মনমোহন সিংহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Manmohan Singh
মনমোহন সিংহ
मनमोहन सिंह
ਮਨਮੋਹਨ ਸਿੰਘ
Prime Minister of India
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
22 May 2004
রাষ্ট্রপতি Abdul Kalam
Pratibha Patil
পূর্বসূরী Atal Bihari Vajpayee
Minister of External Affairs of India
কার্যালয়ে
6 November 2005 – 24 October 2006
পূর্বসূরী Natwar Singh
উত্তরসূরী Pranab Mukherjee
Minister of Finance of India
কার্যালয়ে
30 November 2008 – 24 January 2009
পূর্বসূরী Palaniappan Chidambaram
উত্তরসূরী Pranab Mukherjee
কার্যালয়ে
21 June 1991 – 16 May 1996
প্রধানমন্ত্রী Narasimha Rao
পূর্বসূরী Madhu Dandavate
উত্তরসূরী Jaswant Singh
Deputy Chairperson of the Planning Commission of India
কার্যালয়ে
15 January 1985 – 31 August 1987
প্রধানমন্ত্রী Rajiv Gandhi
পূর্বসূরী Narasimha Rao
উত্তরসূরী Shiv Shankar
Governor of the Reserve Bank of India
কার্যালয়ে
15 September 1982 – 15 January 1985
পূর্বসূরী Indraprasad Gordhanbhai Patel
উত্তরসূরী Amitav Ghosh
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৩২-০৯-২৬) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ (বয়স ৮২)
Gah, British India
রাজনৈতিক দল UPA-INC
দাম্পত্য সঙ্গী Gursharan Kaur
সন্তান Upinder Singh
Daman Singh
Amrit Singh
বাসস্থান 7 Race Course Road, New Delhi, India
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
Panjab University, Chandigarh
St John's College, Cambridge
Nuffield College, Oxford
পেশা Economist
ধর্ম Sikhism
স্বাক্ষর মনমোহন সিংহের স্বাক্ষর

মনমোহন সিংহ (হিন্দী: मनमोहन सिंह পাঞ্জাবী: ਮਨਮੋਹਨ ਸਿੰਘ মান্‌মোহান্‌ সিংগ্‌, জন্ম 26 সেপ্টেম্বর 1932) ভারতীয় গণতন্ত্রের বর্তমান এবং14 তম প্রধানমন্ত্রী.ইনিই প্রথম শিখ ধর্মাবলম্বী প্রধানমন্ত্রী.পেশায় শ্রী সিংহ একজন অর্থনীতিবিদ, তিনি 1982 থেকে 1985 ভারতীয় রিসার্ভ ব্যাঙ্কের প্রশাসক, 1985 থেকে 1987 ভারতের যোজনা কমিশনের সহ অধ্যক্ষ এবং 1991 থেকে 1996 ভারতের অর্থ মন্ত্রী ছিলেন. তিনি বর্তমানে চতুর্থ বারের জন্য অসম থেকে একজন রাজ্য সভা সদস্য হিসাবেও মনোনীত.

শ্রী সিংহ পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্নাতক. ভারতীয় রিসার্ভ ব্যাঙ্কের প্রশাসক হিসাবে, ভারতীয় যোজনা কমিশনের সহ সভাপতি হিসাবে কার্যভার পালনের পর 1991 সালে প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও এর মন্ত্রীসভায় অর্থমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত.অর্থমন্ত্রী হিসাবে কার্যকালে 1991 সালে ভারতীয় অর্থনীতির পুনর্গঠনের ফলস্বরূপ লাইসেন্স রাজ প্রথার অবলুপ্তির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে প্রসংশিত হয়.[১]

2004 সালের সাধারণ নির্বাচনের পর অপ্রত্যাশিত ভাবেই শ্রী সিংহ ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ এলায়েন্স (UPA) জোটের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত হন.22 মে 2004 সালে তিনি প্রথম মনমোহন সিংহ মন্ত্রীসভার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন.শ্রী সিংহের মন্ত্রীসভা প্রথম পাঁচ বছর সরকারী অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতা দূরীকরণ, দরিদ্র চাষীদের ঋণ মুক্তি এবং শিল্প-মুখী অর্থনীতি ও কর নীতির প্রতি বিশেষ গুরুত্য আরোপ করেছিলো।

