আইফোন ৪এস
কালো রঙের আইফোন ৪এস | |
| ব্র্যান্ড | অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড |
|---|---|
| প্রস্তুতকারক | ফক্সকন এবং পেগাট্রন (চুক্তিবদ্ধ প্রস্তুতকারক) |
| স্লোগান | "The most amazing iPhone yet." |
| সিরিজ | আইফোন |
| সামঞ্জস্যপূর্ণ নেটওয়ার্ক | জিএসএম, সিডিএমএ |
| সর্বপ্রথম মুক্তি | ১৪ অক্টোবর ২০১১ |
| দেশভিত্তিক প্রাপ্যতা |
২৮ অক্টোবর ২০১১ ১১ নভেম্বর ২০১১ ২৫ নভেম্বর ২০১১ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ১৩ জানুয়ারি ২০১২
২৭ জানুয়ারি ২০১২ |
| বিরত | ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ (দেশভেদে পার্থক্য হতে পারে); ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ (ভারত) |
| ইউনিট বিক্রি | বিক্রির প্রথম তিন দিনে (১৪-১৭ অক্টোবর, ২০১১) ৪০লক্ষ, সর্বমোট ৬+ কোটি |
| পূর্বসূরী | আইফোন ৪ |
| উত্তরসূরী | আইফোন ৫ |
| সম্পর্কিত | আইফোন ৪ |
| ধরন | স্মার্টফোন |
| ফর্ম বিষয়াদি | টাচস্ক্রিন |
| মাত্রা | ১১৫.২ মিমি (৪.৫৪ ইঞ্চি) H ৫৮.৬ মিমি (২.৩১ ইঞ্চি) W ৯.৩ মিমি (০.৩৭ ইঞ্চি) D |
| ওজন | ১৪০ গ্রাম |
| অপারেটিং সিস্টেম | আসল:আইওএস ৫.০ বর্তমান:আইওএস ৯.৩.৫, ২৫ আগস্ট ২০১৬ মুক্তিপ্রাপ্ত |
| চিপে সিস্টেম | ডুয়েল কোর অ্যাপল এ৫ |
| সিপিইউ | ১.০ গিগাহার্টজ (৮০০মেগাহার্টজে আন্ডারক্লকড) ডুয়েল কোর ৩২বিট এআরএম কর্টেক্স এ৯ |
| জিপিইউ | পাওয়ার-ভিআর এসজিএক্স৫৪৩ এমপি২ |
| মেমোরি | ৫১২ এমবি ডিডিআর২ র্যাম |
| সংরক্ষণাগার | ৮, ১৬, ৩২, ৬৪ জিবি |
| ব্যাটারি | ৩.৭ ভোল্ট, ৫.৩ ওয়াট (১৪৬০ এমএএইচ) লিথিয়াম ব্যাটারি |
| তথ্য ইনপুট | মাল্টি-টাচ
টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে ডুয়েল মাইক্রোফোন ৩-এজিক্স জাইরোস্কোপ ৩-এজিক্স এক্সেলারোমিটার ডিজিটাল কম্পাস প্রক্সিমিটি সেন্সর এম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর |
| প্রদর্শন | ৬৪০×১১৩৬ পিক্সেল |
| পিছন ক্যামেরা | ৮ মেগাপিক্সেল;এইচডি ভিডিও(১০৮০পি) |
| সম্মুখ ক্যামেরা | ০.৩ মেগাপিক্সেল;ভিজিএ(৪৮০পি) |
| শব্দ | সিঙ্গেল লাউডস্পিকার |
| সংযোগ | সব মডেল
এইচএসপিএ+(৮৫০, ৯০০, ১৯০০, ২১০০ মেগাহার্টজ), জিএসমএ/এডজ(৮৫০, ৯০০, ১৮০০, ১৯০০ মেগাহার্টজ), ওয়াইফাই(৫ গিগাহার্টজ), ব্লুটুথ ৪.০, জিপিএস এবং গ্লোনাস জিএসএম মডেল(এ১৫৩৩)[সম্পাদনা]এলটিই (ব্যান্ডস:১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮, ১৩, ১৭, ১৯, ২০, ২৫:২১০০, ১৯০০, ১৮০০, ৮০০, ৭০০ মেগাহার্টজ) জিএসএম মডেল(এ১৫১৮)[সম্পাদনা]টিডিডি-এলটিই, টিডি-এসসিডিএমএ[১] জিএসএম মডেল(এ১৫২৮)[সম্পাদনা] |
| এসএআর | মাথা:১.১৮ কেজি শরীর:১.১৮ কেজি |
| ওয়েবসাইট | www |
আইফোন ৪এস একটি স্মার্টফোন যেটি নকশা ও বাজারজাত করেছে অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড। এটি আইফোনের ৫ম প্রজন্ম, এটির পূর্বসূরি আইফোন ৪ এবং এটির উত্তরসূরি আইফোন ৫। এটি ৪ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে “Let’s Talk iPhone” ইভেন্টে ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৪ অক্টোবর ২০১১ তারিখে বাজারে ছাড়া হয়।
