একত্রীকরণ
- আইওএস সফটওয়্যার