এনামুল হক চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এনামুল হক চৌধুরী
এনামুল হক চৌধুরী.jpg
সিলেট-৬ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ – ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২
পূর্বসূরীমুহাম্মদ আশরাফ আলী
উত্তরসূরীসৈয়দ মকবুল হোসেন
সিলেট-২ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
৭ মে ১৯৮৬ – ৩ মার্চ ১৯৮৮
পূর্বসূরীসুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তরসূরীমকসুদ ইবনে আজিজ লামা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৯৪৮
সিলেট
মৃত্যু১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১
সিলেট জেলা
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
প্রাক্তন শিক্ষার্থীমুরারিচাঁদ কলেজ
মদনমোহন কলেজ
পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
পুরস্কারবীরবিক্রম

এনামুল হক চৌধুরী (১৯৪৮- ২০১১) বাংলাদেশের সিলেট জেলার রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা যিনি তৎকালীন সিলেট-৬সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।[১][২] বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য সরকার তাকে বীরবিক্রম খেতাব প্রদান করেন।[৩]

জন্ম[সম্পাদনা]

এনামুল হক চৌধুরী ১৯৪৮ সালে সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

এনামুল হক চৌধুরী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশসরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।[৩]

১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন সিলেট-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১] ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-২ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[২][৪]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

এনামুল ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "২য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "৩য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "দৈনিক প্রথম আলো, "তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না"| তারিখ: ২৪-১২-২০১২"। ২০১৫-০২-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২২ 
  4. "সিলেট-২: ফুরফুরে মহাজোটের এহিয়া, ইলিয়াসপত্নীর প্রার্থীতা স্থগিত"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮। ২২ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৯