ম্যাক ওএস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ম্যাকওএস থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ম্যাকওএস
MacOS wordmark (2017).svg
ডেভলপারঅ্যাপল ইনকর্পোরেটেড
প্রোগ্রামিং ভাষা
ওএস পরিবারইউনিক্স, ম্যাকিন্টশ
কাজের অবস্থাসক্রিয়
সোর্স মডেলক্লোজড সোর্স (কিছু উন্মুক্ত-উৎসের উপাদানসহ)
প্রাথমিক মুক্তি২৪ মার্চ ২০০১; ১৯ বছর আগে (2001-03-24)
মার্কেটিং লক্ষ্যব্যক্তিগত কম্পিউটিং
ভাষাসমূহ[সর্বশেষ ক্যাটালিনাতে]: আরবি, কাতালান, ক্রোয়েশিয়ান, চীনা (হংকং), চীনা (সরলীকৃত), চাইনিজ (প্রচলিত), চেক, ডেনিশ, ডাচ, ইংরেজি (অস্ট্রেলিয়া), ইংরেজি (যুক্তরাজ্য), ইংরেজি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), ফিনিশ, ফ্রেঞ্চ (কানাডা) ), ফরাসি (ফ্রান্স), জার্মান, গ্রীক, হিব্রু, হিন্দি, হাঙ্গেরীয়, ইন্দোনেশিয়ান, ইতালিয়ান, জাপানি, কোরিয়ান, মালয়, নরওয়েজিয়ান, পোলিশ, পর্তুগিজ (অ্যাঙ্গোলা), পর্তুগিজ (ব্রাজিল), পর্তুগিজ (পর্তুগাল), রোমানিয়ান, রাশিয়ান, স্লোভাক, স্পেনীয় (লাতিন আমেরিকা), স্পেনীয় (স্পেন), সুইডিশ, থাই, তুর্কি, ইউক্রেনীয়, ভিয়েতনামী
হালনাগাদের পদ্ধতি
  • সিস্টেম প্রেফারেন্স (১০.১৪+)
  • ম্যাক অ্যাপ স্টোর (১০.৮–১০.১৩)
  • সফটওয়্যার হালনাগাদ (১০.০–১০.৭)
প্ল্যাটফর্ম
  • এআরএম (ম্যাকওএস বিগ স্যাড় ১১.০-বর্তমান)
  • এক্স৮৬-৬৪ (১০.৪.৭–বর্তমান)
  • আইএ-৩২ (১০.৪.৪–১০.৬.৮; রহিত)
  • পাওয়ারপিসি (১০.০–১০.৫.৮; রহিত)
কার্নেলের ধরনশংকর (এক্সএনইউ)
ব্যবহারকারী ইন্টারফেসঅ্যাকুয়া (গ্রাফিক্যাল)
লাইসেন্সবাণিজ্যিক সফটওয়্যার, মালিকানাধীন সফটওয়্যার
পূর্বসূরীপুরোনো ম্যাক ওএস, নেক্সটস্টেপ
ওয়েবসাইটwww.apple.com/macos
সহায়তার অবস্থা
সমর্থিত

ম্যাক ওএস (ইংরেজি: macOS; পূর্বে ম্যাক ওএস এক্স এবং পরবর্তীতে ওএস এক্স) অ্যাপল নির্মিত গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের একটি ধারা। এটি ম্যাক কম্পিউটার পরিবারের প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম। ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, এবং হোম কম্পিউটার বাজারে ব্যবহারের পরিমাণের দিক থেকে মাইক্রোসফট উইন্ডোজের পরেই এর অবস্থান।

ম্যাক ওএস ম্যাকিন্টশ অপারেটিং সিস্টেমের দ্বিতীয় প্রধান সিরিজ। প্রথম সিরিজটি "ক্লাসিক" ম্যাক ওএস নামে পরিচিত, ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত এ সিরিজের শেষ সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে। প্রথম ডেস্কটপ সংস্করণ, ম্যাক ওএস এক্স ১০.০, প্রকাশিত হয় মার্চ ২০০১ সালে। এরপর থেকে ওএস এক্স ১০.৮ মাউন্টেন লায়ন পর্যন্ত নামে অ্যাপল তাদের সংস্করণগুলোর নাম বড় প্রজাতির বিড়ালের নামে রাখতে থাকে। ওএস এক্স ১০.৯ মাভারিক্স থেকে, ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন স্থানের নামে নামগুলো রাখা হয়। [৩] ২০১২ সালে অ্যাপল সংক্ষিপ্ত করে নাম করে ওএস এক্স, ২০১৬ সালে আবার সে নাম পরিবর্তন করে রাখে ম্যাক ওএস, যেমনটা তাদের অন্য অপারেটিং সিস্টেমগুলোর নাম রাখা হয়: আইওএস, টিভিওএস, ওয়াচওএস। সর্বশেষ ম্যাক ওএস সংস্করণ ম্যাক ওএস কাটালিনা, অক্টোবর ২০১৯ সালে মুক্তি পায়।

