বাংলাদেশের জলপ্রপাতসমূহের তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

চট্টগ্রাম অঞ্চল[সম্পাদনা]

  1. চিংড়ি ঝর্ণা বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
  2. নাফাখুম জলপ্রপাত, বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত। মারমা ভাষায় খুম মানে জলপ্রপাত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
  3. রিছাং ঝর্ণা (সাপ মারা রিসাং ঝর্ণা নামেও পরিচিত) খাগড়াছড়ি জেলায় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ঝর্ণা। খাগড়াছড়ি শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০ কি.মি.। এই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট।
  4. খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নে পাহাড়ে অবস্থিত একটি জলপ্রপাত।
  5. নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অবস্থিত একটি জলপ্রপাত।
  6. জাদিপাই ঝর্ণা বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রশস্ততম ঝর্ণাগুলোর মাঝে একটি। এই কারণে এই ঝর্ণা বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় জলপ্রপাত। বর্ষাকালে জলপ্রপাতের পানি প্রবাহ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। বর্ষা মৌসুমে দেশের নানা প্রান্ত থেকে সৌন্দর্য্য পিপাসু মানুষ জাদিপাই ঝর্ণা দেখতে ছুটে আসে।
  7. শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।
  8. ধুপপানি ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার একটি ঝর্ণা যা ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত। স্থানীয়রা দুপপানি ঝর্ণা নামেও ডেকে থাকে। স্থানীয় শব্দে ধুপ অর্থ সাদা আর পানি যুক্ত করে এটিকে সাদা পানির ঝর্ণাও বলা হয়।
  9. সহস্রধারা ঝর্ণা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত।
  10. আমিয়াখুম জলপ্রপাত বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম নাক্ষিয়ং নামক স্থানে অবস্থিত। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন আমিয়াখুম জলপ্রপাতকে দেখা হচ্ছে বাংলার ভূস্বর্গ হিসেবে।
  11. ত্লাবং ঝর্ণা (ডাবল ফলস)
  12. দামতুয়া ঝর্ণা (লামোনাই ঝর্ণা)
  13. বাকলাই ঝর্ণা
  14. মুপ্পোছড়া ঝর্ণা
  15. কমলক ঝর্ণা
  16. হাজাছড়া ঝর্ণা (শুকনাছড়া ঝর্ণা)
  17. তিনাপ সাইতার
  18. লুং ফের ভা সাইতার
  19. তৈদুছড়া ঝর্ণা
  20. ঝরঝরি ঝর্ণা
  21. সুপ্তধারা ঝর্ণা
  22. ঋজুক ঝর্ণা
  23. রাইক্ষং ঝর্ণা
  24. জিংসিয়াম সাইতার ঝর্ণা
  25. বড়ইতলী ঝর্ণা
  26. তুইনুম ঝর্ণা
  27. রুপমুহুরী ঝর্ণা
  28. পোয়ামুহুরী ঝর্ণা
  29. ফাইপি জলপ্রপাত
  30. পাতাং ঝর্ণা
  31. তারেং ঝর্ণা
  32. তুয়ারি মাইরাং ঝর্ণা
  33. নকাবাছড়া ঝর্ণা
  34. কমলদহ ঝর্ণা
  35. হিমছড়ি ঝর্ণা[১]
  36. গাছকাটা ঝর্ণা[২]
  37. লিখ্যিয়াং ঝর্ণা
  38. তুই কু তুমু ঝর্ণা
  39. পালং খিয়াং ঝর্ণা (তাংখোয়াইন ঝর্ণা)
  40. শীলবান্ধা ঝর্ণা (ছালাওয়া ঝর্ণা)
  41. তৈলাফাং ঝর্ণা
  42. ওয়াং পা ঝর্ণা
  43. ঘাগড়া ঝর্ণা (কলাবাগান ঝর্ণা)
  44. লাংলোক ঝর্ণা (লিলুক ঝর্ণা)
  45. ছাগলকান্দা ঝর্ণা
  46. বর্ণাল ঝর্ণা
  47. তেজেংমা ঝর্ণা
  48. সিজুক ঝর্ণা
  49. তৈছামা ঝর্ণা
  50. হরিণ মারা ঝর্ণা
  51. উদোতয় ঝর্ণা, মাঝের পাড়া, সুয়ালক, বান্দরবান সদর উপজেলা
  52. শৈনগং ঝর্ণা
  53. সাইংপ্রা ঝর্ণা
  54. লাদমেরাখ ঝর্ণা

সিলেট অঞ্চল[সম্পাদনা]

  1. পরিকুণ্ড জলপ্রপাত, বা, পরিকুণ্ড ঝর্ণা হলো বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার একটি প্রাকৃতিক জলধারা যেটি স্থানীয় পাহাড় থেকে প্রায় ১৫০ ফুট নিচে পতিত হচ্ছে। এর সন্নিকটেই সুপরিচিত “মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত” অবস্থিত।
  2. মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত হিসেবে সমধিক পরিচিত যা সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। পাথারিয়া পাহাড় (পূর্বনাম: আদম আইল পাহাড়) কঠিন পাথরে গঠিত; এই পাহাড়ের উপর দিয়ে গঙ্গামারা ছড়া বহমান। এই ছড়া মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত হয়ে নিচে পড়ে হয়েছে মাধবছড়া। অর্থাৎ গঙ্গামারা ছড়া হয়ে বয়ে আসা জলধারা [১২ অক্টোবর ১৯৯৯-এর হিসাবমতে] প্রায় ১৬২ ফুট উঁচু থেকে নিচে পড়ে মাধবছড়া হয়ে প্রবহমান। সাধারণত একটি মূল ধারায় পানি সব সময়ই পড়তে থাকে, বর্ষাকাল এলে মূল ধারার পাশেই আরেকটা ছোট ধারা তৈরি হয় এবং ভরা বর্ষায় দুটো ধারাই মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় পানির তীব্র তোড়ে। জলের এই বিপুল ধারা পড়তে পড়তে নিচে সৃষ্টি হয়েছে বিরাট কুণ্ডের। এই মাধবছড়ার পানি পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হতে হতে গিয়ে মিশেছে হাকালুকি হাওরে। কুণ্ডের ডানপাশে পাথরের গায়ে সৃষ্টি হয়েছে একটি গুহার, যার স্থানীয় নাম কাব। এই কাব দেখতে অনেকটা চালাঘরের মতো। মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে স্নানর্থীরা কাবের নিচে দাঁড়িয়ে ভিজা কাপড় পরিবর্তন করে থাকেন।[১
  3. হাম হাম কিংবা হামহাম বা চিতা ঝর্ণা, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝরণা। জলপ্রপাতটি ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের শেষাংশে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মার সাথে দুর্গম জঙ্গলে ঘোরা একদল পর্যটক আবিষ্কার করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] দুর্গম গভীর জঙ্গলে এই ঝরণাটি ১৩৫, মতান্তরে ১৪৭ কিংবা ১৬০ ফুট উঁচু, যেখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ঝরণা হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের উচ্চতা [১২ অক্টোবর ১৯৯৯-এর হিসাব অনুযায়ী] ১৬২ ফুট। তবে ঝরণার উচ্চতা বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরীক্ষিত মত নেই। সবই পর্যটকদের অনুমান। তবে গবেষকরা মত প্রকাশ করেন যে, এর ব্যপ্তি, মাধবকুণ্ডের ব্যাপ্তির প্রায় তিনগুণ বড়।
  4. সংগ্রামপুঞ্জি জলপ্রপাত
  5. কুলুমছড়া জলপ্রপাত

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]