প্রণব মুখোপাধ্যায়
| প্রণব মুখোপাধ্যায় | |
|
|
|
| পদাধিকার | |
| দপ্তরের দায়িত্বগ্রহণ ২৪ জানুয়ারি, ২০০৯ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | মনমোহন সিংহ |
|---|---|
| পূর্বসূরী | মনমোহন সিংহ |
| দপ্তরের কার্যকাল জানুয়ারি, ১৯৮২ – ডিসেম্বর, ১৯৮৪ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | ইন্দিরা গান্ধী রাজীব গান্ধী |
| পূর্বসূরী | রামস্বামী ভেঙ্কটরামন |
| উত্তরসূরী | বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ |
|
|
|
| দপ্তরের কার্যকাল ২৪ অক্টোবর, ২০০৬ – ২৩ মে, ২০০৯ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | মনমোহন সিংহ |
| পূর্বসূরী | মনমোহন সিংহ |
| উত্তরসূরী | এস. এম. কৃষ্ণ |
| দপ্তরের কার্যকাল ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ – ১৬ মে, ১৯৯৬ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | পি. ভি. নরসিমা রাও |
| পূর্বসূরী | দীনেশ সিংহ |
| উত্তরসূরী | সিকন্দর বখত |
|
|
|
| দপ্তরের কার্যকাল ২২ মে, ২০০৪ – ২৬ অক্টোবর, ২০০৬ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | মনমোহন সিংহ |
| পূর্বসূরী | জর্জ ফার্নান্ডেজ |
| উত্তরসূরী | এ. কে. অ্যান্টনি |
|
|
|
| দপ্তরের কার্যকাল ২৪ জুন, ১৯৯১ – ১৫ মে, ১৯৯৬ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | পি. ভি. নরসিমা রাও |
| পূর্বসূরী | মোহন ধারিয়া |
| উত্তরসূরী | মধু দণ্ডবতে |
|
|
|
| জন্ম | ডিসেম্বর ১১, ১৯৩৫ মিরাটি গ্রাম, বীরভূম জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| রাজনৈতিক দল | ইউপিএ-ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| বাসস্থান | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত |
| অধ্যয়নকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান | কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় |
| ধর্ম | হিন্দু |
| ওয়েব সাইট | সরকারি ওয়েবসাইট |
প্রণব মুখোপাধ্যায় (জন্ম ১১ ডিসেম্বর, ১৯৩৫ - ) হলেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের বর্তমান অর্থমন্ত্রী। তিনি জাতীয় কংগ্রেসের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা এবং নেহেরু-গান্ধী পরিবারের বিশেষ ঘনিষ্ঠ।
প্রণব মুখোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে ভারতের বিদেশ, প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ, রাজস্ব ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব পালনের বিরল কৃতিত্বের অধিকারী। ভারত-মার্কিন অসামরিক পরমাণু চুক্তি সাক্ষরের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। দলের প্রতি আনুগত্য ও অসামান্য প্রজ্ঞা এই বাঙালি রাজনীতিবিদকে কংগ্রেস দলে ও এমনকি দলের বাইরেও বিশেষ শ্রদ্ধার পাত্র করেছে। দেশের প্রতি অবদানের জন্য তাঁকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণ ও শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] প্রারম্ভিক জীবন
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম অধুনা পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার কীর্ণাহার শহরের নিকটস্থ মিরাটি গ্রামে। তাঁর পিতার নাম কামদাকিঙ্কর মুখোপাধ্যায় ও মাতার নাম রাজলক্ষ্মী দেবী। বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী কামদাকিঙ্কর ১৯২০ সাল থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনকালে তিনি দশ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন। পরে কামদাকিঙ্কর অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধান পরিষদের সদস্য (১৯৫২-৬৪) হন; তিনি বীরভূম জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতির পদও অলংকৃত করেন।[১] প্রণব মুখোপাধ্যায় সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্র ছিলেন; এই কলেজটি সেই সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল।
[সম্পাদনা] কর্মজীবন
প্রণব মুখোপাধ্যায় একজন কলেজশিক্ষক রূপে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি সাংবাদিকের কাজও করেন কিছুকাল। এই সময় তিনি দেশের ডাক নামে একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ট্রাস্টি ও পরে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতিও হন।[২]
[সম্পাদনা] রাজনৈতিক কর্মজীবন
প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ দশক ভারতীয় সংসদের সদস্য। ১৯৬৯ সালে তিনি প্রথম বার কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিস্বরূপ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালেও তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে কেন্দ্রীয় শিল্পোন্নয়ন উপমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে যোগদান করেন।
