বিপাশা বসু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিপাশা বসু
Bipasha-basu-filmfare.JPG
এপ্রিল, ২০০৯ সালে ফিল্মফেয়ারের প্রচ্ছদ উদযাপনে
জন্ম (১৯৭৯-০১-০৭) ৭ জানুয়ারি ১৯৭৯ (বয়স ৩৬)
নতুন দিল্লি, ভারত
পেশা অভিনেত্রী, মডেল
কার্যকাল ২০০১ - বর্তমান
সঙ্গী দিনো মোরিয়া (১৯৯৫ - ২০০১)
জন আব্রাহাম (২০০২ - বর্তমান)
ওয়েবসাইট
বিপাশা বসু'র ওয়েবসাইট

বিপাশা বসু (হিন্দি: बिपाशा बसु, ইংরেজি: Bipasha Basu, জন্ম ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে বলিউডের হিন্দি চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণ করছেন। একজন প্রাক্তন মডেল তারকা হিসেবে ১৯৯৬ সালে ফোর্ড'স গোদ্‌রেজ সিন্থল সুপারমডেল প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হন।

শৈশব জীবন[সম্পাদনা]

বিপাশা বসু ১৯৭৯ সালের ৭ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে বাঙালি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দুই বোন আছে - বিদিশা ও বিজয়েতা। তন্মধ্যে বিদিশার পরেই বিপাশার অবস্থান। নয়াদিল্লিতে জন্মগ্রহণ করলেও পরবর্তীকালে তিনি তার বাবা-মায়ের সাথে কলকাতায় ফিরে আসেন।[১] একান্ত সাক্ষাৎকারে বিপাশা বলেন যে, তিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও মডেলিং এবং অভিনয়ের জগতে প্রবেশ করেন একান্তই আকস্মিকভাবে।[২] ভবন'স গঙ্গাবাক্স কানোরিয়া বিদ্যামন্দিরে বিপাশা বিজ্ঞান নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরবর্তীকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ভবানীপুর গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে অধ্যয়ন করেন। কলকাতা থাকাকালে তিনি সাময়িক পেশা হিসেবে মডেলিং এবং র‌্যাম্প শো-তে অংশ নেন।[৩] ১৯৯৬ সালে কলকাতায় বিখ্যাত মডেল মেহের জেসিয়া'র সাথে পরিচিত হন। জেসিয়া বিপাশাকে গোদ্‌রেজ সিন্থল সুপারমডেল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। এতে বিপাশা বসু অংশ নিয়ে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন।[২]

জীবিকা বৃত্তি[সম্পাদনা]

