রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, হায়দ্রাবাদ

স্থানাঙ্ক: ১৭°২৪′২৩.৪″ উত্তর ৭৮°৩৩′০১.৬″ পূর্ব / ১৭.৪০৬৫০০° উত্তর ৭৮.৫৫০৪৪৪° পূর্ব / 17.406500; 78.550444
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম
RGIS HYD.jpg
রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামের দৃশ্য
স্টেডিয়ামের তথ্যাবলী
অবস্থানহায়দ্রাবাদ, তেলেঙ্গানা, ভারত
প্রতিষ্ঠাকাল২০০৩
ধারন ক্ষমতা৫৫,০০০
স্বত্ত্বাধিকারীহায়দ্রাবাদ ক্রিকেট সংস্থা
স্থপতিশশী প্রভু[১]
পরিচালনায়হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট সংস্থা
অন্যান্যভারত ক্রিকেট দল
হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট দল
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ
প্রান্ত
শিবলাল যাদব প্রান্ত
ভিভিএস লক্ষ্মণ প্রান্ত
আন্তর্জাতিক তথ্যাবলী
প্রথম টেস্ট১২ নভেম্বর ২০১০: ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭: ভারত বনাম বাংলাদেশ
প্রথম ওডিআই১৬ নভেম্বর ২০০৯: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ ওডিআই৯ নভেম্বর ২০১৪: ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা
২২ মার্চ ২০১৬ অনুযায়ী
উৎস: ইসপিএন ক্রিকইনফো

রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম (তেলুগু: రాజీవ్ గాంధీ అంతర్జాతీయ క్రికెట్ మైదానం, উর্দু: راجیو گاندھی انٹرنیشنل کرکٹ اسٹیڈیم‎‎) হচ্ছে হায়দ্রাবাদ, তেলেঙ্গানা, ভারতে অবস্থিত একটি আন্তজার্তিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং এটি হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট সংস্থার হোম গ্রাউন্ড। এটি উপ্পাল নামক স্থানে অবস্থিত। ধারণক্ষমতার বিচারে এটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সক্রিয় ক্রিকেট মাঠ। এ স্টেডিয়ামের আয়তন ১৬ একর (৬৫,০০০ মি)। ভিভিএস লক্ষ্মণ এর অবসরের পরে, হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট সংস্থা তাদের রাজ্যের গর্বিত এই ক্রিকেটারকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে মাঠের উত্তর-শেষ প্রান্ত তার নামানুসারে নামাঙ্কিত করেছে।

পরিকাঠামো[সম্পাদনা]

  • লাল বাহাদুর শাস্ত্রী স্টেডিয়াম এর আধুনিক বিকল্প হিসেবে আরো বেশি আসন বিশিষ্ট এই স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হয়।
  • এটি ৫৫,০০০ দর্শক ধারনক্ষমতা সম্পূর্ণসহ সর্বোচ্চ ৬৫,০০০ দর্শক এতে খেলা উপভোগ করতে পারে। এ স্টেডিয়ামের আয়তন ১৬ একর (৬৫,০০০ মি২)। ভিভিএস লক্ষ্মণের অবসরের পরে, হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট সংস্থা তাদের রাজ্যের গর্বিত এই ক্রিকেটারকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে মাঠের উত্তর-শেষ প্রান্ত তার নামানুসারে নামাঙ্কিত করেছে।
  • দিবা-রাত্রির ম্যাচে আলোর জন্য ৬টি টাওয়ারে ফ্লাড লাইটের ব্যবস্থা রয়েছে ৷

টেস্ট[সম্পাদনা]

ভারতের নবীনতম টেস্ট স্টেডিয়ামগুলোর একটি এটি। এখনো অব্দি ৪ টি টেস্ট ম্যাচ হয়েছে। সেগুলি যথাক্রমে প্রথম ২টি নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

এক দিবসীয়[সম্পাদনা]

এখনো অব্দি ৫ টি ম্যাচ হয়েছে। ভারত তার ৩টি ম্যাচ এ হেরেছে। এখনো অব্দি ২টি অএশীয় দেশ ভারতের বিরুদ্ধে এই মাঠে জয় পেয়েছে।

দেশ প্রথম জয়(সেরা খেলোয়াড়) সর্বশেষ জয়(সেরা খেলোয়াড়)
অস্ট্রেলিয়া ২০০৭ (অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস) ২০০৯ (-)
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৫ (-) এখনো অব্দি একমাত্র জয়

২০০৫ দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত সফর[সম্পাদনা]

২০০৭ অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর[সম্পাদনা]

এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথু হেইডেন, মাইকেল ক্লার্কঅ্যান্ড্রু সাইমন্ডস-এর সৌজন্যে ২৯০ রান তোলে। জবাবে ব্রেট লি-র দুরন্ত বোলিংয়ে ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে যায় ভারত। যুবরাজ সিং একক ভাবে ভালো খেললেও লি ও ব্র্যাড হগ-এর বোলিংয়ে ২৪৩ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।

২০০৯ অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর[সম্পাদনা]

এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া। শেন ওয়াটসন, শন মার্শক্যামেরন হোয়াইট-এর সৌজন্যে ৩৫০ রান তোলে। শচীন তেন্ডুলকর শুরু থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যোগ্য সংগদ পাননি। ১৭৫ রান করে নিজের কেরিয়ারের ৩য় সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন। ক্লিন্ট ম্যাককেশেন ওয়াটসন-এর বোলিংয়ে পর পর উইকেট হারাতে থাকে ভারত। ১৮ বলে ১৯ রান বাকি থাকতে সচিন আউট হয়ে যান। কিছু পর নবাগত রবীন্দ্র জাদেজা রান আউট হয়ে যায় ও ভারত ৩ রানে ম্যাচটি হারে।

২০১১ ইংল্যান্ডের ভারত সফর[সম্পাদনা]

২০১৪ শ্রীলংকার ভারত সফর[সম্পাদনা]

টি ২০[সম্পাদনা]

২০১৭ র অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এই মাঠে প্রথম একটি টি ২০ আয়োজনের সূচি থাকলেও তা বৃষ্টির জন্য বাতিল হয়ে যায়।

চিত্র[সম্পাদনা]

রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এর প্যানারমিক চিত্র

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "spa-aec.com"। ২৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]