ক্যাবিনেটে ক্রমান্বয়ে পদোন্নতির পর ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তাঁকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতমের শিরোপা দেওয়া হয়।[৩][৪][৫][৬] তাঁর মন্ত্রীত্বকালের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ভারতের আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের ঋণের শেষ কিস্তির ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ না তোলা। তাঁর এই মন্ত্রীত্বকালে ড. মনমোহন সিংহ ছিলেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর। ইন্দিরা হত্যার অব্যবহিত পরে একটি দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব্ব্বের শিকার হন প্রণব মুখোপাধ্যায়। এই সময় রাজীব গান্ধী তাঁকে নিজের ক্যাবিনেটে স্থান দেননি। কিছুকালের জন্য তাঁকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। এই সময় তিনি রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস নামে নিজস্ব একটি দলও গঠন করেছিলেন। তবে ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে মিটমাট করে নেওয়ার পর এই দল নিয়ে তিনি আবার কংগ্রেসে যোগ দেন।[৭] পরবর্তীকালে পি. ভি. নরসিমা রাও তাঁকে পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত করলে তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনের পুনরুজ্জীবন ঘটে। রাওয়ের মন্ত্রিসভায় পরে তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রীরূপেও যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৫-৯৬ সালে তিনি রাওয়ের মন্ত্রিসভায় বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত হন।
প্রণব মুখোপাধ্যায় জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ শাখারও সভাপতি। ২০০৪ সালে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট কেন্দ্রে সরকার গঠন করে। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ রাজ্যসভার সদস্য হওয়ায়, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতার দায়িত্ব পান। উল্লেখ্য, এই বছরই তিনি প্রথমবার জঙ্গীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন।
প্রণব মুখোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে প্রতিরক্ষা, অর্থ, বিদেশ, রাজস্ব, জাহাজ-চলাচল, পরিবহন, যোগাযোগ এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণের বিরল কৃতিত্বের অধিকারী। তিনি সারা দেশের কংগ্রেস সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে গঠিত যথাক্রমে কংগ্রেস সংসদীয় দল ও কংগ্রেস বিধানসভা দলেরও প্রধান। পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের বাইপাস সার্জারির সময় তদনীন্তন বিদেশমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় রাজনীতি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্যাবিনেট পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেন।
[সম্পাদনা] আন্তর্জাতিক ভূমিকা
২০০৮ সালের ১০ অক্টোবর প্রণব মুখোপাধ্যায় ও ইউএস সেক্রেটারি অফ স্টেট কন্ডোলিজা রাইস সেকশন ১২৩ চুক্তি সই করেন। তিনি আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার, বিশ্ব ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের বোর্ড অফ গভর্নরসের সদস্য।
১৯৮৪ সালে প্রণব মুখোপাধ্যায় আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সংযুক্ত গ্রুপ অফ টোয়েন্টিফোরের সভাপতিত্ব করেন। ১৯৯৫ সালের মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত তিনি সার্ক মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলনেও সভাপতিত্ব করেছিলেন।[৮]
[সম্পাদনা] বিদেশমন্ত্রী: অক্টোবর ২০০৬
২০০৬ সালের ২৪ অক্টোবর প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্বে নিযুক্ত করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বে তাঁর পরিবর্তে আসেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. অ্যান্টনি।
এই সময় ভারতের রাষ্ট্রপতির পদে তাঁর নাম সাময়িকভাবে বিবেচিত হয়। কিন্তু পদটি নিছক আনুষ্ঠানিক হওয়ায়, কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে তাঁর অবদান ও কার্যকরিতার কথা মাথায় রেখে তাঁর নাম বিবেচনা থেকে প্রত্যাহৃত হয়। বিদেশ মন্ত্রকে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কৃতিত্বগুলি হল প্রথমে মার্কিন সরকারের সঙ্গে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসামরিক পরমানু চুক্তি সই ও পরে নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফিকেশন ট্রিটি সই না করেই নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ারস গ্রুপের থেকে অসামরিক পরমাণু বাণিজ্যের অনুমতি আদায়। ২০০৭ সালে তাঁকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণ দ্বারা সম্মানিত করা হয়।
[সম্পাদনা] দলগত ভূমিকা
নিজের দলে প্রণব মুখোপাধ্যায় এক ব্যতিক্রমী সম্মানের অধিকারী।[৯] অন্যান্য গণমাধ্যমে তাঁর এই সম্মানকে "a reputation as a number-crunching politician with a phenomenal memory and an unerring survival instinct" বলে উল্লেখ করা হয়।[১০]
সনিয়া গান্ধী অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজনীতিতে যোগদান করতে সম্মত হলে প্রণব মুখোপাধ্যায় তাঁর প্রধান সহায়কের ভূমিকা পালন করেন। বিভিন্ন সমস্যা সনিয়ার শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী কিভাবে সমাধান করতেন, তার উল্লেখ করে তিনি সনিয়াকে সাহায্য করতেন।[১১] প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও প্রজ্ঞা তাঁকে সনিয়া গান্ধী ও মনমোহন সিংহের ঘনিষ্ঠ করে তোলে। ২০০৪ সালে দল ক্ষমতায় এলে প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সম্মানজনক দায়িত্বটি পান।
২০০৫ সালে পেটেন্ট অ্যামেন্ডমেন্ট বিল পাসের ক্ষেত্রে তিনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। যদিও এই বিলটি সরাসরি তাঁর মন্ত্রক বা তাঁর দায়িত্ব তালিকাভুক্ত ছিল না।[১২]
[সম্পাদনা] দুর্নীতি প্রসঙ্গে দৃষ্টিভঙ্গি
প্রণব মুখোপাধ্যায় রাজনৈতিকভাবে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী হলেও একজন বাস্তববাদী। রিডিফকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে তাঁর সরকারের দুর্নীতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন:
- দুর্নীতি একটি ইস্যু। আমাদের ইস্তাহারে এই প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের সঙ্গেই জানাচ্ছি যে কেলেংকারি কেবল কংগ্রেস বা কংগ্রেস সরকারের মধ্যেই আবদ্ধ নেই। অনেক কেলেংকারি রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাই এই ধরনের কেলেংকারির সঙ্গে জড়িত। তাই কংগ্রেস সরকার দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত; এমন কথা বললে বিষয়টি লঘু করে দেখানো হবে।[১৩]
[সম্পাদনা] বর্তমান অর্থমন্ত্রী
মনমোহন সিংহের দ্বিতীয় সরকারে প্রণব মুখোপাধ্যায় পুনরায় অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব পান। উল্লেখ্য, ১৯৮০-এর দশকে তিনি এই মন্ত্রকেরই দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ২০০৯ সালের ৬ জুলাই তিনি সরকারের বার্ষিক বাজেট পেশ করেন। এই বাজেটে তিনি কয়েকটি কর সংস্কারের প্রস্তাব রাখেন। যেমন, 'অস্বস্তিকর' ফ্রিঞ্জ বেনেফিট ট্যাক্স ও কমোডিটিজ ট্র্যানজাকশান ট্যাক্সের অবলোপন ইত্যাদি। এছাড়া তিনি ঘোষণা করেন যে অর্থমন্ত্রক শীঘ্রই গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স নামে একটি কর চালু করবে। এই করের কাঠামোটির প্রশংসা করেন বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মকর্তা ও অর্থনীতিবিদগণ। এছাড়াও তিনি কয়েকটি সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পে অর্থবরাদ্দ করেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান সুনিশ্চিতকরণ আইন, শিশুকন্যাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা ইত্যাদি। এছাড়াও অর্থবরাদ্দ করেন জাতীয় সড়ক উন্নয়ন কর্মসূচি, বিদ্যুদয়ন প্রকল্প, এবং জওহরলাল নেহেরু জাতীয় নগরোন্নয়ন মিশনের মতো পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পগুলিতেও। যদিও কেউ কেউ তাঁর অর্থমন্ত্রিত্বে রাজস্ব ঘাটতি বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
[সম্পাদনা] ব্যক্তিগত জীবন
১৯৫৭ সালের ১৩ জুলাই প্রণব মুখোপাধ্যায় পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন শুভ্রা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁদের দুই পুত্র ও এক কন্যা বর্তমান। তাঁর অবসরকালীন শখ বই পড়া, বাগান করা ও গান শোনা।[১৪]
[সম্পাদনা] পাদটীকা
| উইকিসংবাদে নিম্নের বিষয় সংক্রান্ত খবর আছে: Mukherjee injured in accident |
- ↑ Profile at Ministry of External Affairs.
- ↑ FM Pranab's first priority: Presenting budget 09-10 (page3). প্রকাশক: Indian Express. May 23, 2009. http://www.indianexpress.com/news/fm-pranabs-first-priority-presenting-budget-0910/464858/3। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-23.
