গ্রাহাম লয়েড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গ্রাহাম লয়েড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামগ্রাহাম ডেভিড লয়েড
জন্ম (1969-07-01) ১ জুলাই ১৯৬৯ (বয়স ৫১)
অ্যাক্রিংটন, ল্যাঙ্কাশায়ার, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান, আম্পায়ার
সম্পর্কডেভিড লয়েড (পিতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৪১)
২৯ আগস্ট ১৯৯৬ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই২৫ অক্টোবর ১৯৯৮ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
ল্যাঙ্কাশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২০৩ ২৯৬
রানের সংখ্যা ৩৯ ১১,২৭৯ ৬,১১৭
ব্যাটিং গড় ৯.৭৫ ৩৮.২৩ ২৯.১২
১০০/৫০ ০/০ ২৪/৬৪ ৪/২৯
সর্বোচ্চ রান ২২ ২৪১ ১৩৪
বল করেছে ৩৩৯ ৭২
উইকেট
বোলিং গড় ২২০.০০ ১০৩.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৪ ১/২৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/– ১৪০/– ৬৭/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৫ এপ্রিল ২০২০

গ্রাহাম ডেভিড লয়েড (ইংরেজি: Graham Lloyd; জন্ম: ১ জুলাই, ১৯৬৯) ল্যাঙ্কাশায়ারের অ্যাক্রিংটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও আম্পায়ার। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতি মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন গ্রাহাম লয়েড

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

নিজ শহরে অ্যাক্রিংটন ক্রিকেট ক্লাবের মাধ্যমে ক্লাব ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত গ্রাহাম লয়েডের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। গ্রাহাম লয়েডের খেলোয়াড়ী জীবন একদিনের ক্রিকেটের দিকেই সীমিত ছিল। অসাধারণ ব্যাটিংশৈলী ও ফিল্ডিং করতেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের শেষার্ধ্বে ল্যাঙ্কাশায়ার দলের একদিনের ক্রিকেটে আধিপত্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবে, লর্ডসে দলকে চূড়ান্ত খেলায় নিয়ে যেতে পারেননি।

১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালে ওয়াল্টার লরেন্স ট্রফি লাভ করেন। ২০০৩ সালে কাম্বারল্যান্ড দলের পক্ষে সর্বশেষ লিস্ট এ ক্রিকেটে অংশ নেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় তিনি ১২৩ রান তুলেছিলেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার খেলার মান বেশ ভালোমানের ছিল। ৩৮.২৩ গড়ে ১১,২৭৯ রান তুলেছেন। তাসত্ত্বেও, ল্যাঙ্কাশায়ার দলে তাকে উপেক্ষার শিকার হতে হয়েছিল। প্রথম একাদশে নিয়মিত স্থান বজায় রাখতে না পেরে ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর, মাইনর কাউন্টিজ ক্রিকেটে কাম্বারল্যান্ডে খেলেন। পাশাপাশি অ্যাক্রিংটন দলে খেলার পাশাপাশি কোচিং করাতেন। এ ক্লাবের মাধ্যমে পিতা ডেভিড লয়েডের খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে। অবসর গ্রহণের পর ডেভিড লয়েড পুত্র গ্রাহাম লয়েডের সাথে অ্যাক্রিংটনের পক্ষে একত্রে ব্যাটিং করে যথাক্রমে ১৫ ও ৭৮ রান করেছিলেন। তবে, হ্যাসলিংডন ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে তাদের দল পরাজিত হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ছয়টিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন গ্রাহাম লয়েড। ২৯ আগস্ট, ১৯৯৬ তারিখে ম্যানচেস্টারে সফরকারী পাকিস্তান দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ২৫ অক্টোবর, ১৯৯৮ তারিখে ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

বড় ধরনের খেলোয়াড় ছিলেন না। সাবেক ইংল্যান্ড দলের কোচ ও ব্যাটসম্যান ডেভিড লয়েড তার পিতা। এ সময়েই তিনি ইংল্যান্ড দলে অংশগ্রহণকৃত ছয়টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ছয়টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়ে মাত্র ৩৯ রান তুলতে পেরেছিলেন। এরপর, আর তাকে জাতীয় দলে রাখা হয়নি।

অবসর[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর গ্রাহাম লয়েড আম্পায়ারিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নিয়ন্ত্রণাধীন প্রথম-শ্রেণীর আম্পায়ারের তালিকায় রয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "England Players by ODI Caps"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]