এক টেস্টের বিস্ময়কারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এক টেস্টের বিস্ময়কারী ক্রিকেটের একটি পরিভাষা। এর মাধ্যমে একজন ক্রিকেটারের সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দলের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করাকে বুঝানো হয়ে থাকে। দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর কারণেই মূলতঃ এটি হয়ে থাকে।[১][২][৩] এরফলে, তিনি আর কখনও দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পাননি। একজন সঙ্গীত শিল্পীর একটিমাত্র গান দর্শক-শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণের সাথে এর তুলনা করা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোট ৩৭৭জন এক টেস্টের বিস্ময়কারী ক্রিকেটার রয়েছেন।[৪] নীচে কয়েকজন উল্লেখযোগ্য ক্রিকেটারের ক্রীড়াশৈলী তুলে ধরা হলো:

প্রতি আটজনের মধ্যে একজন ক্রিকেটার মাত্র একবারই টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়ে থাকেন।[১] মাঝে-মধ্যে অবশ্য এক টেস্টের বিস্ময়কারীগণ বেশ কয়েকবছর পর পুণরায় টেস্ট খেলার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। তন্মধ্যে, ২০০১ সালে টেস্ট অভিষেকের পর ২০০৭ সালে নিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেয়ার জন্য রায়ান সাইডবটমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।[১৩] স্মর্তব্য যে, তার বাবা আর্নি সাইডবটম এক টেস্টের বিস্ময়কারী ছিলেন।[১৪]

ড্যারেন প্যাটিনসন অপ্রত্যাশিতভাবে এক টেস্টের বিস্ময়কারী হিসেবে ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলেন। কিন্তু, তাঁর ভাই জেমস প্যাটিনসন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষাবলম্বন করে টেস্ট ক্রিকেটে বেশ সাফল্য লাভ করেন।

মে, ২০০৭ তারিখ পর্যন্ত ১৪জন এক টেস্টের বিস্ময়কারীগণ দলের পক্ষেও একটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।[১৫]

খুবই স্বল্পভাবে এ পরিভাষাটি একাধিক টেস্টে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু তারা কেবলমাত্র একটি টেস্টে একবারই খুবই উল্লেখযোগ্য সফলতা লাভ করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ: ভারতীয় বোলার নরেন্দ্র হিরওয়ানি জানুয়ারি, ১৯৮৮ সালে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত চতুর্থ টেস্টে ৮/৬১ ও ৮/৭৫ পেয়েছিলেন।[১৬] এছাড়াও, অস্ট্রেলীয় বোলার বব ম্যাসি জুন, ১৯৭২ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ৮/৮৪ ও ৮/৫৩ পেয়েছিলেন।[১৭] তাঁরা প্রত্যেকেই তাঁদের অভিষেক টেস্টের উভয় ইনিংসে আট উইকেট করে পেলেও পরবর্তীকালে খেলায় ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেননি।

অন্যান্য[সম্পাদনা]

এ পরিভাষাটি রাগবি খেলায়ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।[১৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Huw Richards (৬ জুন ২০০৭)। "Cricket: Sidebottom lifts family curse"New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৩ 
  2. Martin Bowerman (১৪ ডিসেম্বর ২০০৬)। "No shame in one-Test wonder"The Daily Telegraph (Australia)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৩ 
  3. "Is WA's Chris Rogers a one-Test wonder"The Sunday Times (Western Australia)। ১৮ জানুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. The 377 One-Test wonders in September 2006 exclude Alan Jones, who played one "Test" for England against a Rest of the World XI in 1970 which was later stripped of Test status, and never played for England again - The uncapped One-Test wonder, Cricinfo, September 9, 2006.
  5. [১]
  6. [২]
  7. [৩]
  8. Cricinfo - Players and Officials - Stuart Law
  9. [৪]
  10. [৫]
  11. Best performances by One-Test wonders, Stump Bearders No 33, BBC Sport, 20 August 2002.
  12. Cricinfo - Players and Officials - Rajindernath
  13. Cricinfo - Glowing in the cold
  14. Cricinfo - Sidebottom ready for long-awaited second chance
  15. One-match wonders, and Shah's second chance, Cricinfo, May 16, 2007
  16. [৬]
  17. [৭]
  18. Darren Walton (৬ নভেম্বর ২০০৮)। "Turner no longer a one-Test wonder"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৩ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]