কাইল হোপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাইল হোপ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকাইল অ্যান্টোনিও হোপ
জন্ম (1988-11-20) ২০ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ৩২)
সেন্ট মাইকেল পারিশ, বার্বাডোস
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকামাঝারিসারির ব্যাটসম্যান
সম্পর্কএসডি হোপ (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩১২)
১৭ আগস্ট ২০১৭ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৯ অক্টোবর ২০১৭ বনাম জিম্বাবুয়ে
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৯)
৩০ জুন ২০১৭ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ বনাম নিউজিল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০১০ - ২০১৩বার্বাডোস
২০১১ - ২০১৫কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস
২০১৫ - বর্তমানত্রিনিদাদ ও টোবাগো
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩৭ ২৮
রানের সংখ্যা ৪১ ১৩৩ ১৮৫৬ ৮৩৫
ব্যাটিং গড় ৬.৮৩ ৩৩.২৫ ২৯.৪৬ ৩২.১১
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ২/১০ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ২৫ ৪৬ ১০৫* ১০৭
বল করেছে ১২
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং -/- -/- -/- -/-
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/– ১/– ৩১/– ১৪/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৮ অক্টোবর ২০২০

কাইল অ্যান্টোনিও হোপ (ইংরেজি: Kyle Hope; জন্ম: ২০ নভেম্বর, ১৯৮৮) সেন্ট মাইকেল পারিশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি। ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস, বার্বাডোস ট্রাইডন্টস, কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস ও কলেজেস সাগিকর হাই পারফরম্যান্স সেন্টার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন কাইল হোপ। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

২০১০ সাল থেকে কাইল হোপের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রয়েছে। প্রথম চার মৌসুমে ১২ খেলায় ১৯.৯০ গড়ে রান তুলে বার্বাডোস দল ছেড়ে চলে যান। দুই মৌসুম প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার পর ২০১৫-১৬ মৌসুমে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পক্ষে খেলতে নামেন। এর মাধ্যমে তার নবজাগরণ ঘটে। প্রথম মৌসুমেই তিনি চারটি অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন। ২০১৬-১৭ মৌসুমেও এ ধারা অব্যাহত রাখেন। স্থান পরিবর্তন করে শীর্ষসারিতে খেলতে নামেন। চারদিনের খেলায় ৪৯.৯২ গড়ে ৬৪৯ রান তুলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। তন্মধ্যে, উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন।

সেন্ট মাইকেল পারিশে জন্মগ্রহণকারী কাইল হোপ বার্বাডোসের কুইন্স কলেজ ও দ্য লজ স্কুলে পড়াশুনো করেছেন।[১] ২০০৯-১০ মৌসুমের রিজিওন্যাল ফোর ডে কম্পিটিশন প্রতিযোগিতায় বার্বাডোসের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তী তিন বছর অবশ্য অনিয়মিতভাবে অংশ নিতেন।[২] এক পর্যায়ে দূর্বল ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করলে ২০১৩-১৪ মৌসুমে দল ত্যাগ করেন। অবশ্য পরের বছর ২০১৪-১৫ মৌসুমের রিজিওন্যাল সুপার৫০ প্রতিযোগিতায় কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেসের সদস্যরূপে খেলেন।[৩] এরপূর্বে অবশ্য ২০১১ ও ২০১২ সালের ক্যারিবীয়ান টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় ঐ দলের পক্ষে খেলেছিলেন।[৪]

২০১৫-১৬ মৌসুমে দল পরিবর্তন করে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে চলে যান। ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সালের পর প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ফিরে আসেন।[২] তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা শাই হোপ পেশাদার ক্রিকেটার ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে উইকেট-রক্ষক হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছে।[৫]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন কাইল হোপ। ১৭ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে বার্মিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৯ অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে বুলাওয়েতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওডিআই দলে খেলার জন্যে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনটি ওডিআইয়ের প্রত্যেকটিতেই ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন তিনি। প্রত্যেকবারই ভালোভাবে যাত্রা শুরু করলেও কোন ইনিংসকেই অর্ধ-শতকে পরিণত করতে পারেননি কাইল হোপ।

জুন, ২০১৭ সালে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজকে ঘিরে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৬] ৩০ জুন, ২০১৭ তারিখে নর্থ সাউন্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে তার অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়।[৭]

টেস্ট অভিষেক[সম্পাদনা]

পরের মাসে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে ঠাঁই দেয়া হয়।[৮] ১৭ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে বার্মিংহামে সিরিজের প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্টে তার অভিষেক হয়।[৯]

নভেম্বর, ২০১৯ সালে রিজিওন্যাল সুপার৫০ প্রতিযোগিতায় ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।[১০] জুন, ২০২০ সালে বার্বাডোস দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ২০২০-২১ মৌসুমকে ঘিরে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ কর্তৃপক্ষ তাকে খসড়া তালিকায় রাখে।[১১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. West Indies / Players / Kyle Hope – ESPNcricinfo. Retrieved 28 December 2015.
  2. First-class matches played by Kyle Hope – CricketArchive. Retrieved 28 December 2015.
  3. List A matches played by Kyle Hope – CricketArchive. Retrieved 28 December 2015.
  4. Twenty20 matches played by Kyle Hope – CricketArchive. Retrieved 28 December 2015.
  5. West Indies / Players / Shai Hope – ESPNcricinfo. Retrieved 28 December 2015.
  6. "Kyle Hope, Ambris earn maiden ODI call-ups"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৭ 
  7. "India tour of West Indies, 3rd ODI: West Indies v India at North Sound, Jun 30, 2017"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৭ 
  8. "Roach returns, Reifer picked for England tour"। ESPNcricinfo। ১৫ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৭ 
  9. "1st Test (D/N), West Indies tour of England at Birmingham, Aug 17–21 2017"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৭ 
  10. "Spinner Khan is T&T Red Force Super50 skipper"Trinidad and Tobago Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৯ 
  11. "Ashmead Nedd joins Leeward Hurricanes in 2020/2021 Professional Players Draft"Cricket West Indies। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]