বিজ্ঞানের ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(History of science থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বিজ্ঞানের ইতিহাস
Libr0310.jpg
পটভূমি
সমাজ তত্ত্ব
Historiography
Pseudoscience
যুগ অনুসারে
প্রাক পরীক্ষামূলক
প্রাচীন সংস্কৃতিতে
মধ্যযুগে
রেনেসাঁর যুগে
বৈজ্ঞানিক বিপ্লব
বিষয় অনুসারে
প্রাকৃতিক বিজ্ঞান
গণিত
জ্যোতির্বিজ্ঞান
জীববিজ্ঞান
রসায়ন
বাস্তব্যবিজ্ঞান
ভূগোল
পদার্থবিজ্ঞান
সামাজিক বিজ্ঞানসমূহ
অর্থনীতি
ভাষাতত্ত্ব
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
মনোবিজ্ঞান
সমাজ বিজ্ঞান
প্রযুক্তি
কৃষিবিজ্ঞান
কম্পিউটার বিজ্ঞান
Materials science
চিকিৎসা শাস্ত্র
বিচরণ সহযোগী পৃষ্ঠাসমূহ
তারিখ
প্রবেশদ্বার
বিষয়শ্রেণীসমূহ

বিজ্ঞানের ইতিহাস বলতে আমরা এখানে বুঝব এমন ধরণের ঐতিহাসিক নিদর্শন বা ঘটনাসমষ্টি যা যুগে যুগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বিস্তার লাভ করেছে এবং যার ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থেকেছে সবসময়। মূলত বিজ্ঞান কখনোও থেমে থাকেনি, বরং বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার মাধ্যমেই পৃথিবী এগিয়েছে এবং বিভিন্ন যুগ অতিক্রম করে বর্তমান অবস্থায় উপনীত হয়েছে। সত্যিকার অর্থে বিজ্ঞানের সূচনা মানব জন্মের শুরু থেকেই, পার্থক্য এই যে সে সময় মানুষ জানত না যে সে কি করেছে বা কোন সভ্যতার সূচনা ঘটতে চলেছে তার দ্বারা। প্রথম যে মানুষটি পাথরে পাথর ঘষে আগুন সৃষ্টি করেছিল সে কষ্মিনকালেও ভাবেনি যে সে একটি নব সভ্যতার জন্ম দিলো। এভাবেই চলেছিল অনেকটা কাল। তারপর একসময় যখন মানুষ তার কর্ম দেখে তার কাজের অর্থ ও গুরুত্ব বুঝতে পারল তখন সে তার কাজগুলোকে গুছিয়ে আনার চেষ্টা করল। আর এভাবেই জন্ম নিলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। তারপরের ইতিহাস হল বিপ্লবের ইতিহাস যার পরে আর মানব সভ্যতাকে আর কখনও পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে যখন বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সূচনা হয় তখন মানুষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে জ্ঞানের বিবর্তনকেও পরিচালনা ও প্রত্যক্ষ করার যোগ্যতা অর্জন করে। এধরণের জ্ঞান এতটাই মৌলিক ছিল যে অনেকে (বিশেষত বিজ্ঞানের দার্শনিকরা) মনে করেন এই পরিবর্তনটি প্রাক বৈজ্ঞানিকতাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ যখন মানব মন বিকশিতই হয়নি তখনকার সময়কেও এটি অন্তর্ভুক্ত করে এবং নিগূঢ় অনুসন্ধান করে।

পরিচ্ছেদসমূহ

বিজ্ঞানের ইতিহাস তত্ত্ব[সম্পাদনা]

বিজ্ঞানের ইতিহাস নিয়ে যত গবেষণা হয়েছে তার অধিকংশই ছিল কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মধ্যে আবর্তিত। প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিজ্ঞান কি, বিজ্ঞান কিভাবে কাজ করে, এর মধ্যে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয় ইত্যাদি।

প্রাচীন মানবের আগুন নিয়ন্ত্রণ[সম্পাদনা]

প্রাচীন ধাতুকর্ম[সম্পাদনা]

চাকার উদ্ভাবন[সম্পাদনা]

পদার্থের ধর্ম : প্রাচীন ধারণা[সম্পাদনা]

প্রাচীন চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা[সম্পাদনা]

প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

প্রাচীন সংখ্যা পদ্ধতিসমূহ[সম্পাদনা]

গ্রিক গণিত ও জ্যামিতি[সম্পাদনা]

সরল যন্ত্র[সম্পাদনা]

