অজন্তা গুহাসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
অজন্তা গুহাসমূহ
বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকায় উল্লিখিত নাম
The Ajanta Caves
ধরন সাংস্কৃতিক ১
মানদণ্ড i, ii, iii, vi
তথ্যসূত্র ২৪২
ইউনেস্কো অঞ্চল এশিয়া -প্যাসিফিক
স্থানাঙ্ক ২০°৩৬′উত্তর ৭৫°৪২′পূর্ব / ২০.৬° উত্তর ৭৫.৭° পূর্ব / 20.6; 75.7স্থানাঙ্ক: ২০°৩৬′উত্তর ৭৫°৪২′পূর্ব / ২০.৬° উত্তর ৭৫.৭° পূর্ব / 20.6; 75.7
শিলালিপির ইতিহাস
শিলালিপি ১৯৮৩ (৭ম সভা)
অজন্তা গুহাসমূহ মহারাষ্ট্র-এ অবস্থিত
অজন্তা গুহাসমূহ
India Maharashtra অজন্তা গুহাসমূহের অবস্থান

অজন্তা গুহাসমূহ ভারতের মহারাষ্ট্রে গভীর খাড়া গিরিখাতের পাথর কেটে খোদাই করা প্রায় ৩০টি গুহা-স্তম্ভ। এগুলি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে খ্রিস্টীয় ৭ম শতাব্দীর মধ্যে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।[১][২] এগুলিতে পাওয়া ছবি ও ভাস্কর্য তৎকালীন বৌদ্ধ ধর্মীয় শিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। অজন্তার দেয়ালের চিত্রগুলিতে বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। ফ্রেস্কো ধাঁচের এই দেয়ালচিত্রগুলির জীবন্ত রূপ এবং এগুলিতে নানা রঙের সমৃদ্ধ ও সুক্ষ্ম প্রয়োগ এগুলিকে ভারতের বৌদ্ধ চিত্রশিল্পের সর্বোৎকৃষ্ট নিদর্শনে পরিণত করেছে। গুহাগুলি মহারাষ্ট্রের আউরাঙ্গাবাদ জেলার জলগাঁও রেলস্টেশনের কাছে, আজিন্তা বা অজন্তা গ্রামের প্রান্তে অবস্থিত (২০ ডিগ্রী ৩০ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৭৫ ডিগ্রী ৪০ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। ১৯৮৩ সাল থেকে এই স্থানটি একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।

অজন্তা শৈলী ভারতে এবং অন্যত্র যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে, বিশেষ করে জাভাতে। সংশ্লিষ্ট দুই মিনার গোষ্ঠীর সঙ্গে,ভারতীয় ইতিহাসের দুই গুরুত্বপূর্ণ সময় জড়িয়ে আছে। সামগ্রিক অজন্তা গুহা,ভারতীয় শিল্প বিবর্তনের ব্যতিক্রমী সাক্ষ্য বহন করে, সেইসাথে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভূমিকা নির্ধারণ করে,বুদ্ধিজীবী ও ধর্মীয় প্রেক্ষাগৃহগুলি, ভারতে গুপ্ত এবং তাদের তাৎক্ষণিক উত্তরাধিকারীর বিদ্যালয়গুলি ও অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলি। ২৯টি গুহা প্রায় ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে খনন শুরু করা হয়েছিল, কিন্তু তারা ইলোরার অনুকূলে ৬৫০ খ্রিস্টাব্দে পরিতক্ত্য হয়। পাঁচটি গুহাতে মন্দিরগুলি ছিল এবং চব্বিশটি গুহাতে মঠ ছিল যেগুলি প্রায় ২০০ বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ও শিল্পীদের দ্বারা অধিকৃত ছিল বলে মনে করা হয়। ১৮১৯ সালে একটি ব্রিটিশ বাঘ-শিকারের দল দ্বারা পুনঃআবিষ্কৃত হবার আগে অবধি, অজন্তা গুহা ধীরে ধীরে বিস্মৃতিতে তলিয়ে গিয়েছিল।[৩]

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর ভ্রমণলিপিতে অজন্তার বর্ণনা আছে। গুহাগুলি দীর্ঘকাল অরণ্যের আড়ালে বিস্মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। উনিশ শতকে, ১৮১৯ সালে, এগুলি নতুন করে আবিষ্কৃত হয়। অজন্তা ও অদূরবর্তী ইলোরা ভারতের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র।

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Gopal, Madan (১৯৯০)। K.S. Gautam, সম্পাদক। India through the ages। Publication Division, Ministry of Information and Broadcasting, Government of India। পৃ: ১৭৩। 
  2. The precise number varies according to whether or not some barely started excavations, such as cave 15A, are counted. The ASI say "In all, total 30 excavations were hewn out of rock which also include an unfinished one", UNESCO and Spink "about 30". The controversies over the end date of excavation is covered below.
  3. [১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]


বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান