ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় বুলবুল
অত্যন্ত তীব্র ঘূর্ণিঝড় (আইএমডি স্কেল)
শ্রেণী ৩ (স্যাফির-সিম্পসন স্কেল)
Bulbul 2019-11-09 0742Z.jpg
৯ নভেম্বর উপকূলে আঘাত হানার আগে তীব্রতার শিখরে পৌঁছা ঘূর্ণিঝড় বুলবুল
গঠন৬ নভেম্বর ২০১৯ (2019-11-06)
বিলুপ্তি১২ নভেম্বর ২০১৯
(১১ নভেম্বর পরে অবশিষ্টাংশ কম)
সর্বোচ্চ গতি৩-মিনিট স্থিতি: ১৯৫ কিমি/ঘণ্টা (১২০ mph)
১-মিনিট স্থিতি: ১৯৫ কিমি/ঘণ্টা (১২০ mph)
Gusts: ২৩০ কিমি/ঘণ্টা (১৪৫ mph)
সর্বনিম্ন চাপ৯৭১ hPa (mbar); ২৮.৬৭ inHg
হতাহতমোট ৩৮
ক্ষয়ক্ষতি≥ $৩.২ বিলিয়ন
প্রভাবিত অঞ্চলমিয়ানমার, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ
২০১৯ ভারত মহাসাগরের উত্তরভাগে ঘূর্ণিঝড় মরসুমের অংশ

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় বুলবুল একটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়, যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে উপকূলে[১] শ্রেণি-২ হারিকেনের সমতুল্য তীব্রতায় আঘাত করে এবং এটি বাংলাদেশের জন্য বন্যা এবং ঝড়ের তীব্র ঝুঁকির সৃষ্টি করেছিল।[২][৩] নভেম্বরের গোড়ার দিকে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর জুড়ে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ক্রান্তীয় ঝড় মাতমের অবশিষ্টাংশ থেকে উদ্ভূত বুলবুল আস্তে আস্তে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসাবে তীব্র হয়ে ওঠে। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূমিভাগ অতিক্রম করে আন্দামান সাগরে পুনজূন্ম নেওয়া এখন পর্যন্ত চতুর্থ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়। তদতিরিক্ত, এটি হারিকেন ঝড়ের সমতুল্য শক্তি তৈরি করা দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়। এর পূর্বে এমন ঝড় দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ ১৯৬০ সালে।[৪]

নামকরণ[সম্পাদনা]

আরব সাগরবঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক (এসক্যাপ) এর ৮ সদস্যের প্যানেল সকলের সম্মতির ভিত্তিতে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম বছরের শুরুতেই নির্ধারণ করে থাকে। সে মতে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের নামকরণ প্রস্তাব করে পাকিস্তান[৫]

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

উত্তর আন্দামান সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের বুলবুলের উৎপত্তি ঘটে। ৫ নভেম্বর প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যা পরদিন অর্থাৎ ৬ তারিখ গভীর নিম্নচাপ এবং ৭ নভেম্বর দুপুরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। ঐদিন রাতেই এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।[৫]

গতিপথ[সম্পাদনা]

নিরক্ষীয় ঝড় মত্ম ১৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পুনঃশক্তি অর্জন। এটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা৷ ২৪ অক্টোবর ফিলিপাইন সাগরে মত্ম গঠিত হয়। ফিলিপাইন সাগরকে ঘূর্ণিঝড়ের আতুরঘর বলা হয়।[৬]

প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি[সম্পাদনা]

ভারত[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গ[সম্পাদনা]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পথ মানচিত্র