ম্যাকওএস ১১ (২০২০) থেকে পরবর্তী সংস্করণগুলো ৬৪-বিট ইনটেল এবং ৬৪-বিট এআরএম প্রসেসর উভয়কেই সমর্থন করে যাবে, যেখানে এআরএম ইতোমধ্যেই আইওএস, ওয়াচওএস, এবং টিভিওএস চালিত যন্ত্রসমূহে ব্যবহৃত হচ্ছে। [৪]

স্থাপত্য[সম্পাদনা]

সফটওয়্যার সমর্থন[সম্পাদনা]

ম্যাকওএস সংস্করণের তালিকা এবং তাদের সফটওয়্যার
অপারেটিং সিস্টেম সাফারি মেইল কুইকটাইম আইটিউন্স ম্যাসেজেস/আইচ্যাট আইওয়ার্ক
১১.০ "বিগ স্যর" ১৪.০ ১৩.০ ১০.৫ প্রযোজ্য নয় ১৪.০ ২০২০
১০.১৫ "ক্যাটালিনা" ১৩.১.১ ১৩.০ প্রযোজ্য নয় ১৩.০
১০.১৪ "মোহাভে" ১২.০ ১২.৯.৫ ১২.০
১০.১৩ "হাই সিয়েরা" ১১.০ ১০.৪ ১২.৮.২ ১১.০ ২০১৯
১০.১২ "সিয়েরা" ১২.১.২ ১০.০ ২০১৮
১০.১১ "এল ক্যাপিটান" ১১.১.২ ৯.৩ ৯.২ ২০১৪
১০.১০ "ইজোমাইট" ১০.১.২ ৮.০
১০.৯ "মাভারিক্স" ৯.১.৩ ৭.৩ ১০.৩ ১২.৬.২ ২০১৩
১০.৮ "মাউন্টেন লায়ন" ৬.২.৮ ? ১০.২ ১২.৪.৩[৫] '০৯
১০.৭ "লায়ন" ৬.১.৬ ১০.১ ১২.২.২[৬] ৮.০বি অথবা ৬.০.১
১০.৬ "স্নো লেপার্ড" ৫.১.১০[৭] ৪.৫[৮] ১১.৪[৯] ৫.০
১০.৫ "লেপার্ড" ৫.০.৬ ৩.৬ ৭.৭ ১০.৬.৩[১০] ৪.০
১০.৪ "টাইগার" ৪.১.৩ ২.১.৩ ৭.৬.৪ ৯.২.১[১১] ৩.০
১০.৩ "প্যান্থার" ১.৩.২ ১.x ৭.৫ ৭.৭.১[১২] ২.১[১৩] '০৫
‌১০.২ "জাগুয়ার" ১.০.৩ ৬.৫.৩ ৬.০.৫ ২.০ কি-নোট
১০.১ "পুমা" প্রযোজ্য নয় ৬.৩.১ ৪.৭.১ প্রযোজ্য নয় প্রযোজ্য নয়
১০.০ "চিতা" ৫.০ ২.০.৪

অ্যাপল ম্যাকওএসের জন্য নেটিভ অ্যাপলিকেশন নির্মানের জন্য ডেভেলপারদের দুটো আলাদা এপিআই প্রদান করে: কোকোয়া ও কার্বন। কোকোয়া ওপেনস্টেপের এপিআই থেকে ইনহেরিটকৃত এপিআইসমূহের উত্তরসূরি, যার সাথে পুরোনো ম্যাকওএসের কোন সম্পর্ক নেই, যেখানে কার্বন পুরোনো ম্যাক ওএস এপিআইয়ের অ্যাডাপশান। এ অ্যাডাপশন উন্নয়নকারীদের খুব বেশী পরিবর্তন ছাড়াই তাদের আগের সফটওয়্যার নতুন ম্যাকওএসে চালানোর সুবিধা দেয়।

