জ্যাক বার্কেনশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্যাক বার্কেনশ
এমবিই
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজ্যাক বার্কেনশ
জন্ম (1940-11-13) ১৩ নভেম্বর ১৯৪০ (বয়স ৮১)
রথওয়েল, লিডসের কাছাকাছি, ইয়র্কশায়ার, ইংল্যান্ড
ডাকনামবার্কি
উচ্চতা৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার, আম্পায়ার, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৪৫৬)
২৫ জানুয়ারি ১৯৭৩ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট৫ এপ্রিল ১৯৭৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আম্পায়ারিং তথ্য
টেস্ট আম্পায়ার২ (১৯৮৬–১৯৮৮)
ওডিআই আম্পায়ার৬ (১৯৮৩–১৯৮৮)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৯০
রানের সংখ্যা ১৪৮ ১২,৭৮০
ব্যাটিং গড় ২১.১৪ ২৩.৫৭
১০০/৫০ ০/১ ৪/৫৩
সর্বোচ্চ রান ৬৪ ১৩১
বল করেছে ১,০১৭ ৬৯,১৭১
উইকেট ১৩ ১,০৭৩
বোলিং গড় ৩৬.০৭ ২৭.২৮
ইনিংসে ৫ উইকেট ৪৪
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৫৭ ৮/৯৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/০ ৩১৬/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

জ্যাক বার্কেনশ, এমবিই (ইংরেজি: Jack Birkenshaw; জন্ম: ১৩ নভেম্বর, ১৯৪০) ইয়র্কশায়ারের লিডসের কাছাকাছি রথওয়েল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।[১] ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭০-এর দশকের শুরুদিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে লিচেস্টারশায়ার, ওরচেস্টারশায়ার ও ইয়র্কশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিং করতেন ‘বার্কি’ ডাকনামে পরিচিত জ্যাক বার্কেনশ।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৩ নভেম্বর, ১৯৪০ তারিখে জ্যাক বার্কেনশয়ের জন্ম।[২] সাত বছর বয়সে রথওয়েলের জন লরেন্স ক্রিকেট বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৪ বছর বয়সে রথওয়েল গ্রামার স্কুল ও ইয়র্কশায়ার স্কুলে যোগ দেন। এছাড়াও, বিদ্যালয়ের রাগবি দলের সংরক্ষিত খেলোয়াড় ছিলেন। লফ্টহাউজ, ফারস্লে ও লিডসের পক্ষে ক্রিকেট খেলেন। ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত জ্যাক বার্কেনশয়ের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

১৯৫৮ সালে ১৭ বছর বয়সে ইয়র্কশায়ারের পক্ষে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।[২] উভয় ইনিংসেই তিনি জিম পার্কসের উইকেট লাভ করেন। তবে, ১৯৫৯ সালের পূর্ব-পর্যন্ত আর কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেননি তিনি। ঐ বছর ২৭.৩৯ গড়ে ৪০ উইকেট দখল করেন। এছাড়াও, সফররত ভারতীয় একাদশের বিপক্ষে মাইনর কাউন্টিজের পক্ষে খেলায় অংশ নেন। পরের বছর সফররত দক্ষিণ আফ্রিকান একাদশের বিপক্ষে নিজস্ব দ্বিতীয় ও শেষ মাইনর কাউন্টিজের খেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। ইয়র্কশায়ারের পক্ষে সর্বমোট ত্রিশটি খেলায় অংশ নেন। তাসত্ত্বেও কাউন্টি ক্যাপ লাভ করতে পারেননি তিনি। এরপর, ১৯৬১ সালে লিচেস্টারশায়ারে যোগ দেন।

ইয়র্কশায়ারের পক্ষে দুই মৌসুমের অধিক সময় খেললেও ক্যাপ লাভ করা থেকে বঞ্চিত হন। এরপরই তিনি লিচেস্টারশায়ারের দিকে চলে যেতে বাধ্য হন। অন্যান্য অনেক ইয়র্কশায়ারীয়দের ন্যায় তিনিও নিজ কাউন্টি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। তার ক্ষেত্রে লিচেস্টারশায়ার লক্ষ্যস্থলে পরিণত হয়।

দল পরিবর্তন[সম্পাদনা]

আশ্রিত কাউন্টি দলের পক্ষে ৪২০টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণসহ পাঁচটি টেস্ট খেলার সুযোগ পান। দীর্ঘদিন ধরে লিচেস্টারশায়ারে অবস্থানকালীন তার খেলার মান সুবিধেজনক অবস্থানে ছিল না। ক্লাবে অবস্থানকালে প্রথম ছয় বছর কোন মৌসুমেই ২৭-এর অধিক উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখাননি। তবে, নিচেরসারিতে কিছু কার্যকর ব্যাটিংয়ের কল্যাণে দলে তাকে রাখা হয়েছিল।