সন্ধ্যা ৬.৩০-র দিকে বুলবুল পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের পশ্চিম প্রান্তে ফ্রেজারগঞ্জ-সাগরদ্বীপ হয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভূখণ্ডে প্রবেশ করে।[৭] ভূমিভাগে প্রবেশে সময় ভারী বর্ষণ'সহ বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫-১৪০ কিলোমিটার। দক্ষিণ ২৪ পরগনাউত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুধু ঝড়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের ফলে বহু গাছ উড়রে ও ভেঙে পড়ে। গাছ পড়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বহু বাড়ি ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। বৃষ্টির জলে ধান ও সবজি চাষের খেত নষ্ট হয়। ঝড়বিধ্বস্ত এলাকায় ৬৬ টি বিদ্যুতের সাবস্টেশন বিগড়ে যায়।[৮] তার মধ্যে ৩০টি মেরামত করা হয় দ্রুত। প্রায় ২,০০০ টি মোবাইল টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত।[৮] টেলিকম সংস্থাগুলির দাবি, হাজারখানেক টাওয়ার সারানো হয় দ্রুততার সঙ্গে। মারা গিয়েছে বেশ কিছু গবাদি পশু। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি নদীবাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বুলবুলের দাপটে উত্তর ২৪ পরগনায় সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হিঙ্গলগঞ্জ, দুই সন্দেশখালি, হাসনাবাদ ও বসিরহাট-১ ব্লক।[৮] পূর্ব মেদিনীপুর জেলাও ঝড়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের জন্য কাঁথি, রামনগর, খেজুরি ও নন্দীগ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। শনিবার সকালেই বাংলাদেশে ঢুকে ক্রমশ শক্তি খোয়াতে খোয়াতে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বুলবুল। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ফলে নামখানায় হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে দুটি জেটি ভেঙে পড়ে। এই ঝড়ের ফলে পশ্চিমবঙ্গে ১১ জন মৃত্যু ঘটে।[৮] এই মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২ জন, কলকাতাতে ১ জন এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৩ জন নিহত হন। রাজ্য সরকার ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায় রাজ্যের ৬০ হাজার বাড়ি ও ৪.৬৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।[৮][৯] কলকাতা বিমানবন্দরের কার্যক্রম ১২ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।[১০] ঝড়ের জন্য কলকাতা বন্দরহলদিয়া বন্দরে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া জাতীয় জলপথ ১, জাতীয় জলপথ ৯৭-এ (সুন্দরবন জলপথ) পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী সকল জলযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কলকাতার দুই ব্যস্ত রেল স্টেশন হাওড়া জংশন এবং শিয়ালদহ জংশন থেকে সকল ট্রেন চলাচল কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনাউত্তর ২৪ পরগনা জেলা কলকাতাসহ আশপাশের শহর অঞ্চলের সবজির বড় জোগানদার। পশ্চিমবঙ্গ কৃষি দফতর সূত্রে জানা যায়, উত্তর ২৪ পরগনায় ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৬৮ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়। ধান-সবজির সঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয় পেঁপে গাছেরও। জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষির সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়, ক্যানিং, বাসন্তী, গোসাবা, জয়নগর, কুলতলি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে বাঁধাকপি, ফুলকপি, পালং, ক্যাপসিকাম বাইরে রফতানি শুরু হয়েছিল। চাষিরা ভাল দামও পাচ্ছিলেন। কিন্তু ঝড়ের দাপটের সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টিতে আনাজের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। কাকদ্বীপ, নামখানা ব্লক এলাকায় ৬০ শতাংশ পান বরজ নষ্ট হয়েছে বলে কৃষি দফতর জানায়।

হুগলি জেলায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়। দু’দিনের বৃষ্টি আমন ধানের জমি নষ্ট হয়। জেলা হাওড়ায় ধান চাষ হয়েছিল ৫৫ হাজার হেক্টর জমিতে। কৃষিকর্তারা জাননান, ঝড়-বৃষ্টিতে হুগলির চারটি মহকুমার অধিকাংশ চাষিরই ধান ও সবজির জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৃষ্টির জন্য পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চাষের জমিতে জল দাঁড়িয়ে যায়। পাঁশকুড়া ব্লকের মাইশোরা, কেশাপাট, গোবিন্দনগর, চৈতন্যপুর ১ ও ২, হাউর, ঘোষপুর, পাঁশকুড়া ১ ব্লক এলাকায় ফুল চাষও ক্ষতির মুখে পড়ে। শনিবারের বৃষ্টিতে সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে চন্দ্রমল্লিকা, দোপাটি ও গাঁদা ফুলের বাগানগুলি।

ছুটি ঘোষণা ৭ টি জেলার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি শনিবার বন্ধ থাকার ঘোষণা হয়েছিল এবং সোমবার যে সমস্ত সরকারি দপ্তর গুলিতে গ্রামবাসীরা আশ্রয় নিয়েছিল সেই প্রতিষ্ঠানগুলি শুধু বন্ধ ছিল।