প্রাচীন ভূগোল[সম্পাদনা]

গিয়ার[সম্পাদনা]

নিমজ্জন ও ভাসন[সম্পাদনা]

বীজগণিত[সম্পাদনা]

পানি ও পানিশক্তি[সম্পাদনা]

মধ্যযুগীয় রসায়ন[সম্পাদনা]

বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র[সম্পাদনা]

মুদ্রণশিল্প[সম্পাদনা]

আরব বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

চীনা বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

ভারতীয় বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

পরীক্ষামূলক বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

রনেসঁস চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা[সম্পাদনা]

অঙ্গব্যবচ্ছেবিদ্যা[সম্পাদনা]

সৌরকেন্দ্রিক বিশ্ব[সম্পাদনা]

গ্রহদের গতি[সম্পাদনা]

চৌম্বকত্ব[সম্পাদনা]

মহাকাশ বীক্ষণ[সম্পাদনা]

গতি, জড়তা ও ঘর্ষণ[সম্পাদনা]

গণনার পদ্ধতিসমূহ[সম্পাদনা]

রক্ত সংবহন[সম্পাদনা]

অণুজীব বীক্ষণ[সম্পাদনা]

শূন্যস্থান[সম্পাদনা]

বায়বীয় পদার্থের আচরণ[সম্পাদনা]

লেখচিত্র ও স্থানাঙ্ক ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

নিউটনের গতিসূত্রসমূহ[সম্পাদনা]

মহাকর্ষ[সম্পাদনা]

দ্রুতি ও বেগ[সম্পাদনা]

আলোর ধর্ম[সম্পাদনা]

আলোর বিশ্লেষণ ও প্রতিসরণ[সম্পাদনা]

ধূমকেতু ও উল্কা[সম্পাদনা]

সময়ের পরিমাপ[সম্পাদনা]

জীবপ্রজাতির শ্রেণীকরণ[সম্পাদনা]

নিউকোমেন ইঞ্জিন[সম্পাদনা]

বাষ্পীয় শক্তি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিন[সম্পাদনা]

সমুদ্রে অভিযান[সম্পাদনা]

পদার্থের ধর্ম : আধুনিক ধারণা[সম্পাদনা]

পদার্থের অবস্থা[সম্পাদনা]

তরল পদার্থ ও চাপ[সম্পাদনা]

বায়বীয় পদার্থসমূহের আবিষ্কার[সম্পাদনা]

জৈব রসায়ন[সম্পাদনা]

উদ্ভিদদের জীবনচক্র[সম্পাদনা]

উদ্ভিদের কর্মপদ্ধতি[সম্পাদনা]

স্থিরবিদ্যুৎ ও তড়িৎকোষ[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎপ্রবাহ[সম্পাদনা]

তড়িচ্চুম্বকত্ব[সম্পাদনা]

বৈদ্যুতিক মোটর[সম্পাদনা]

সঠিক পরিমাপ[সম্পাদনা]

গণনা ও গণন[সম্পাদনা]

শক্তির রূপান্তর[সম্পাদনা]

তাপের ধর্ম[সম্পাদনা]

তাপগতিবিজ্ঞানের বিধিসমূহ[সম্পাদনা]

সৌরজগৎ[সম্পাদনা]

শিলার সৃষ্টি[সম্পাদনা]

জীবাশ্ম প্রমাণ[সম্পাদনা]

পৃথিবীর বয়স নির্ণয়[সম্পাদনা]

ভূমিরূপ গঠনের প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

সম্ভাব্যতা ও পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

বিবর্তন[সম্পাদনা]

বংশগতি সূত্রসমূহ[সম্পাদনা]

আবহমণ্ডলীয় পরিবর্তন[সম্পাদনা]

আবহাওয়ার পূর্বাভাস[সম্পাদনা]

বায়ুমণ্ডলের গঠন[সম্পাদনা]

সমুদ্রের গবেষণা[সম্পাদনা]

প্রাণী ও উদ্ভিদকোষের গঠন[সম্পাদনা]

পরিপাক[সম্পাদনা]

খাদ্য ও স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

স্নায়ুতন্ত্র[সম্পাদনা]

মস্তিষ্ক[সম্পাদনা]

পেশী ও কঙ্কাল[সম্পাদনা]

মানব প্রজনন[সম্পাদনা]

নিরাপদ শল্যচিকিৎসা[সম্পাদনা]

পর্যায় সারণী[সম্পাদনা]

