পাটনা জংশন রেলওয়ে স্টেশন
পাটনা জংশন | |||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ভারতীয় রেল স্টেশন | |||||||||||||||||||||
স্টেশনের মূল প্রবেশদ্বার | |||||||||||||||||||||
| অবস্থান | স্টেশন রোড, মহাবীর মন্দিরের নিকট, পাটনা- ৮০০০০১ বিহার ভারত | ||||||||||||||||||||
| স্থানাঙ্ক | ২৫°৩৬′১০″ উত্তর ৮৫°৮′১৫″ পূর্ব / ২৫.৬০২৭৮° উত্তর ৮৫.১৩৭৫০° পূর্ব | ||||||||||||||||||||
| উচ্চতা | ৫৭ মিটার (১৮৭ ফুট) | ||||||||||||||||||||
| মালিকানাধীন | ইসিআর | ||||||||||||||||||||
| পরিচালিত | ভারতীয় রেল | ||||||||||||||||||||
| লাইন | হাওড়া–দিল্লি প্রধান লাইন আসানসোল–পাটনা বিভাগ পাটনা-মুঘলসরাই লাইন পাটনা–গয়া লাইন পাটনা–সোনপুর–হাজিপুর বিভাগ | ||||||||||||||||||||
| প্ল্যাটফর্ম | ১০> | ||||||||||||||||||||
| রেলপথ | ১৫ | ||||||||||||||||||||
| নির্মাণ | |||||||||||||||||||||
| গঠনের ধরন | আদর্শ (ভূমিগত) | ||||||||||||||||||||
| পার্কিং | হ্যাঁ | ||||||||||||||||||||
| অন্য তথ্য | |||||||||||||||||||||
| অবস্থা | পরিচালনাগত | ||||||||||||||||||||
| স্টেশন কোড | পিএনবিএ | ||||||||||||||||||||
| অঞ্চল | পূর্ব মধ্য রেল | ||||||||||||||||||||
| বিভাগ | দানাপুর | ||||||||||||||||||||
| ইতিহাস | |||||||||||||||||||||
| চালু | ১৮৬২[১] | ||||||||||||||||||||
| বৈদ্যুতীকরণ | ২০০৩–২০০৪[২] | ||||||||||||||||||||
| আগের নাম | বঙ্কিপুর জংশন | ||||||||||||||||||||
| যাতায়াত | |||||||||||||||||||||
| যাত্রীসমূহ (২০১৩) | ৪ লাখ (প্রতিদিন)[৩] | ||||||||||||||||||||
| পরিষেবা | |||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||
| অবস্থান | |||||||||||||||||||||
পাটনা জংশন (স্টেশন কোড পিএনবিই) ভারতের বিহার রাজ্যের রাজধানী পাটনা শহরের একটি প্রধান রেলওয়ে স্টেশন, যা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত,[৪] এটি পাটনার রেল পরিষেবা প্রদানকারী প্রধান রেলওয়ে স্টেশন। এটি ভারতীয় রেলের পূর্ব মধ্য রেলওয়ে জোনের দানাপুর বিভাগের অন্তর্গত। পাটনা জংশন দেশের অন্যতম ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন।[৫]
এই রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতের বেশিরভাগ প্রধান শহরের সাথে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের দ্বারা সংযুক্ত।[৬] পাটনা স্টেশনটি ভারতের অন্যতম ব্যস্ততম রেল রুট দিল্লি ও কলকাতাকে সংযোগকারী রেলপথের মধ্যে অবস্থিত। পাটনা থেকে ধারাবাহিক ভাবে দিল্লি ও কলকাতা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করে।[৭] পাটনা জংশন দৈনিক যাত্রী ও এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবাগুলির মাধ্যমে আরা, গয়া, জেহানাবাদ, বিহার শরিফ, রাজগীর, ইসলামপুরের সাথে সংযুক্ত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]পাটনা জংশন রেলওয়ে স্টেশনটি ১৮৬২ সালে ব্রিটিশ ভারতের বাংলার পাটনা জেলা ও বিভাগের সদর দফতর বঙ্কিপুর (বঙ্কিপুর) শহরে বঙ্কিপুর জংশন[৮] হিসাবে চালু হয।[৯] পাটনার মধ্য দিয়ে রেলপথ নির্মাণের কাজ ১৮৫৫ সালে শুরু হয় এবং ১৮৬২ সালে এটি সম্পন্ন ও চালু হয়।[১০] এর আগে কাঁচামাল ও তৈরি পণ্য পরিবহনের কাজ গঙ্গা নদীর মাধ্যমে করা হত।[১] দুটি শাখা লাইন রয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিম জোনে একটি শাখা রেলপথটি পাটনা জংশন রেল স্টেশনকে দিঘা ঘাটের সাথে সংযুক্ত করে এবং অন্যটি পূর্ব জোনে পাটনা সিটি রেল স্টেশনকে পাটনা ঘাটের সাথে সংযুক্ত করে।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Intra Urban Market Geography। Concept Publishing Company। ১৯৮০। পৃ. ৩৫–। GGKEY:H0N03P8ZTPB। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ "History of Electrification"। information published by CORE (Central Organisation for Railway Electrification)। CORE (Central Organisation for Railway Electrification)। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ Kumod Verma (১৭ ডিসেম্বর ২০১৩)। "Patna Junction to get two escalators by Jan-end"। The Times of India। ৩ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Patna serial blasts"। India Today। ২৯ অক্টোবর ২০১৩। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Patna by Railways"। go4patna.com। ১৯ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Kory Goldberg; Michelle Dcary (৯ নভেম্বর ২০০৯)। Along the Path – The Meditator's Companion to the Buddha's Land। Pariyatti। পৃ. ২০০–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯২৮৭০৬-৫৬-৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ Tom Woodhatch (১৯৯৯)। Nepal handbook। Footprint Travel Guides। পৃ. ৪৩৫–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০০৯৪৯-৪৪-৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ Amit Bhelari (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Train to trace travels of Mahatma"। Telegraph India। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ "Imperial Gazetteer2 of India, Volume 6, page 382 – Imperial Gazetteer of India — Digital South Asia Library"। Dsal.uchicago.edu। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ O'Malley, L. S. S. (১৯২৪)। Bihar And Orissa District Gazetteers Patna — L.S.S. O'malley — Google Books। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭২৬৮১২১০। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)