২০০৩–০৪ বুন্দেসলিগা
| মৌসুম | ২০০৩–০৪ |
|---|---|
| তারিখ | ১ আগস্ট ২০০৩ – ২২ মে ২০০৪ |
| চ্যাম্পিয়ন | ভেয়ার্ডার ব্রেমেন ৪র্থ বুন্দেসলিগা শিরোপা ৪র্থ জার্মান শিরোপা |
| অবনমন | কলন ১৮৬০ মিউনিখ আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট |
| চ্যাম্পিয়নস লীগ | ভেয়ার্ডার ব্রেমেন বায়ার্ন মিউনিখ বায়ার লেভারকুজেন |
| উয়েফা কাপ | স্টুটগার্ট বোখুম আলেমানিয়া আখেন |
| ইন্টারটোটো কাপ | বরুসিয়া ডর্টমুন্ড শালকে হামবুর্গার ভলফসবুর্গ |
| মোট খেলা | ৩০৬ |
| মোট গোলসংখ্যা | ৯০৯ (ম্যাচ প্রতি ২.৯৭টি) |
| শীর্ষ গোলদাতা | |
← ২০০২–০৩ ২০০৪–০৫ → | |
২০০৩–০৪ বুন্দেসলিগা জার্মানির পেশাদার ফুটবল লীগের শীর্ষ স্তর বুন্দেসলিগার ৪১তম মৌসুম ছিল। এই মৌসুমটি ২০০৩ সালের ১লা আগস্ট তারিখে শুরু হয়ে ২০০৪ সালের ২২শে মে তারিখে সম্পন্ন হয়েছিল।[১] বায়ার্ন মিউনিখের ব্রাজিলীয় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় জে রোবের্তো এই মৌসুমের প্রথম গোল করেছিলেন।[২]
বায়ার্ন মিউনিখ বুন্দেসলিগার পূর্ববর্তী আসরের চ্যাম্পিয়ন, যারা ২০০২–০৩ মৌসুমে ৭৫ পয়েন্ট অর্জন করে এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ১৭তম বারের মতো শিরোপা জয়লাভ করেছিল।
এই মৌসুমে ৭৪ পয়েন্ট অর্জন করে ভেয়ার্ডার ব্রেমেন ৪র্থ বারের মতো বুন্দেসলিগা এবং ৪র্থ বারের মতো জার্মান শিরোপা জয়লাভ করেছিল। ভেয়ার্ডার ব্রেমেনের ব্রাজিলীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় আইতোন ২৮ গোল করে এই মৌসুমের শীর্ষ গোলদাতার পুরস্কার জয়লাভ করেছিলেন।
প্রতিযোগিতার ধরন
[সম্পাদনা]প্রতিটি ক্লাব একে অপরের বিরুদ্ধে দুইটি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল; একটি নিজেদের মাঠে এবং অপরটি প্রতিপক্ষ দলের মাঠে। ক্লাবগুলো প্রতিটি জয়ের জন্য তিন পয়েন্ট এবং ড্রয়ের জন্য এক পয়েন্ট করে অর্জন করেছিল। যদি দুই বা ততোধিক ক্লাব সমান পয়েন্ট অর্জন করে থাকে, তবে গোল পার্থক্যের মাধ্যমে পয়েন্ট তালিকায় তাদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জনকারী ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা জয়লাভ করেছিল এবং সর্বনিম্ন পয়েন্ট অর্জনকারী তিনটি ক্লাব ২. বুন্দেসলিগায় অবনমিত হয়েছিল।
দল
[সম্পাদনা]২০০২–০৩ মৌসুম শেষে ফ্রাইবুর্গ, কলন এবং জাংকট পাওলি মৌসুমে সর্বনিম্ন পয়েন্ট অর্জন করে পয়েন্ট তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা দুই ক্লাব হিসেবে বুন্দেসলিগা হতে সরাসরি অবনমিত হয়েছিল। অন্যদিকে, তাদের বদলে ফ্রাইবুর্গ, কলন এবং আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বুন্দেসলিগায় উন্নীত হয়েছিল। পূর্ববর্তী মৌসুমের মতো এই মৌসুমেও ১৮টি ক্লাব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।
