নোয়াখালী এক্সপ্রেস
অবয়ব
(ঢাকা-নোয়াখালী এক্সপ্রেস থেকে পুনর্নির্দেশিত)
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| পরিষেবা ধরন | মেইল ট্রেন |
| স্থান | বাংলাদেশ |
| প্রথম পরিষেবা | ব্রিটিশ আমল থেকে |
| বর্তমান পরিচালক | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| যাত্রাপথ | |
| শুরু | নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন |
| শেষ | কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন |
| রেল নং | ১১/১২ |
| যাত্রাপথের সেবা | |
| শ্রেণী | আছে |
| আসন বিন্যাস | আছে |
| ঘুমানোর ব্যবস্থা | নাই |
| অটোরেক ব্যবস্থা | নাই |
| খাদ্য সুবিধা | নাই |
| পর্যবেক্ষণ সুবিধা | আছে |
| বিনোদন সুবিধা | আছে |
| মালপত্রের সুবিধা | আছে |
| কারিগরি | |
| ট্র্যাক গেজ | ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) |
নোয়াখালী মেইল (ট্রেন নাম্বার-১১/১২) বাংলাদেশ রেলওয়ে কতৃক পরিচালিত বাংলাদেশের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। ট্রেনটি নোয়াখালী থেকে ঢাকা যাত্রাপথে কুমিল্লা জেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, কিশোরগঞ্জ জেলা, নরসিংদী জেলা ও গাজীপুর জেলাকে সংযুক্ত করে।[১]
ট্রেনটি ২৯ জুলাই ২০২৫ থেকে লোকোমোটিভ সংকটের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।
[২]একসময় ট্রেনটির নাম ছিলো- ঢাকা/নোয়াখালী এক্সপ্রেস। পরবর্তীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের টাইমটেবিল- ৫৪ তে ট্রেনটির নাম নোয়াখালী মেইল নামে পরিবর্তিত হয়।
যাত্রাপথ
[সম্পাদনা]নোয়াখালী মেইল ট্রেনটি নোয়াখালী - লাকসাম -আখাউড়া - ভৈরব - নরসিংদী - টঙ্গী - কমলাপুর মিটারগেজ রেলপথে চলাচল করে এবং যাত্রাপথে থাকা প্রায় স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়।
স্টেশন তালিকা
[সম্পাদনা]নোয়াখালী মেইল ট্রেনটি যেসকল রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে চলাচল করে নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
- তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশন
- বনানী রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন
- বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন
- টঙ্গী জংশন রেলওয়ে স্টেশন
- পূবাইল রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- নলছাটা রেলওয়ে স্টেশন (স্টেশন বিলুপ্ত এবং যাত্রাবিরতি নাই)
- আড়িখোলা রেলওয়ে স্টেশন (১১ আপের যাত্রাবিরতি নাই)
- ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশন
- ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশন
- জিনারদী রেলওয়ে স্টেশন
- নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন
- আমিরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন
- খানাবাড়ি রেলওয়ে স্টেশন
- হাটুভাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- মেথিকান্দা রেলওয়ে স্টেশন
- শ্রীনিধি রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- দৌলতকান্দি রেলওয়ে স্টেশন
- ভৈরব বাজার জংশন রেলওয়ে স্টেশন
- আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন
- তালশহর রেলওয়ে স্টেশন (১১ আপের যাত্রাবিরতি নাই)
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন
- পাঘাচং রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- আখাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন
- গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- ইমামবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- কসবা রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- সালদানদী রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- শশীদল রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- রাজাপুর রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- সদর রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন
- ময়নামতি রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- লালমাই রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- আলীশহর রেলওয়ে স্টেশন (যাত্রাবিরতি নাই)
- লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন
- দৌলতগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন (১২ ডাউনের যাত্রাবিরতি নাই)
- খিলা রেলওয়ে স্টেশন
- নাথের পেটুয়া রেলওয়ে স্টেশন
- বিপুলাসার রেলওয়ে স্টেশন
- সোনাইমুড়ি রেলওয়ে স্টেশন
- বজরা রেলওয়ে স্টেশন
- চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন
- মাইজদী রেলওয়ে স্টেশন
- মাইজদী কোর্ট রেলওয়ে স্টেশন
- হরিনারায়ণপুর রেলওয়ে স্টেশন
- নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ undefined। "'নোয়াখালী এক্সপ্রেস' লাইনচ্যুত"। dbcnews.tv। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২০।
- ↑ "ব্রাহ্মণপাড়ায় লাইনচ্যুত 'ঢাকা এক্সপ্রেস', ৮ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক"। কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২০।