টালসি গ্যাবার্ড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টালসি গ্যাবার্ড
টালসি গ্যাবার্ডের ১১৪ তম কংগ্রেসের ছবি
-নির্বাচিত সদস্য
from হাওয়াই ২য় district
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
জানুয়ারী ৩, ২০১৩
পূর্বসূরীমাজিয়ে হিরোনও
হনোলুলু সিটি কাউন্সিল এর সদস্য
৬ষ্ঠ জেলা থেকে
কাজের মেয়াদ
২ জানুয়ারী, ২০১১ – ১৬ আগস্ট, ২০১২
পূর্বসূরীরড ট্য়া‌ম
উত্তরসূরীক্যারল ফুকুনাগা
-নির্বাচিত সদস্য
from ৪২তম district
কাজের মেয়াদ
২০০২ – ২০০৪
পূর্বসূরীমার্ক মোজেস
উত্তরসূরীরিডা কাবানিলা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1981-04-12) ১২ এপ্রিল ১৯৮১ (বয়স ৩৮)
লেওলোআলোয়া, আমেরিকান সামোয়া, মার্কিন
রাজনৈতিক দলগণতান্ত্রিক
দাম্পত্য সঙ্গীএডুয়ার্ডো তামায়ো (বি. ২০০২; বিচ্ছেদ. ২০০৬)
আব্রাহাম উইলিয়ামস (বি. ২০১৫)
আত্মীয়স্বজনমাইক গ্যাবার্ড (বাবা)
ক্যারল পো গ্যাবার্ড (মা)
শিক্ষাহাওয়াই প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি (বিএসবিএ)
স্বাক্ষর
ওয়েবসাইটHouse website
সামরিক পরিষেবা
আনুগত্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
শাখা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী
কাজের মেয়াদ২০০৩–বর্তমান
পদমেজর
ইউনিটহাওয়াই আর্মি ন্যাশনাল গার্ড
যুদ্ধইরাক যুদ্ধ
পুরস্কারমেধাবী সেবা পদক
মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশংসাপত্র পদক
আর্মি অ্যাচিভমেন্ট পদক[১]

টালসি গ্যাবার্ড (ইংরেজি: Tulsi Gabbard; আ-ধ্ব-ব: /ˈtʌlsi ˈɡæbərd/; জন্ম ১২ই এপ্রিল, ১৯৮১) একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষের (হাউজ অফ রেপ্রেজেন্টেটিভস) একজন সদস্য। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একজন সদস্য। ২০১২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বপ্রথম সামোয়ান মার্কিনী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী সংসদ সদস্য হিসেবে হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত মার্কিন সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন। তিনি ২০১৩ সাল থেকে হাওয়াইয়ের ২য় কংগ্রেস নির্বাচনী এলাকাকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতিতে যোগদানের পূর্বে তিনি হাওয়াই আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের যুদ্ধক্ষেত্রের চিকিৎসা ইউনিটের সদস্য হিসেবে ইরাকে ২০০৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এবং এরপর ২০০৮-২০০৯ সালে কুয়েতে সামরিক সেবা প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি সামরিক বাহিনীর একজন মেজর। তারও আগে ২০০২ সালে তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের রাজ্য আইনসভার একজন সদস্য নির্বাচিত হন; তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যেকোনও অঙ্গরাজ্য আইনসভার নির্বাচিত নারী সদস্যদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত গ্যাবার্ড ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় সমিতির উপ-সভাপতি ছিলেন।

গ্যাবার্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের কারণে সৃষ্ট বহিঃরাষ্ট্রীয় যুদ্ধসমূহের (যেমন ইরাক যুদ্ধসমূহ, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ, ইত্যাদি) ঘোর বিরোধী। তিনি ২০২০ সালে মার্কন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভের লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরীণ দৌড়ে অংশ নিচ্ছেন।

জীবন[সম্পাদনা]