2009 সালে সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জয়লাভের পর 22 মে 2009 শ্রী সিংহ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পুনর্নির্বাচিত হন এবং তিনিই জওহরলাল নেহরুর পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি পুরো পাঁচ বছর কার্যভার সম্পাদনের পর পুনরায় নির্বাচিত হন।

শৈশব ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

মনমোহন সিংহ পঞ্জাবের গাহ (অধুনা পাকিস্তানের চকওয়াল জেলা) তে 1932 সালের 26 সেপ্টেম্বর এক শিখ পরিবারে পিতা গুরুমুখ সিংহ ও মাতা অমৃত কৌর এর সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করেন. শৈশবেই তিনি তাঁর মাকে হারান এবং তাঁকে মানুষ করেন তাঁর পিতামহী যাঁর কাছে তিনি খুবই আদরের ছিলেন.তিনি খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন, যেহেতু তাঁদের গ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা ছিলনা তাই তাঁকে লন্ঠনের আলয়ে লেখা পড়া শিখতে হয়েছিল.ভারত ভাগের পর তিনি অমৃতসরে চলে আসেন.শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ও 1952 এবং 1954 সালে চন্ডিগড়ের পঞ্জাব বিস্ববিদ্যাল্যায় থেকে অর্থনীতিতে যথাক্রমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পান. অর্থনীতিতে সন্মানিক স্নাতক ডিগ্রীর লাভের জন্য তিনি সেন্ট জন্স মহাবিদ্যালয়ের একজন সদস্য হিসাবে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে যান.(অক্সব্রিজ-এর ঐতিহ্য অনুযাই একজন সন্মানিক স্নাতক ডিগ্রী ধারী পরে মাস্টার ডিগ্রী লাভের অধিকারী হন)বৈশিষ্টপূর্ণ ফলাফলের জন্য 1955 ও 1957 সালে তিনি রাইটস পুরস্কার অর্জন করেন.মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন র্বেন্বারী ছাত্রবৃত্তি প্রাপকদের মধ্যে তিনিও একজন ছিলেন. নযুফিল্ড মহাবিদ্যালাযায়ের ছাত্র হিসাবে তিনি 1962 সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে DPhilডিগ্রী অর্জন করেন. তাঁর গবেষণা পত্রের বিষয় ছিল "1951 থেকে 1960 এই সময় কালে রপ্তানি বানিজ্যে ভারতের ভূমিকা, রপ্তানি বানিজ্যের ভবিষ্যত ও নীতির বৈশিষ্ট সমূহ" এবং গবেষনা পত্রের পরিদর্শক ছিলেন ডক্টর আই এম ডি লিটল.এই গবেষনা পত্রের ভিত্তিতেই তিনি "ইন্দিযাস এক্সপোর্ট ট্রেন্ডস এন্ড প্রসপেক্টস ফর সেল্ফ-সাস্তেন্দ গ্রোথ" নামে একটি পুস্তক রচনা করেন.[২]

1997 সালে আলবার্তো বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে আইন বিষয়ে সান্মানিক ডক্তর্স উপাধী প্রদান করে. 2006 সালের জুন মাসে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সন্মানিক Doctor of Civil Lawসাধারণ আইনের বিষয় ডক্তর্স উপাধী প্রদান করে ও সেই বছরেই অক্টোবর মাসে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে একই উপাধিতে বুষিত করে.তাঁর সম্মানার্থে সেন্ট জোনস বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর নামে, "ডক্টর মনমোহন সিংহ স্কলারশিপ" এই নামে একটি PhD ছাত্রবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করে.

প্রাথমিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি D.Phil - এর পড়াশোনা শেষ করার পর 1966 থেকে 1969 পর্যন্ত UNCTAD -এর হয়ে কাজ করেন.70-এর দশকে তিনি দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং ভারত সরকারের অর্থ ও বৈদেশিক বানিজ্য মন্ত্রকের হয়েও কাজ করেন.1982 সালে তিনি ভারতীয় রিসার্ভ ব্যাঙ্কের প্রশাসক হিসাবে নিযুক্ত হন এবং এই পদে 1985 সাল পর্যন্ত আসীন ছিলেন. তিনি 1985 থেকে 1987 পর্যন্ত ভারতীয় যোজনা আয়োগ সহ সভাপতি ছিলেন.

