লেসলি উইট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লেসলি উইট
লেসলি উইট.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজর্জ লেসলি উইট
জন্ম(১৯২৯-০৫-২৮)২৮ মে ১৯২৯
জর্জটাউন, ব্রিটিশ গায়ানা
মৃত্যু৪ জানুয়ারি ২০০৪(2004-01-04) (বয়স ৭৪)
টরন্টো, অন্টারিও, কানাডা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন-
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৭৯)
১১ মার্চ ১৯৫৩ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১২
রানের সংখ্যা ২১ ১,২৬০
ব্যাটিং গড় ২১.০০ ৬৬.৩১
১০০/৫০ ০/০ ৪/৬
সর্বোচ্চ রান ২১ ২৬২*
বল করেছে
উইকেট
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং -/- -/-
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/০ ১২/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৭ মে ২০১৯

জর্জ লেসলি উইট (ইংরেজি: Leslie Wight; জন্ম: ২৮ মে, ১৯২৯ - মৃত্যু: ৪ জানুয়ারি, ২০০৪) তৎকালীন ব্রিটিশ গায়ানার ডেমেরারা এলাকার জর্জটাউনে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানার প্রতিনিধিত্ব করেছেন লেসলি উইট। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৯-৫০ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত লেসলি উইটের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে বারোটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছেন তিনি। এ সময়ে তিনি ব্রিটিশ গায়ানার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন।

১৯৫১-৫২ মৌসুমে জর্জটাউনে বার্বাডোসের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো খেলায় অংশ নেন। অভিষেক খেলাতেই দূর্দান্ত শতরানের ইনিংস খেলেন। ৭০৮ মিনিটে ক্রিজে অবস্থান করে অপরাজিত ২৬২ রানের ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে প্রথম উইকেট জুটিতে গ্লেন্ডন গিবসের সাথে ৩৯০ রান তুলেছিলেন।[১] পুরো সময় জুড়ে তিনি ফিল্ডিং করেন। খেলায় ব্রিটিশ গায়ানা ইনিংস ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিল। ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম উইকেট জুটির এ সংগ্রহটি রেকর্ডরূপে চিত্রিত হয়েছিল। পরবর্তীতে, মন্টেগো বে এলাকায় অনুষ্ঠিত খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বি দলের বিপক্ষে জ্যামাইকার সদস্যরূপে লিওন গারিক (অপরাজিত ২০০) ও ক্রিস গেইল (অপরাজিত ২০৮) ৪২৫ রানের জুটি গড়ে নিজেদের করে নেন। ঐ মৌসুমে তিনি আরও দুইটি শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন। চার খেলায় ১২৫.০০ গড়ে ৬২৫ রান তুলে ঐ মৌসুম শেষ করেন।[২]

১৯৫২-৫৩ মৌসুমে জ্যামাইকার বিপক্ষে ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ব্রুস পেয়ারডিউ’র সাথে ২২৫ রান তুলেছিলেন। সফররত ভারতীয় একাদশের বিপক্ষে জ্যামাইকার সদস্যরূপে প্রথম ইনিংসে ৭৯ রান তুলে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। ফলশ্রুতিতে কয়েকদিন পর অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টের জন্যে তাকে নির্বাচিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন লেসলি উইট। ১১ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে জর্জটাউনে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে রয় মিলারের সাথে তারও একযোগে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। তিনি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যালান রে’র স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। তবে, তাকে সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ের জন্যে প্রেরণ করা হয়েছিল। দুই ঘন্টারও অধিক সময় ক্রিজে অবস্থান করে একমাত্র ইনিংসটিতে ২১ রান তুলেছিলেন।[৩] বিনু মানকড়ের বলে বোল্ড হন তিনি। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। ক্লাইড ওয়ালকটকে সাথে ৭১ রানের জুটি গড়েন। এরপর আর তাকে টেস্ট খেলতে দেখা যায়নি। সকল প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ৬৬.৩১ গড়ে সর্বমোট ১২৬০ রান তুলেন। ২৩ বছর বয়সী লেসলি উইটের এটিই সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণ ছিল।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

সুপরিচিত ক্রিকেট পরিবার থেকে লেসলি উইটের উত্থান ঘটেছিল। অপর তিন ভাই - আর্নল্ড উইট, নর‍ম্যান উইট, পিটার উইট এবং দুই কাকা - ভাইবার্ট উইট ও অস্কার উইট প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তন্মধ্যে, এক কাকা ভাইবার্ট উইট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলেছিলেন। এক ভাই পিটার উইট ক্যান্টারবারি ও ইংল্যান্ডে সমারসেটে দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলেছিলেন এবং ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সালে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণসহ ১৯৬৬ থেকে ১৯৯৫ সময়কালে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন।

৪ জানুয়ারি, ২০০৪ তারিখে ৭৪ বছর বয়সে কানাডার টরন্টোতে লেসলি উইটের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]