ঔরঙ্গাবাদ জেলা, মহারাষ্ট্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঔরঙ্গাবাদ জেলা
মহারাষ্ট্রের জেলা
মহারাষ্ট্রে ঔরঙ্গাবাদের অবস্থান
মহারাষ্ট্রে ঔরঙ্গাবাদের অবস্থান
দেশভারত
রাজ্যমহারাষ্ট্র
প্রশাসনিক বিভাগঔরঙ্গাবাদ ডিভিশন
সদরদপ্তরঔরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র
তহশিল1. ঔরঙ্গাবাদ, 2. পৈঠান, 3. বৈজাপুর, 4. গঙ্গাপুর, 5. খুলদাবাদ, 6. ফুলামব্রি, 7. কান্নাড়, 8. সিলোড়, 9. শেগাও
সরকার
 • লোকসভা কেন্দ্র1. ঔরঙ্গাবাদ, 2. জালনা (কিছু অংশ জালনা জেলাতেও) (based on Election Commission website)
আয়তন
 • মোট১০১০০ কিমি (৩৯০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট৩৬,৯৫,৯২৮
 • জনঘনত্ব৩৭০/কিমি (৯৫০/বর্গমাইল)
 • মূল শহর৩৭.৫৩
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা৬১.১৫%
 • লিঙ্গানুপাত৯২৪
প্রধান মহাসড়কএন এইচ ২১১
গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত৭৩৪ মিমি
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট
বিবি কা মকবরা - ঔরঙ্গজেবএর পুত্র আজম শাহ কর্তৃক তার মা অর্থাৎ ঔরঙ্গজেবএর পত্নী দিলরোস বানো বেগম এর স্মৃতি রক্ষার্থে ১৬৬০ সালে নির্মিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ

ঔরঙ্গাবাদ জেলা , ভারতের পশ্চিমাংশে মহারাষ্ট্র-এর ৩৬টি প্রশসনিক জেলার মধ্যে অন্যতম। জেলার পূর্বদিকে রয়েছে জালনা, পশ্চিমে নাশিক, উত্তরে জলগাঁও, এবং দক্ষিণে আহমেদনগর জেলা, আহমেদনগর ঔরঙ্গাবাদ শহর হল এই জেলার প্রধান শহর এবং সদর দপ্তর। জেলার আয়তন ১০,১০০ বর্গকিলোমিটার; যার মধ্যে ১৪১.১ বর্গকিমি শহরাঞ্চল এবং ৯৯৫৮.৯ বর্গকিমি গ্রামাঞ্চল।ঔরঙ্গাবাদ জেলাটি মারাথওয়াড়াএর প্রধান পর্যটন অঞ্চল। জেলার নামকরণ হয়েছে প্রধান শহর ঔরঙ্গাবাদের নামে। ঔরঙ্গাবাদ একটি প্রাচীন শহর, যা ১৬১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মালেক আম্বরের দ্বারা।মালেক আম্বর ছিলেন আহমদনগরের নিজাম শাহর প্রধানমন্ত্রী। তিনি খাড়কি নামের একটি গ্রামকে তার রাজধানী বানান এবং তার সেনাবাহিনীর লোকরা তাদের চারপাশে বসবাস স্থাপনা করেন। এক দশকের মধ্যে খাড়কি একটি জনবহুল এবং উদীয়মান শহর হিসাবে বেড়ে ওঠে। ১৬২৬ খ্রিস্টাব্দে মালিক আম্বরের মৃত্যু হয়। তাঁর পুত্র ফতেহ খান পুরাতন খাড়কি নাম পরিবর্তন করে ফতেহানগর নামকরণ করেন। ১৬৩৩ সালে মোগল কর্তৃক ফতেহানগর সহ নিজাম শাহী রাজত্ব এবং দৌলতবাদ দখল হয়। ১৬৫৩ খ্রিস্টাব্দে ঔরঙ্গজেবকে দ্বিতীয়বারের জন্য দাক্ষিণাত্যের ভাইসরয় নিযুক্ত করা হলে তিনি ফতেহানগরকে তার রাজধানী বানান এবং এটি ঔরঙ্গাবাদ নামে অভিহিত করেন।

