বিষয়বস্তুতে চলুন

পেরিয়া তিরুবন্ততি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পেরিয়া তিরুবন্ততি
ব্রজগোপীর মধ্যমণি কৃষ্ণের চিত্রকর্ম, ওরিয়েন্টাল আর্ট মিউজিয়াম , রোম।
তথ্য
ধর্মহিন্দুধর্ম
রচয়িতানম্মালবর
ভাষাতামিল
যুগ৯ম–১০ম শতাব্দী খ্রিস্টাব্দ
শ্লোক৮৭

পেরিয়া তিরুবন্ততি ( তামিল: பெரிய திருவந்தாதி উচ্চারণ ) [] হলো শ্রী বৈষ্ণব ঐতিহ্যের কবি-সাধক আলবরদের অন্যতম নম্মালবরের লেখা স্তোত্রের সংকলন। [] এই কারিকাটি নালায়রা দিব্য প্রবন্ধমের একটি অংশ, [] এতে সাতাশিটি স্তোত্র রয়েছে [] [] যা হিন্দু রক্ষাকর্তা দেবতা বিষ্ণুর প্রশংসার প্রতি উৎসর্গিত। প্রায়শই একে অথর্ববেদের সারাংশ বলা হয়। [] []

স্তবগান

[সম্পাদনা]

পেরিয়া তিরুবন্ততির স্তোত্রগুলি কাব্যিক শৈলীতে লেখা হয় যাকে অন্ততি বলা হয় এবং এখানে একটি নতুন শ্লোক পূর্ববর্তী শ্লোকের শেষ শব্দের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। []

দুটি তত্ত্ব এই রচনাটির নামের ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে, তা হলো স্তোত্রগান থেকে অঙ্কন করা। পেরিয়া তিরুবন্ততির ছাপ্পান্নতম স্তোত্রে নম্মালবর তার বিশ্বাসকে জোর দিয়ে বলেছেন যে শুধুমাত্র প্রপত্তির মাধ্যমেই কৃষ্ণের দ্বারা সুরক্ষা পাওয়া যায় । এটিকে চরম শ্লোকমের সারমর্ম হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয় যা একটি সত্তাতত্ত্বীয স্তোত্রের সমন্বয়ে গঠিত। এটি এতি তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয় যে অন্ততি ধারাকে অতঃপর মহৎ বলে গণ্য করা হয়েছিল। এই স্তোত্রগানের পঁচাত্তরতম স্তোত্রে নম্মালবর বিষ্ণুর সাথে একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংলাপে নিযুক্ত হন, যেখানে তিনি তাঁর গুণাবলী বর্ণনা করেন। ভক্তির রূপক হিসাবে তিনি বলেছেন, তিনি নিপুণভাবে দেবতাকে তাঁর হৃদয়ে বন্দী করে রেখেছেন যার নিকট সমগ্র বিশ্ব আধৃত। এইভাবে তিনি অলঙ্কৃতভাবে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যে তাদের দুজনের মধ্যে কে বড়, এবং এই প্রশ্নটিকে শ্লোকের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। []

পেরিয়া তিরুবন্ততির উনচল্লিশতম স্তোত্রে কৃষ্ণ সম্পর্কে নম্মালবরের উপলব্ধি বর্ণনা করা হয়েছে: [১০]

যখন কোন সময় আমি শ্যাম মেঘ বা শ্যাম পর্বত বা গভীর সাগর বা পুষ্পে মৌমাছি গুঞ্জরিত শ্যামল রাত্রি বা শ্যামল রঙের অন্য কিছু খুঁজি তখন আমার হৃদয় আমায় ত্যাগ করে এই বলে চলে যায় ' এটিই আমার কৃষ্ণের গৌরবশালী বর্ণ।'

পেরিয়া তিরুবন্ততি

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Reṭṭiyār, Na Cuppu; Reddiar, Nallappa Subbu (১৯৭৭)। Religion and Philosophy of Nālāyira Divya Prabandham with Special Reference to Nammālvār (ইংরেজি ভাষায়)। Sri Venkateswara University। পৃ. ২৫৬।
  2. Klostermaier, Klaus K. (১০ মার্চ ২০১০)। A Survey of Hinduism: Third Edition (ইংরেজি ভাষায়)। State University of New York Press। পৃ. ২৫৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৯১৪-৮০১১-৩
  3. Nayar, Nancy Ann (১৯৯২)। Poetry as Theology: The Śrīvaiṣṇava Stotra in the Age of Rāmānuja (ইংরেজি ভাষায়)। Otto Harrassowitz Verlag। পৃ. ৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৪৪৭-০৩২৫৫-১
  4. Raman, Srilata (২৪ জানুয়ারি ২০০৭)। Self-Surrender (prapatti) to God in Shrivaishnavism: Tamil Cats Or Sanskrit Monkeys? (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। পৃ. ২০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৪-১৬৫৩৮-৪
  5. Spuler, Bertold (১৯৭৫)। Handbook of Oriental Studies (ইংরেজি ভাষায়)। BRILL। পৃ. ১৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-০৪১৯০-৫
  6. Narayanan, Vasudha; Nammaaolvaar (১৯৯৪)। The Vernacular Veda: Revelation, Recitation, and Ritual (ইংরেজি ভাষায়)। Univ of South Carolina Press। পৃ. ৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৭২৪৯-৯৬৫-২
  7. Younger, Paul (২০০২)। Playing Host to Deity: Festival Religion in the South Indian Tradition (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। পৃ. ৮৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫১৪০৪৪-৬
  8. Nammalwar (১৫ মে ২০১৪)। A Hundred Measures of Time: Tiruviruttam (ইংরেজি ভাষায়)। Penguin UK। পৃ. ৮৬। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৩-৫১১৮-৭১৪-১
  9. Periya Thiruvandhathi & Atharvana Vedam - Annotated Commentary in English (পিডিএফ)। Oppiliappan Koil। পৃ. ৩–৪। ৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৩ {{বই উদ্ধৃতি}}: |প্রথমাংশ= এর জন্য |প্রথমাংশ= অনুপস্থিত (সাহায্য)
  10. Makarand Joshi। The Sacred Book Of Four Thousand 01 Nalayira Divya Prabandham Sri Rama Bharati 2000। পৃ. ৭১২।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

Periya Tiruvantati text (Tamil).pdf