মার্কিন সামোয়া দ্বীপে ১৯৮১ সালের ১২ই এপ্রিল টালসি গ্যাবার্ডের জন্ম হয়। তার যখন দুই বছর বয়স তখন তারা সপরিবারে হাওয়াই দ্বীপে চলে যান। তিনি একটি বহুসাংস্কৃতিক পরিবারে বড় হন। তার পিতামাতা পূর্বে খ্রিস্টান ছিলেন। তার বাবা সামোয়ান ও ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এবং ক্যাথলিক গির্জার সক্রিয় সদস্য। তার মা জার্মান বংশোদ্ভূত। যিনি জন্মগ্রহণ করেন আমেরিকার ইন্ডিয়ানা রাজ্যের ডিসকুরে। টালসি গ্যাবার্ডের মা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ছিলেন এবং পরে তার পিতা ও তার মাকে অনুসরণ করে। তার পিতার মন্ত্র, ধ্যান ও স্তবে খুব আগ্রহ ছিল।[২] তিনি তার পিতামাতার চতুর্থ মেয়ে। তার চার ভাই ও এক বোন। তার মার প্রভাবের কারণে তারা হিন্দু ধর্মের অনুসারী।এই দম্পতির পাঁচ সন্তানের নাম হল: ভক্তি, জয়, আরিয়ান, টালসি (তুলসী) ও বৃন্দাবন। টালসি গ্যাবার্ডের মা, প্রতিদিন ভগবত গীতা পড়তেন এবং শিশুদের এর গুরুত্ব বোঝান। টালসি পাঁচ সন্তানের মধ্যে ভগবত গীতার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। কিশোরী অবস্থায় তিনিও তার মায়ের মত হিন্দুধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।[৩] তিনি গৌড়ীয় বৈষ্ণবমতঅনুসরণ করেন ও তিনি নিরামিষভোজী।[৪] বৈষ্ণব হিন্দু হিসেবে তিনি বিষ্ণুর অবতার ও রামায়ণ সম্পর্কে জানেন। তিনি মহাভারতকে গ্রহণ করেছিলেন। এই মহান গ্রন্থগুলির টালসি গ্যাবার্ডের মনের উপর দুর্দান্ত প্রভাব রয়েছে।তিনি ভাগবত গীতাকে একটি আধ্যাত্মিক নির্দেশিকা হিসাবে প্রশংসা করেন।[৫] গ্যাবার্ড নিজেকে একজন কর্মী যোগী হিসাবে বর্ণনা করেছেন।[৬] তিনি ২০১৩ সালে প্রথম হিন্দু হিসেবে হিন্দুদের ধর্মীয় গ্রন্থ ভগবদ্গীতায় হাত রেখে মার্কিন সেনেটে শপথ গ্রহণ করেন।২০১৫ সালে হাওয়াইয়ে তিনি চলচ্চিত্রগ্রাহক এব্রাহাম উইলিয়ামসকে বৈদিক রীতিতে বিয়ে করেন।

ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর মেজর পদে পদোন্নতি অনুষ্ঠানে গ্যাবার্ড

অল্প বয়সেই তিনি তার বাবাকে ব্যবসায় একটু সাহায্য করছিলেন। মার্শাল আর্ট তার প্রিয় ছিল। ধারনা নিয়ে দ্বিধা তার মনকে কঠোর করে। তিনি শরীরচর্চায় সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছিলেন। তিনি আনন্দের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সময় দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তার সামাজিক সেবা করতে ভালবাসতেন ।হাওয়াইয়ে তিনি অধ্যয়ন করেন।২ বছর তিনি ফিলিপাইনের হাই স্কুলে পড়েন।[৭] হাওয়াইয়ের প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্নাতক করেন।[৮] ২০০২ সালে একুশ বছর বয়সে হাওয়াই আইন পরিষদের কনিষ্ঠতম সদস্য নির্বাচিত হন।[৯] তিনি আমেরিকান সেনাতে যোগদান করেন।[১০] ২০০৪ সালে তিনি ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়েছিলেন ।[১১] এক বছরের জন্য সেনাবাহিনীর সাথে কাজ করেছিলেন এবং সৈন্যদের সাথে ফিরে এসেছিলেন।সেখান থেকে ফিরে আসার পর তাকে সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ।যা তিনি সেনা কর্মকর্তাদের বাইরে প্রথম অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তিনি কুয়েতের যুদ্ধে যান।[১২] কুয়েতের সৈনিকরা তার বীরত্ব , সাহস এবং সময় সচেতনতা দেখে প্রভাবিত হয়েছিল ।তারা তাকে পুরস্কৃত করেছিল। কুয়েতের ইতিহাসে তার পাওয়া এ পুরস্কার প্রথম বার কোন মহিলার সাহসিকতার জন্য প্রাপ্ত পুরস্কার ছিল।

রাজনৈতিক ক্ষেত্র[সম্পাদনা]