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

ঔরঙ্গাবাদ জেলা মূলত গোদাবরী নদী অববাহিকা এবং আংশিকভাবে তাপ্তি নদী অববাহিকায় অবস্থিত। ১৯ ডিগ্রী উত্তর এবং ২0 ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ৭৪ ডিগ্রী পূর্ব এবং ৭৬ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।

ভূপ্রকৃতি[সম্পাদনা]

ভূতাত্ত্বিকভাবে গোটা এলাকা প্রাচীন ক্রিটাসিয়াস যুগ থেকে ইওসিন যুগ অবধি প্রবাহিত ডেকান ট্রাপ লাভা দ্বারা গঠিত ভূমির উপর গড়ে উঠেছে । ডেকান ট্রাপের অন্তর্গত ব্যাসাল্টিক লাভা প্রবাহই এই অঞ্চলের প্রধান ভূতাত্ত্বিক গঠন। বিভিন্ন প্রধান নদীখাত বরাবর পাতলা পাললিক ডিপোজিটগুলির মাধ্যমে লাভার ফাঁদগুলি অধিকৃত। লাভা প্রবাহ অনুভূমিক প্রকৃতির এবং প্রতিটি প্রবাহের দুটি স্বতন্ত্র ধারা আছে। উপরের স্তরটি ভেসিকুলার এবং অ্যামিগডেল জিওলিটিক বেসালট দ্বারা গঠিত এবং নীচের স্তরটি ম্যাসিভ ব্যাসল্ট দ্বারা গঠিত [১]

পাহাড়- পর্বত[সম্পাদনা]

  • আন্তুর - ৮২৭ মিটার
  • সীতান্ড - ৫৫২ মিটার
  • আব্বাসগগড় - ৬৭১ মিটার এবং অজন্তা ৫৭৮ মি যার দক্ষিণ অংশের গড় উচ্চতা ৬০০-৬৭০ মিটার

নদী[সম্পাদনা]

ঔরঙ্গাবাদ জেলার প্রধান নদীগুলির মধ্যে রয়েছে গোদাবরী, পূর্ণা), শিবনা, মনিদ, সুখনা, খাম এবং বিখ্যাত শাহবাজ নদী।

জলবায়ু[সম্পাদনা]

Aurangabad
জলবায়ু লেখচিত্র
জাফেমামেজুজুসেডি
 
 
২.৮
 
২৯
১২
 
 
২.১
 
৩২
১৪
 
 
৩.৩
 
৩৬
১৯
 
 
৩.৫
 
৩৮
২২
 
 
২৪
 
৩৮
২৫
 
 
১১৪
 
৩৪
২৪
 
 
১১৬
 
৩০
২২
 
 
১২০
 
২৯
২১
 
 
১২২
 
৩০
২১
 
 
৬১
 
৩২
১৯
 
 
১১
 
৩০
১৫
 
 
৬.৫
 
২৮
১২
সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ এবং সর্বোনিম্ন গড়
মিলিমিটারে বৃষ্টিপাতের মোট পরিমাণ
উৎস: MSN Weather

ঔরঙ্গাবাদ জেলায় বর্ষাকাল চলে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত । শীতকাল প্রায় অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি এবং গ্রীষ্ম থেকে মার্চ থেকে মে। ঔরঙ্গাবাদ জেলার গড় বৃষ্টিপাত ৭৩৪ মিমি এবং তাপমাত্রা পরিসীমা প্রায় 6-46 ডিগ্রী সেলসিয়াস।

Aurangabad-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ২৯٫৭
(৮৫)
৩২٫৫
(৯১)
৩৬٫১
(৯৭)
৩৯٫০
(১০২)
৩৯٫৯
(১০৪)
৩৪٫৯
(৯৫)
৩০٫৩
(৮৭)
২৯٫১
(৮৪)
৩০٫৪
(৮৭)
৩২٫৬
(৯১)
৩০٫৯
(৮৮)
২৯٫৩
(৮৫)
৩২٫৯
(৯১)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ১৪٫২
(৫৮)
১৬٫৩
(৬১)
২০٫২
(৬৮)
২৩٫৭
(৭৫)
২৪٫৬
(৭৬)
২৩٫০
(৭৩)
২১٫৮
(৭১)
২১٫১
(৭০)
২০٫৯
(৭০)
১৯٫৭
(৬৭)
১৬٫৪
(৬২)
১৪٫০
(৫৭)
১৯٫৭
(৬৭)
গড় অধঃক্ষেপণ মিমি (ইঞ্চি) ২٫২
(০٫০৯)
২٫৯
(০٫১১)
৫٫১
(০٫২)
৬٫৩
(০٫২৫)
২৫٫৫
(১)
১৩১٫৪
(৫٫১৭)
১৬৭٫০
(৬٫৫৭)
১৬৫٫০
(৬٫৫)
১৩৫٫৩
(৫٫৩৩)
৫২٫৬
(২٫০৭)
২৯٫৩
(১٫১৫)
৮٫৪
(০٫৩৩)
৭৩১٫০
(২৮٫৭৮)
উৎস: IMD