১৯৯৩ সালে নেক্সট কম্পিউটার এবং সান মাইক্রোসিস্টেমসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্মিত হয়। আর এ ঐতিহ্যের প্রমাণস্বরূপ ফ্রেমওয়ার্কের সব জায়গায় 'এনএস' প্রিফিক্সের দেখা মিলে। সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ সালে প্রকাশ হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক ওপেনস্টেপ এপিআই ছিলো ফাউন্ডেশন ও অ্যাপলিকেশনকিটকে আলাদা করা এবং 'এনএস' প্রিফিক্স ব্যবহার করা প্রথম সংস্করণ। [১৪] আগে বেশীরভাগ কোকোয়া প্রোগ্রামই লেখা হতো অবজেক্টিভ সি বা বিকল্প হিশেবে জাভাতে। কিন্তু ১১ জুলাই ২০০৫-এ অ্যাপল ঘোষণা দিলো যে "ম্যাক ওএস এক্স ১০.৪-এর পরের সংস্করণ থেকে কোকোয়াতে যুক্ত সুবিধাসমূহ কোকোয়া-জাভা প্রোগ্রামিং ইন্টারফেসে আর যুক্ত হবে না।"[১৫] ম্যাকওএসও জাভা প্ল্যাটফর্মকে "প্রেফার্ড সফটওয়্যার প্যাকেজ" হিশেবে সমর্থন করতো, যেটা এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নির্মিত সফটওয়্যারকে ক্রস-প্ল্যাটফর্ম হওয়ার সাথে সাথে নেটিভ কোকোয়া ইন্টারফেসের মত অনুভূতি দিতো এর সুইং লুক। ২০১৪ সাল থেকে অ্যাপল সফটওয়্যার নির্মানের জন্য প্রেফার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ হিশেবে তাদের নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা সুইফটের প্রচারণা শুরু করলো।

অ্যাপলের মূল পরিকল্পনা ছিলো সব ডেভেলপারদের তাদের সফটওয়্যার কোকোয়া এপিআইতে লিখতে বাধ্য করা। এ পরিকল্পনা ডেভেলপারদের মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করে এবং তারা পুনলিখনের বদলে এ প্ল্যাটফর্মকেই বাদ দেয়ার কথা বলে, আর অ্যাপল তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। [১৬] ম্যাকওএস ৯ থেকে ম্যাকওএস ১০ বা এক্সে মসৃন স্থানান্তর নিশ্চিত করতেই কার্বন এপিআই তৈরী করেছিলো। কার্বনে লেখা সফটওয়্যার প্রথমে পুরোনো ম্যাক ওএস এবং নতুন ম্যাক ওএস এক্স দুটোতেই নেটিভভাবে চলছিলো, তবে যতই ম্যাক ওএস এক্স উন্নত হচ্ছিলো, এটি ক্রমশ কঠিন হতে হতে অসম্ভবে পরিণত হলো। [১৭] অ্যাপল লেপার্ড থেকে শুরু করে কার্বনের উন্নয়ন আরও সঙ্কুচিত করে ফেলে, এবং ঘোষণা দেয় যে ৬৪-বিটে কার্বন অ্যাপলিকেশন চলবে না। [১৬] কয়েকটি ম্যাকওএস অ্যাপলিকেশন এরপরও কার্বন ব্যবহার করা চালিয়ে গেলো, যাদের বেশীরভাগই ছিলো পুরোনো ম্যাকওএসের অ্যাপলিকেশন, যাদের জন্য এ হালনাগাদ ছিলো ব্যয়বহুল, অপ্রয়োজনীয় ও কষ্টসাধ্য, যার মধ্যে অফিস ২০১৬ সংস্করণ পর্যন্ত মাইক্রোসফট অফিস এবং সিএস৫ পর্যন্ত ফটোশপও ছিলো। [১৮][১৬]

