শ্রীমঙ্গল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শ্রীমঙ্গল সদর রেলওয়ে ষ্টেশন

শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শ্রীমঙ্গলের অবস্থান।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

৪২৫ দশমিক ১৫ বর্গকিলোমিটার

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯২৯ সালে শ্রীমঙ্গল বাজার এলাকাকে আরবান এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৩৫ সালের ১ অক্টোবর ঘোষিত আরবান এলাকা নিয়ে ‘শ্রীমঙ্গল স্মল টাউন কমিটি’ গঠিত হয়। ১৯৬০ সালে এটি ‘মিউনিসিপ্যালিটিতে’ রূপান্তরিত হয়। ১৯৭২ সালের ৫ মে তদানীন্তন রাষ্ট্রপতির ঘোষণা বলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৯৪ সালের ১ জুলাই পৌরসভাটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে এবং ২০০২ সালের ১ জুলাই প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়।[১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২৭৮৩২৩ জন। যার মধ্যে ১৪৩০৩৩ জন পুরুষ ও ১৩৫১৯৯ জন নারী।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বতর্মান শিক্ষার হার ৩৯.৬%।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

দেশের পাহারী ও ঘন বনাঞ্চল এলাকায় বৃষ্টিপাত বেশি হয় আর শ্রীমঙ্গলে পাহাড় ও ঘন বনাঞ্চল থাকায় এখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ও শীত পড়ে। আর চা চাষ উপযোগী অন্যান্য উপাদানের সাথে প্রধান এ উপাদান গুলোর জন্য দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান গড়ে উঠেছে মৌলভীবাজার জেলায়। দেশের ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে এ জেলায় পড়েছে ৯১ টি চা বাগান। [৩]

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট(বি.টি.আর.আই)[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের বর্তমানে ভৌগোলিক সীমানায় চায়ের বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু হয় আজ থেকে দেড়শ বছর আগে। ১৮৫৪ সালে সিলেট শহরের মালনিছড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম চা-বাগান। এরপর ধীরে ধীরে বৃহত্তর সিলেট ও চট্রগ্রাম এলাকায় বিস্তৃত হয় চায়ের ভূবন। শতাব্দী প্রাচীন এ শিল্পকে বিজ্ঞান ভিত্তিক সমর্থন দেয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান চা গবেষণা প্রতিষ্ঠান (পিটিআরএস) স্থাপন করে। প্রতিষ্ঠালগ্নে শীর্ণকায় এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে লোকবল ছিল অত্যন্ত সীমিত। সংশ্লিষ্ট সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পূর্বকালে ৪২৬৮৮ হেক্টর জমি চা আবাদী এলাকার আওতায় চলে আসে। ১৯৭৩ সালে সরকার সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের চা শিল্পকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর উত্তরোত্তর উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা ইনষ্টিটিউটএ রূপান্তর করে। এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট (বিটিআরআই)। বিটিআরআই এর মাধ্যমে অধিক ফলন ও মানসম্মত চা পাওয়ার লক্ষ্যে ছাঁটাই, চয়ন, রোপণ দূরত্ব ইত্যাদির প্রমিতকরণ সম্ভব হয়েছে। এছাড়া চা প্রক্রিয়াজাত করণ পদ্ধতির আধুনিকায়ন, চায়ের বিকল্প ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে এখানে পবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইনষ্টিটিউটে ইতোমধ্যে প্রস্তুত চায়ে বালাইনাশক বা অন্য কোন ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি নিরূপণের জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে রেসিডিউ এনালাইটিক্যাল গবেষণাগার স্থাপন করা হয়েছে।

কমলার বাগান[সম্পাদনা]

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী, কুলাউড়া বড়লেখা ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিশাল এলাকা জুড়ে কমলার চাষ হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় সারাদেশে ৩৫০ হেক্টর জমিতে কমলা চাষ হয়ে থাকে। সিলেটের অতীত ঐতিহ্য রক্ষায় এবং দেশে কমলার চাহিদা পূরণে ২০০১ সালে তৎকালীন কুলাউড়ায় বর্তমান জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নে কচুরগুল ও হায়ছড়া এলাকায় ৬৯হেক্টর জমি নিয়ে কমলা চাষ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। এরপর আর ও ৫৫হেক্টর জমিতে তা সমপ্রসারিত হয়। চাষিরা নিজ উদ্যোগে অতিরিক্ত ৪৫হেক্টর জমিতে কমলা চাষ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। বৃহত্তম সিলেট বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী, বড়লেখা, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার পাহাড়ি এলাকার মাটি কমলা চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

কৃতী ব্যক্তিত্বঃ বাবু এস কে রায়,ডাঃ রমা রঞ্জন দেব,ইসমাইল হোসেন,আছকির মিয়া,এম এ রহিম,আহাদ মিয়া,শেখ শফিকুর রহমান যুগ্ন সম্পাদক জেদ্দা মহানগর আঃলীগ ,ডাঃআবুল বাশার, অধ্যাপক নিখিল ভট্টাচা্য্য,ডাঃআজিজুর রহমান,ইঞ্জিনিয়ার স্বপন যুক্তরাজ্য,এসপি দেবদাস ভট্টাচায্য,মনাল কান্তি দেব।

