জয়ানন্দ বর্ণবীরা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জয়ানন্দ বর্ণবীরা
ජයනන්ද වර්ණවීර
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকাহাকাচ্চি পাতাবান্দিগে জয়ানন্দ বর্ণবীরা
জন্ম২৩ নভেম্বর, ১৯৬০
মাতারা, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি মিডিয়াম
ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩৩)
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট৯ আগস্ট ১৯৯৪ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৬২)
৮ ডিসেম্বর ১৯৯০ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ বনাম পাকিস্তান
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১০
রানের সংখ্যা ৩৯
ব্যাটিং গড় ৪.৩৩ -
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ২০ ১*
বল করেছে ২৩৩৩ ২৯৪
উইকেট ৩২
বোলিং গড় ৩১.৯০ ৩৩.৩৩
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৪/২৫ ২/২৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৯ মার্চ ২০২০

কাহাকাচ্চি পাতাবান্দিগে জয়ানন্দ বর্ণবীরা (সিংহলি: ජයනන්ද වර්ණවීර; জন্ম: ২৩ নভেম্বর, ১৯৬০) মাতারা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে গল ও সিংহ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি মিডিয়াম কিংবা ডানহাতি অফ ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিং করতেন জয়ানন্দ বর্ণবীরা

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

গলের মহিন্দ কলেজে জয়ানন্দ বর্ণবীরা অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত জয়ানন্দ বর্ণবীরা’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ইংল্যান্ড এ-দলের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজে উদীয়মান ক্রিকেটারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণের জন্যে আমন্ত্রিত হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দশটি টেস্ট ও ছয়টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন জয়ানন্দ বর্ণবীরা। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে ক্যান্ডিতে সফরকারী পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৯ আগস্ট, ১৯৯৪ তারিখে কলম্বোয় একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

অংশগ্রহণকৃত টেস্টের অধিকাংশই নিজ দেশে খেলেছেন। এ পর্যায়ে তিনি নিজেকে প্রতিপক্ষের সমীহের কারণে হয়ে দাঁড়ান। ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৮.৩ ওভার বোলিং করে ১/২৬ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। পরের টেস্টে অংশগ্রহণের জন্যে নভেম্বর, ১৯৯০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। এ পর্যায়ে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নেন তিনি। ৪৬ ওভার বোলিং করে ৩/৯০ লাভ করেন। এরপর ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পুনরায় খেলার জন্যে আহুত হন। শ্রীলঙ্কা দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ওয়েলিংটন টেস্টে উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠে ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ফলে এ সিরিজে আর কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি তিনি।

এসএসসিতে ৪/২৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে নিউজিল্যান্ড দলকে গুটিয়ে দিতে প্রভূতঃ ভূমিকায় রাখেন। এরফলে তার দল টেস্টে জয়সহ ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। একই মাঠে বর্ণবীরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় জয়ে সবিশেষ ভূমিকা পালন করেন। খেলায় ৬৫.১ ওভার বোলিং করে ১৮৮ রান খরচায় আট উইকেট দখল করেছিলেন তিনি। তবে, ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তেমন সফলতা পাননি। ৩ টেস্টে মাত্র ছয়জনকে বিদেয় করেছিলেন।

অবসর[সম্পাদনা]

গালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রধান তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, আকু’র তদন্তকার্যে সহযোগিতা না করায় আইসিসি তিন বছরের জন্যে তাকে বরখাস্ত করে।[১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Former Galle curator suspended by ICC"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৭ 
  2. "Galle chief curator suspended for two years"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৭ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]