বিষয়বস্তুতে চলুন

সূরা তাকভীর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আত-তাকভীর
التّكوير/التكوير
শ্রেণীমাক্কী সূরা
নামের অর্থঅন্ধকারাচ্ছন্ন
পরিসংখ্যান
সূরার ক্রম৮১
আয়াতের সংখ্যা২৯
পারার ক্রম৩০
রুকুর সংখ্যা১ টি
সিজদাহ্‌র সংখ্যানেই
← পূর্ববর্তী সূরাসূরা আবাসা
পরবর্তী সূরা →সূরা ইনফিতার
আরবি পাঠ্য · বাংলা অনুবাদ

সূরা আত-তাকভীর‌ (আরবি ভাষায়: التكوير) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮১ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৯; এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ ১ টি। সূরা আত-তাকভীর‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

বাংলা অনুবাদ

[সম্পাদনা]

আল্লাহ্‌র নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু।

১. যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে,

২. যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে,

৩. যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,

৪. যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে;

৫. যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে,

৬. যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

৭. যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,

৮. যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে,

৯. কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হল?

১০. যখন আমলনামা খোলা হবে,

১১. যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে,

১২. কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হল?

১৩.এবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে,

১৪. তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।

১৫. আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।

১৬. চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়,

১৭. শপথ নিশাবসান ও

১৮. অতএব, তোমরা কোথায় যাচ্ছ ?

১৯. নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী,

২০. যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী,

২১.সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।

২২.'এবং তোমাদের সাথী পাগল নন।

২৩. তিনি সেই ফেরেশতাকে প্রকাশ্য দিগন্তে দেখেছেন।

২৪. তিনি অদৃশ্য বিষয় বলতে কৃপনতা করেন না।

২৫. এটা বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।

২৬. প্রভাত আগমন কালের,

২৭. এটা তো কেবল বিশ্বাবাসীদের জন্যে উপদেশ,

২৮. তার জন্যে, যে তোমাদের মধ্যে সোজা চলতে চায়।

২৯. তোমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অভিপ্রায়ের বাইরে অন্য কিছুই ইচ্ছা করতে পারো

নামকরণ

[সম্পাদনা]

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের كُوِرَتْ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে। 'তাকভীর' (تَكْوِيْر) হচ্ছে মূল শব্দ; এর অতীতকাল হিসাবে ব্যবহৃত হয় 'কুওভিরাত' (كُوِرَتْ) শব্দটি, যার অর্থ গুটিয়ে ফেলা।[]

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

[সম্পাদনা]

এই সূরা মক্কা শরীফে অবতীর্ণ হয় ।

শানে নুযূল

[সম্পাদনা]

হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কেয়ামত, পরকাল এবং কর্মফল সম্পর্কে যখন উপদেশ দিতেন, তখন মক্কাবাসী বিধর্মীরা তাঁকে পাগল বলতো । কেয়ামতের ভীষণ ধ্বংসলীলা এবং আল্লাহর অসীম শক্তি বর্ণনা দ্বারা তাঁর প্রতি নির্ভরশীল হয়ে সৎকর্ম করার তাগিদ দেওয়ার জন্য এই সূরা অবতীর্ণ হয় ।

বিষয়বস্তুর বিবরণ

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "সূরার নামকরণ"www.banglatafheem.com। তাফহীমুল কোরআন, ২০ অক্টোবর ২০১০। ১৭ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য) উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগে অবৈধ প্যারামিটার

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]