ভারতের অর্থমন্ত্রী[সম্পাদনা]

1991 সালে ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী, পি ভি নরসিমহা রাও শ্রী সিংহ কে অর্থমন্ত্রী হিসাবে মনোনীত করেন.সেই সময় ভারত বর্ষ এক অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন ছিল. রাও এবং সিংহ সেই সময় ভারতীয় অর্থনীতিকে সমাজবাদী অর্থনীতি থেকে মুক্ত পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে পরিবর্তিত করার সিদ্ধান্ত নেন. এই অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ব্যবস্থা, ব্যক্তি মালিকানাধীন বানিজ্যের স্থায়িত্য ও উন্নতির পরিপন্থী, প্রত্যক্ষ্য বৈদেশিক পুঁজি নিবেশের পথে বাধা সৃস্থিকারী লাইসেন্স রাজ ব্যবস্থার অবলুপ্তিতে সহায়তা করে এবং সরকারী ব্যবসায়িক সংস্থাগুলির ব্যক্তি মালিকানাধীনে পরিনত করার প্রক্রিয়ার শুরু হয়. এই অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ভারতের বার্ষিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার কে শতকরা 3 থেকে বাড়িয়ে শতকরা 8-9 তে নিয়ে যেতে বিশেষ সহায়তা করেছে. যাইহোক, এই অর্থনৈতিক পুর্ণর্গঠন স্বত্তেও অন্যান্য সরকারী ক্ষেত্র গুলিতে অসফলতার কারণে 1996 এ রাও সরকার নির্বাচনে পরাজিত হয়.

রাজ্য সভার কর্মজীবন[সম্পাদনা]

প্রাথমিক ভাবে শ্রী সিংহ 1991[৩] সালে সংসদের রাজ্য সভায় মনোনীত হন এবং করে 2001 ও 2007 আবার পুনর্নির্বাচিত হন.1998 থেকে 2004 সালে পর্যন্ত যখন ভারতীয় জনতা দলের সরকার ছিল তখন শ্রী সিংহ রাজ্য সভাযে বিরোধী দলনেতা ছিলেন.1999 সালে তিনি লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ দিল্লী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দীতা করেন কিন্তু তাতে জয়লাভ করতে পারেননি.

প্রধানমন্ত্রীত্ব[সম্পাদনা]

14 তম লোক সভা[সম্পাদনা]

একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, সিংহ "এশীয় ইতিহাসের একজন বিশিষ্ট মুখপাত্র " বলেও পরিগণিত হন. এখানে 2008 BRIC নেতৃবৃন্দ - মনমোহন সিংহ, দিমিত্রি মেদভেদেভ , হু জিনতাও এবং ইনাসিও লুলা ড সিলভা কে দেখা যাচ্ছে

2004 সালের সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস লোক সভায় সর্বাপেক্ষা অধিক আসনে জয়লাভ করে একমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দল রূপে প্রতিয়মান হয়ে প্রতিদ্বন্দী রাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক জোট(NDA)কে হতবাক করে দেয়ে. এক বিস্ময়কর পদক্ষেপের মাধ্যমে ঐক্যবধ্য প্রগতিশীল জোট (UPA)এর সভানেত্রী, শ্রীমতি সনিয়া গাঁধী শ্রী মনমোহন সিংহ কে একজন প্রয়গবিদ অ্যাখ্যা দেন ও ইউ পি এ এর তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী রূপে ঘোষণা করেন.যদিও তিনি কখনো লোক সভা নির্বাচনে জয়লাভ করেননি, তবুও তাঁর অবিতর্কিত সুনাম এবং শ্রীমতি সনিয়া গাঁধীর মনোনয়ন তাঁকে UPA জোটের এবং বাম জোটের সমর্থন লাভে সাহায্য করেছে.ভারত বর্ষের মতো একটি হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রধান দেশে, তিনি 22 মে 2004 প্রথম অহিন্দু ও শিখ ধর্মাবলম্বী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন.

