চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

স্থানাঙ্ক: ২৩°২০′১৮″ উত্তর ৯০°৫৩′৫২″ পূর্ব / ২৩.৩৩৮২৫৯° উত্তর ৯০.৮৯৭৯০৯° পূর্ব / 23.338259; 90.897909
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট লোগো.jpg
একাডেমিক ভবন
স্থাপিত২০০৫
প্রতিষ্ঠাতাবাংলাদেশ সরকার
অধ্যক্ষইঞ্জিনিয়ার মোঃ আনিসুর রহমান
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
২০
শিক্ষার্থী২৫০০
অবস্থান
কচুয়া , চাঁদপুর

২৩°২০′১৮″ উত্তর ৯০°৫৩′৫২″ পূর্ব / ২৩.৩৩৮২৫৯° উত্তর ৯০.৮৯৭৯০৯° পূর্ব / 23.338259; 90.897909
সংক্ষিপ্ত নাম(চাঁপই)
ক্রীড়াফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, ভলিবল, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল

চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সরকারী পলিটেকনিকসমূহের একটি। এটি চাঁদপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে কচুয়া এলাকায় অবস্থিত। প্রথমে এই ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর জেলা শহরে স্থাপন করা হয়।[১] এটি ২০০৫ সালে মাত্র ৯৬ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে কারিগরি শিক্ষা প্রসারের জন্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সরকারীভাবে যাত্রা শুরু করে। ২০১০ সাল থেকে অন্যান্য পলিটেকনিক এর মত এখানেও দ্বিতীয় শিফট চালু হয়। বাংলাদেশ সরকার কারিগরি শিক্ষা প্রসার ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স পরিচালনার জন্য দেশের অন্যান্য সরকারি পলিটেকনিকের মত এটি স্থাপন করে।

বিবরণ[সম্পাদনা]

শুরুতে এটি সল্প সংখ্যক শিক্ষক এবং দুটি টেকনোলজি বিভাগ সিভিলকম্পিউটারকনস্ট্রাকশন নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তী বছর (২০০৬) আরো দুটি টেকনোলজি বিভাগ ইলেকট্রনিক্সরেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং যুক্ত হয়। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের প্রতিটি বিভাগে ৬০টি করে আসন নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এখানে বিভিন্ন সেমিস্টার এ মোট প্রায় ১৬০০ শিক্ষর্থী অধ্যয়ন করছে। ভর্তি যোগ্যতা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড নির্ধারণ করে।

এখানে টেকনোলজি ভিত্তিক শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা দেয়া হয়। এই ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ সিনিয়র শিক্ষকদের সহযোগীতার মাধ্যমে প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটের জন্য ক্লাস রুটিন তৈরি করেন। শিক্ষকরা সেই রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নিয়ে থাকে। এখানে শিক্ষকরা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত বিভিন্ন প্রকাশনীর বাংলা ভাষায় অনুবাদকৃত বইয়ের মাধ্যমে বোর্ড কর্তৃক প্রনালীত প্রবিধান অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেয়।

ক্যাম্পাস[সম্পাদনা]

ইনস্টিটিউটের ক্যাম্পাসের উত্তর ও দক্ষিণ দিকে পাঁচতলা বিশিষ্ট দুটি ভবন এবং পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দুইতলা দুটি ভবন রয়েছে। ভবন গুলোর ভিতরে রয়েছে ৫টি বড় ল্যাবরেটরি, অফিস রুম, লাইব্রেরী এবং ৩০০ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি অডিটোরিয়াম। এছাড়াও পশ্চিম পাশে একটি ছোট আকারের কোয়াটার রয়েছে।

সংগঠন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সমকাল দৈনিক পত্রিকা ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে, সংগ্রীহত করা হয়েছে ১২ই সেপ্টেম্বর ২০০৫