ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ
| নীতিবাক্য | Enter to Learn, Leave to Serve. |
|---|---|
| ধরন | সরকারি কলেজ |
| স্থাপিত | ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯২ |
| প্রতিষ্ঠাতা | মোঃ ফিরোজ মিয়া |
| ইআইআইএন | ১০৩২৯৫ |
| অধ্যক্ষ | আব্দুল কাদের আলম শাহ |
| শিক্ষার্থী | ১৯৩৪ জন |
| অবস্থান | , , |
| শিক্ষাঙ্গন | শহর |
| অধিভুক্তি | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড |
| ওয়েবসাইট | www |
ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। ১৯৯২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা সদরে কলেজটি স্থাপিত হয়। এ কলেজটি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। ২০১৮ সালের ০৮ আগস্ট ফিরোজ মিয়া কলেজকে জাতীয়করণ করে নামকরণ করা হয় ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ।
কলেজের অবস্থান
[সম্পাদনা]ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে ১ কিলোমিটার দক্ষিণে,আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন কোলাহলমুক্ত স্নিগ্ধ মনোরম পরিবেশে আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ও আড়াইসিধা ইউনিয়নের সংযোগস্থলে ৪.৪৬০০ একর ভূমির উপর ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজটি অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
[সম্পাদনা]ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা সদরে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসীদের এক সভায় কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠাতা স্থানীয় মোঃ ফিরোজ মিয়ার নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়। ঐ বছরেরই ১৬ নভেম্বর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করেন। ১৯৯২ সালের ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি প্রক্রিয়া। ১৯৯২-১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষে ১২৪ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয় পাঠদান। কলেজের ১ম ব্যাচে ছাত্রীসংখ্যা ছিল ৪১ জন। কথাশিল্পী মিন্নাত আলী ছিলেন এ কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ।
শিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লার অধীনে ১৯৯২-১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখায় বাংলা, ইংরেজি, পৌরনীতি ও সুশাসন, অর্থনীতি, যুক্তিবিদ্যা,ইসলামের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান,ইসলাম শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, ব্যাবস্থাপনা, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল,পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিতসহ ১৫ টি বিষয় নিয়ে কলেজের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষে সাচিবিক বিদ্যা,২০০১-২০০২ শিক্ষাবর্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে ইতিহাস,২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে ফিন্যান্স উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পঠিত বিষয় হিসেবে চালু হয়।
সাধারণ শাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০০০-২০০১ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাক্রমে কম্পিউটার অপারেশন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা স্পেশালাইজেশন চালু হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৯৭-১৯৯৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ডিগ্রি (পাস) কোর্সে বি.এ ও বি.এস.এস শাখায় বাংলা,ইংরেজি,ইতিহাস,দর্শন,ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি,ইসলাম শিক্ষা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়গুলো অধিভুক্তি লাভ করে।১৯৯৮-১৯৯৯ শিক্ষাবর্ষে বি.বি.এস শাখায় হিসাববিজ্ঞান,ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং বিষয়ে অধিভুক্তিসহ বর্তমানে ১২ টি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি স্তরে পাঠদান হচ্ছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে কলেজে অনার্স কোর্সে ইতিহাস ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ ,২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগ এবং ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলা বিভাগ চালু হয়েছে।
অনুষদ ও বিষয়
[সম্পাদনা]অনার্স কোর্স:
- কলা অনুষদঃ ইতিহাস,বাংলা
- সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান
- ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদঃ হিসাববিজ্ঞান,ব্যবস্থাপনা
ডিগ্রি (পাস) কোর্স:
- বি.এ
- বি.এস.এস
- বি.বি.এস
উচ্চ মাধ্যমিক স্তর :
- মানবিক
- ব্যবসায় শিক্ষা
- বিজ্ঞান
উচ্চ মাধ্যমিক(বি.এম) স্তর:
- কম্পিউটার অপারেশন
- মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা
সহশিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজে বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে:
- রোভার স্কাউট- বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের অধীনে এ কলেজে দুটি রোভার স্কাউট ইউনিট ও একটি গার্ল ইন রোভার ইউনিট রয়েছে।
- রেড ক্রিসেন্ট- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এর অধীনে এ কলেজে একটি যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট রয়েছে।
- বি.এন.সি.সি- ময়নামতি রেজিমেন্ট এর অধীনে এ কলেজে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এর একটি যৌথ প্লাটুন (ছেলে-মেয়ে) প্রক্রিয়াধীন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]১.অহর্নিশ,ফিরোজ মিয়া কলেজ বার্ষিকী (২০০৩-২০০৪) ২.সমতট,ইতিহাস বিভাগের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মারক(২০১০-২০১৮),ফিরোজ মিয়া কলেজ।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |