সাইমন ও’ডনেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাইমন ও’ডনেল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামসাইমন প্যাট্রিক ও’ডনেল
জন্ম (1963-01-26) ২৬ জানুয়ারি ১৯৬৩ (বয়স ৫৬)
ডেনিলিকুইন, অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামস্কুপ
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩২৯)
১৩-১৮ জুন ১৯৮৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২২-২৬ নভেম্বর ১৯৮৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৮৩)
৬ জানুয়ারি ১৯৮৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই১০ ডিসেম্বর ১৯৯১ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৪-১৯৯৩ভিক্টোরিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৮৭ ৮৩ ১১৬
রানের সংখ্যা ২০৬ ১২৪২ ৪৬০৩ ১৭৮৪
ব্যাটিং গড় ২৯.৪২ ২৫.৩৪ ৩৯.৩৪ ২৫.১২
১০০/৫০ –/– -/৯ ৭/৩১ ০/১২
সর্বোচ্চ রান ৪৮ ৭৪*
বল করেছে ৯৪০ ৪৩৫০
উইকেট ১০৮ ১৫১ ১২৬
বোলিং গড় ৮৪.০০ ২৮.৭২
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৩/৩৭ ৫/১৩ ৬/৫৪ ৫/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/– ২২/– ৬০/০ ২৭/০
উৎস: ক্রিকইনফো, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

সাইমন প্যাট্রিক ও’ডনেল (ইংরেজি: Simon O'Donnell; জন্ম: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৬৩) নিউ সাউথ ওয়েলসের ডেনিলিকুইন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। এছাড়াও তিনি ভিএফএলের ফুটবলার, ঘোড়দৌড়ের প্রতিযোগী এবং ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে অংশ নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য সাইমন ও’ডনেল অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট শিরোপা জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঘোড়া উৎপাদনের সাথে জড়িত।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ও’ডনেল ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত শেফিল্ড শিল্ডে ভিক্টোরিয়া দলের অল-রাউন্ডার হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অভিষেক খেলাতেই সেঞ্চুরি করেন তিনি।[১] ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৩ সালে অবসরগ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ভিক্টোরিয়া দলের অধিনায়কত্ব করেন। এসময়ে তিনি মিশ্র ফলাফল পান। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে শেফিল্ড শিল্ডের শিরোপা লাভ[২] করলেও ১৯৮৮-৮৯,[৩] ১৯৮৯-৯০[৪] এবং ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে ভিক্টোরিয়া দল তালিকার শেষে ছিল।[৫]

তার বাবা কেভিন ও’ডনেল ১৯৪৮ সালের অপরাজেয় দলের সদস্য ছিলেন যিনি স্যাম লক্সটনকিথ মিলারের সাথে খেলেছেন।[৬]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৫ সালে ৬ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তন্মধ্যে ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ সফরে ৫টি ও স্বদেশে একটি। ৫ ও ৪-দিনের খেলায় বোলিং স্ট্রাইক রেট কম থাকা স্বত্ত্বেও ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণেই তিনি অধিক সফলতা লাভ করেছিলেন। সীমিত ওভারের খেলাগুলোয় তাকে চাতুর্যময় মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে দক্ষ ও নীচের সারির বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান হিসেবে দেখা যায়। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি ৮৭টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১,২৪২ রান করার পাশাপাশি ১০৮ উইকেটও সংগ্রহ করেন তিনি। ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে দলের প্রথম শিরোপা জয়ে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। ঐ প্রতিযোগিতায় তিনি অস্ট্রেলিয়ার সর্বাপেক্ষা মিতব্যয়ী বোলারের মর্যাদা পান।

কিন্তু অল্প কিছুদিন বাদেই তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে থাকেন।[৭] চিকিৎসা শেষে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার একদিনের দলে ফিরে আসেন। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি আরও ৪৩টি সীমিত ওভারের খেলায় অংশগ্রহণ করেছেন ও ৫৬ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে ৫টি খেলা জয়ী পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস ছিল। এ সময়েই ১৯৯০ সালে শারজায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে মাত্র ১৮ বলে দ্রুততম অর্ধ-শতক করেন যার আয়ু ছিল ছয় বছর।[৮] ১৯৯৬ সালের ৭ এপ্রিল তারিখে পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা দলেরই সনাথ জয়াসুরিয়া ১৭ বলে ৫০ রান করেছেন যা অদ্যাবধি টিকে রয়েছে।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

Benaud, Richie (১৯৯১)। Border & Co: A Tribute To Cricket's World Champions। Hamlyn Australia। আইএসবিএন 0-947334-31-9 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]