ম্যাকওএস যেহেতু একটি পোসিক্স কম্প্লায়েন্ট সিস্টেম, অন্যান্য ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেমের জন্য উন্নয়ন করা প্যাকেজসমূহ পুনরায় কম্পাইল করে এখানে চালানো সম্ভব, যেখানে লিনাক্স প্যাকেজ এবং অনেক বৈজ্ঞানিক সফটওয়্যারও রয়েছে। হোমব্রিউ, ফিংক, ম্যাকপোর্টস, pkgsrc-এর মত কিছু তৃতীয় পক্ষের প্রকল্প এরকম পূর্ব থেকে কম্পাইল করা কিছু প্যাকেজ সরবরাহ করে। অ্যাপল এবং অন্যান্যরা এক্স উইন্ডো সিস্টেম গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের এমন কিছু সংস্করণ সরবরাহ করেছে, যাতে এ অ্যাপলিকেশনগুলো প্রায় ম্যাকের সফটওয়্যারের মত লুক এন্ড ফিলসহ ম্যাকওএসে চলতে পারবে। [১৯][২০][২১] বর্তমানে অ্যাপল এর জন্য এক্সকোয়ার্টজ প্রকল্প ও পূর্বে এক্স১১.এপ প্রকল্পপরিগ্রহণ করেছিলো। [২২]

যেকোন উৎস এবং যেকোন পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সফটওয়্যার ইন্সটল করতে পারে, যার মধ্যে অনলাইন থেকে ডাউনলোড বা ম্যাক অ্যাপ স্টোর ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে। অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করা অ্যাপলিকেশন আলাদা স্যান্ডবক্সে চলে, যেখানে এ অ্যাপলিকেশনগুলো তাদের কোর অপারেটিং সিস্টেম ও এর সুবিধাসমূহে কোন পরিবর্তন করতে পারে না। যেটা ব্যবহারকারীদের এ বিশ্বাসটুকু দেয় যে, তাদের ইন্সটল করা কোন প্যাকেজ তাদের অপারেটিং সিস্টেম ব্রেক করবে না। কিন্তু এর সাথে অসুবিধা হয়ে আসে স্টোরে এ স্যান্ডবক্সের কারণে প্রফেশনাল অ্যাপলিকেশনের অভাব। [২৩][২৪] কোড সাইনিংবিহীন অ্যাপলিকেশনসমূহ ব্যবহারকারী অ্যাডমিনেস্ট্রেটর অ্যাকাউন্ট ছাড়া ইন্সটল করতে পারবে না। [২৫][২৬]

অ্যাপল ম্যাকওএস অ্যাপলিকেশন নির্মান করে, যার কিছু বিনামূল্যের আর কিছু আলাদা করে বিক্রি হয়। এর মধ্যে আছে আইওয়ার্ক, ফাইনাল কাট প্রো, লজিক প্রো, আইলাইফ এবং ডাটাবেস অ্যাপলিকেশন ফাইলমেকার। অ্যাপল ছাড়াও আরও অনেক কোম্পানি ও স্বাধীন উন্নয়নকারীরা ম্যাকের জন্য অ্যাপলিকেশন নির্মান ও উন্নয়ন করে।

২০১৮ সালে আইওএস অ্যাপলিকেশন ম্যাকে পোর্টের জন্য অ্যাপল মারজিপান নামে নতুন একটি অ্যাপলিকেশন লেয়ারের সূচনা করে। [২৭][২৮] ম্যাকওএস মোহাভে এমন চারটি তাদের নিজস্ব অ্যাপলিকেশনের পোর্ট সহ আসে, যার মধ্যে আছে হোম, ও নিউজ, একইসাথে জানানো হয় যে ২০১৯ সাল থেকে তৃতীয় পক্ষের সফটওয়্যার নির্মাতাদের জন্যও এ এপিআই উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। [২৯][৩০][৩১]

সমর্থিত হার্ডওয়্যার[সম্পাদনা]

