গোকুল মেধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গোকুল মেধ
বেহুলার বাসর ঘর
বৌদ্ধ বিহার
লক্ষিন্দরের মেধ বা গোকুল মেধ
লক্ষিন্দরের মেধ বা গোকুল মেধ
গোকুল মেধ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোকুল মেধ
গোকুল মেধ
স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৬′০৯.৯″ উত্তর ৮৯°২০′১০.১″ পূর্ব / ২৪.৯৩৬০৮৩° উত্তর ৮৯.৩৩৬১৩৯° পূর্ব / 24.936083; 89.336139স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৬′০৯.৯″ উত্তর ৮৯°২০′১০.১″ পূর্ব / ২৪.৯৩৬০৮৩° উত্তর ৮৯.৩৩৬১৩৯° পূর্ব / 24.936083; 89.336139
দেশবাংলাদেশ বাংলাদেশ
স্থানশিবগঞ্জ, বগুড়া
সময়কালখ্রিস্টীয় ৪র্থ থেকে ১১শ শতক

গোকুল মেধ বগুড়া সদর থানার অন্তর্গত গোকুল গ্রামে খননকৃত একটি প্রত্নস্থল। স্থানীয়ভাবে এটি বেহুলার বাসর ঘর নামেই বেশি পরিচিত। অনেকে একে লক্ষ্মীন্দরের মেধ বলে থাকে।[১] এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

অবস্থান[উৎস সম্পাদনা]

মহাস্থানগড় বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২ কি.মি দক্ষিণ পশ্চিমে গোকুল নামক গ্রাম এবং গোকুল, রামশহর ও পলাশবাড়ি গ্রাম তিনটির সংযোগ স্থলে এটি অবস্থিত।

ইতিহাস[উৎস সম্পাদনা]

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তররের মতে আনুমানিক খৃস্টাব্দ ৭ম শতাব্দি থেকে ১২শ শতাব্দির মধ্যে এটা নির্মিত হয়। বলা হয়ে থাকে এখানে বেহুলার বাসর হয়েছিল। যা সেন যুগের অনেক পূর্বেকার ঘটনা। তবে বর্তমান গবেষকদের মতে এমনুমেন্ট ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খৃস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৈদ্যমঠ। এখানে বহু গর্তযুক্ত একটি ছোট প্রস্তর খন্ডের সঙ্গে ষাঁড়ের প্রতিকৃতি একটি স্বর্ণ পত্র পাওয়া গিয়েছিল। এ থেকে ধারণা করা হয়, এটি একটি বর্গাকৃতির শীব মন্দির ছিলো।[২] বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতাহিউয়েন সাং তাদের ভ্রমণ কাহিনীতে এটাকে বৌদ্ধ মঠ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলে জানা যায়। আবার কোনো কোনো ঐতিহাসিক গ্রন্থে এই মেধকে একটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি নির্মাণ করা হয়েছিল পৌণ্ড্রবর্ধন রাজধানীকে বাইরের শত্রু থেকে রক্ষা করার জন্য।[৩]

অবকাঠামো[উৎস সম্পাদনা]

ইস্টক নির্মিত এ স্ত্তপটি পূর্ব পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ। এখানে ত্রিকোন বিশিষ্ট ১৭২ টি কক্ষ আছে। এ কক্ষগুলোর দেখতে বেশ অস্বাভাবিক এবং এলোমেলো বুনিয়াদ এর বোধগম্যতাকে আরো দুর্বোধ করে তোলে। এই স্ত্তপটিই বাসর ঘর নয়। এই স্ত্তপটির পশ্চিম অংশে আছে বাসর ঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্ব অংশে রয়েছে ২৪ কোন বিশিষ্ট চৌবাচ্চাসদৃশ একটি স্নান ঘর। উক্ত স্নান ঘরের মধ্যে ছিল ৮ ফুট গভীর একটি কুপ। কুপটিতে বেহুলা লক্ষ্মীন্দর মধুনিশি যাপনের পর কুপের ক্ষিতজলে স্নান করে তাতে শুদ্ধতা লাভ করতে সক্ষম হতেন।[৪]

চিত্রশালা[উৎস সম্পাদনা]

আরও দেখুন[উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

  1. আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া; প্রশ্নোত্তরে বাঙলাদেশের প্রত্নকীর্তি (প্রথম খন্ড); ঝিনুক প্রকাশনী; তৃতীয় মুদ্রণঃ মার্চ ২০১৩; পৃষ্ঠা-১৬২-১৬৪, ISBN 984- 70112-0112-0
  2. "গোকুল মেধ"। বাংলাপিডিয়া। 
  3. "দেখা হয় নাই গোকুল মেধ" গোকুল মেধ
  4. "গোকুল মেধ (বেহুলার বাসরঘর)- - Sadar Upazilla - বগুড়া সদর উপজেলা" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]