| ক্লাব | অবস্থান | মাঠ[৩] | ধারণক্ষমতা[৩] |
|---|---|---|---|
| হের্টা | বার্লিন | বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়াম | ৭৬,০০০ |
| বোখুম | বোখুম | রুর স্টেডিয়াম | ৩৬,০০০ |
| ভেয়ার্ডার ব্রেমেন | ব্রেমেন | ভেজার স্টেডিয়াম | ৩৬,০০০ |
| বরুসিয়া ডর্টমুন্ড | ডর্টমুন্ড | ভেস্টফালেন স্টেডিয়াম | ৬৮,৬০০ |
| আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট | ফ্রাঙ্কফুর্ট | ভাল্ডস্টাডিওন | ৬২,০০০ |
| ফ্রাইবুর্গ | ফ্রাইবুর্গ | ড্রাইসাম স্টেডিয়াম | ২৫,০০০ |
| হামবুর্গার | হামবুর্গ | ফক্সপার্কস্টাডিওন | ৬২,০০০ |
| হানোফার | হানোফার | নিডারজারকসেন স্টেডিয়াম | ৬০,৪০০ |
| কাইজারস্লাউটার্ন | কাইজারস্লাউটার্ন | ফ্রিৎস ভাল্টার স্টেডিয়াম | ৪১,৫০০ |
| কলন | কোলন | মুঙ্গার্সডর্ফার স্টেডিয়াম | ৪৬,০০০ |
| বায়ার লেভারকুজেন | লেভারকুজেন | বেএরিনা | ২২,৫০০ |
| বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ | মনশেনগ্লাডবাখ | বোকেলবার্গস্টাডিওন | ৩৪,৫০০ |
| ১৮৬০ মিউনিখ | মিউনিখ | মিউনিখ অলিম্পিক স্টেডিয়াম | ৬৩,০০০ |
| বায়ার্ন মিউনিখ | মিউনিখ | বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়াম | ৬৩,০০০ |
| হান্সা রস্টক | রস্টক | অস্টসি স্টেডিয়াম | ২৫,৮৫০ |
| শালকে | গেলজেনকির্খেন | আরেনা আউফশালকে | ৬১,৯৭৩ |
| স্টুটগার্ট | স্টুটগার্ট | গটলিয়েব ডাইমলার স্টেডিয়াম | ৫৩,৭০০ |
| ভলফসবুর্গ | ভলফসবুর্গ | ফক্সভাগেন আরেনা | ৩০,০০০ |
পয়েন্ট তালিকা
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন বা অবনমন |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ভেয়ার্ডার ব্রেমেন (C) | ৩৪ | ২২ | ৮ | ৪ | ৭৯ | ৩৮ | +৪১ | ৭৪ | চ্যাম্পিয়নস লীগের গ্রুপ পর্বে উত্তীর্ণ |
| ২ | বায়ার্ন মিউনিখ | ৩৪ | ২০ | ৮ | ৬ | ৭০ | ৩৯ | +৩১ | ৬৮ | |
| ৩ | বায়ার লেভারকুজেন | ৩৪ | ১৯ | ৮ | ৭ | ৭৩ | ৩৯ | +৩৪ | ৬৫ | চ্যাম্পিয়নস লীগের তৃতীয় বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ |
| ৪ | স্টুটগার্ট | ৩৪ | ১৮ | ১০ | ৬ | ৫২ | ২৪ | +২৮ | ৬৪ | উয়েফা কাপের প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ |
| ৫ | বোখুম | ৩৪ | ১৫ | ১১ | ৮ | ৫৭ | ৩৯ | +১৮ | ৫৬ | |
| ৬ | বরুসিয়া ডর্টমুন্ড | ৩৪ | ১৬ | ৭ | ১১ | ৫৯ | ৪৮ | +১১ | ৫৫ | ইন্টারটোটো কাপের তৃতীয় পর্বে উত্তীর্ণ |