রাসায়নিক বিক্রিয়া[সম্পাদনা]

রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্রুতকরণ[সম্পাদনা]

ক্ষার ও অম্ল[সম্পাদনা]

রাসায়নিক দ্রব্যের বড় মাপের উৎপাদন[সম্পাদনা]

রোগব্যধির বিস্তরণ[সম্পাদনা]

ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস[সম্পাদনা]

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

টীকাদান[সম্পাদনা]

কৃত্রিম আলো[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ উৎপাদন[সম্পাদনা]

অন্তর্দহন ইঞ্জিন[সম্পাদনা]

শব্দের ধর্ম[সম্পাদনা]

তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালী[সম্পাদনা]

টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন[সম্পাদনা]

আলোকচিত্র[সম্পাদনা]

শব্দধারণ[সম্পাদনা]

বেতার ও বেতার তরঙ্গ[সম্পাদনা]

শ্বসন[সম্পাদনা]

পঞ্চ ইন্দ্রিয়[সম্পাদনা]

হরমোন[সম্পাদনা]

প্রাণীদের আচরণ[সম্পাদনা]

জীবমণ্ডলীয় চক্রসমূহ[সম্পাদনা]

পরমাণুর কাঠামো[সম্পাদনা]

রাসায়নিক বন্ধন[সম্পাদনা]

উড্ডয়ন[সম্পাদনা]

শূন্যস্থান টিউব[সম্পাদনা]

রঞ্জন রশ্মি[সম্পাদনা]

বিকিরণ ও তেজস্ক্রিয়তা[সম্পাদনা]

আইনস্টাইন সমীকরণ[সম্পাদনা]

আপেক্ষিকতা তত্ত্ব[সম্পাদনা]

কোষ বিভাজন[সম্পাদনা]

ক্রোমোজোম ও বংশগতি[সম্পাদনা]

ঔষধ উদ্ভাবন[সম্পাদনা]

কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

মহাবিস্ফোরণ ও মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ[সম্পাদনা]

পারমাণবিক বোমা[সম্পাদনা]

নিউক্লীয় বিদারণ ও একীভবন[সম্পাদনা]

তারার জীবনচক্র[সম্পাদনা]

বাস্তুসংস্থান[সম্পাদনা]

পরিবেশবাদ[সম্পাদনা]

রবার ও প্লাস্টিক[সম্পাদনা]

রকেট উৎক্ষেপণ[সম্পাদনা]

ছায়াপথ, তারাগুচ্ছ ও মহাতারাগুচ্ছ[সম্পাদনা]

সংকেত ও তথ্যগোপন[সম্পাদনা]

ডি এন এ-র কাঠামো[সম্পাদনা]

জিনগত কোড[সম্পাদনা]

বিশৃঙ্খলা তত্ত্ব[সম্পাদনা]

পৃথিবীর কাঠামো[সম্পাদনা]

মহাদেশীয় পাততত্ত্ব ও মহাদেশের সরণ[সম্পাদনা]

সক্রিয় পৃথিবী[সম্পাদনা]

আধুনিক কৃষি[সম্পাদনা]

লেজার[সম্পাদনা]

মাইক্রোচিপ[সম্পাদনা]

কৃত্রিম উপগ্রহ[সম্পাদনা]

মনুষ্যবাহী মহাকাশ ভ্রমণ[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট[সম্পাদনা]

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট[সম্পাদনা]

অতিপারমাণবিক কণা[সম্পাদনা]

জিন প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

টেস্ট টিউব নিষেক[সম্পাদনা]

অযৌন প্রজনন (ক্লোনকরণ)[সম্পাদনা]

ন্যানোপ্রযুক্তি[সম্পাদনা]

সৌরজগতের গঠন[সম্পাদনা]

মহাকাশ বীক্ষণ (আধুনিক) ও মহাকাশ অনুসন্ধান[সম্পাদনা]

অন্ধকার মহাবিশ্ব[সম্পাদনা]

বৃহৎ একীভূত তত্ত্ব[সম্পাদনা]

স্ট্রিং তত্ত্ব[সম্পাদনা]

মানবদেহ চিত্রণ[সম্পাদনা]

আধুনিক শল্যচিকিৎসা পদ্ধতি[সম্পাদনা]

নতুন রোগব্যাধির গবেষণা[সম্পাদনা]

মনুষ্য জিনোম[সম্পাদনা]

ভূমণ্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি[সম্পাদনা]

পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তি[সম্পাদনা]

জলবায়ু পরিবর্তন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]