আমেরিকায় নরেন্দ্র মোদীর সাথে তুলসীর সাক্ষাত

২০১০ সালে হনলুলু শহর কাউন্সিল নির্বাচনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস নির্বাচনে জিতেন।[১৩][১৪] এটি একটি রেকর্ড। ৩১ বছর বয়সে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেওয়া প্রথম হিন্দু নারী ছিলেন। উপরন্তু ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত দুজন নারীর একজন যার সামরিক পটভূমি আছে । প্রথম হিন্দু সাংসদ হিসেবে তিনি গীতায় হাত রেখে শপথ নেন।ভারতীয় বংশোদ্ভূত ববি জিন্দাল এবং নিকি হেলি ও সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু সম্ভবত অনেকে জানেন না যে হিন্দু ববি ও শিখ নিকি উভয়ই খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ববি তার ভারতীয় উত্স ধর্ম ত্যাগ করেন। কিন্তু তুলসী এতে সম্পূর্ণভাবে অসম্মতি প্রকাশ করেন।[১৫]

"যখন আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলাম, কেউ তখন জিজ্ঞেস করলো না কোন ধর্মের ছিলাম এবং এখন কেন এটা এখন করা হবে?"

এ কারণে আমেরিকায় আজকের হিন্দুরা তার কাছাকাছি।[১৬]

তিনি সোজা এবং সাহসী। তিনি নরেন্দ্র মোদীর ভিসা বাতিলের বিরোধিতা করেন ।তিনি বলেন যে আমেরিকা একটি বড় ভুল করছে ও তিনি ইসলামিক সন্ত্রাসীদের বিরোধিতা করেন।[১৭] । এমনকি তিনি সংসদে গিয়েছিলেন। তিনি অন্য দেশগুলির সাথে যুদ্ধের জোরালোভাবে বিরোধিতা করেছিলেন। সেপ্টেম্বরে যখন নরেন্দ্র মোদী মেডিসন স্কোয়ারে আসেন তখন তুলসীর সাথে দেখা করেন। তিনি ভারতে আসার জন্য তাকে আমন্ত্রণ করেছিলেন। নভেম্বরে নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি আবার নির্বাচিত হন।

তিনি ট্রান্স-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন।[১৮] তিনি অনুরোধ করেছিলেন যেন গ্লাস-স্টেগাল অ্যাক্ট পুনরুদ্ধার করা হয়।[১৯] ২০১২ সালে একই লিঙ্গের বিয়েকে সমর্থন করেন।[২০][২১] তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী নীতির সমালোচনা করে লিবিয়া, ইরাক এবং সিরিয়া যুদ্ধের ফলাফলগুলিকে "ব্যর্থতা" হিসাবে বিবেচনা করেন।[২২] পরের দেশের ব্যাপারে তিনি সিরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান বাশার আল-আসাদকে বাধ্য করার বিরোধিতা করেছেন।[২৩]

ভগবত গীতা তাঁর জীবনে[সম্পাদনা]

ভগবত গীতার শিক্ষায় তার হৃদয় থেকে উদ্ভূত হয় সাহস, শান্তি, সান্ত্বনা, ধৈর্য ও সামাজিক সেবা ।তার মতে

"আমার জীবনের অনুপ্রেরণা এবং সাহসের উৎস ভগবত গীতা।"

ভক্তিযোগ এবং কর্মযোগ অধ্যায় তার প্রিয় হলেও, সাংখ্য়‌যোগের ২৩ তম শ্লোকটি তার খুব প্রিয়।[২৪] তা হল:

নৈনং ছিন্দন্তি শস্ত্রাণি নৈনং দহতি পাবকঃ ।

ন চৈনং ক্লেদয়ন্ত্যাপো ন শোষয়তি মারুতঃ ॥

অর্থ: আত্মাকে অস্ত্রের দ্বারা কাটা যায় না আগুনে পোড়ান যায় না জলে ভেজান যায় না অথবা হাওয়ায় শুকানোও যায় না।[২৫]

ব্যক্তিত্বের বিবর্তন মূলত কিভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তার জীবন তা গ্রহণ করেছে।এর ফলাফল তার সাফল্য ।

ভারতে[সম্পাদনা]

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিনি প্রথমবারের মতো ভারতে আসেন আংটিবদলের পরে ।তিনি ভারতে এসে দেখা করেন নরেন্দ্র মোদি এবং অন্য অনেক ভারতীয় নেতাদের সাথে। বেঙ্গালুরুর 'মন্থন' এবং 'মিথিক সোসাইটি'দ্বারা যৌথভাবে নৃপুতুঙ্গা রোডে (পূর্বে 'সেনোতাফ রোড' নামে পরিচিত) 'মিথিক সোসাইটি হল অফ ফেম' তে অনুষ্ঠিত "তুলসীর কথোপকথন প্রোগ্রাম"টি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।[২৬]

