ঘাজিয়াবাদ জংশন রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ঘাজিয়াবাদ রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতের হাওড়া-দিল্লি মেইন লাইনের কানপুর-দিল্লি সেকশনে অবস্থিত৷ এর মধ্য আরও রয়েছে হাওড়া-গয়া-দিল্লি লাইন এবং নয়া দিল্লি-মুরাদাবাদ-লক্ষনৌ লাইন৷ এটি ভারতের উত্তর প্রদেশের ঘাজিয়াবাদ জেলায় অবস্থিত৷ রেলওয়ে স্টেশনটি ঘাজিয়াবাদ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করেছে৷

Thumb

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির হাওড়া-দিল্লি লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হয় ১৮৬৬ সালে৷[১]

মিরুত এবং দিল্লির মধ্যকার রেলওয়ে লাইন ১৮৬৪ সালে নির্মিত হয়৷[২]

সিন্ধ, পাঞ্জাব এবং দিল্লি রেলওয়ে ১৮৭০ সালে ৪৮৩ কিলোমিটার(৩০০ মাইল) দীর্ঘ অমৃতসর-আমবালা-শাহরানপুর-ঘাজিয়াবাদ লাইন নির্মাণ সম্পূর্ন করে, যা দিল্লিকে মুলতান(যা বর্তমানে পাকিস্তানে) এর সাথে সংযুক্ত করে৷[৩]

অপরদিকে ঘাজিয়াবাদ-মুরাদাবাদ লাইনটি অযোধ্যা এবং রোহিলখান্ড রেলওয়ে কর্তৃক ১৯০০ সালে নির্মিত হয়৷[৪]

বিদ্যুৎচালিতকরণ[সম্পাদনা]

টানডা-আলিগড়-ঘাজিয়াবাদ সেক্টর ১৯৭৫-৭৬ সালে এবং ঘাজিয়াবাদ-নিজামুদ্দিন-নয়া দিল্লি-দিল্লি সেক্টর ১৯৭৬-৭৭ সালে বিদ্যুৎচালিতকরণ করা হয়৷[৫]

১৪০ কিলোমিটার(৮৭ মাইল) দীর্ঘ ঘাজিয়াবাদ-মুরাদাবাদ লাইন ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎচালিতকরণ করা হয়৷ অপরদিকে ঘাজিয়াবাদ-মিরুত-মুজাফফরনগর-শাহরানপুর-রোরকি-হরিদ্বার লাইনটি ২০১৬ সালের মার্চ মাসে বিদ্যুৎচালিতকরণ করা হয়৷

লোকাল ইলেকট্রিক ট্রেন[সম্পাদনা]

ঘাজিয়াবাদ হতে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিওন এ নিয়মিতভাবে লোকাল ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল করে থাকে৷ এক্ষেত্রে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর অতিক্রান্ত দূরত্ব যথাক্রমে: নয়া দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন(২৬ কিলোমিটার), পুরাতন দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন(২০ কিলোমিটার), হযরত নিযামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশন(২৬ কিলোমিটার) এবং আনন্দ বিহার(১৩ কিলোমিটার)৷

স্থানীয় ট্রেনের তালিকা[সম্পাদনা]

নিয়মিতভাবে যে স্থানীয় ট্রেনগুলো চলাচল করে থাকে, সেগুলো হল ইএমইউ, এমইএমইউ, প্যাসেঞ্জার ইত্যাদি৷ এ ট্রেনগুলো ভোর সকালে যাত্রা শুরু করে এবং মধ্যরাত পর্যন্ত চলাচল করে থাকে৷[৬]

যাত্রী সার্ভিসসমূহ[সম্পাদনা]

ঘাজিয়াবাদ স্টেশনে যাত্রীদের জন্য যে সকল সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে, সেগুলো হল- ওয়েটিং রূম, ওয়াটার কুলার, খাঁটি নিরামিষভোজী রেস্টুরেন্ট, রিফ্রেশমেন্ট কক্ষ, বুক স্টল, কম্পিউটারাইজড রিজার্ভেশন অফিস এবং টেলিফোন বুথ৷

লোকো শেড[সম্পাদনা]

ঘাজিয়াবাদ ইলেকট্রিক লোকো শেড দিল্লি এলাকায় সার্ভিস প্রদান করে থাকে৷ এটি ভারতের দ্রুতগামী লোকোমোটিভগুলোর সার্ভিস প্রদান ও রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে৷ এ লোকোমোটিভগুলোর বেশিরভাগই রাজধানী, শতাব্দী এবং দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷ ২০০৮ সাল অনুযায়ী এটিতে ৪৭ ডাব্লিউএপি-১ লোকো রয়েছে৷ এছাড়াও এটিতে সংযুক্ত রয়েছে ডাব্লিউএএম-৪, ডাব্লিউএপি-৪, ডাব্লিউএপি-৪, ডাব্লিউএপি-৭ এবং ডাব্লিউএজি-৫এইচএ লোকো৷[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "IR History: Early Days - I"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ 
  2. "Meerut"। Triposo। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ 
  3. "IR History: Early Days II (1870-1899)"। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ 
  4. "The Oudh and Rohilkhand Railway" (PDF)। Management E-books6। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. "History of Electrification"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ 
  6. "গাজিয়াবাদ ট্রেন স্টেশন"। cleartrip.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭ 
  7. "Sheds and workshops"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৭