পারুল মুখার্জী
পারুল মুখার্জী | |
|---|---|
| জন্ম | ১৯১৫ |
| মৃত্যু | ২০ এপ্রিল ১৯৯০ |
| নাগরিকত্ব | ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) ভারত |
| পেশা | রাজনীতিবিদ, |
| পরিচিতির কারণ | ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিকন্যা |
| রাজনৈতিক দল | অনুশীলন সমিতি |
| আন্দোলন | ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন, |
| অপরাধের অভিযোগ | টিটাগড় ষড়যন্ত্র মামলা |
| অপরাধীর অবস্থা | ১৯৩৫-১৯৩৯ |
| পিতা-মাতা |
|
| আত্মীয় | ঊষা মুখার্জী (বোন) অমূল্য মুখার্জী (দাদা) |
| অনুশীলন সমিতি |
|---|
| প্রভাব |
| অনুশীলন সমিতি |
| উল্লেখযোগ্য ঘটনা |
| সম্পর্কিত প্রসঙ্গ |
পারুল মুখার্জী (১৯১৫ - ২০ এপ্রিল ১৯৯০) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।
জন্ম ও পরিবার
[সম্পাদনা]আসল নাম পারুলবালা মুখোপাধ্যায়। তিনি ১৯১৫ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু পিতৃভূমি ছিল ঢাকায়। তার পিতার নাম গুরুপ্রসন্ন মুখার্জী ও মাতার নাম মনোরমা দেবী। তার ছোট বোন ঊষা মুখার্জীও বিপ্লবী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন । তার বড়ো ভাই ছিলেন অনুশীলন দলের নেতা অমূল্য মুখার্জী। দাদার আদর্শে প্রভাবিত হয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন[১]।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]পারুল মুখার্জীর পরিবার ছিল রাজনৈতিক পরিবার। বাঙালি মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী দের ভেতর অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য নাম পারুল মুখার্জী। বিপ্লবী পূর্নানন্দ দাশগুপ্তের হাত ধরে তিনি গুপ্ত বিপ্লবী দলের সদস্য হন। শান্তি, নীহার, আরতি, খুকি শোভারানী, রানী, সুরমাদেবী ইত্যাদি অসংখ্য ছদ্মনামে সক্রিয় ছিলেন। পূর্নানন্দ দাশগুপ্ত আর শ্যামবিনোদ রায়চৌধুরী ছাড়া তার আসল নাম কেউই জানতেননা। উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়, গোয়ালাপাড়ায় বিপ্লবীদের গোপন অস্ত্র ঘাঁটি থেকে ১৯৩৫ সালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ঐ বছর ৩১ অক্টোবর স্পেশাল ট্রাইবুন্যালে অন্যান্য পুরুষ বন্দীদের সাথে তার নামেও মামলা চলে। সহকর্মীদের সাথে পাল্লা দিয়ে বোমা, বিস্ফোরক তৈরী, লাঠিখেলা ইত্যাদিতে পারদর্শী ছিলেন তিনি[২]। ১৯৩৯ সালে মুক্তি পান। টিটাগড় ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী ছিলেন। তিনি সমাজ সেবা ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অনুশীলন সমিতির সদস্য ছিলেন[১]। বিপ্লবী দাদার প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে পারুল মুখার্জী কুমিল্লায় একটি বিশেষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবিকা বাহিনী গঠন করেছিলেন[৩]।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]পারুল মুখার্জী ১৯৩৯ সালে মুক্তি লাভের পরে নিঃসঙ্গ জীবন কাটিয়েছেন। ১৯৯০ সালের ২০ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 কমলা দাশগুপ্ত (জানুয়ারি ২০১৫)। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার নারী, অগ্নিযুগ গ্রন্থমালা ৯। কলকাতা: র্যাডিক্যাল ইম্প্রেশন। পৃ. ১৪৪-১৪৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৫৪৫৯-৮২-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ চিন্ময় চৌধুরী। স্বাধীনতা আন্দোলনে সশস্ত্র বিপ্লবী নারী। কলকাতা: দেজ পাবলিশিং।
- ↑ সংবাদদাতা, শান্তিরঞ্জন ভৌমিক (১৩ ডিসেম্বর ২০১৬)। "কুমিল্লার নারীসমাজ আন্দোলন ও সমাজসেবায়"। কুমিল্লার কাগজ। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)