ভারতী মঠ মন্দির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ভারতী মঠ
ভূগোল
স্থানাঙ্ক২০°১৪′২৭″ উত্তর ৮৫°৫০′১২″ পূর্ব / ২০.২৪০৮৩° উত্তর ৮৫.৮৩৬৬৭° পূর্ব / 20.24083; 85.83667স্থানাঙ্ক: ২০°১৪′২৭″ উত্তর ৮৫°৫০′১২″ পূর্ব / ২০.২৪০৮৩° উত্তর ৮৫.৮৩৬৬৭° পূর্ব / 20.24083; 85.83667
দেশভারত
রাজ্যওড়িশা
অবস্থানভুবনেশ্বর
উচ্চতা২৬ মি (৮৫ ফু)
স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলীকলিঙ্গ স্থাপত্যরীতি

ভারতী মঠ মন্দির হচ্ছে ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরের প্রাচীন মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি শিব মন্দির।[১] এটি একটি ত্রিতল হিন্দু মঠ যা একাদশ শতকের দিকে নির্মিত হয়। বর্তমানে এটা আবাসিক মঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পূর্বে এটা হিন্দু তীর্থক্ষেত্র ছিলো।

অবস্থান[সম্পাদনা]

ভারতী মঠ ভুবনেশ্বরের পুরাতন শহরের বাধেইবংক চকে অবস্থিত। লিঙ্গরাজ মন্দির থেলে রথ রাস্তার বাম পাশ ধরে হেঁটে ভারতী মঠে আসা যায়। এটা ভুবনেশ্বরের অন্যতম প্রাচীন মঠ।

মঠের পূর্বদিকে রথের রাস্তা, দক্ষিণে জামেশ্বর পাটনা রোড, উত্তরে ব্যক্তিমানা ভবনসমূহ এবং পশ্চিমে ভ্রকুটেশ্বর মন্দির। মঠটি পশ্চিমমুখী।

ঐতিহ্য ও কিংবদন্তি[সম্পাদনা]

স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী মঠটি নির্মাণ করেন লিঙ্গরাজ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা যযাতি কেশরী এবং প্রথমদিকে মঠটি লিঙ্গরাজ মন্দির নির্মাণে জড়িত ব্যক্তিদের আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হত।

মালিকানা[সম্পাদনা]

মন্দিরটি ব্যাক্তিমালিকানাধীন নয়। এটার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছে এন্ডোমেন্ট বিভাগ এবং মঠ মহন্ত প্রণব কিশোর ভারতী গোস্বামীর ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

মঠে কার্তিক পূর্ণিমা, প্রথমাষ্টমী, দূর্গা পূজা ইত্যাদি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়। লিঙ্গরাজ দেবতা তার চাচার সংগে দর্শন করতে প্রথমাষ্টমীর সময় মঠে আসেন।

মঠে বিবাহ উৎসব, বাগদান, নামকরণ ইত্যাদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পুরাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

মঠটি বর্গাকার এবং এর আকার ২৬.০০ বর্গমিটার। মঠটির ভিত্তি ১.৫০ মিটার উঁচু। মঠটি তিনতলা যার উচ্চতা ১১.৫০ মিটার। মাঝখানে উঠোনসহ মঠটির দুইপাশে তিনটি করে বাসকক্ষ আছে। প্রতিটি রূম ৬.১৫ মিটার লম্বা এবং ৩.৪৫ মিটার প্রশস্ত। মঠটি ৫৩.৬০ বর্গমিটারের বড় দেয়াল দিয়ে ঘেরা যার উচ্চতা ২.৫২ মিটার।

মঠের দরজার পাল্লাটি ১.৭০ মিটার উঁচু, ০.৮৪ মিটার চওড়া এবং ০.৩৫ মিটার পুরু। মন্দিরটি অমসৃণ ধূসর চুনাপাথরে তৈরী।

সংরক্ষণ[সম্পাদনা]

আগাছা জন্মানোর ফলে মঠের ক্ষয় শুরু হয়েছে। দেয়াল এবং উত্তর ও পূর্বের কাঠামো ধ্বসে পড়েছে। দেয়ালের পুরোটা অংশই আগাছার কারণের ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে।

মঠটিও ধ্বংসের মুখে। পশ্চিম অংশের কক্ষ ইতোমধ্যে ধ্বসে পড়েছে এবং শুধুমাত্র বাইরের দেয়ালটি টিকে আছে।

বর্তমানে ব্যবহৃত দক্ষিণ অংশও ধ্বংসের পথে। প্রথম তলা ইতোমধ্যে ধ্বসে গেছে। বৃষ্টির পানি চুয়ে আসে এবং ছাদের ফাঁটল স্থাপনাটিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

মঠ মহন্ত দুর্গাপূজার সময়ে কিছু সংস্কার করলে তা খুবই সামান্য। প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিচারে ভবনটির সংস্কার এবং সংরক্ষণ খুবই জরুরী।

মৃত মন্দির[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Lesser Known Monuments of Bhubaneswar by Dr. Sadasiba Pradhan (আইএসবিএন ৮১-৭৩৭৫-১৬৪-১)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]