১৯৬২ সালে মিডল্যান্ডস নক-আউট কাপ সীমিত ওভারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেকে ইতিহাসের পর্দায় ঠাঁই করে নেন। এ পর্যায়ে তিনি ব্যাটসম্যান হিসেবে অধিক ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৫ সালে কাউন্টি ক্যাপ লাভ করেন। এরপর থেকেই তিনি সফলতা লাভ করতে থাকেন। ১৯৬৭ সালে তিনি ২১.৪১ গড়ে ১১১ উইকেট লাভ করেন। অথচ, পূর্ববর্তী ছয় মৌসুমে সর্বসাকুল্যে মাত্র ১০২ উইকেট পেয়েছিলেন। পাঁচবার ইনিংসে পাঁচ-উইকেট পেয়েছেন। তন্মধ্যে, সাসেক্সের বিপক্ষে ৭/৮৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, শীতকালে পাকিস্তান গমনার্থে আন্তর্জাতিক একাদশ দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন।

১৯৬৮ সালে আরও একবার চমৎকার মৌসুম অতিবাহিত করেন। আবারও তিনি শত উইকেটের সন্ধান পান ও আরও একবার সাসেক্সের বিপক্ষে সাফল্য পান। এবার তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলেন। পরের বছর আরও দুইটি শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন। বিস্ময়করভাবে ৫৭বার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেললেও সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনি মাত্র তিনবার তিন অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সালে মধ্যে ৬৯, ৬৩, ৮৯ ও ৯০ উইকেট লাভ করেছিলেন। তন্মধ্যে, শেষ বছরটিতে সমারসেটের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৮/৯৪ গড়েন। এ ধরনের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের কারণে ইংল্যান্ড দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জ্যাক বার্কেনশ। ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে কানপুরে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে সিরিজের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। অংশগ্রহণকৃত পাঁচ টেস্টের সবকটিই বিদেশের মাটিতে খেলেছেন। সেখানে বেশ কয়েকবারই দ্বিতীয়সারির অফ স্পিনার হিসেবে তাকে দলে রাখা হয়েছিল। সর্বোপরি তার টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন ইয়র্কশায়ার থেকে চলে আসা আরেক রে ইলিংওয়ার্থের কারণে বাঁধাগ্রস্ত হয়। সংক্ষিপ্ত সুযোগে তিনি নিজের উপযুক্ততা প্রদর্শনে সচেষ্ট ছিলেন। ৩০ মার্চ, ১৯৭৪ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

দলের প্রথম পছন্দের অফ স্পিনার রে ইলিংওয়ার্থকে বাদ দিয়ে ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে ভারত ও পাকিস্তান গমনার্থে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কানপুরে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এছাড়াও, তিন উইকেট পান। তন্মধ্যে, সুনীল গাভাস্কার তার প্রথম শিকারে পরিণত হন। বোম্বেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম টেস্টেও তাকে ইংল্যান্ড দলে রাখা হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন।

তবে, পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের বাইরে তাকে রাখা হয়। তবে, তৃতীয় টেস্টে তাকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। ৫/৫৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন ও দ্বিতীয় ইনিংসে নরম্যান গিফোর্ডের সমান উইকেট পান।

১৯৭৩ সালে আরও একটি সুন্দর ঘরোয়া আসর অতিবাহিত করা সত্ত্বেও ঐ গ্রীষ্মে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে কোন সিরিজেই ইংল্যান্ড দলে রাখা হয়নি। তার পরিবর্তে ৪১ বছর বয়সী রে ইলিংওয়ার্থকে আবারও দল নির্বাচকমণ্ডলী অন্তর্ভুক্ত করে। তবে, শীতকালে ক্যারিবীয়ায় ইংল্যান্ড দলের সফরে রে ইলিংওয়ার্থকে রাখা হয়নি ও বার্কেনশ সেখানে তার সর্বশেষ দুই টেস্টে অংশ নেন। তিন ইনিংসে ৯৬ রান খরচায় দুই উইকেট ও ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। ফলে, ১৯৭৪ সালের গ্রীষ্মকালে তাকে আর দলে রাখা হয়নি। এভাবেই তার ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি ঘটে।

অবসর[সম্পাদনা]