- ↑ Profile from calcuttayellowpages.com
- ↑ Pranab Mukherjee Profile mod.nic.in
- ↑ Pranab Mukherjee Profile CaclubIndia.com
- ↑ KolkataToday.com
- ↑ FM Pranab's first priority: Presenting budget 09-10. প্রকাশক: Indian Express. May 23, 2009. http://www.indianexpress.com/news/fm-pranabs-first-priority-presenting-budget-0910/464858/2। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-23.
- ↑ Institute for Defence Studies and Analyses (IDSA) Executive Committee Profile
- ↑ India's new foreign minister Mukherjee: a respected party veteran. প্রকাশক: Agence France-Presse. 24 October 2006. http://servihoo.com/Aujourdhui/kinews/afp_details.php?id=140225&CategoryID=74। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-04-09.
- ↑ India gets new foreign minister. প্রকাশক: BBC News. 4 October 2006. http://news.bbc.co.uk/2/hi/south_asia/6079438.stm। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-04-09.
- ↑ GK Gokhale (19 April 2004). Why is Dr. Singh Sonia's choice?. প্রকাশক: rediff.com. http://in.rediff.com/news/2004/may/19guest.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-04-09.
- ↑ Aditi Phadnis (29 March 2005). Pranab: The master manager. প্রকাশক: rediff.com. http://www.rediff.com/money/2005/mar/29patents.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-04-09.
- ↑ Rajesh Ramachandran (10 January 1998). The BJP's new-found secularism is a reckless exercise to hoodwink the people. প্রকাশক: rediff.com. http://www.rediff.com/news/1998/jan/10pranab.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-04-09.
- ↑ Pranab Mukherjee
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- Finance Minister Pranab Mukherjee
- About Pranab Mukherjee
- Profile at Govt. of India website
- Official biographical sketch in Parliament of India website
- Saddam verdict: India reacts guardedly
- http://www.un.org/webcast/ga/61/pdfs/india-e.pdf
| বিধানসভার আসন | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী অজ্ঞাত |
রাজ্যসভা সদস্য (পশ্চিমবঙ্গ) ১৯৬৯ – ২০০৪ |
উত্তরসূরী অজ্ঞাত |
| বিধানসভার আসন | ||
| পূর্বসূরী অজ্ঞাত |
লোকসভা সদস্য (জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্র) ২০০৪ – বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য |
| রাজনৈতিক দফতর | ||
| পূর্বসূরী আর. ভেঙ্কটরামন |
ভারতের অর্থমন্ত্রী ১৯৮২ – ১৯৮৪ |
উত্তরসূরী বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ |
| পূর্বসূরী মোহন ধারিয়া |
ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ১৯৯১ – ১৯৯৬ |
উত্তরসূরী মধু দণ্ডবতে |
| পূর্বসূরী দীনেশ সিংহ |
ভারতের বিদেশমন্ত্রী ১৯৯৫ – ১৯৯৬ |
উত্তরসূরী সিকন্দর বখত |
| পূর্বসূরী জর্জ ফার্নান্ডেজ |
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ২০০৪ – ২০০৬ |
উত্তরসূরী এ. কে. অ্যান্টনি |
| পূর্বসূরী মনমোহন সিংহ |
ভারতের বিদেশমন্ত্রী ২০০৬ – ২০০৯ |
উত্তরসূরী এস. এম. কৃষ্ণ |
| ভারতের অর্থমন্ত্রী ২০০৯ – বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য | |
|
|||||
सर्व शिक्षा मातृभाषामा नहुनु सुक्ष्म गतिमा दास हुनु हो
मातृभाषाको सम्मान राष्ट्रको सम्मान
माताको दुध शिशुलाई शिक्षा मातृभाषामा प्रभाव पर्छ सृष्टिलाई प्रकाशको गतिमा
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
- ১৯৩৫-এ জন্ম
- বাঙালি রাজনীতিবিদ
- ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
- ভারতের অর্থমন্ত্রী
- ভারতের বিদেশমন্ত্রী
- ভারতীয় রাজনীতিবিদ
- ভারতীয় হিন্দু
- জীবিত ব্যক্তি
- ভারতের ক্যাবিনেট মন্ত্রী
- কলকাতার ব্যক্তিত্ব
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী
- চতুর্দশ লোকসভার সদস্য
- পঞ্চদশ লোকসভার সদস্য
- পদ্মবিভূষণ প্রাপক
- শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কার প্রাপক
- বীরভূম জেলার ব্যক্তিত্ব