২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন[সম্পাদনা]

টালসি গ্যাবার্ডের ২০২০ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রচারণা লোগো

২০১৬ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন ছিলেন একজন শক্তিশালী প্রার্থী। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে জয় পান । ২০১৬ সালের নির্বাচনের এক মার্কিন নারী ভোটারের মতে, "আমি এমন একজন মহিলাকে চান যিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতি হবেন কিন্তু তিনি হিলারি নন"। এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে আমেরিকার অনেক নারী হিলারির নির্বাচনে দাঁড়ানো নিয়ে খুশি ছিলেন না। কিন্তু তারা টালসিকে খুব পছন্দ করেছেন এবং ২০২০ সালের নির্বাচনে তিনি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী।[২৭] যদি তিনি জয়ী হন, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হিন্দু নারী রাষ্ট্রপতি হয়ে উঠবেন।তিনি ইরাক যুদ্ধের বিরোধী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি যুদ্ধ বিরোধী প্রচারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. USinPAC, March 29, 2016, Tulsi Gabbard. Retrieved May 21, 2017
  2. "Kamala Tulsi"Eisamay। ২০১৯-০১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ 
  3. "The Gabbards: Raising Hawaii's next political star (Part 1)"www.hawaiinewsnow.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ 
  4. "Tulsi Gabbard's Run for Congress Carries with it Many Hindu Hearts | Indo American News"web.archive.org। ২০১২-১১-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ 
  5. Service, Religion News Service Religion News (২০১২-১১-০২)। "Hawaii Democrat Poised To Be Elected First Hindu In Congress"HuffPost (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ 
  6. "the indian american contenders"newamericamedia.org। ২০১৯-০১-১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ 
  7. "Tulsi Gabbard's Run for Congress Carries with it Many Hindu Hearts | Indo American News"web.archive.org। ২০১২-১১-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  8. "About Tulsi Gabbard | Tulsi Gabbard - Fighting for the people."www.votetulsi.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  9. "The 10 biggest surprises of the conventions"Washington Post (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  10. "State legislator 'honored' to serve country | The Honolulu Advertiser | Hawaii's Newspaper"the.honoluluadvertiser.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  11. "Meet the Incoming Congressional Class Veterans"PBS NewsHour (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১২-১১-১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  12. "From Hawaii to the Hill | Washingtonian (DC)"Washingtonian (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৪-০৫-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  13. http://files.hawaii.gov/elections/files/results/2012/primary/histatewide.pdf
  14. http://files.hawaii.gov/elections/files/results/2012/general/histatewide.pdf
  15. Basu, Tanya (২০১৫-০৩-০৫)। "America Has its First Hindu in Congress—and She's Not of Indian Origin"The Atlantic (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  16. "Tulsi Gabbard becomes first Hindu-American in US Congress"newstrackindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  17. Balachandran, Manu; Balachandran, Manu। "Tulsi Gabbard, the first Hindu in US Congress, on Modi, Hinduism, and linking Islam to terror"Quartz India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  18. "Gabbard Comments Following TPP Finalized Agreement"Big Island Now | Gabbard Comments Following TPP Finalized Agreement (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  19. "Wall Street Reform | Tulsi Gabbard - Fighting for the people."www.votetulsi.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  20. "tulsi gabbards pivot lgbt issues not uncommon socially conservative democrats"washingtonpost.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৬ 
  21. । Celebrities Facts Gabbard Bio, Facts, Family https://www.celebsfacts.com/tulsi-gabbard/title=Tulsi Gabbard Bio, Facts, Family |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-০১  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  22. "Rep. Tulsi Gabbard of Hawaii says she will seek the 2020 Democratic nomination for president"washingtonpost.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৬ 
  23. "Presidential contender Tulsi Gabbard supports and criticizes Israel - American Politics - Jerusalem Post"www.jpost.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  24. "Vaishnava Congresswoman Tulsi Gabbard Aims for Servant Leadership"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৬ 
  25. "শ্রীমদ্ভগবদগীতা ২য় অধ্যায়: সাংখ্যযোগ-এর শ্লোক ও অনুবাদ: বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়..."www.anupamasite.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  26. "Tulsi lists challenges before U.S."The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। Special Correspondent। ২০১৪-১২-২২। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৫-০৫ 
  27. "ধর্মবিদ্বেষের শিকার মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম হিন্দু সদস্য টালসি গ্যাবার্ড"এইবেলা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]