অনেকগুলো বছর তিনি লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৫ সালের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা বিজয়ে যথোচিত ভূমিকা রাখেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব চতুর্থ ও চূড়ান্ত শতরানের ইনিংস খেলেন। একদিনের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। সানডে লীগে এসেক্সের বিপক্ষে ৫/২০ লাভ করেছিলেন তিনি। ঐ বছরে এগারোটি একদিনের খেলায় অংশগ্রহণ করলেও এগুলোই তার একমাত্র উইকেট ছিল।

১৯৭৬ সালে জ্যাক বার্কেনশ একটিমাত্র একদিনের খেলায় শতরান করেন। জিলেট কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তবে, ঐ খেলায় লিচেস্টারশায়ার দল মাত্র তিন রানের জন্যে জয় পায়নি।

১৯৮০ সালে লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে সর্বশেষ খেলেন। ওরচেস্টারশায়ারের সদস্যরূপে শেষ খেলায় অংশ নেন। সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে মনঃকষ্টকর ৩২ ও ৫৪ রান তুলেন। জুলাই, ১৯৮১ সালের শেষদিকে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে নিজের শেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। নিজস্ব প্রথম উইকেট পেয়েছিলেন খ্যাতিমান টেস্ট ক্রিকেটার কপিল দেবের। শেষেরটিতেও তিনি ৭৯ রানে কপিল দেবকে কট আউটে বিদেয় করেন। এছাড়াও, স্টোরব্রিজে ১৯ বছরের মধ্যে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের প্রথমবারের মতো এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ বছর ওরচেস্টারশায়ারের পক্ষে ১০ খেলায় অংশ নেন।

আম্পায়ারিত্বে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও পরবর্তীতে কোচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ারিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৮ সালে পর্যন্ত আড়াইশতের অধিক খেলা পরিচালনা করেছেন। তন্মধ্যে, দুইটি টেস্ট ও ছয়টি একদিনের আন্তর্জাতিক ছিল। একদিনের আন্তর্জাতিকের চারটি খেলাই ছিল ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের তৃতীয় আসরের।

সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ সালে রিফিউজ অ্যাসুরেন্স কাপের চূড়ান্ত খেলা পরিচালনার মাধ্যমে সর্বশেষ আম্পায়ারিত্ব করেন। এরপর, নিজ কাউন্টি লিচেস্টারশায়ারে ফিরে আসেন ও কোচের দায়িত্ব পালন করেন। সমারসেটেও একই দায়িত্বে ছিলেন। কোচ হিসেবে তিনি ঐ দলকে ১৯৯৬ ও ১৯৯৮ সালের শিরোপা বিপজয়ে নেতৃত্ব দেন।

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

বেশ সুন্দর ভঙ্গীমায় বলকে শূন্যে ভাসিয়ে ও বৈচিত্র্য আনয়ণে অফ স্পিন বোলিং করতেন। পর্যাপ্ত নিখুঁত ভাব বজায় রাখলেও বল হাতে নিয়ে বড়মানের স্পিনার হতে পারেননি তিনি। পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে চারটি প্রথম-শ্রেণীর শতরান করেছেন। রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ে পর্যাপ্ত দক্ষতা প্রদর্শনের পাশাপাশি দূর্দান্ত ড্রাইভ মারতেন।

ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার কলিন বেটম্যান মন্তব্য করেন যে, জ্যাক বার্কেনশ চমৎকার কাউন্টি ক্রিকেট অল-রাউন্ডার। অফ-স্পিন বোলিংয়ের পাশাপাশি শেষদিকে মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে আবির্ভূত হতেন। নির্ভরযোগ্য ফিল্ডার ছিলেন। সর্বোপরী চমৎকার প্রতিযোগী ছিলেন।[১]

ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১১ সালে রাণীর জন্মদিনের সম্মাননায় এমবিই পদবী প্রদান করা হয়।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bateman, Colin (১৯৯৩)। If The Cap Fits। Tony Williams Publications। পৃষ্ঠা 21আইএসবিএন 1-869833-21-X 
  2. Warner, David (২০১১)। The Yorkshire County Cricket Club: 2011 Yearbook (113th সংস্করণ)। Ilkley, Yorkshire: Great Northern Books। পৃষ্ঠা 364। আইএসবিএন 978-1-905080-85-4 
  3. "নং. 59808"দ্যা লন্ডন গেজেট (সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুন ২০১১। 
  4. "Henry Cecil is the toast of horse racing after being awarded a knighthood"Daily Telegraph। ১১ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১১ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]