ম্যাকওএস সংস্করণসমূহের তালিকা, সমর্থিত সিস্টেমসমূহ ও ন্যূনতম র্যাম
অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত সিস্টেমসমূহ[৩২] ন্যূনতম র্যাম
১১.০
  • ম্যাকবুক (২০১৫ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক এয়ার (২০১৩ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক প্রো (২০১৩ অথবা নতুন)
  • ম্যাক মিনি (২০১৪ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক (২০১৪ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক প্রো (২০১৭)
  • ম্যাক প্রো (২০১৩ অথবা নতুন)
৪ জিবি
১০.১৫
  • ম্যাকবুক (শুরু ২০১৫ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক এয়ার (মধ্য ২০১২ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক প্রো (মধ্য ২০১২ অথবা নতুন)
  • ম্যাক মিনি (শেষ ২০১২ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক (শেষ ২০১২ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক প্রো (২০১৭)
  • ম্যাক প্রো (শেষ ২০১৩ অথবা নতুন)
১০.১৪
  • ম্যাকবুক (২০১৫ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক এয়ার (মধ্য ২০১২ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক প্রো (মধ্য ২০১২ অথবা নতুন)
  • ম্যাক মিনি (শেষ ২০১২ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক (শেষ ২০১২ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক প্রো (২০১৭)
  • ম্যাক প্রো (শেষ ২০১৩; মধ্য ২০১০ and মধ্য ২০১২ মডেলসমূহ
    মেটাল সমর্থিত গ্রাফিক্স কার্ড সহকারে[৩৩])
২ জিবি
১০.১২ – ১০.১৩
  • ম্যাকবুক (শেষ ২০০৯ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক প্রো (মধ্য ২০১০ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক এয়ার (শেষ ২০১০ অথবা নতুন)
  • ম্যাক মিনি (মধ্য ২০১০ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক (শেষ ২০০৯ অথবা নতুন)
  • ম্যাক প্রো (মধ্য ২০১০ অথবা নতুন)
১০.৮ – ১০.১১
  • ম্যাকবুক (শুরু ২০১৫) (শুধুমাত্র ১০.১০ ও ১০.১০)
  • ম্যাকবুক (শেষ ২০০৮ অ্যালুমুনিয়াম, অথবা শুরু ২০০৯ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক প্রো (মধ্য/শেষ ২০০৭ অথবা নতুন)
  • ম্যাকবুক এয়ার (শেষ ২০০৮ অথবা নতুন)
  • ম্যাক মিনি (শুরু ২০০৯ অথবা নতুন)
  • আইম্যাক (মধ্য ২০০৭ অথবা নতুন)
  • ম্যাক প্রো (শুরু ২০০৮ অথবা নতুন)
  • এক্সসার্ভ (শুরু ২০০৯)
১০.৭ ইনটেল ম্যাক (৬৪-বিট)[৩৪]
১০.৭ থেকে রোজেটা সমর্থন রহিত করা হয়।
১০.৬ ইনটেল ম্যাক (৩২-বিট অথবা ৬৪-বিট)[৩৪] ১ জিবি
১০.৫ জি৪, জি৫ ও ইনটেল ম্যাক (৩২-বিট অথবা ৬৪-বিট) ৮৬৭ মেগাহার্টজ অথবা দ্রুততর
৫১২ এমবি
১০.৪ বিল্ট-ইন ফায়ারওয়্যার ও নিউ ওয়ার্ল্ড রম বা ইনটেল প্রসেসর সহিত ম্যাক ২৫৬ এমবি
১০.৩ নিউ ওয়ার্ল্ড রম সহিত ম্যাক[৩৫] ১২৮ এমবি
১০.০ – ১০.২ জি৩, জি৪ এবং জি৫ আইবুক ও পাওয়ারবুক, পাওয়ার ম্যাক এবং আইম্যাক
(পাওয়ারবুক জি৩(ক্যাঙ্গা) ব্যতীত)

পাওয়ারপিসি থেকে ইনটেল[সম্পাদনা]

২০০২ সালের এপ্রিলে, ইউইক একটা গুঞ্জনের সূচনা করে যে ম্যাক ওএস এক্স মার্কলার কোডনামে নতুন একটা সংস্করণ আনতে যাচ্ছে, যেটা ইনটেল এক্স৮৬ প্রসেসরে চলবে। এর পেছনে ধারণাটি ছিলো যে পাওয়ারপিসি অগ্রগতি নিয়ে অ্যাপলের অসন্তোষই বিকল্প একটা প্ল্যাটফর্মে তারা ম্যাক ওএস এক্স চালাবে। [৩৬]

ইনটেল থেকে এআরএম[সম্পাদনা]

২০১৪ সাল থেকেই অ্যাপল এআরএমভিত্তিক ম্যাক বাজারে আনবে, এমন কথা ছড়াতে লাগলো। [৩৭] ২০২০ সালে একের পর এক প্রতিবেদনে যখন এ কোম্পানির নিজস্ব মালিকানাধীন প্রসেসরে স্থানান্তরের ঘোষণার সম্ভাবনার কথা আসতে থাকলো, এ গুঞ্জন ক্রমশই বড় হতে লাগলো।[৩৮] [৩৯]