শ্রী সিংহের কার্যকালে তাঁর মন্ত্রীসভা দেশের অর্থনৈক সঙ্কট মোচন, দরিদ্র চাষীদের ঋণ মুকুব, সামাজিক সুরক্ষ্যা ব্যবস্থা ও শিল্পমুখী অর্থনীতি এবং কর ব্যবস্থার দিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্য আরোপ করে যার ফলে 2002 সালের পর দেশ এক বিশেষ অর্থনৈকি বিস্তৃতির পথে উপস্থাপিত হয়.যাইহোক, দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের কাজে সঠিক গতি আনয়নে ব্যর্থতার জন্য তাঁর সরকার কে সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে.[৪]

বিদেশ নীতি[সম্পাদনা]

মনমোহন সিংহের সরকার, নরসিমহা রাও এর কালে গৃহীত বাস্তব ধর্মী বিদেশ নীতি, যা BJP এর অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকার দ্বারা অনুসৃত হয়েছে, তাই বজায় রেখেছে. প্রধানমন্ত্রী তাঁর পূর্বসুরী, অটল বিহারী বাজপেয়ী-এর গৃহীত পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়ার নীতিকেই বজায় রেখেছেন. দুদেশেরই উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের বিনিময় সফর তাঁর কার্যকালের বৈশিষ্ট, যা কাশ্মির রাজ্যে নাশকতামূলক কার্যকলাপের হ্রাস ও উন্নতিতে সহায়ক হয়েছে. তাঁর কার্জকালেই গণতান্ত্রিক চিনের সঙ্গে সীমা সমস্যার সমাধানের প্রচেষ্টা করা হয়েছে.2006 সালের নভেম্বর মাসে চিনের রাষ্ট্রপতি, হু জিনতাও ভারত পরিদর্শন করেন ও তার পরিপ্রেক্ষিতে শ্রী সিংহ 2008 এর জানুয়ারী তে চীন পরিদর্শন করেন. ভারত-চীন পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতির এক বিশেষ নিদর্শন হলো প্রায় ৪ দশক বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাসের পুনর্ব্যবহার. 2007 সালে চীন গনত্রন্ত্রই ছিল ভারতের বৈদেশিক বানিজ্যের সর্বাপেক্ষা বৃহত অংশীদার, যার ফলস্বরূপ 2007 সালে দ্বিপাক্ষিক বানিজ্যের আর্থিক মূল্য 60 কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে. যাইহোক, এক ক্রমব্রধমান বানিজ্যিক অসাম্যও বিদ্যমান. আফগানিস্থানের কাছে বৃহত্তম সহায়ক হিসাবে ভারতের আফগানিস্থানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি সাধিত হয়েছে.[৫] 2008 সালে আফগানিস্থানের রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাইয়ের দিল্লী পরিদর্শন কালে মনমোহন সিংহ আফগানিস্থানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিসেবা, পরিকাঠামো ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সহায়তা বৃদ্ধি করেন.

সরে সিংহের সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার প্রতি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে.ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমানবিক চুক্তির বিষয় প্ররম্ভিক আলোচনার জন্য তিনি 2005 সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন. এর পর 2006 মার্চে জর্জ ডব্লু বুশের সফল ভারত পরিদর্শন যখন আনবিক চুক্তির ঘোষণা, যার ফলে ভারত মার্কিন আনবিক জ্বালানি ব্যবহারের সুযোগ পাবে এবংIAEA এও অসামরিক আনবিক চুল্লি গুলি পরিদর্শনের অনুমতি পাবে. দু বছরেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার ও IAEA, নিউক্লিয়ার সাপলায়ার্স গ্রুপ এবং মার্কিন কংগ্রেস এর অনুমোদনের পর ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে 2008 এর 10 অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়.[৬]

মার্কিন কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে একটি বক্তৃতা প্রদানের পর মনমোহন সিংহ মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি ডিক চেনি-র সঙ্গে করমর্দনরত

শ্রী সিংহের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কার্যকালে, জাপান ও অন্যান্য ইউরোপীয় সংযুক্ত দেশগুলি যেমন, ইউনাইটেড কিংডম, ফ্রান্স এবং জার্মানি প্রবৃতির সঙ্গে ভারত বর্ষের সম্পর্কের উন্নতি ঘটে. ইরানের সঙ্গে সম্পর্কও অব্যাহত রয়েছে এবং ইরান-পাকিস্তান-ভারত গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে আলোচনা চলছে.2006 এপ্রিলে নতুন দিল্লিতে ভারত-আফ্রিকা শীর্ষসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে 15 টি আফ্রিকান দেশের নেতারা অংশগ্রহণ করেন.[৭] অন্যান্য উন্নতিশীল দেশগুলির, বিশেষত ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি সাধন হয়েছে.শ্রী সিংহ 2003 সালে প্রতিষ্ঠিত "ব্রাসিলিয়া দিক্লারেশন" এর অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছেন এবং IBSA ডায়ালগ ফোরাম গঠিত হয়েছে.[৮]

