বিষয়বস্তুতে চলুন

তানজানিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তানজানিয়া
দলের লোগো
ডাকনামতাইফা তারা
অ্যাসোসিয়েশনতানজানিয়া ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচএতিয়েন এনদায়িরাগিয়ে
অধিনায়কএমবোয়ানা সামাত্তা
সর্বাধিক ম্যাচম্রিশো এনগাসা (১০০)
শীর্ষ গোলদাতাম্রিশো এনগাসা (২৫)
মাঠতানজানিয়া জাতীয় স্টেডিয়াম
ফিফা কোডTAN
ওয়েবসাইটtff.or.tz
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
তৃতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১২১ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ৬৫ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫)
সর্বনিম্ন১৭৫ (অক্টোবর–নভেম্বর ২০০৫)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১২০ বৃদ্ধি ১৩ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ৭৫ (নভেম্বর ১৯৭৯)
সর্বনিম্ন১৬৮ (ডিসেম্বর ২০০৪)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 উগান্ডা ৭–০ তাঙ্গানিকা 
(উগান্ডা; ১৯৪৫)
বৃহত্তম জয়
 তানজানিয়া ৭–০ সোমালিয়া 
(জিঞ্জা, উগান্ডা; ১ ডিসেম্বর ১৯৯৫)
 তানজানিয়া ৭–০ সোমালিয়া 
(কাম্পালা, উগান্ডা; ১ ডিসেম্বর ২০১২)
বৃহত্তম পরাজয়
 তাঙ্গানিকা ০–৯ কেনিয়া 
(তাঙ্গানিকা; ১৯৫৬)
আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ২ (১৯৮০-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (১৯৮০, ২০১৯)

তানজানিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Tanzania national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তানজানিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম তানজানিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তানজানিয়া ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৬৪ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬৫ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে।[] ১৯৪৫ সালে, তানজানিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; উগান্ডায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে তানজানিয়া তাঙ্গানিকাকে ৭–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

৬০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট তানজানিয়া জাতীয় স্টেডিয়ামে তাইফা তারা নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় তানজানিয়ার রাজধানী দারুস সালামে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন এতিয়েন এনদায়িরাগিয়ে এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন ফেনারবাহচের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় এমবোয়ানা সামাত্তা

তানজানিয়া এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে তানজানিয়া এপর্যন্ত ২ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার প্রত্যেকবার তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিল।

এরাস্তো নিয়োনি, কেলভিন ইয়োন্দানি, শোমারি কাপোম্বে, এমবোয়ানা সামাত্তা এবং ম্রিশো এনগাসার মতো খেলোয়াড়গণ তানজানিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তানজানিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৬৫তম) অর্জন করে এবং ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৭৫তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে তানজানিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৭৫তম (যা তারা ১৯৭৯ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৬৮। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১১৯অপরিবর্তিত  কোমোরোস১১৫৬.৪৫
১২০অপরিবর্তিত  লিবিয়া১১৫৫.২৩
১২১অপরিবর্তিত  তানজানিয়া১১৫৫.১৯
১২২অপরিবর্তিত  এস্তোনিয়া১১৪৯.৭
১২৩অপরিবর্তিত  মালাউই১১৪৯.৪
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১১৮হ্রাস  কেনিয়া১৩৫০
১১৮বৃদ্ধি ২২  মালাউই১৩৫০
১২০বৃদ্ধি ১৩  তানজানিয়া১৩৪৯
১২১হ্রাস ১৭  বেনিন১৩৪৮
১২১হ্রাস  বতসোয়ানা১৩৪৮

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪উত্তীর্ণ হয়নি
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮প্রত্যাহারপ্রত্যাহার
স্পেন ১৯৮২উত্তীর্ণ হয়নি
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪প্রত্যাহারপ্রত্যাহার
ফ্রান্স ১৯৯৮উত্তীর্ণ হয়নি
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২
জার্মানি ২০০৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০
ব্রাজিল ২০১৪১০১৪
রাশিয়া ২০১৮১০
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১৩৩১০১৬৩৫৫০

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  3. East African Standard. 20 November 1965.

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]