অবশেষে ২২ জুন ২০২০ সালের ডব্লিউডব্লিউডিসি ২০২০-এ অ্যাপল প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিলো যে এখন থেকে তারা নিজস্ব ডিজাইনকৃত অ্যাপল সিলিকন প্রসেসর ব্যবহার করবে, এবং দুইবছরের মধ্যে তারা তাদের এ স্থানান্তর প্রক্রিয়া শেষ করবে। [৪০] এবং ম্যাকওএস বিগ স্যরই হবে এআরএমসমর্থিত প্রথম ম্যাকওএস সংস্করণ।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

অ্যাকুয়া ব্যবহারকারী ইন্টারফেস[সম্পাদনা]

পুরোনো ম্যাকওএসের সাথে নতুন ম্যাক ওএস এক্সের মূল তফাতের জায়গা ছিলো নতুন ম্যাক ওএস এক্সের প্রথম সংস্করণের সাথে আসা জলের আদলে তৈরী অ্যাকুয়া গ্রাফিক্যাল ব্যবহারকারী ইন্টারফেস। প্রত্যাকটি উইন্ডো এলিমেন্ট, লেখা, গ্রাফিক অথবা উইজেট স্থানিক অ্যান্টি-আলিয়াজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্ক্রিনে আঁকা হয়। [৪১] মূল ড্রয়িং ইঞ্জিনে অনেক বছর পুরোনো একটা প্রযুক্তি কালারসিঙ্ক সংযুক্ত করা হয়, যেটা প্রফেশনালদের জন্য ছাপানো ও মাল্টিমিডিয়াতে সাদৃশ্য রঙ প্রদান করে। [৪২] সাথে সাথে বিভিন্ন বস্তুর গভীরতা সম্পর্কে ধারণা দিতে ছায়াও যুক্ত করা হয়। প্রথম আইম্যাকের অনুকরণে মৃদু কিনারা, পরিচ্ছন্ন রঙ ও পিনস্ট্রিপ পূর্বের প্লাটিনাম ইন্টারফেসের উপর নতুন টেক্সটার ও কালার যুক্ত করেছে। সিরাকুজার মতে, নতুন এ অ্যাকুয়া ইন্টারফেস একগাদা ইটের মত এসে আঘাত করেছে। [৪৩]

মূল অ্যাপল হিউম্যান ইন্টারফেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ব্রুস টোগনাজিনির মতে ম্যাক ওএস এক্স ১০.০-এর নতুন এ অ্যাকুয়া ইন্টারফেস ব্যবহারযোগ্যতা বিবেচনায় আগের ম্যাকওএস ইন্টারফেসের তুলনায় অ্যাপলের এগুনো নয়, বরং যেন পিছুহাঁটা। [৪৪][৪৫] তৃতীয় পক্ষের ডেভেলপাররা অ্যাপলের নতুন এ স্কিন তাদের কাস্টমাইজযোগ্য অ্যাপলিকেশন ও অপারেটিং সিস্টেমের অনুসরন করা শুরু করলো। অ্যাপল এসব ইন্টারফেস তাদের স্বত্বাধিকার ডিজাইন থেকে অনুপ্রাণিত বলে এদের অনেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেয়। [৪৬]

অ্যাপল ম্যাকওএসের ধরণ ও চেহারা সময় সময় পালটাতে লাগলো, বিশেষ করে উইন্ডো আর মেনুবারের। ২০১২ থেকে অ্যাপল উচ্চ রেজ্যুলেশনের কিছু রেটিনা ডিসপ্লের ম্যাক মডেল বিক্রি করা শুরু করলো, আর এ সময় ম্যাকওএস ও এর এপিআই রেজ্যুলেশন স্বকীয় উন্নয়নের জন্য বেশ প্রশংসিত হয় এবং অনেক পর্যালোচকদের মত অ্যাপলের এ সমর্থন এর প্রতিযোগী উইন্ডোজ থেকে অনেক উন্নত। [৪৭][৪৮][৪৯]