মনমোহন সিংহের সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধন আরও বিস্তৃত করতে বিশেষ ভাবে আগ্রহী.2003 থেকে দুটি দেশের মধ্যে পারস্পরিক[৯] পুঁজি নিবেশ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সামরিক অন্গ্শিদারিতে ইস্রায়েল রাশিয়ার প্রতদ্বন্দী.[১০] যদিও কিছু কুটনৈতিক বিষয়ের ওপর, বিশেষত যুদ্ধার্স্ত্রের মূল্য বৃদ্ধি ও তার ভারতে[১১] সরবরাহ বিহ্সয় প্রভৃতি নিয়ে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে, তবু দুদেশের সম্পর্ক দৃঢ়ই আছে এবং ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক, পারমবিক শক্তি ও মহাকাশ অভিযান প্রবৃতি বিষয় বিভিন্ন চুক্তিও স্বাক্ষরিত হচ্ছে.[১২]

অর্থনৈতিক নীতি[সম্পাদনা]

ড:সিংহ ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম দুজনেই একটি সময়ের অংশীদার যখন ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ছিল 8-9 শতাংশ.সিংহ বিশেষ ভাবে বাজেট ঘাটির ওপর নজর দিয়েছেন.2007 সালে ভারতীয় অর্থনীতি একটি ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি হিসাবে পরিগণিত হয়. 2007 সালে ভারতের GDP বৃদ্ধির শতকরা হার ছিল 9 যা ছিল তত্কালীন সর্বোচ্চ হার এবং পৃথিবীতে দ্বিতীয় দ্রুত উন্নতিশীল দেশ বলেও পরচিতি লাভ করেছিল.[১৩][১৪] প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ড:সিংহ, তিনি এবং পি ভি নরসিমহা রাও যে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের কাজ 1991 সালে শুরু করেছিলেন তা অব্যাহত রাখেন.শ্রী বাজপেইয়ের সরকার যে 'সুবর্ণ চতুর্ভুজ' এবং হাই-ওয়ে আধুনিকীকরণের কাজ শুরু করেছিলেন, শ্রী সিংহের সরকার তা অব্যাহত রেখেছেন. শ্রী সিংহ দেশের ব্যাঙ্কিং, আর্থিক ব্যবস্থার এবং সরকারী ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির উন্নয়ন মূলক পুনর্গঠনের জন্যও কাজ করছেন.অর্থ মন্ত্রক চাষীদের ঋণ মুকুবের ব্যাপারেও কাজ করছেন. এবং শিল্পমুখী নীতি নির্ধারণের জন্যও কাজ করছেন.তাঁর কার্যকালে আর্থিক অপর্যাপ্ততা শতকরা 4.5 থেকে শতকরা 3.1 তে নেমে এসেছে. সিংহের সরকার জটিল বিক্রয় করের পরিবর্ত হিসাবে VAT কর ব্যবস্থার প্রচলন করেন.2007 সালে ও 2008 এর গড়ার দিকে মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা বিশ্বব্যাপী এক বিশাল আকার ধারণ করে.[১৫] ড:সিংহের সরকার ভারতীয় রিসার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে সম-তালে কাজ করেন.নভেম্বর 2008 এ পুনরায় একক সংখ্যায় পর্যবসিত হওয়ার আগে এটি জুন-নভেম্বর 2008 এ দুই-সংখ্যায় পৌঁছেছিলো.

স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

হেইলিগেন্দামে অনুষ্ঠিত 33 তম G8 শীর্ষসম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মনমোহন সিংহ

2005 সালে প্রধানমন্ত্রী সিংহ এবং তাঁর সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জাতীয় গ্রামীন স্বাস্থ্য উদ্যোগ শুরু করেন যার ফলে লক্ষ্যাধিক জন-স্বাস্থ্য কর্মীকে কাজে লাগানো হয়.'টাইম' পত্রিকায়- প্রখ্যাত মার্কিন অর্থনীতিবিদ, জেফ্রি সাচস এর দ্বারা-এই প্রবন্ধের গ্রামীন স্বাস্থ্য প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হয়েছে.