সাংস্কৃতিকঃ গীতিকার এ কে আনাম,রাসবিহারী চত্রুবত্তী,সীতেশ চৌধুরী,রংগলাল দেব চৌধুরী,বুলবুল আনাম,জিল্লুর আনাম,বাউল আবুল কাসেম,কানাই লাল তাতী,জয়তুন নাহার সাহাদত, জবান আলী,

বিবিধ[সম্পাদনা]

শিক্ষাপ্রতিষ্টানঃ বি টি আর আই উচ্চ বিদ্যালয়,ভিক্টরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,আছিদ উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়,ভুনবীর দশরত উচ্চ বিদ্যালয়,সাতগাও সামাদিয়া আলীয়া মাদ্রাসা,সাতগাও উচ্চ বিদ্যালয়,মনাই উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়,আব্দুল ওহাব উচ্চ বিদ্যালয়,লাহারপুর,ধোবার হাট বাজার উচ্চ বিদ্যালয়।

ইউনিয়নঃ ১/মির্জাপুর, ২/ভুনবীর,৩/শ্রীমংগল,৪/সিন্দুরখান,৫/কালাপুর,৬/আশিদ্রোন,৭/রাজঘাট,৮/কালিঘাট,৯/সাতগাও ইউনিয়ন।

হাইল হাওরঃ শ্রীমংগল থেকে সাতগাও গেলে এই হাইল হাওর দেখা যাবে।এখানে নানা জাতের পাখি দেখতে পাওয়া যায়।এখন এটি একটি পর্যটকদের প্রধান আকর্ষনে পরিনত হয়েছে।

নদীঃ বিলাস ছড়া,ভুরভুড়িয়া,লাইংলা ছড়া,লইয়ার ছড়া,উদনা ছড়া,কুদালী ছড়া।

চা জাদুঘর[সম্পাদনা]

দেশের দেড় শ বছরের পুরোনো প্রাকৃতিক পরিবেশসমৃদ্ধ চা শিল্পের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখার লক্ষ্যে টি মিউজিয়াম বা চা জাদুঘর স্থাপন করেছে চা বোর্ড। ব্রিটিশ আমলে চা-বাগানগুলোতে ব্যবহূত বিভিন্ন সামগ্রী সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে এ শিল্পের ঐতিহ্যের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য দেশের চায়ের রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গলে স্থাপিত হয়েছে চা জাদুঘর। তবে চায়ের উপকারিতা, চায়ের আবিষ্কার কাহিনীসহ চায়ের এ পর্যন্ত বাংলাদেশে উদ্ভাবিত সকল প্রকার বিটি ক্লোনের উপস্থিতি জাদুঘরে থাকবে বলে জানা গেছে। জাদুঘরের জন্য এ পর্যন্ত ব্রিটিশ আমলে চা-বাগানে ব্যবহৃত প্রায় শতাধিক আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতার আগে চা বোর্ডের দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যবহূত চেয়ার-টেবিলও। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় টি রিসোর্টের তিনটি কক্ষে এখন চা জাদুঘর করা হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৯ এ বাংলাদেশ চা বোর্ড এ এটি উদ্বোধন করা হয়। প্রথম দিকে রিসোর্টের একটি ভবনের তিনটি ঘর নির্ধারণ করে সে ঘরগুলোয় সংগৃহীত প্রাচীন এসব জিনিসপত্র আনার কাজ চলে। পরে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত চেয়ার, চা শ্রমিকদের জন্য ব্যবহূত বিশেষ কয়েন, কম্পাস, ঘড়ি, পাম্প টিউবওয়েল, খাট, টেবিল, আয়রন ব্যাম্বো স্টিক, ব্রিটিশ আমলের ফিলটার, চা গাছের মোড়া ও টেবিল, পাথর হয়ে যাওয়া আওয়াল গাছের খণ্ড, প্রোনিং দা, প্লান্টিং হো, দিকনির্ণয় যন্ত্র, ফসিল, লোহার পাপস, ঘটি, ব্রিটিশ আমলের পাখা, কাটা কুদাল, টাইপ রাইটার, কয়েন পাথরের প্লেট, লোহার ফ্রেম টেবিল, প্রনিং নাইফ, ইলেকট্রিক ফ্যান, ফর্ক, সার্ভে চেইন, রেডিও, সিরামিক ঝাড়, ডয়ারের অংশ, বাট্টার ডিল, রাজনগর চা-বাগানের নিজস্ব কয়েন, ব্রিটিশ আমলে লন্ডন থেকে আনা ওয়াটার ফিলটার, রিং কোদাল, তীর-ধনুকসহ নাম না-জানা আরও কিছু সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এখনো সংগ্রহের কাজ চলছে। স্থপতিদের দিয়ে পরিকল্পনা করে চা জাদুঘরে মূল্যবান এসব সামগ্রী রাখা হয়েছে।[৪]

সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা[সম্পাদনা]

শিকারী সীতেশ বাবু। এ নামেই তার বহুল পরিচিতি। নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছেন ক্ষুদে চিড়িয়াখানা। প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৭১ সনে সীতেশ বাবু শ্রীমঙ্গল উপজেলার রামকৃষ্ণ মিশন রোডের নিজ বাড়ির একাংশে। বন্যপ্রাণীঃ এখানে বন্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে চিত্রল হরিণ, মায়া হরিণ,বনরুই বিভিন্ন বর্ণের খরগোশ, সোনালী খাটাশ, বিরল প্রজাতির সোনালী বাঘ, সোনালী কচ্ছপ, ভাল্লুক, লজ্জাবতী বানর এবং সরীসৃপের মধ্যে অজগর সাপ, গুইসাপ প্রভৃতি। পাখিঃ সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় ধনেশ, হেমালিয়ান টিয়া, ময়না পাখি, কাসে-চড়া, কালিম, বাজিরিক, শঙ্খচিল, তোতা, সবুজ ঘুঘু, হরিয়াল, ঘুঘু, শিশিবক ইত্যাদি। প্রতিদিন দেশী-বিদেশী পর্যটক সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা দেখতে ভিড় জমায়। শিকারী সীতেশ বাবুর এখন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রায় তিনদশক যাবৎ নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। [৫]

নির্ম্মাই শিববাড়ী[সম্পাদনা]

আজ থেকে প্রায় ৫৫৫ বছর আগে ১৪৫৪ খ্রিস্টাব্দে শ্রীমঙ্গলের বালিশিরা পরগনার শঙ্করসেনা গ্রামে নির্ম্মাই শিববাড়ী প্রতিষ্ঠিত হয়। চতুর্দশ শতাব্দীতে বালিশিরা অঞ্চলের ত্রিপুরার মহারাজা রাজত্ব করতেন। প্রবল শক্তিশালী এ রাজার বিরম্নদ্ধে 'কুকি' সামন্তরাজা প্রায়ই বিদ্রোহ ঘোষণা করতেন। এরকম কোন একদিনে কুকি রাজার বিদ্রোহের সংবাদ পেয়ে মহারাজা একদল সৈন্য পাঠান বিদ্রোহ দমন করতে। তুমুল এ যুদ্ধে কুকিরা পরাজিত হলেও মহারাজার প্রধান সেনাপতি রণক্ষেত্রে নিহত হন। বিয়ের অল্প ক'বছরের মধ্যেই স্বামীহারা হন মহারাজা কন্যা নির্ম্মাই। তখনকার দিনে ভারতবর্ষে সহমরণ প্রথা চালু ছিল। কিন্তু রাজকন্যা সহমরণে রাজি না হয়ে স্বামী নিহত হবার স্থানে এসে শিবের আরাধনা শুরু করেন। তার নামেই শিববাড়ীর নামকরণ করা হয় নির্ম্মাই শিববাড়ী। [৬]

ডিনস্টন সিমেট্রি[সম্পাদনা]

শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ১৫ কিমি. দূরে ডিনস্টন চা বাগানে ডিনস্টন সিমেট্রি অবস্থিত। আজ থেকে প্রায় শতাধিক বছর আগে এ সিমেট্রির গোড়াপত্তন হয়। ১৮৮০ সালে শ্রীমঙ্গল অঞ্চলে বৃটিশদের দ্বারা বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হবার পর সূদুর বৃটেন থেকে এখানে টি পস্ন্যান্টারদের আগমন ঘটতে থাকে। জাহাজ, ঘোড়ার গাড়ি কিংবা পায়ে হাঁটার সেই যুগে যেসব বিদেশী এই অঞ্চলে মারা যান সেই সব বিদেশীদের সমাহিত করা হয় শ্রীমঙ্গলের ডিনস্টন সিমেট্রিতে। উঁচু-নিচু পাহাড় টিলায় ঘেরা চিরসবুজ চা বাগানের মাঝে অবস্থিত এই সিমেট্রিতে বিদেশীদের কবর রয়েছে ৪৬টি।

মাজারঃ সিরাজনগর গাছপীরের মাজার, সাতগাও ইউনুছ পাগলার মাজার,

সিনেমা হলঃ ১/চিত্রালী,২/রাধানাথ,৩/ভিক্টোরিয়া,৪/বিজিবি ক্যাম্প।

পত্রিকাঃ সাপ্তাহিক শ্রীভুমি।

নামযঙ্গ:সর্ব্বমঙ্গল শ্রীশ্রী তারকব্রক্ষ নামযঙ্গ স্হান:ধোবার হাট,শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার তারিখ:১লা ফাল্গুন হইতে ৪ঠা ফাল্গুন ।


তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]


মৌলভীবাজার জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানা: শ্রীমঙ্গল | রাজনগর | কুলাউড়া | বড়লেখা | কমলগঞ্জ | মৌলভীবাজার সদর