ম্যাকওএসের জন্য অ্যাপলের প্রকাশ করা এ হিউমেন ইন্টারফেস গাইডলাইন অনেকগুলো অ্যাপলিকেশন অনুসরণ করে, যার ফলে সবগুলো অ্যাপলিকেশনেরই একটা সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ও কীবোর্ড শর্টকাটের দেখা মিলে। [৫০] সাথে সাথে অ্যাপলিকেশনসমূহের জন্য নতুন পরিষেবাসমূহ যুক্ত করা হয়, যেমন বানান ও ব্যকরণ পরীক্ষক, বিশেষ চিহ্নের প্যালেট, রঙ নির্বাচক, লীপি নির্বাচক ও অভিধান; আর এ বৈশ্বিক সুবিধাসমূহ সবগুলো কোকোয়া অ্যাপলিকেশনেই রয়েছে, যেটা ব্যবহারকারীকে একটা সামঞ্জস্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা দেয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "What Is the I/O Kit?"IOKit Fundamentalsঅ্যাপল অনেকগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা নিয়ে ভালো, শেষ পর্যন্ত সি++ এর একটি সাবসেটকে বাছাই করলো। 
  2. "What's New in Swift"অ্যাপল ডেভেলপার (ভিডিও)। ১৪ জুন ২০১৬। ৪ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০২০ 
  3. হা, অ্যান্থনি (১০ জুন ২০১৩)। "ক্যালিফোর্নিয়ার জায়গার নামে ম্যাক ওএসের ভার্শনের নাম"। টেকক্রাঞ্চ। ১০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৮ 
  4. "অনলাইনে ডাব্লিউডাব্লিউডিসি"কালের কণ্ঠ। ২৮ জুন ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  5. "আইটিউন্স - আইটিউন্স ডাউনলোড করুন"অ্যাপল। ১ জুন ২০১৬। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  6. "আইটিউন্স - আইটিউন্স ডাউনলোড করুন"অ্যাপল। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  7. "স্নো লেপার্ডের জন্য সাফারি ৫.১.১০"অ্যাপল (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  8. "ম্যাক ওএস এক্স সংস্করণ ১০.৬: ২০১২-০৪ নিরাপত্তা হালনাগাদের পর নতুন অ্যালার্ট "আপনি মেইলের এ সংস্করণটি ব্যবহার করতে পারবেননা…""অ্যাপল। ২৩ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  9. "ওএস এক্স ১০.৬-এর জন্য আইটিউন্স ১১.৪"অ্যাপল (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  10. "iTunes ১০.৬.৩"অ্যাপল (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুন ২০১২। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  11. "আইটিউন্স ৯.২.১"অ্যাপল (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ জুলাই ২০১০। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  12. "প্যান্থারের জন্য আইটিউন্স ৭.৭.১"প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাপল সাপোর্ট কম্যুনিটিসমূহ। ২৫ আগস্ট ২০১০। ১৭ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০১৭ 
  13. "আইচ্যাট এভি ২.১"অ্যাপল। ২৩ মার্চ ২০০৪। ২৯ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  14. "Cocoa Fundamentals Guide: A Bit of History"এডিসি রেফারেন্স লাইব্রেরি। অ্যাপল ডেভেলপার কানেকশন। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  15. "Introduction to Cocoa-Java Integration Guide"এডিসি রেফারেন্স লাইব্রেরি। অ্যাপল ডেভেলপারদের কানেকশন। ৩১ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  16. ন্যাক, জন। "Photoshop, Lightroom, and Adobe's 64-bit roadmap"। অ্যাডোবি সিস্টেমস। ১৪ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  17. "Looking back at OS X's origins"Macworld (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৭ 
  18. হাল, জেক। "Back to the Mac: Microsoft releases redesigned Office for Mac 2016 Preview w/ Retina support, collaboration, more"9to5 Mac। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  19. "X11 for Mac OS X 1.0"। অ্যাপল। ২৮ অক্টোবর ২০০৩। ডিসেম্বর ২৪, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  20. Ben Byer (২৭ অক্টোবর ২০০৭)। "Re: X11 in Leopard: xterm on start-up"Apple's x11-users mailing list। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০০৮ 