ড : সিংহ ঘোষণা করেন যে অন্ধ্র প্রদেশ, বিহার, গুজরাট, ওড়িশা, পঞ্জাব, মধ্য প্রদেশহিমাচল প্রদেশে আরও আট টি ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা সংস্থা চালু করা হবে.সিংহ সরকার তাঁদের পূর্বসুরী, শ্রী বাজপেয়ীর প্রচলিত সর্ব শিক্ষা অভিযান কে চালু রেখেছেন. অশিক্ষা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা সারা ভারত ব্যাপী বিশেষত গ্রামীন ক্ষেত্রগুলিতে বিদ্যালয় স্থাপন ও দ্বিপ্রহরিক ভজন ব্যবস্থার প্রচলন ও উন্নয়নের প্রচেষ্টা করেছে. বিহারের প্রাচীনকালের নালন্দা বিশ্যাবিদ্যালায় কে আবার চালু করা হবে.

সুরক্ষা এবং স্বরাষ্ট্র নীতি[সম্পাদনা]

নাশকতামূলক নকশাল কার্য-কলাপ দ্বারা পশ্চিম ও মধ্য ভারতের গ্রামীন ক্ষেত্রগুলিতে ভীতিপ্রদ অবস্থার সৃষ্টি, POTA আইনের পুনর্প্রবর্তন এবং বিভিন্ন স্থানে যেমন, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, আমেদাবাদ, দিল্লিজয়পুরে বোমা বিস্ফোরণ প্রবৃতি দমনে ব্যর্থতার জন্য, ড: সিংহের সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি দ্বারা সমালোচিত হয়েছেন. যাইহোক, সিংহ সরকার মৌলবাদী নাসকতাবাদী দল, স্টুডেনটস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (SIMI)-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছেন. সিংহ সরকারের কার্যকালে কাশ্মীরের নাশকতামূলক কার্য-কলাপ উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে.

আইনব্যাবস্থা[সম্পাদনা]

তাঁর কার্যকালে সংসদে ২০০৫ সালে গুরুত্বপূর্ণ NREGA আইন ও RTI আইন গৃহীত হয়. বিভিন্ন ডিগ্রীর ক্ষেত্রে NREGA -এর সফল কার্যকারিতা এবং দেশ থেকে অশুদ্ধিতা দূরীকরণের ক্ষেত্রে RTI -এর গুরুত্ব প্রমানিত.

সমালোচনা[সম্পাদনা]

ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমানবিক চুক্তি রূপায়নে তাঁর ভূমিকার জন্য মনমোহন সিংহ ভারতের কমুনিস্ট দলগুলি দ্বারা তীব্র ভাবে সমালোচিত হন.2006 সালে নতুন দিল্লিতে করমর্দনরত মনমোহন সিংহ এবং ৪৩ তম মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লু বুশ

একজন মানুষ, যিনি যে রাজ্যে বসবাস করেননা সেই রাজ্য থেকে রাজ্য সাভার সসদস্যও হতে পারেন না, এই যুক্তিতে কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দল সিংহের লোক সভার সদস্যতা নিয়ে তাঁর সমালোচনা করেছেন কারণ তিনি অসম থেকে মনোনীত রাজ্য সভা সদস্য.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

বিরোধী দল, ভারতীয় জনতা দল (BJP)-এর প্রতিপত্তিশালী সদস্য লাল কৃষ্ণ আদবানি, মনমোহন সিংহকে "সর্বকালের দুর্বলতম প্রধানমন্ত্রী" রূপে ব্যাখ্যা করেন.[১৬] বিরোধী দলগুলি, বিশেষত BJP, এই বলে দোষারোপ করে যে ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ এলায়েন্সের সভানেত্রী, সনিয়া গাঁধী সরকারী কার্যকলাপে প্রধানমন্ত্রীর থেকে অধিক ক্ষমতা ভোগ করেন. মনমোহন সিংহ ও সরকারী আমলারা এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেন.[১৭][১৮]

ড:মনমোহন সিংহ এমন একজন প্রধানমন্ত্রী যিনি কখনো লোক সভা নির্বাচনে জয়লাভ করেননি. 22 জুলাই 2008 এযখন কমিউনিশ্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্ক্সবআদী) নেতৃত্বাধীন বাম জোট, সরকারের ইন্দো-মার্কিন পারমানবিক চুক্তির দ্বারা IAEA -এর দিকে অগ্রসর হবার প্রতিবাদে সরকার থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে তখন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ এলায়েন্সের (UPA) লোক সভায় প্রথম বারের জন্যে অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হয়. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহকে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করার আহভান জানান.দুদিনের তর্ক-বির্তর্কের পর 275-256 আস্থা ভোটে UPA জয়লাভ করে. সরকারের কিছু জোট সঙ্গীর বিরুদ্ধে কিছু বিরোধী লোক সভা সদস্য কে ঘুষ প্রদানের দ্বারা অনাস্থা ভোট না দিতে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বিরোধী দল BJP-র অভিযোগের কারণে আস্থা ভোট প্রদান প্রায় এক ঘণ্টার জন্য ব্যাহত হয়.