ফোর্ড গোদ্‌রেজ সিন্থল প্রতিযোগিতায় জয়লাভের পর বিপাশা বসু ফোর্ড কোম্পানীর আমন্ত্রণে নিউইয়র্কে যান। সেখানে তিনি ১৭ বছর বয়সে সফলভাবে মডেলিংয়ের উপর প্রশিক্ষণ নেন ও মডেলিংয়ের মাধ্যমে প্রচার মাধ্যমে নিজেকে নিয়ে আসেন।[২] বিপাশা চলচ্চিত্রে তার ১ম ছবি হিসেবে আব্বাস মুসতানের পরিচালনায় ২০০১ সালের আজনবি ছবিতে অভিনয় করেন। অক্ষয় কুমার, ববি দেউলকারিনা কাপুরের মতো নামি-দামী তারকারা এ ছবিতে ছিলেন। ছবিতে তিনি একজন বিবাহিতা মহিলার চরিত্রে অভিনয় করেন যিনি তার স্বামীর বিবাহিত বন্ধুর সাথেও প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাক্রমে ছবিটিতে তার স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয়ে কারণে ফিল্মফেয়ারের সেরা নবীণ মহিলা অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। ২০০২ সালে বিপাশা তেলেগু ভাষায় নির্মিত ছবি টক্করী দোঙ্গা এবং বিক্রম ভাটের পরিচালনায় আদি-ভৌতিক রাজ ছবিতে অভিনয় করেন। ঐ বছরে সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবির মর্যাদা পায় রাজ।[৪] ছবিতে অসামান্য অভিনয়শৈলীর জন্য তিনি প্রথমবারের মতো ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। দ্য ট্রাইবুন তাদের মন্তব্যে বলে যে, "এটিই বিপাশা বসু যে তার চমৎকার অভিনয়শৈলী দিয়ে সকলের মন চুরি করে নিয়েছে"।[৫] তিনি ২০০৩ সালে আরেক ব্যবসা সফল জিস্‌ম ছবিতে সোনিয়া খান্না হিসেবে জন আব্রাহামের সাথে অভিনয় করেন। এ ছবির মাধ্যমে তিনি ফিল্মফেয়ারের সেরা খল অভিনেত্রীর জন্য মনোনয়ন পান। অভিনয়ের পাশাপাশি বিপাশা বসু ১৯৯৮ সালে সোনু নিগমের তু ভিডিও গানে কিসমত এলবামে অভিনয় করেন। এছাড়াও, তিনি জে সিনের মিউজিক ভিডিও স্টোলেন এলবামে অতিথি শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন।[৬] ২০০৮ সালে বিপাশা দ্বিতীয়বারের মতো আব্বাস-মুসতানের রেস ছবিতে অভিনয় করেন। এতে আরো অভিনয় করেছিলেন সাইফ আলী খান, অক্ষয় খান্না, অনীল কাপুর এবং ক্যাটরিনা কাইফ। ছবিটি বক্স অফিস হিট করেছিল এবং বিপাশা'র অভিনয়শৈলী সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়ে। ইন্ডিয়াএফএমের তরন আদর্শ তার অভিনয়শৈলী সম্পর্কে বলেন যে, তিনি এ পর্যন্ত তার সেরা অভিনয় করেছেন। তিনি সকলের সেরা।[৭] বচনা এ হাসিনো ছবিতে রণবীর কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করেও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেন বিপাশা। তিনি রব নে বানা দি যদি ছবিতে ফির মিলেঙ্গে চলতে চলতে গানের মাধ্যমে বছরটির পূর্ণতা আনেন। ইরজ এর প্রযোজনায় ২০০৫ সালে বিপাশা-জন আব্রাহাম শারীরিক সচেতনতা শীর্ষক ভিডিও তৈরী করেন।[৮]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

জন আব্রাহামের সাথে বিপাশা বসু

২০০২ সাল থেকে ভারতীয় অভিনেতা জন আব্রাহামের সাথে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে রয়েছেন বিপাশা বসু।[৯][১০] ২০০৫ এবং ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন ইস্টার্ন আই বিপাশাকে এশিয়ার সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী মহিলা হিসেবে উল্লেখ করে।[১১] ২০০৬ সালে বিপাশা বসু দাবী করেন যে, নিউ জার্সির এডিসনে ইন্ডিয়া ডে প্যারেডে আয়োজকদের দ্বারা বিরক্ত হয়েছেন। বিরক্ত হবার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে আয়োজকদের গাড়ীতে দু'ব্যক্তির দ্বারা প্যারেডে যাবার সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছেন।[১২]

চলচ্চিত্র জগতে[সম্পাদনা]