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ঔরঙ্গাবাদ জেলা থেকে নিম্নলিখিত সংস্থাগুলি কাজ করে:

  • বাজাজ অটো লিমিটেড
  • ভিডিওকন ইন্ডাস্ট্রিজ (আই) প্রাইভেট. লিমিটেড
  • স্কোডা অটো (আই) পি লিমিটেড,
  • সিমেনস লিমিটেড
  • ক্রমটন গ্রীভস লিমিটেড
  • ধুত ট্রান্সমিশন প্রাইভেট. লিমিটেড

প্রধান উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছেঃ

  • বাজাজ অটো লিমিটেড
  • গার্ডেন পলিয়েস্টার
  • ভিডিওকন ইন্ডাস্ট্রিজ লি।
  • স্কোডা
  • অডি অ্যাসেম্বলি
  • সিমেন্স
  • পার্কিনস
  • হিন্ডালকো
  • ভ্যারক
  • এন্ডিওরেন্স
  • শিত গুডইয়ার
  • অর্কিড
  • লুপিন
  • অজন্তা ফার্মা
  • সাবমিলার
  • ফস্টারস
  • কসমো ফিল্মস লিমিটেড
  • গ্রিণ্ড মাস্টার মেশিন প্রাইভেট লিমিটেড
  • Greaves
  • ফোর্বস গোকক
  • ফোর্বস মার্শাল
  • লম্বারজিনি

ঔরঙ্গাবাদ এ নিম্নলিখিত MIDC এলাকাযগুলি আছে: ওয়ালুজ, শেন্দ্রা ফাইভ স্টার এমআইডিসি, চিকালথানা, পৈঠান এবং রেলওয়ে স্টেশন এমআইডিসি। চিকালথানা এমআইডিসিতে একটি সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্ক রয়েছে।

প্রশসনিক তেহশিল (ডিভিশন)[সম্পাদনা]

জেলাটি নয়টি তেহসিল রয়েছেঃ ১. ঔরঙ্গাবাদ, ২. পৈঠান, ৩. বৈজাপুর, ৪. গঙ্গাপুর, ৫. খুলদাবাদ, ৬. ফুলামব্রি, ৭. কান্নাড়, ৮. সিলোড়, ৯. শেগাও। নয়টি মহারাষ্ট্র বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে এই জেলার মধ্যেঃ সিলোড, কান্নাড়, ফুলামব্রি, ঔরঙ্গাবাদ সেন্ট্রাল, ঔরঙ্গাবাদ পশ্চিম, ঔরঙ্গাবাদ পূর্ব, পৈঠান, গঙ্গাপুর এবং বৈজাপুর। ঔরঙ্গাবাদ এই জেলার একমাত্র লোকসভা নির্বাচনী এলাকা; এছাড়াও জালনা লোক্সভা কেন্দ্রের কিছু অংশ রয়েছে ঔরঙ্গাবাদ জেলাতে।[২]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২011 সালের আদমশুমারি ঔরঙ্গাবাদ জেলা, মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩,৬৯৫,৯২৮ জন [৩],(২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, ঔরঙ্গাবাদ জেলার মোট জনসংখ্যা ২,৮৯৭,০১৩), যা কিনা লাইবেরিয়া র মোট জনসংখ্যার [৪] সমান।এর ফলে জনসংখ্যার হিসেবে ভারতের ৬৪০টি জেলার মধ্যে এটি ৭২ তম স্থান অধিকার করে[৩] জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব ৩৬৫ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (৯৫০ জন/বর্গমাইল).[৩]। ২০০১-২০১১ দশকের মধ্যে এর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২৭।৩৩% [৩] ঔরঙ্গাবাদের লিঙ্গানুপাত হল প্রতি ১০০০ জন পুরুষে ৯২৪ জন নারী [৩] এবং সাক্ষরতার হার ৮০.৪% [৩]। জেলার কথ্য ভাষাসমূহের মধ্যে রয়েছে আহিরানি, একপ্রকার খান্দেশি ভাষা যা বলতে পারেন প্রায় ৭৮০,০০০ জন লোক, মারাঠি র অনুরূপ এবং ভিলি;[৫] এবং আন্ধ, একটি ইন্দো-আরিয়ানগোত্রের ভাষা যা প্রায় ১০০,০০০ লোকের কথ্য ভাষা.[৬]