  21. মাইকেল লারাবেল (মে ২৮, ২০১১)। "X.Org Server 1.10.2 Brings A Bunch Of Bug-Fixes"। phoronix। জুন ৩, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  22. স্লিভকা, এরিক (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। "অ্যাপল Removes X11 in OS X Mountain Lion, Shifts Support to Open Source XQuartz"MacRumors। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  23. কাউন্সেল, ড্যান (নভেম্বর ১৬, ২০১৫)। "Not on the Mac App Store"। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  24. "Distributing Apps Outside the Mac App Store"অ্যাপল ডেভেলপারদের। অ্যাপল। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  25. কাজমুচ্যা, অ্যালিসন। "How to open apps from an unidentified developer in OS X Mountain Lion"IMore। ১৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  26. "About Gatekeeper"। অ্যাপল। ৪ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  27. গারমেন, মাসরক। "Apple Plans Combined iPhone, iPad & Mac Apps to Create One User Experience"Bloomberg। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  28. স্টাইনবার্গার, পিটার। "Marzipan: Porting iOS Apps to the Mac"। PSPDFKit। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  29. গার্টেনবার্গ, হাইম; বোন, ডিটার। "The future of the Mac comes from iOS apps"দি ভার্জ। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ 
  30. রিচি, রেনে। "Marzipan: What you need to know about iOS apps on the Mac"আইমোর। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২০ 
  31. মেয়ো, বেনজামিন। "মারজিপান"benjaminmayo.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ 
  32. ওয়েব্যাক মেশিনে MacOS - Mac Hardware Requirements (index তারিখে আর্কাইভ)
  33. ম্যাক প্রো (মধ্য ২০১০) ও ম্যাক প্রো (মধ্য ২০১২) এ ম্যাকওএস ১০.১৪ মোহাভে ইন্সটল করুন
  34. "System requirements for OS X Lion and Mac OS X v১০.৬" (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  35. "Mac OS X: System Requirements"অ্যাপল। ২৮ এপ্রিল ২০০৫। ৯ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২০ 
  36. রথেনবার্গ, ম্যাথিউ; ডিপ্লিউম, নিক (৩০ আগস্ট ২০০২)। "Apple Keeps x86 Torch Lit with 'Marklar'"। eWeek.com। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৩ 
  37. "Apple Testing ARM Based Mac Prototypes with Large Magic Trackpad?"ম্যাকরিউমারস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  38. "ইনটেল প্রসেসর বাদ দিতে পারে অ্যাপল"যুগান্তর। ২৪ জুন ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  39. "ARM Macs: Expected at WWDC 2020, What We Know"ম্যাকরিউমারস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  40. "Apple announces Mac transition to Apple silicon" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০ 
  41. "The Aqua Interface"অ্যাপল হিউম্যান ইন্টারফেস গাইডলাইনঅ্যাপল। ৯ জুন ২০০৮। ডিসেম্বর ৯, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০২০ 
  42. ডেভিডসন, জেমস ডানকান (২০০২)। Learning Cocoa With Objective-C। ও'রেলি। পৃষ্ঠা আইএসবিএন 0-596-00301-3 
  43. সিরাকুজা, জন (২৮ অক্টোবর ২০০৭)। "Mac OS X 10.5 Leopard: the Ars Technica review"আরস টেকনিকা। কন্ডো নাস্ট ডিজিটাল। ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২০ 
  44. টোগনাজিনির, ব্রুস (ফেব্রুয়ারি ২০০০)। "OS X: A First Look"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০০৮ 
  45. টমাস, ম্যাথু পল (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৪)। "My first 48 hours enduring Mac OS X"। ১৪ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২০ 
  46. "Apple lowers boom on Aqua 'skins'"জেডিনেট। সিবিএস ইন্টারেক্টিভ। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০১F। অক্টোবর ৩১, ২০০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২২, ২০০৬ 
  47. ক্যাসল, অ্যালেক্স। "How to make the Windows desktop look good on high-DPI displays"পিসি ওয়ার্ল্ড। ১১ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৫ 
  48. কানিংহাম, অ্যান্ড্রু। "Using the Retina MacBook as a Windows PC"আরস টেকনিকা। ৯ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২০ 
  49. হাচিন্সন, লি। "The Retina iMac and its 5K display… as a gaming machine? [Updated]"আরস টেকনিকা। ১০ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৫ 
  50. ও'মালি, কেভিন (২০০৩)। Programming Mac OS X: A Guide for Unix Developersসীমিত পরীক্ষা সাপেক্ষে বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার, সাধারণত সদস্যতা প্রয়োজন। মানিং। পৃষ্ঠা আইএসবিএন 1-930110-85-5 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]