বিষয়বস্তুতে চলুন

ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ
নীতিবাক্যEnter to Learn, Leave to Serve.
ধরনসরকারি কলেজ
স্থাপিত১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯২
প্রতিষ্ঠাতামোঃ ফিরোজ মিয়া
ইআইআইএন১০৩২৯৫
অধ্যক্ষআব্দুল কাদের আলম শাহ
শিক্ষার্থী১৯৩৪ জন
অবস্থান, ,
শিক্ষাঙ্গনশহর
অধিভুক্তিজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
ওয়েবসাইটwww.fmgc.edu.bd

ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। ১৯৯২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা সদরে কলেজটি স্থাপিত হয়। এ কলেজটি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। ২০১৮ সালের ০৮ আগস্ট ফিরোজ মিয়া কলেজকে জাতীয়করণ করে নামকরণ করা হয় ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ।

কলেজের অবস্থান

[সম্পাদনা]

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে ১ কিলোমিটার দক্ষিণে,আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন কোলাহলমুক্ত স্নিগ্ধ মনোরম পরিবেশে আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ও আড়াইসিধা ইউনিয়নের সংযোগস্থলে ৪.৪৬০০ একর ভূমির উপর ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজটি অবস্থিত।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা সদরে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসীদের এক সভায় কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠাতা স্থানীয় মোঃ ফিরোজ মিয়ার নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়। ঐ বছরেরই ১৬ নভেম্বর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করেন। ১৯৯২ সালের ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি প্রক্রিয়া। ১৯৯২-১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষে ১২৪ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয় পাঠদান। কলেজের ১ম ব্যাচে ছাত্রীসংখ্যা ছিল ৪১ জন। কথাশিল্পী মিন্নাত আলী ছিলেন এ কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ।

শিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লার অধীনে ১৯৯২-১৯৯৩ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখায় বাংলা, ইংরেজি, পৌরনীতি ও সুশাসন, অর্থনীতি, যুক্তিবিদ্যা,ইসলামের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান,ইসলাম শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, ব্যাবস্থাপনা, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল,পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিতসহ ১৫ টি বিষয় নিয়ে কলেজের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষে সাচিবিক বিদ্যা,২০০১-২০০২ শিক্ষাবর্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে ইতিহাস,২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে ফিন্যান্স উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পঠিত বিষয় হিসেবে চালু হয়।

সাধারণ শাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০০০-২০০১ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাক্রমে কম্পিউটার অপারেশন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা স্পেশালাইজেশন চালু হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৯৭-১৯৯৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ডিগ্রি (পাস) কোর্সে বি.এ ও বি.এস.এস শাখায় বাংলা,ইংরেজি,ইতিহাস,দর্শন,ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি,ইসলাম শিক্ষা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়গুলো অধিভুক্তি লাভ করে।১৯৯৮-১৯৯৯ শিক্ষাবর্ষে বি.বি.এস শাখায় হিসাববিজ্ঞান,ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং বিষয়ে অধিভুক্তিসহ বর্তমানে ১২ টি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি স্তরে পাঠদান হচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে কলেজে অনার্স কোর্সে ইতিহাস ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ ,২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগ এবং ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলা বিভাগ চালু হয়েছে।

অনুষদ ও বিষয়

[সম্পাদনা]

অনার্স কোর্স:

  • কলা অনুষদঃ ইতিহাস,বাংলা
  • সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  • ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদঃ হিসাববিজ্ঞান,ব্যবস্থাপনা

ডিগ্রি (পাস) কোর্স:

  • বি.এ
  • বি.এস.এস
  • বি.বি.এস

উচ্চ মাধ্যমিক স্তর :

  • মানবিক
  • ব্যবসায় শিক্ষা
  • বিজ্ঞান

উচ্চ মাধ্যমিক(বি.এম) স্তর:

  • কম্পিউটার অপারেশন
  • মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা

সহশিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজে বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে:

  • রোভার স্কাউট- বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের অধীনে এ কলেজে দুটি রোভার স্কাউট ইউনিট ও একটি গার্ল ইন রোভার ইউনিট রয়েছে।
  • রেড ক্রিসেন্ট- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এর অধীনে এ কলেজে একটি যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট রয়েছে।
  • বি.এন.সি.সি- ময়নামতি রেজিমেন্ট এর অধীনে এ কলেজে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এর একটি যৌথ প্লাটুন (ছেলে-মেয়ে) প্রক্রিয়াধীন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

    ১.অহর্নিশ,ফিরোজ মিয়া কলেজ বার্ষিকী (২০০৩-২০০৪) ২.সমতট,ইতিহাস বিভাগের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মারক(২০১০-২০১৮),ফিরোজ মিয়া কলেজ।

    বহিঃসংযোগ

    [সম্পাদনা]