বিপাশা বসু অভিনীত ছবিসমূহ
ক্রমিক নং সাল ছবির নাম ছবিতে নামকরণ মন্তব্য
(১) ২০০১ আজনবি সোনিয়া / নীতা ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর অভিষেক পুরস্কার লাভ
(২) ২০০২ তক্করী দোঙ্গা পনসা তেলেগু ছবি
(৩) ২০০২ রাজ সঞ্জনা ধনরাজ ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন
(৪) ২০০২ আঁখে রায়না
(৫) মেরে ইয়ার কি শাদী হে রিয়া
(৬) চোর মছায়ে শোর রঞ্জিতা
(৭) ২০০২ গুণাহ প্রভা নারায়ণ
(৮) ২০০৩ জিস্‌ম সোনিয়া খান্না ফিল্মফেয়ার সেরা খল অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন
(৯) ২০০৩ ফুটপাথ সঞ্জনা রাই শিংলা খান
(১০) রুলস্‌ : পেয়ার কা সুপারহিন ফর্মুলা বিশেষ অভিনয়
(১১) জমিন নন্দিনী
(১২) ২০০৪ ইশক্‌ হে তুমসে খুশবু
(১৩) এতবার রিয়া মালহোত্রা
(১৪) রুদ্রাক্ষ গায়ত্রী
(১৫) রাখত্‌ : হোয়াট ইফ ইউ ক্যান সি দ্য ফিউচার দৃষ্টি
(১৬) মাধুশী অনুপমা কাউল
(১৭) ২০০৫ চেহরা মেঘা
(১৮) সাচেইন মঞ্জু তামিল ছবি
(১৯) বিরুদ্ধ বিশেষ অভিনয়
(২০) ২০০৫ বরসাত আন্না
(২১) নো এন্ট্রি ববি ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন
(২২) অপহরণ মেঘা
(২৩) শিখর নাতাশা
(২৪) ২০০৬ হাম কো দিওয়ানা কর গায়ে সোনিয়া বেরী
(২৫) ডরনা জরুরী হে বর্ষা
(২৬) ফির হেরা ফেরি অনুরাধা
(২৭) আলাগ সবসে আলাগ গানে বিশেষ অভিনয়
(২৮) কর্পোরেট নিশিগন্ধা দাশগুপ্তা ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন
(২৯) অউমকারা বিল্লু চমনবাহার
(৩০) জানে হোগা কিয়া অদিতি
(৩১) ধুম ২ এসিপি সোনালী বোস /
মোনালী বোস
(৩২) ২০০৭ নেহলে পে দেহলা পুজা
(৩৩) ২০০৭ নো স্মোকিং ফুক দে গানে বিশেষ অভিনয়
(৩৪) ওম শান্তি ওম বিশেষ অভিনয়
(৩৫) ধন ধনা ধন গোল রুমানা
(৩৬) ২০০৮ রেস সোনিয়া
(৩৭) বাঁচনা এ হাসিনো রাধিকা/শ্রেয়া রাথোর ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন
(৩৮) রব নে বানা দি জোড়ি ফির মিলেঙ্গে চলতে চলতে' গানে বিশেষ অভিনয়

পুরস্কার প্রাপ্তি ও মনোনয়ন[সম্পাদনা]

ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০১ বিজয়ী ফিল্মফেয়ার সেরা অভিষেক পুরস্কার আজনবি
(২) ২০০২ মনোনয়ন ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার রাজ
(৩) ২০০৩ মনোনয়ন ফিল্মফেয়ার সেরা খল অভিনেত্রীর পুরস্কার জিসম্‌
(৪) ২০০৫ মনোনয়ন ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার নো এন্ট্রি
(৫) ২০০৬ মনোনয়ন ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার কর্পোরেট
(৬) ২০০৮ মনোনয়ন ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার বাঁচনা এ হাসিনো
স্টারডাস্ট এ্যাওয়ার্ডস্‌
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০৮ মনোনয়ন স্টারডাস্ট সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার বাঁচনা এ হাসিনো
(২) ২০০৮ মনোনয়ন স্টারডাস্ট ফ্যাশন আইকন
স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ডস্‌
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০২ মনোনয়ন স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড : সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার আজনবি (২০০১)
(২) ২০০৩ মনোনয়ন স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড যদি নাম্বার ওয়ান দিনো মোরিয়া'র সঙ্গে রাজ (২০০২)
(৩) ২০০৭ মনোনয়ন স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড : সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার কর্পোরেট[১৩]
(৪) ২০০৯ মনোনয়ন স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড : সেরা সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার বাঁচনা এ হাসিনো
(৫) ২০১০ মনোনয়ন স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড : সকলের সেরা পুরস্কার[১৪]
জি সিনে এ্যাওয়ার্ডস্‌
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০২ মনোনয়ন জি সিনে এ্যাওয়ার্ড : সেরা অভিষেক পুরস্কার আজনবি (২০০১)
(২) ২০০৩ বিজয়ী জি সিনে এ্যাওয়ার্ড : ডাইনামিক ডু রাজ (২০০২) (দিনো মোরিয়া'র সঙ্গে)
(৩) ২০০৭ মনোনয়ন জি সিনে এ্যাওয়ার্ড : সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার কর্পোরেট[১৫]
গ্লোবাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম এ্যাওয়ার্ডস্‌
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০৬ বিজয়ী জিআইএফএ সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার কর্পোরেট
(২) ২০০৬ বিজয়ী জিআইএফএ সমালোচকদের দৃষ্টিতে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার কর্পোরেট
বলিউড মুভি এ্যাওয়ার্ডস্‌
ক্রমিক নং সাল ফলাফল পুরস্কারের বিভাগ ছবির নাম
(১) ২০০৩ বিজয়ী বলিউড মুভি এ্যাওয়ার্ডস্‌ : সেরা খল অভিনেত্রী জিস্‌ম
(২) ২০০৭ বিজয়ী বলিউড মুভি এ্যাওয়ার্ডস্‌ : সেরা অভিনেত্রী কর্পোরেট[১৬]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

ক্যাটরিনা কাইফ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "John's Gift to Bipasha"। সংগৃহীত ২০১১-০১-১০ 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ Verma, Sukanya (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯)। "'Once you enter films, your private life becomes a joke'"Rediff.com। সংগৃহীত ২০০৭-১২-২৯ 
  3. Verma, Sukanya; Bhattacharya, Priyanka (১৭ মে ২০০২)। "Desperately seeking Bipasha"Rediff.com। সংগৃহীত ২০০৭-১২-২৯ 
  4. "Box Office 2002"। BoxOfficeIndia.Com। সংগৃহীত ২০০৮-০৪-১৯ 
  5. D.P. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২)। "A fast-paced psycho-thriller"The Tribune। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০৫ 
  6. "Powerlist: Top Bollywood Actresses (2006)"Rediff Top Bollywood Actresses of 2006। সংগৃহীত ২৫ আগস্ট ২০০৬ 
  7. Adarsh, Taran (২১ মার্চ ২০০৮)। "Movie review - Race"indiafm.com। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-০৫ 
  8. "Bollywood Bodies" 
  9. Iyer, Meena (৩০ আগস্ট ২০০৯)। "Yes, I'm hot & sexy: Bipasha"The Times of India। সংগৃহীত ২০০৯-০৯-০৩ 
  10. Udasi, Harshikaa (২৭ মার্চ ২০০৯)। "Just come, sizzle"The Hindu। সংগৃহীত ২০০৯-০৯-০৩ 
  11. Press Trust of India (PTI) (২০০৭-১১-১৬)। "Bipasha is the Sexiest Asian Woman in the World: Eastern Eye"। Indiatimes। সংগৃহীত ১৯ নভেম্বর ২০০৭ 
  12. "I was harassed in US, says Bipasha Basu" 
  13. "imdb.com"bipasha basu nominated Screen Best Actress for corporate। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০০৭ 
  14. "bollywoodhungama.com"bipasha basu nominated Screen Best Actress in popular category for All The Best 
  15. "imdb.com"bipasha basu nominated Zee cine best actress for corporate। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০০৭ 
  16. "bollywoodawards.com"Winner for Corporate। সংগৃহীত ১৩ জুন ২০০৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]