এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
যে জন্য পরিচিতবীর বিক্রম

এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী (জন্ম: অজানা) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। বর্তমানে তিনি কানাডায় অবস্থান করছেন। [১]

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

এস এইচ এম বি নূর চৌধুরীর জন্ম সিলেটে। তাঁর বাবার নাম এম এ নূর। [২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকুরি করতেন এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী। ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে ভারতে যান। তাঁকে মুক্তিবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করে এম এ জি ওসমানীর এডিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি নিয়মিত মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্সে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ধলই বিওপির যুদ্ধে অংশ নেন এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী। ২৭ অক্টোবর রাতে নূর চৌধুরীসহ মুক্তিযোদ্ধারা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ছিল কয়েকটি দল। তাঁরা যেখানে অবস্থান নেন সেটি ছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ঘাঁটি ও প্রতিরক্ষা এলাকা থেকে ৬০০ গজ দূরে। পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধাদের মূল দল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ঘাঁটি আক্রমণের জন্য এগিয়ে যায়। কিন্তু আক্রমণ শুরুর আগেই আক্রান্ত হন। মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গোলাগুলি শুরু করে। এর ব্যাপকতা বেশি থাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের দলগুলোর অগ্রযাত্রা থেমে যায়। এরপর মুক্তিযোদ্ধারা ফায়ার অ্যান্ড মুভ পদ্ধতিতে সামনে এগিয়ে যেতে থাকেন। তখন নূর চৌধুরী ও তাঁর উপদলের প্লাটুন হাবিলদার পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে আহত হন। ফলে তাঁর দলের মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। সেদিন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অবস্থান ছিল উঁচু টিলার ওপরে তাই মুক্তিযোদ্ধারা বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেননি। টিলায় থাকা পাকিস্তানি বাহিনীর এইচএমজির নিখুঁত গুলিবর্ষণের ফলে অনেক মুক্তিযোদ্ধা হতাহত হন। সেদিন শেষ পর্যন্ত মুক্তিবাহিনীর আক্রমণ সফল হয়নি। [৩]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. প্রথম আলো
  2. একাত্তরের বীরযোদ্ধাদের অবিস্মরণীয় জীবনগাঁথা, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা স্মারকগ্রহন্থ। জনতা ব্যাংক লিমিটেড। জুন ২০১২। পৃষ্ঠা ৪৭৭। আইএসবিএন 9789843351449 
  3. একাত্তরের বীরযোদ্ধা, খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা (প্রথম খন্ড)। প্রথমা প্রকাশন। এপ্রিল ২০১২। পৃষ্ঠা ৩১৭। আইএসবিএন 9789843338884 

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]