15 তম লোক সভা[সম্পাদনা]

ভারতীয় লোক সাভার ১৫ তম সাধারণ নির্বাচন 16 এপ্রিল 2009 থেকে 13 মে 2009 মধ্যে পাঁচটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়. 16 মে 2009 নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়.[১৯] পূর্ণ পাঁচ বছর কার্যকাল অতিক্রান্তের পর 1962 সালে জওহরলাল নেহরুর প্রধানমন্ত্রী রূপে পুনর্নির্বাচিত হবার পর, সিংহই প্রথম পুনর্নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী যাঁর নেতৃত্বে ,অন্ধ্র প্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, তামিল নাডু, কেরালা, পশ্চিম বঙ্গ এবং উত্তর প্রদেশে শক্তি সঞ্চয়ের পর ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ এলায়েন্সের (UPA) সরকার গঠন করে। [২০] জোট সঙ্গীদের সহায়তায় লোক সভার 543 জন সদস্যের মধ্যে 322 জনের সমর্থন লাভে কংগ্রেস তার সন্তোষজনক সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমানে সমর্থ হয়.বিরোধীরা তাদের পরাজয় স্বীকার করে নেয় এবং জানায় যে সিংহ যে "দুর্বল পি এম" এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগটি ভুল ছিলো বরং এটাই সিংহ কে জয়লাভে সাহায্য করেছে.এটা বিজেপিতে অন্তর্কলহের সৃষ্টি করে এবং বহু বিশিষ্ট BJP নেতা শ্রী আদভানির সমালোচনা করেন.উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগের ক্ষেত্রে </ref> ট্যাগ যোগ করা হয়নি[২১]

ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

শ্রী সিংহ গুর্শরণ কৌর কে 1958 সালে বিবাহ করেন এবং তাঁদের তিনটি কন্যা সন্তান আছে .[২২] তাঁর জেষ্ঠ্য কন্ন্যা , উপিন্দর সিংহ দিল্লির সেন্ট স্টিফেনস কলেজের|সেন্ট স্টিফেনস কলেজে ইতিহাসের অধ্যাপক এবং ছটি পুস্তকের রচয়িতা যার মধ্যে "এন্সেন্ট দিল্লি"(1999) এবং "এ হিস্ট্রি অফ এন্সেন্ট এন্ড আর্লি মেদিঅভাল ইন্ডিয়া" (২০০৮).[২৩] তাঁর দ্বিতীয়া কন্ন্যা দমন সিংহ সেন্ট স্টিফেনস কলেজ, নতুন দিল্লির একজন স্নাতক ও ইন্স্তিতিউত অফ রুরাল ম্যানেজমেন্ট}, আনন্দ, গুজরাট এবং "দ্য লাস্ট ফ্রন্টিয়ার":পিপল এন্ড ফরেস্তস ইন মিজোরাম" এর রচয়িতা ও "নাইন বাই নাইন" নামে একটি নভেলেরও rochoitaa.[২৪] সিংহের কনিথ্য়া কন্ন্যা অমৃত singh আমেরিকান সিভিল লিবারেতিস ইউনিয়ন এর একজন কর্মরত আইনজীবী [২৫] and is married to বার্টন বীবে , যিনি একজন বুদ্ধিগত সম্পত্তি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ সহ অধ্যাপক. সিংহ হৃদযন্ত্র ঘটিত অসুস্থতায় অসুস্থ এবং তাঁর 1990 সালে করনারী বাইপাস অস্ত্রপ্রচার ও 2004 সালে অন্জিযপ্লাস্তি অস্ত্রপ্রচার হয়.24 জানুয়ারী 2009 তে ইন্ডিয়ান ইন্স্তীতুত অফ মেডিকাল সাইন্সেস (AIIMS)- এ তাঁর দ্বিতীয় বারের জন্য বাইপাস অস্ত্রপ্রচার করা হয় এবং তখন ডাক্তারা তাঁর হৃদযন্ত্রের পূর্বেকার কয়েকটি জোরের রদবদল করেন.AIIMS এর ডাক্তারদের সহায়তায় শল্য চিকিত্সক রমাকান্ত পান্ডা পুনর্বার তাঁর বাইপাস অস্ত্রপ্রচার করেন.[২৬] 4 মার্চ 2009 শ্রী সিংহ তাঁর কাজে পুররায় যোগদান করেন.

