বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের লোগো.jpg
বোর্ড রূপরেখা
গঠিত১ জুন ১৯৬৯; ৫৩ বছর আগে (1969-06-01)
অধিক্ষেত্রবাংলাদেশ সরকার
সদর দপ্তরশের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা
বোর্ড নির্বাহীগণ
  • মোঃ আলী আকবার খান, চেয়ারম্যান[১]
  • মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, সচিব
মূল সংস্থাশিক্ষা মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)
ওয়েবসাইটbteb.gov.bd

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ১৯৬৭ সালের ১নং সংসদীয় কারিগরি শিক্ষা আইনবলে স্থাপিত হয়। বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন ও উন্নয়নের সার্বিক দায়িত্ব বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের উপর ন্যস্ত। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সকল পলিটেকনিক পরিচালনা করে। একজন অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপাধ্যক্ষের সহযোগিতায় যাবতীয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

  • কারিগরি শিক্ষা কাঠামোর নতুন কোর্স অনুমোদন এবং উন্নয়ন সাধন
  • শিক্ষা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত উপকরণসমূহের যোগান এবং উন্নয়ন সাধন
  • কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার জন্য কোর্স বাছাইকরণে সহযোগিতা
  • অনুমোদিত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার আয়োজন এবং তদারকি করা
  • কৃতকার্য শিক্ষার্থীকে সরকারি সনদ প্রদান করা

কারিকুলাম সমূহ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সদরদপ্তর
  • এস.এস.সি (ভোকেশনাল) ২ বছর মেয়াদী
  • ডিপ্লোমা ইন কমার্স  (২ বছর মেয়াদী)
  • এইচ.এস.সি (বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট) ২ বছর মেয়াদী
  • ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (৪ বছর মেয়াদী)
  • ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার (৪ বছর মেয়াদী)
  • ডিপ্লোমা-ইন-ফিশারিজ (৪ বছর মেয়াদী)
  • ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (৪ বছর মেয়াদী)
  • ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি
  • ডিপ্লোমা-ইন- লাইভস্টক
  • ডিপ্লোমা-ইন- ডিপ্লোমা ইন টেকনিক্যাল এডুকেশন
  • ডিপ্লোমা-ইন-মেডিকেল টেকনোলজি (৪ বছর মেয়াদী) {বর্তমানে বাংলাদেশ স্টেইট মেডিকেল ফেকাল্টির অধীনে}

পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ[সম্পাদনা]

পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োগ ঘটে। এটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত শিক্ষাক্রমগুলো হলো ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি, এইচএসসি(ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), এইচএসসি(ভোকেশনাল) ও এসএসসি(ভোকেশনাল)। বোর্ড এর অধীনে চার(৪) বছর মেয়াদী শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়। চার বছর মেয়াদী শিক্ষাক্রম আটটি(৮) পর্বে বিভক্ত যাদের সেমিষ্টার বলা হয়। এক একটি সেমিষ্টারের কার্য দিবস ১৬-১৮ সপ্তাহ। সে হিসেবে প্রতি বর্ষের কার্য দিবস ৩২-৩৬ সপ্তাহ। নির্ধারিত কার্য দিবস শেষ হওয়ার পর পর্ব সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

  • বাংলাদেশ কলেজ অব লেদার টেকনোলজি:

বাংলাদেশ কলেজ অব লেদার টেকনোলজি বাংলাদেশের একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

  • মাইনিং এন্ড মাইন সার্ভে টেকনোলজী:

বাংলাদেশের একমাত্র খনিজ সম্পদ বিষয়ক অনুষদ যা ২০০৬ সালে খসড়া কয়লা নীতির সুপারিশ অনুসারে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে কার্যক্রম শুরু করে।

  • এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউট(ATI):

বাংলাদেশের ১৫টি এটিআইতে ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার (৪ বছর মেয়াদী)কোর্সটি পড়ানো হয়।এছাড়াও বেসরকারিভাবে ১৬০মতো প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার (৪ বছর মেয়াদী)কোসটি পড়ানো হয়।

বাংলাদেশের সরকারি ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার কোর্স এর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম:-

১।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), শেরে বাংলা নগর, ঢাকা

২।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), তাজহাট রংপুর

৩।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), রহমতপুর, বরিশাল

৪।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), খাদিমনগর, সিলেট

৫।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), শেরপুর

৬।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), দৌলতপুর, খুলনা

৭।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), হমনা, কুমিল্লা

৮।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), ঈশ্বরদী,পাবনা

৯।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), রাঙ্গামাটি

১০।এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট (ATI), গাজীপুর

বাংলাদেশের বেসরকারি ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার কোর্স এর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম:-

১।আবুল বাশার কৃষি কলেজ, ঢাকা

২।তমালতলা কৃষি ও কারিগরি কলেজ,বাগাতি পাড়া, নাটোর

৩।এম.এস.জোহা কৃষি কলেজ,হারদী,আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা

৪।খান জাহান আলী কৃষি কলেজ,ডুমুরিয়া, খুলনা

৫।ব্রেইলী ব্রীজ এগ্রিকালচার এন্ড পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট,মীরবাগ,কাউনিয়া রংপুর।"

পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সংখ্যা[সম্পাদনা]

বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে।[২] এর মধ্যে পুরোনো ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ২০টি, যেগুলো পুরোপুরি সরকারি। নতুন রাজস্বভুক্ত ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ০৫টি, মনোটেকনিক ইন্সটিটিউট ০৩টি, প্রকল্পভুক্ত ১৮টি ও মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ০৪টি।

বেসরকারি পলিটেকনিকের সংখ্যা ৩৮৭টি[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বোর্ডের সচিব মহোদয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে রুটিন দায়িত্ব পালন" (PDF)bteb.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০২১ 
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৮ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ 
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১২ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]