ধুপপানি ঝর্ণা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ধুপপানি ঝর্ণা বা জলপ্রপাত
সাদা পানির ঝর্ণা
ধুপপানি ঝর্ণার উপরের দিক.jpg
ধুপপানি ঝর্ণার উপরের দিক
ধুপপানি ঝর্ণা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ধুপপানি ঝর্ণা
অবস্থানবিলাইছড়ি উপজেলা, রাঙ্গামাটি জেলা, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২২°২৪′৫১″ উত্তর ৯২°২৪′৪৪″ পূর্ব / ২২.৪১৪০৪৫৮° উত্তর ৯২.৪১২৩১২৪° পূর্ব / 22.4140458; 92.4123124স্থানাঙ্ক: ২২°২৪′৫১″ উত্তর ৯২°২৪′৪৪″ পূর্ব / ২২.৪১৪০৪৫৮° উত্তর ৯২.৪১২৩১২৪° পূর্ব / 22.4140458; 92.4123124
ধরনএকক ঝর্ণা
মোট উচ্চতা১৫০ ফু (৪৬ মি)
ঝরার সংখ্যা১ টি

ধুপপানি ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার একটি ঝর্ণা যা ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত।[১] স্থানীয়রা দুপপানি ঝর্ণা নামেও ডেকে থাকে। স্থানীয় শব্দে ধুপ অর্থ সাদা আর পানি যুক্ত করে এটিকে সাদা পানির ঝর্ণাও বলা হয়।[২]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

ঝর্ণাটি লোক চক্ষুর অন্তরালে ছিলো। ২০০০ সালের দিকে এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী গভীর অরণ্যে দুপপানি ঝর্ণার নিচে ধ্যান শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন জেনে ঐ বৌদ্ধ ধ্যান সন্ন্যাসীকে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় বা উপলক্ষ্যে সেবা করতে গেলে এই ঝরনাটি জন সম্মুখে পরিচিতি লাভ করে[১]

তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় ধুপ অর্থ [১]। পানিকে পানিই বলা হয় তঞ্চংগা ভাষায়। ধুপপানি অর্থ সাদা পানির ঝর্ণা। ঝর্ণার পানি স্বচ্ছ এবং যখন অনেক উচু থেকে তার জল আছড়ে পড়ে তখন তা শুধু সাদাই দেখা যায়। তাই একে ধুপ পানির ঝর্ণা বলা হয়।[২] সমতল থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১৫০ [১]। ঝর্ণা থেকে পানি আছড়ে পড়ার শব্দ প্রায় ২ কিলোমিটার দুর থেকে শোনা যায়।

এই ঝর্ণার ওপরে একজন সাধু তার আশ্রমে ধ্যান করেন। স্থানীয় ভাষায় এই ধর্মযাজক সাধুকে বলা হয় ‘ভান্তে’, এই ছয় দিনে ভান্তে কোনো চিৎকার-চেঁচামেচি পছন্দ করেন না। তিনি সপ্তাহের ছয় দিন ধ্যান করে শুধু রোববারে খাবার খাওয়ার জন্য নিচে নেমে আসেন। তাই শুধু রোববারেই ঝর্ণাটায় লোকজনের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে বর্তমানে এটি ভ্রমণ পিপাসুদের আগ্রহের স্থান হওয়ায় ঝর্ণার স্থানে অতিরিক্ত শব্দ না করার শর্তে স্থানটিতে সপ্তাহের অন্যান্য দিনও প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।

বিশেষ নির্দেশিকা[সম্পাদনা]

বিলাইছড়ি উপজেলাটি পার্বত্য অঞ্চলের অংশ হওয়ায় স্থানটিতে বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলের মানুষ প্রবেশের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্র, কিংবা পাসপোর্টের ফটোকপি, কিংবা যে কোন পরিচয়পত্র সাথে থাকতে হয়, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রদর্শন সাপেক্ষে ওই সকল এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।[২]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ধুপপানি ঝর্ণা"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৭ 
  2. "প্রিয় গন্তব্য: রাঙ্গামাটির ধুপপানি ঝর্ণা"প্রিয়.কম। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৯-১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]