বিষয়বস্তুতে চলুন

কেনিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কেনিয়া
দলের লোগো
ডাকনামহারাম্বি তারা
অ্যাসোসিয়েশনকেনিয়া ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচজেকব মুলি
অধিনায়কভিক্টর ওয়ানিয়ামা
সর্বাধিক ম্যাচমাইক ওরিগি (১২০)
শীর্ষ গোলদাতাডেনিস ওলিয়েচ (৩৪)
মাঠমোই আন্তর্জাতিক স্পোর্টস সেন্টার
ফিফা কোডKEN
ওয়েবসাইটfootballkenya.org
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
তৃতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১১০ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ৬৮ (ডিসেম্বর ২০০৮)
সর্বনিম্ন১৩৭ (জুলাই ২০০৭)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১১৮ হ্রাস ৭ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ৬০ (নভেম্বর ১৯৮৩)
সর্বনিম্ন১৪০ (আগস্ট ২০১১)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 কেনিয়া ১–১ উগান্ডা 
(নাইরোবি, কেনিয়া; ১ মে ১৯২৬)
বৃহত্তম জয়
 কেনিয়া ১০–০ জাঞ্জিবার 
(নাইরোবি, কেনিয়া; ৪ অক্টোবর ১৯৬১)
বৃহত্তম পরাজয়
 কেনিয়া ২–১২ ঘানা 
(নাইরোবি, কেনিয়া; ১২ ডিসেম্বর ১৯৬৫)[]
আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ৬ (১৯৭২-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (১৯৭২, ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯২, ২০০৪, ২০১৯)

কেনিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Kenya national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে কেনিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম কেনিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেনিয়া ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৬০ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬১ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯২৬ সালের ১লা মে তারিখে, কেনিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত কেনিয়া এবং উগান্ডার মধ্যকার উক্ত ম্যাচটি ১–১ গোলে ড্র হয়েছে।

৬০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট মোই আন্তর্জাতিক স্পোর্টস সেন্টারে হারাম্বি তারা নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন জেকব মুলি এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন মন্ট্রিয়লের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ভিক্টর ওয়ানিয়ামা

কেনিয়া এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। । অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে কেনিয়া এপর্যন্ত 7 বার অংশগ্রহণ করেছে, যার প্রত্যেকবার তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করতে পেরেছে।

মুসা ওতিয়েনো ওনগাও, ডেনিস ওলিয়েচ, টাইটাস মুলামা, মাইক ওরিগি এবং চেগে উমার মতো খেলোয়াড়গণ কেনিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে কেনিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৬৮তম) অর্জন করে এবং ২০০৭ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৩৭তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে কেনিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৬০তম (যা তারা ১৯৮৩ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৪০। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১০৮অপরিবর্তিত  গুয়াতেমালা১১৮৯.৯৮
১০৯অপরিবর্তিত  মাদাগাস্কার১১৮৭.৬৩
১১০অপরিবর্তিত  কেনিয়া১১৮১.৯২
১১১অপরিবর্তিত  মোজাম্বিক১১৮০.৭২
১১২অপরিবর্তিত  কঙ্গো১১৭৯.৮
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১১৬হ্রাস ২৬  এস্তোনিয়া১৩৬৩
১১৭বৃদ্ধি  কুয়েত১৩৬২
১১৮হ্রাস  কেনিয়া১৩৫০
১১৮বৃদ্ধি ২২  মালাউই১৩৫০
১২০বৃদ্ধি ১৩  তানজানিয়া১৩৪৯

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪উত্তীর্ণ হয়নি
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬১০
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪
ফ্রান্স ১৯৯৮১৩১৪
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২
জার্মানি ২০০৬১২১৩১৮
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০১২১৩১৬
ব্রাজিল ২০১৪১১
রাশিয়া ২০১৮
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১৬৮২৩১৫৩০৭৮৯২

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  3. Courtney, Barrie। "Kenya International matches"। Rec.Sport.Soccer Statistics Foundation। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০০৭

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]