পরিবহণ[সম্পাদনা]

সড়ক[সম্পাদনা]

সড়কপথে ঔরঙ্গাবাদ মহারাষ্ট্রের অন্যান্য বড় শহর গুলি যেমন পুণে, মুম্বাই, নাগপুর এবং আন্ত-রাজ্য অন্য শহর যেমন হায়দ্রাবাদ এর সাথে সংযুক্ত। সড়কপথ গুলির একটি তালিকা নীচে দেওয়া হলঃ

  • মুম্বাই - ঔরঙ্গাবাদ
  • হায়দরাবাদ - ঔরঙ্গাবাদ
  • নাগপুর - ঔরঙ্গাবাদ
  • ঔরঙ্গাবাদ-ধুলে
  • পুণে - ঔরঙ্গাবাদ (প্রায় ৪.৫ ঘন্টা ভ্রমণের সময়)

রেল[সম্পাদনা]

মানমাড - কাচিগুড়া রেলওয়ে স্টেশন ব্রড গেজ লাইন টি, যা ভূসওয়াল-হাওড়া-মানমাড ট্রাঙ্ক রুট থেকে নির্গত হয়েছে, ঔরঙ্গাবাদ জেলার গণপরিবহণের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নলিখিত রুট গুলিতে নিয়মিত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে ঔরঙ্গাবাদ থেকে।

  • মুম্বাই - ঔরঙ্গাবাদ
  • হায়দ্রাবাদ - নান্দেড়- ঔরঙ্গাবাদ
  • সেকেন্দ্রাবাদ - বেঙ্গালুরু - পারভানি - ঔরঙ্গাবাদ
  • দিল্লি - ঔরঙ্গাবাদ - দিল্লি
  • নাগপুর - ঔরঙ্গাবাদ - নাগপুর
  • মুম্বাই-ঔরঙ্গাবাদ - মুম্বাই - জনশতাব্দী এক্সপ্রেস - দৈনিক পরিষেবা - আপ এবং ডাউন
  • নন্দীগ্রাম এক্সপ্রেস - ভায়া- মুম্বাই থেকে ঔরঙ্গাবাদ - দৈনিক পরিষেবা
  • দেবগিরি এক্সপ্রেস - ভায়া - মুম্বাই থেকে ঔরঙ্গাবাদ - দৈনিক পরিষেবা
  • তাপোবন এক্সপ্রেস - দৈনিক পরিষেবা

বিমান[সম্পাদনা]

ঔরঙ্গাবাদ বিমানবন্দর থেকে দিল্লী, মুম্বাই, হায়দরাবাদ-তিরুপতি এবং জয়পুর পর্যন্ত বিমান পরিষেবা রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. K.R. Aher and S.M. Deshpande 'Assessment of Water Quality of the Maniyad Reservoir of Parala Village, district Aurangabad: Suitability for Multipurpose Usage', International Journal of Recent Trends in Science And Technology, Vol.1(3), pp 91-95, 2011, E-ISSN 2249-8109.
  2. "District wise List of Assembly and Parliamentary Constituencies"। Chief Electoral Officer, Maharashtra website। ২০০৯-০২-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-৩০ 
  4. US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১০-০১Liberia 3,786,764 July 2011 est. 
  5. M. Paul Lewis, সম্পাদক (২০০৯)। "Ahirani: A language of India"Ethnologue: Languages of the World (16th সংস্করণ)। Dallas, Texas: SIL International। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-২৮ 
  6. M. Paul Lewis, সম্পাদক (২০০৯)। "Andh: A language of India"Ethnologue: Languages of the World (16th সংস্করণ)। Dallas, Texas: SIL International। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-২৮