ওড়িশা[সম্পাদনা]

ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব খুবই অল্প ছিলো। ভারতীয় রাজ্যটি ভারী বর্ষণ, গাছড়ে উপড়ে পড়া, কৃষিজ ক্ষতি, বিদ্যুৎ খুঁটি উপড়ে পড়া ইত্যাদির সম্মুখীন হয়। সেখানে কোন প্রাণহানি ঘটেনি।[১১]. বালাশোর জেলার ৩৫০ জন গ্রামবাসীকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।[১২]

বাংলাদেশ[সম্পাদনা]

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার রাজরাজেশ্বর চরের একটি পরিবার

বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে গাছ পড়ে, ঘর ধসে এবং অসুস্থতাজনিত কারণে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল চলমান সময়ে আট জন ব্যক্তির মৃত্যু সংবাদ পাওয়া যায়। অন্যদিকে পনেরো জন ব্যক্তি আহত হয়।[১৩] ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ৯, ১১ ও ১২ নভেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণীর পরীক্ষা, সকল জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।[১৪][১৫][১৬] বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ তিনটি সমুদ্রবন্দর ও সকল প্রকার নৌপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করে৷ [১৭] ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে সৃষ্ট বিরূপ আবহাওয়ার কারণে যশোর, বরিশাল, কক্সবাজার, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের সকল উড্ডয়ন বাতিল করা হয়।[১৮]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Cyclone Bulbul Live: Bulbul Cyclone crosses West Bengal coast"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১০ 
  2. Erdman, Jonathan (২০১৯)। "Tropical Cyclone Bulbul Targets Eastern India, Bangladesh With Flooding Rain, Storm Surge, Winds"TWC India। TWC India। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  3. "Cyclone Bulbul: 5 to 7 feet high storm surge may hit coastal areas"The Daily Star। ৮ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  4. "Tropical Cyclone Matmo is reborn as Bulbul"Aljazeera। ৮ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  5. "ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: শক্তিশালী হয়ে ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে"বিবিসি বাংলা। ঢাকা। ৮ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  6. "Tropical Cyclone Matmo is reborn as Bulbul"। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১৯ 
  7. "সুন্দরবনেই আছড়ে পড়ল ভয়াল বুলবুল, তাণ্ডব চলবে ভোররাত পর্যন্ত, ঢুকবে বাংলাদেশেও"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ৯ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৯ 
  8. "১১ প্রাণ নিয়ে বাংলাদেশে বুলবুল, শক্তি খুইয়ে পরিণত গভীর নিম্নচাপে"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১১ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৯ 
  9. "Cyclone Bulbul: 7 killed, normal life disrupted in West Bengal"। liveMint। নভেম্বর ১০, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১০, ২০১৯ 
  10. "Cyclone 'Bulbul': Operations at Kolkata airport suspended for 12 hrs"। The Daily Star। নভেম্বর ৯, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  11. "Cyclone Bulbul kills man in Kolkata, brings heavy rain to Odisha"। Times of India। নভেম্বর ৯, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১০, ২০১৯ 
  12. "Cyclone 'Bulbul': Around 350 people take shelter at Baleswar district in Odisha"। Deccan Chronicle। নভেম্বর ১০, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১০, ২০১৯ 
  13. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bdnews1 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  14. "Cyclone Bulbul forces rescheduling of Saturday's JSC, JDC, National University exams"। bdnews24.com। নভেম্বর ৮, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  15. "JSC, JDC exams on Nov 11 rescheduled due to cyclone Bulbul"। Dhaka Tribune। নভেম্বর ৯, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  16. "Cyclone Bulbul: Tuesday's JSC, JDC exams rescheduled"। Dhaka Tribune। নভেম্বর ১০, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১১, ২০১৯ 
  17. "Bangladesh suspends maritime port operations, water transport as cyclone nears"। bdnews24.com। নভেম্বর ৯, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  18. "Flights to and from Cox's, Ctg, Barisal, Jashore cancelled for 14hrs for 'Bulbul'"। The Daily Star। নভেম্বর ৯, ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]