| ৭ | শালকে | ৩৪ | ১৩ | ১১ | ১০ | ৪৯ | ৪২ | +৭ | ৫০ | |
| ৮ | হামবুর্গার | ৩৪ | ১৪ | ৭ | ১৩ | ৪৭ | ৬০ | −১৩ | ৪৯ | |
| ৯ | হান্সা রস্টক | ৩৪ | ১২ | ৮ | ১৪ | ৫৫ | ৫৪ | +১ | ৪৪ | |
| ১০ | ভলফসবুর্গ | ৩৪ | ১৩ | ৩ | ১৮ | ৫৬ | ৬১ | −৫ | ৪২ | ইন্টারটোটো কাপের দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ[ক] |
| ১১ | বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ | ৩৪ | ১০ | ৯ | ১৫ | ৪০ | ৪৯ | −৯ | ৩৯ | |
| ১২ | হের্টা | ৩৪ | ৯ | ১২ | ১৩ | ৪২ | ৫৯ | −১৭ | ৩৯ | |
| ১৩ | ফ্রাইবুর্গ | ৩৪ | ১০ | ৮ | ১৬ | ৪২ | ৬৭ | −২৫ | ৩৮ | |
| ১৪ | হানোফার | ৩৪ | ৯ | ১০ | ১৫ | ৪৯ | ৬৩ | −১৪ | ৩৭ | |
| ১৫ | কাইজারস্লাউটার্ন[খ] | ৩৪ | ১১ | ৬ | ১৭ | ৩৯ | ৬২ | −২৩ | ৩৬ | |
| ১৬ | আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট (R) | ৩৪ | ৯ | ৫ | ২০ | ৩৬ | ৫৩ | −১৭ | ৩২ | ২. বুন্দেসলিগায় অবনমিত |
| ১৭ | ১৮৬০ মিউনিখ (R) | ৩৪ | ৮ | ৮ | ১৮ | ৩২ | ৫৫ | −২৩ | ৩২ | |
| ১৮ | কলন (R) | ৩৪ | ৬ | ৫ | ২৩ | ৩২ | ৫৭ | −২৫ | ২৩ |
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) গোল পার্থক্য; ৩) স্বপক্ষে গোল।
(C) চ্যাম্পিয়ন; (R) অবনমিত।
টীকা:
- ↑ হান্সা রস্টক ২০০৪ উয়েফা ইন্টারটোটো কাপের জন্য আবেদন না করায় তাদের জন্য বরাদ্দকৃত স্থানটি ভলফসবুর্গকে প্রদান করা হয়েছিল।
- ↑ আর্থিক অনিয়মের জন্য কাইজারস্লাউটার্নের তিন পয়েন্ট কর্তন করা হয়েছিল।
ফলাফল
[সম্পাদনা]শীর্ষ গোলদাতা
[সম্পাদনা]| অবস্থান | খেলোয়াড় | ক্লাব | গোল |
|---|---|---|---|
| ১ | ভেয়ার্ডার ব্রেমেন | ২৮ | |
| ২ | বায়ার্ন মিউনিখ | ২৩ | |
| ৩ | হান্সা রস্টক | ২০ | |
| ৪ | বায়ার লেভারকুজেন | ১৬ | |
| ৫ | বোখুম | ||
| ৬ | বরুসিয়া ডর্টমুন্ড | ||
| ৭ | বরুসিয়া ডর্টমুন্ড | ||
| ৮ | ভলফসবুর্গ | ১৫ | |
| ৯ | বায়ার লেভারকুজেন | ১৪ | |
| ১০ | ভেয়ার্ডার ব্রেমেন | ১৩ |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Bundesliga 2003/2004 » Schedule"। WorldFootball.net। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২০।
- ↑ "Bayern München - Eintracht Frankfurt 3:1 (Bundesliga 2003/2004, 1. Round)"। worldfootball.net। ৮ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- 1 2 Grüne, Hardy (২০০১)। Enzyklopädie des deutschen Ligafußballs, Band 7: Vereinslexikon (German ভাষায়)। Kassel: AGON Sportverlag। আইএসবিএন ৩-৮৯৭৮৪-১৪৭-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- কিকারে ২০০৩–০৪ বুন্দেসলিগা (জার্মান)