আইফোন ৪এস-এর মধ্যে ডুয়াল-কোর A5 চিপ, উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম এবং iOS 5 অপারেটিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও, প্রথমবারের মতো এতে ভয়েস-সহায়ক Siri ফিচার যোগ করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ভয়েস কমান্ড দিয়ে ফোন পরিচালনার সুবিধা দেয়। ফোনটি গ্লাস এবং অ্যালুমিনিয়াম বডি ডিজাইন ব্যবহার করে এবং এটি GSM ও CDMA নেটওয়ার্কে সমর্থিত। এছাড়া, অ্যাপল প্রথমবারের মতো iCloud সার্ভিসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্য ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে।[২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]আইফোন ৪এস-এর উন্নয়ন শুরু হয় আইফোন ৪-এর পর, যেখানে বহিরাগত নকশা অপরিবর্তিত থাকলেও অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আনা হয়। এতে প্রথমবারের মতো ডুয়াল-কোর A5 চিপ ব্যবহার করা হয়, যা পূর্ববর্তী মডেলের তুলনায় দ্বিগুণ পর্যন্ত প্রসেসিং পারফরম্যান্স ও সাত গুণ পর্যন্ত দ্রুত গ্রাফিক্স সক্ষমতা প্রদান করে। ঘোষণা পূর্ববর্তী বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায় যে ডিভাইসটিতে উন্নত ক্যামেরা এবং ভয়েস সহায়ক প্রযুক্তি যুক্ত হতে পারে, যা সত্য প্রমাণিত হয়। ৪ অক্টোবর ২০১১-এর “Let’s Talk iPhone” ইভেন্টে এটি উন্মোচন করা হয় এবং ১৪ অক্টোবর ২০১১-এ বাজারে ছাড়া হয়।[৩]
উৎপত্তি
[সম্পাদনা]আইফোন ৪এস মূলত আইফোন ৪–এর উত্তরসূরি হিসেবে উন্নয়ন করা হয়েছিল। অ্যাপলের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিভ জবসের মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে, ২০১১ সালের ৪ অক্টোবর কুপারটিনোতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ডিভাইসটি ঘোষণা করা হয়। এটি ছিল প্রথম আইফোন যেটি আনুষ্ঠানিকভাবে টিম কুকের নেতৃত্বে উন্মোচিত হয়। “S” বর্ণটি এখানে “Siri” এবং “Speed”-এর প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, কারণ ডিভাইসটিতে ভয়েস-ভিত্তিক ব্যক্তিগত সহকারী সিরি প্রথমবার যুক্ত হয় এবং এতে আগের প্রজন্মের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স উন্নতি আনা হয়।[৪]
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]
সফটওয়্যার
[সম্পাদনা]১৩ জুন, ২০১৬, অ্যাপল ঘোষণা করে যে হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতার জন্য আইফোন ৪এস আইওএস ১০ সমর্থন করবে না।
হার্ডওয়্যার
[সম্পাদনা]
গ্রহণযোগ্যতা
[সম্পাদনা]সমালোচনা
[সম্পাদনা]সমস্যা
[সম্পাদনা]আইফোন ৪এস আসার পর; বিভিন্ন ইন্টারনেট ফোরামে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রকাশ করেছেন যেগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যম সংস্থা লক্ষ্য করেছে, যেমনঃ সিএনএন, বয় জিনিয়াস রিপোর্ট, দ্যা গার্ডিয়ান এবং পিসি ওয়ার্ল্ড।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Unannounced Chinas Iphone 5s will support TD-LTE"। ১৫ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Apple Launches iPhone 4S, iOS 5 & iCloud"। Apple Newsroom (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Jacobsen, N. (১ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। iPhone 4S: ein gigantischer, aber trügerischer Erfolg। Wiesbaden: Springer Fachmedien Wiesbaden। পৃ. ৫১–৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৬৫৮-০৯৫৪৭-৫।
- ↑ Schulte, Christopher (২০১১)। "Book Review: iPhone and IOS Forensics: Investigation, Analysis and Mobile Security for Apple iPhone, iPad and IOS Devices"। Journal of Digital Forensics, Security and Law। ডিওআই:10.15394/jdfsl.2011.1107। আইএসএসএন 1558-7223।