বিষয়বস্তুতে চলুন

সূরা বনী-ইসরাঈল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== মসজিদে-হারাম ও মসজিদে-আকসা ==
হযরত আবু যর গেফারী (রাঃ) বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ বিশ্বের সর্বপ্রথম মসজিদ কোনটি? তিনি বললেনঃ মসজিদে হারাম। অতঃপর আমি আরয করলামঃ এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ মসজিদে আকসা। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এতদুভয়ের নির্মাণের মধ্যে কতদিনের ব্যবধান রয়েছে? তিনি বললেনঃ চল্লিশ বছর। তিনি আরও বললেনঃ এ তো হচ্ছে মসজিদদ্বয়ের নির্মাণক্রম। কিন্তু আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের জন্যে সমগ্র ভূ-পৃষ্ঠকেই মসজিদ করে দিয়েছেন। যেখানে নামাযের সময় হয়, সেখানেই নামায পড়ে নাও।<ref>মুসলিম শরীফ।</ref> তফসীরবিদ মুজাহিদ বলেনঃ আল্লাহ্‌ তাআলা বায়তুল্লাহ্‌র স্থানকে সমগ্র ভূ-পৃষ্ঠ থেকে দু'হাজার বছর পূর্বে সৃষ্টি করেছেন এবং এর ভিত্তিস্তর সপ্তম যমীনের অভ্যন্তর পর্যন্ত পৌছেছে। মসজিদে আকসা হযরত সোলায়মন (আঃ) নির্মাণ করেছেন।<ref>নাসায়ী, তফসীর কুরতুবী, ১২৭ পৃষ্ঠা, ৪র্থ খন্ড।</ref> বায়তুল্লাহ্‌র চারপাশে নির্মিত মসজিদকে-হারাম বলা হয়।
 
== কুরাইশদের প্রশ্ন ==
 
মুসনাদে আহমদের রেওয়াতে হযরত আবদুল্লাহ্‌ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ কোরাইশরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) -কে সঙ্গত অসঙ্গত প্রশ্ন করত। একবার তারা মনে করল যে, ইহুদীরা বিদ্বান লোক। তারা পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহেরও জ্ঞান রাখে। কাজেই তাদের কাছ থেকে কিছু প্রশ্ন জেনে নেয়া দরকার; যেগুলো দ্বারা মুহাম্মদের পরীহ্মা নেয়া যেতে পারে। তদনুসারে কোরাইশরা কয়েকজন লোক ইহুদীদের কাছে প্রেরণ করল। তারা শিখিয়ে দিল যে, তোমরা তাকে রূহু সম্পর্কে প্রশ্ন করো।<ref নাম="১">ইবনে কাসীর।</ref> তখন ইহুদীরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে রূহু সম্পর্কে প্রশ্ন করে এবং তাতে এ কথাও ছিল যে, রূহুকে কিভাবে আযাব দেয়া হয়। তখন পর্যন্ত এ সম্পর্কে কোন আয়াত নাযিল হয়নি বিধায় রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) তাৎহ্মণিক উত্তরদানে বিরত থাকেন। এরপর জিবরাইল (আঃ) আয়াত নিয়ে অবতরণ করেন। {{cquote|قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي}}{{cquote|অর্থাৎ বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। --- (সূরা বনী-ইসরাঈল, আয়াতঃ ৮৫)}} এ জওয়াবে যতুটুকু বিষয় বলা জরুরী ছিল এবং যতটুকু বিষয় সাধারণ লোকের বোধ্যগম্য ছিল, ততটুকুই বলে দেয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) -কে আদেশ করা হয়েছে যে, আপনি তাদেরকে উত্তরে বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। অর্থাৎ রূহু সাধারণ সৃষ্টজীবের মত উপাদানের সমন্বয়ে এবং জন্ম ও বংশবিস্তারের মাধ্যমে অস্তিত্ব লাভ করেনি; বরং তা সরাসরি আল্লাহ্‌ তাআলার আদেশ (হও) দ্বারা সৃজিত।<ref>মারেফুল কোরআন, ৭৯০ থেকে ৭৯১ পৃষ্ঠা।</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা