আলফঁস আরেওলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আলফঁস আরেওলা
Areola (cropped).jpg
২০১১ সালে আরেওলা
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম আলফঁস আরেওলা
জন্ম (1993-02-27) ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ (বয়স ২৬)
জন্ম স্থান প্যারিস, ফ্রান্স
উচ্চতা ১.৯৫ মিটার (৬ ফুট ৫ ইঞ্চি)[১]
মাঠে অবস্থান গোলরক্ষক
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই
জার্সি নম্বর ১৬
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন
১৯৯৯–২০০৬ পেতিতিস আঙ্গেস
২০০৬–২০১২ প্যারিস সেন্ট জার্মেই
২০০৮–২০০৯আইএনএফ ক্লেয়ারফোন্তেন (ধার)
জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০১২– প্যারিস সেন্ট জার্মেই ৫০ (০)
২০১৩–২০১৪লঁস (ধার) ৩৫ (০)
২০১৪–২০১৫বাস্তিয়া (ধার) ৩৫ (০)
২০১৫–২০১৬ভিয়ারিয়াল (ধার) ৩২ (০)
জাতীয় দল
২০০৮–২০০৯ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-১৬ ১৪ (০)
২০০৯–২০১০ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-১৭ ১০ (০)
২০১০–২০১১ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-১৮ (০)
২০১১–২০১২ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-১৯ (০)
২০১২–২০১৩ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২০ ১৬ (০)
২০১৩–২০১৪ ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২১ (০)
  • পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং ১৮ মে ২০১৮ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল ১৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

আলফঁস আরেওলা (ফরাসি : [alfɔ̃s aʁeɔla];[২] জন্ম: ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩) হলেন একজন ফরাসি পেশাদার ফুটবলার, যিনি লীগ ১ ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের হয়ে একজন গোলরক্ষক হিসেবে খেলেন। তিনি পিএসজির একাডেমী হতে ফুটবল শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তিনি তার ক্যারিয়ারের শুরু দিকে আরসি লঁস, এসসি বাস্তিয়া এবং লা লিগার ক্লাব ভিয়ারিয়াল সিএফের মতো ক্লাবে ধারে খেলেছেন। ভিয়ারিয়ালে খেলার সময়, "সর্বাধিক ম্যাচ ধরে গোল না হজম করার" রেকর্ড গড়েছেন: তিনি প্রায় ৬২০ মিনিট ধরে অপরাজেয় ছিলেন।

আরেওলা ফ্রান্সের সকল বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলেছেন। ২০১৩ সালে, তিনি ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২০ দলের একজন সদস্য ছিলেন।বাঁকা লেখা

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

প্যারিস সেন্ট জার্মেই

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

ফ্রান্স

ব্যক্তিগত[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Alphonse Areola Player Profile"Paris Saint-Germain। ১৮ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৭ 
  2. "ALPHONSE AREOLA - Gauche / Droite"YouTube। ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০১৭ 
  3. "Beckham delivers in Paris win"Sky Sports News। ১৮ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৪ 
  4. "PSG clinch Ligue 1 title by thrashing Monaco" 
  5. "PSG brush aside Monaco to win French League Cup for fourth straight year"BBC। ১ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১৭ 
  6. "Mbappe stars as PSG beat Monaco to lift Cup"। Ligue 1। ৩১ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৮ 
  7. Coerts, Stefan (২৭ মে ২০১৭)। "Angers 0 Paris Saint-Germain 1: Cissokho own goal in stoppage time delivers Coupe de France glory"Goal। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৭ 
  8. "Paris Saint-Germain set record with fourth straight Coupe De France crown"Goal। ৮ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৮ 
  9. "Les questions que l'on se pose après le Trophée des champions remporté par le PSG contre Lyon (4–1)"France Football। ৭ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০১৬ (ফরাসি)
  10. Hanson, Peter (২৯ জুলাই ২০১৭)। "Monaco 1 Paris Saint-Germain 2: Dani Alves' Dream Debut Secures Trophée des Champions"Goal। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭ 
  11. "France triumph after shootout drama"FIFA। ১৩ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৫ 
  12. "Technical report" (PDF)। UEFA। পৃষ্ঠা 13। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৮ 
  13. Jiang, Allan (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Alphonse Areola and Hervin Ongenda Diverging at Bastia"Bleacher Report। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৬ 
  14. "Alphonse Areola, Eurosport revelation 2014!"RC Lens। ১৬ মে ২০১৪। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ (ফরাসি)
  15. "Our Champions League breakthrough team of 2016"UEFA। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]