ডিগ্রী এবং পদ সমূহ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বিস্তারিত বিবরণ[সম্পাদনা]

  1. Biswas, Soutik (2005-10-14)। "India's architect of reforms"BBC News। সংগৃহীত 11 December 2008 
  2. "Curriculum Vitae" (PDF)। Prime Minister's Office। সংগৃহীত 11 December 2008 
  3. "Profile: Prime Minister India"। Indian gov.। সংগৃহীত 2009-05-23 
  4. "Profile: Manmohan Singh" (English ভাষায়)। BBC। 30 March 2009। সংগৃহীত 2009-06-10 
  5. Bajoria, Jayshree (2008-10-23)। "India-Afghanistan Relations"Council on Foreign Relations। সংগৃহীত 11 December 2008 
  6. "U.S., India ink historic civilian nuclear deal"People's Daily2008-10-11। সংগৃহীত 11 December 2008 
  7. "Several African leaders to attend Africa-India summit, AU says"। African Press International। 2008-03-28। সংগৃহীত 11 December 2008 
  8. Beri, Ruchita (2008-12-10)। "IBSA Dialogue Forum: A Strategic Partnership"The African Executive। সংগৃহীত 11 December 2008 
  9. Halarnkar, Samar (2007-10-23)। "India and Israel: The great seduction"Hindustan Times। সংগৃহীত 11 December 2008 
  10. Waldman, Amy (2003-09-07)। "The Bond Between India and Israel Grows"New York Times। সংগৃহীত 11 December 2008 
  11. Dikshit, Sandeep (2008-04-17)। "Centre admits to problems in naval deals"The Hindu। সংগৃহীত 11 December 2008 
  12. Roychowdhury, Amitabh (2006-12-06)। "India, Russia sign agreements to further strengthen ties"Outlook। সংগৃহীত 11 December 2008 
  13. "The India Report"। Astaire Research। 
  14. https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/in.html#Econ
  15. http://www.iht.com/articles/2008/02/12/business/inflate.php
  16. "Manmohan Singh India's weakest prime minister: Advani"Rediff2007-10-13। সংগৃহীত 11 December 2008 
  17. "Manmohan to Advani: Change your astrologers, stop abuse against me"Thaindian News2008-07-22। সংগৃহীত 2008-07-23 
  18. "Manmohan takes on Advani: Babri destruction his only contribution"Southasia Times2009-03-25। সংগৃহীত 2009-03-28 
  19. "India's ruling party wins resounding victory" (English ভাষায়)। The Associated Press। 16 May 2009। সংগৃহীত 2009-05-16 
  20. "Second UPA win, a crowning glory for Sonia's ascendancy" (English ভাষায়)। Business Standard। 16 May 2009। সংগৃহীত 2009-06-13 
  21. "ভারতের প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় বারের জন্যে শপথ গ্রহণ করছেন" (English ভাষায়)। রয়টার্স। 22 মে 2009। সংগৃহীত 2009-06-13 
  22. "ড. মনমোহন সিংহ : ব্যাক্তিগত লেখচিত্র"। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ভারত সরকার। সংগৃহীত 2009-04-04 
  23. রাতে, ঋষি (2008-10-10)। "দিস সিংহ ইস কিং অফ হিস্ট্রি"Business Standard। সংগৃহীত 2009-04-04 
  24. "ড: সিংহের কন্ন্যা"। Rediff.com। 2009-01-28। সংগৃহীত 2009-04-04 
  25. রাজঘাতা, চিদানন্দ (2007-12-21)। "PM's daughter puts White House in the dock"টাইমস অফ ইন্ডিয়া । সংগৃহীত 2008-10-13 
  26. "মনমোহন সিংহের একটি জোর সাফল্যের সঙ্গে লাগানো সম্ভন হয়"The Hindu। 2009-01-24। সংগৃহীত 2009-01-24 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ভারত সরকার সূত্র