আলোকবিজ্ঞান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আলোকবিজ্ঞান (প্রাচীন গ্রিকে ὀπτική - চেহারা অথবা দেখা) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যা আলোর আচরণ, বৈশিষ্ট্যাবলী এবং বস্তুর সঙ্গে আলোর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া বর্ণনা করে। আলোকবিদ্যা আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা ব্যাখ্যা করে।

আলোকবিজ্ঞান সাধারণত দৃশ্যমান, অবলোহিত, এবং অতিবেগুনী আলোর আচরণ বর্ণনা করে; যেহেতু আলো একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ, অনুরূপ ঘটনা রঞ্জন রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ, বেতার তরঙ্গ, এবং তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের অন্যান্য রূপেও ঘটে। সুতরাং আলোকবিজ্ঞানকে তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্বের একটি শাখা ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা যায়। কিছু আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা কোয়ান্টাম প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল যা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের সঙ্গেও আলোকবিজ্ঞানকে যুক্ত করে। প্রকৃতপক্ষেে, আলোক সম্বন্ধীয় ঘটনার একটি বিশাল সংখ্যা আলোর তড়িৎ-চুম্বকীয় ধর্ম ব্যবহার করে ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণের দ্বারা ব্যাখ্যা করা সম্ভব।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নিমরুদ লেন্স যা বর্তমানে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে অবস্থিত।

আলোকবিজ্ঞান প্রাচীন মিশরীয় এবং মেসোপটেমিয়ানদের দ্বারা লেন্স এর উন্নতিসাধনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। সবচেয়ে প্রাচীন যে লেন্সের কথা জানা যায় তা পালিশ করা স্ফটিক ছিল,প্রায়ই কোয়ার্টজের। এশিরিয়-দেশিয় লায়ারদ/নিমরুদ লেন্স নামে পরিচিত [১] (খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০ অব্দ )। প্রাচীন গ্রীক এবং রোমানরা কাঁচের গোলক পানি দিয়ে পূর্ণ করে লেন্স তৈরী করত। এই ব্যবহারিক উন্নয়নসমুহ অনুসরণ করা হয় গ্রিক ও ভারতীয় দার্শনিকগণের আলো দৃষ্টি এর তত্ত্বীয় উন্নতি সাধন,এবং গ্রেকো-রোমানদের জ্যামিতিক আলোকবিদ্যার উন্নতি সাধন দারা। আলোকবিদ্যা শব্দটি এসেছে প্রাচীন গ্রীক শব্দ ὀπτική থেকে যার অর্থ " আবির্ভাব,দৃশ্য"। [২]

প্লেটো প্রথম আলোর নির্গমন তত্ত্ব গ্রন্থনা করেন,তার মতে চোখ থেকে নির্গত আলো দ্বারা দর্শন উপলব্ধি হয়। তিনি টিমিউস এর আয়নায় বিম্বের উল্টো সমতা সম্বন্ধেও মন্তব্য করেন।[৩] এর প্রায় শত বছর পরে,ইউক্লিড অপটিকস নামে একটি গ্রন্থ লিখেন। এ বইটিতে তিনি দৃষ্টির সাথে জ্যামিতির সম্পর্ক স্থাপন করেন আর সৃষ্টি হয় জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান।[৪] তিনি প্লেটোর নির্গমন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তাঁর কাজ চালিয়ে যান যেখানে তিনি আলোকদৃষ্টির গাণিতিক নিয়ম বর্ণনা করেন এবং আলোর প্রতিসরণের গুণগত ব্যাখ্যা করেন,যদিও কেউ যদি কখনো চোখ পিটপিট করে তাকায় তাহলে তার চোখ নিঃসৃত আলো দ্বারা কোন তারাকে তৎক্ষণাৎ উজ্জ্বল করা যাবে কিনা তা তিনি প্রশ্নের সম্মুখীন করেন।[৫] টলেমি, তার গ্রন্থ অপটিক্সে, একটি বহির্গমন-নির্গমন দৃষ্টি তত্ত্বের কথা বলেন : চোখ থেকে রশ্মি (বা ফ্লাস্ক) একটি শঙ্কু গঠন করে যার চূড়া হচ্ছে চোখের মধ্যে এবং তল হচ্ছে দর্শনক্ষেত্র। রশ্মিগুলো সংবেদনশীল এবং পৃষ্ঠতলের দূরত্ব আর দিকবিন্যাস সম্পর্কে পর্যবেক্ষকের কাছে তথ্য পরিবহন করত। তিনি ইউক্লিডের কাজের অনেক সারাংশ নিয়েছিলেন এবং প্রতিসরণ কোণ পরিমাপ করার একটি উপায় বের করেন যদিও তিনি আপতন কোণ এবং প্রতিসরণ কোণ এর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করতে ব্যর্থ হন।[৬]


হাতে লেখা ইবনে সাহল এর এই পাতাটি তাঁর প্রতিসরণের ওপর জ্ঞানের কথা বলছে, যা এখন স্নেলের সূত্র হিসেবে পরিচিত।

চিরায়ত আলোকবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

আসন্নতা[সম্পাদনা]

প্রতিফলন[সম্পাদনা]

প্রতিসরণ[সম্পাদনা]

ভৌত আলোকবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

ভৌতবিজ্ঞানের মাধ্যমে আলোর প্রক্রিয়ার মডেল[সম্পাদনা]

অপবর্তন এবং আলোর রেজ্যুলেশন[সম্পাদনা]

বিচ্ছুরণ[সম্পাদনা]

সমবর্তন[সম্পাদনা]

সমবর্তনের পরিবর্তন[সম্পাদনা]
প্রাকৃতিক আলো[সম্পাদনা]

আধুনিক আলোকবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

লেজার[সম্পাদনা]

কাপিট্সা ডিরাক ইফেক্ট[সম্পাদনা]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

মানুষের চোখ[সম্পাদনা]

ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট[সম্পাদনা]

আলো সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি[সম্পাদনা]

ফটোগ্রাফি[সম্পাদনা]

বায়ুমণ্ডলীয় আলোকবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "World's oldest telescope?"। BBC News। জুলাই ১, ১৯৯৯। সংগৃহীত Jan ৩, ২০১০ 
  2. T. F. Hoad (১৯৯৬)। The Concise Oxford Dictionary of English Etymologyআইএসবিএন 0-19-283098-8 
  3. T. L. Heath (২০০৩)। A manual of greek mathematics। Courier Dover Publications। পৃ: 181–182। আইএসবিএন 0-486-43231-9 
  4. William R. Uttal (১৯৮৩)। Visual Form Detection in 3-Dimensional Space। Psychology Press। পৃ: 25–। আইএসবিএন 978-0-89859-289-4 
  5. Euclid (১৯৯৯)। Elaheh Kheirandish, সম্পাদক। The Arabic version of Euclid's optics = Kitāb Uqlīdis fī ikhtilāf al-manāẓir। New York: Springer। আইএসবিএন 0-387-98523-9 
  6. Ptolemy (১৯৯৬)। A. Mark Smith, সম্পাদক। Ptolemy's theory of visual perception: an English translation of the Optics with introduction and commentary। DIANE Publishing। আইএসবিএন 0-87169-862-5