১৯৬৬–৬৭ বুন্দেসলিগা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বুন্দেসলিগা
মৌসুম১৯৬৬–৬৭
তারিখ২০ আগস্ট ১৯৬৬ – ৩ জুন ১৯৬৭
চ্যাম্পিয়নআইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ
১ম বুন্দেসলিগা শিরোপা
১ম জার্মান শিরোপা
অবনমনফর্টুনা ডুসেলডর্ফ
রট-ভাইস এসেন
ইউরোপীয় কাপআইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ
কাপ উইনার্স কাপবায়ার্ন মিউনিখ (চ্যাম্পিয়ন)
হামবুর্গার
মোট খেলা৩০৬
মোট গোলসংখ্যা৮৯৫ (ম্যাচ প্রতি ২.৯২টি)
শীর্ষ গোলদাতাপশ্চিম জার্মানি লোটার এমেরিখ
পশ্চিম জার্মানি গের্ড মুলার (২৮টি গোল)
সবচেয়ে বড় হোম জয়বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ১১–০ শালকে (৭ জানুয়ারি ১৯৬৭)
সবচেয়ে বড় অ্যাওয়ে জয়কার্লস্রুহার ১–৬ বায়ার্ন মিউনিখ (১০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬)
ডুসেলডর্ফ ০–৫ ডর্টমুন্ড (৭ জানুয়ারি ১৯৬৭)
সর্বোচ্চ স্কোরিংবরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ১১–০ শালকে (৭ জানুয়ারি ১৯৬৭)

১৯৬৬–৬৭ বুন্দেসলিগা পশ্চিম জার্মানির পেশাদার ফুটবল লীগের শীর্ষ স্তর বুন্দেসলিগার ৪র্থ মৌসুম ছিল। এই মৌসুমটি ১৯৬৬ সালের ২০শে আগস্ট তারিখে শুরু হয়ে ১৯৬৭ সালের ৩রা জুন তারিখে সম্পন্ন হয়েছিল।[১] কলনের জার্মান আক্রমণভাগের খেলোয়াড় কার্ল-হাইনৎস টিলেন এই মৌসুমের প্রথম গোল করেছিলেন।[২]

১৮৬০ মিউনিখ বুন্দেসলিগার পূর্ববর্তী আসরের চ্যাম্পিয়ন, যারা ১৯৬৫–৬৬ মৌসুমে ৫০ পয়েন্ট অর্জন করে এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ১ম বারের মতো শিরোপা জয়লাভ করেছিল।

এই মৌসুমে ৪৩ পয়েন্ট অর্জন করে আইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ ১ম বারের মতো বুন্দেসলিগা এবং ১ম বারের মতো জার্মান শিরোপা জয়লাভ করেছিল। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জার্মান আক্রমণভাগের খেলোয়াড় লোটার এমেরিখ এবং বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান আক্রমণভাগের খেলোয়াড় গের্ড মুলার ২৮ গোল করে এই মৌসুমের শীর্ষ গোলদাতার পুরস্কার জয়লাভ করেছিলেন।

প্রতিযোগিতার ধরন[সম্পাদনা]

প্রতিটি ক্লাব একে অপরের বিরুদ্ধে দুটি করে ম্যাচ খেলেছিল, একটি নিজেদের মাঠে এবং অপরটি প্রতিপক্ষ দলের মাঠে। ক্লাবগুলো একটি জয়ের জন্য দুই পয়েন্ট এবং ড্রয়ের জন্য এক পয়েন্ট করে অর্জন করেছিল। যদি দুই বা ততোধিক দল সমান পয়েন্ট অর্জন করে থাকে, তবে পয়েন্ট তালিকায় তাদের অবস্থান গড় গোল দ্বারা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জনকারী ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা জয়লাভ করেছিল এবং সর্বনিম্ন পয়েন্ট অর্জনকারী দুটি ক্লাব তাদের নিজ নিজ আঞ্চলিক লীগে অবনমিত হয়েছিল।

দল[সম্পাদনা]

১৯৬৫–৬৬ মৌসুম শেষে বরুসিয়া নয়কির্খেন এবং তাসমানিয়া বার্লিন মৌসুমে সর্বনিম্ন পয়েন্ট অর্জন করে পয়েন্ট তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা দুই ক্লাব হিসেবে বুন্দেসলিগা হতে সরাসরি অবনমিত হয়েছিল। অন্যদিকে, তাদের বদলে ফর্টুনা ডুসেলডর্ফ এবং রট-ভাইস এসেন বুন্দেসলিগায় উন্নীত হয়েছিল। পূর্ববর্তী মৌসুমের মতো এই মৌসুমেও ১৮টি ক্লাব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

ক্লাব মাঠ[৩] ধারণক্ষমতা[৩]
আইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ আইন্ট্রাখট স্টেডিয়াম ৩৮,০০০
ভেয়ার্ডার ব্রেমেন ভেজার স্টেডিয়াম ৩২,০০০
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড রোটে আর্ডে স্টেডিয়াম ৩০,০০০
ডুসবুর্গ ভেডাউস্টাডিওন ৩৮,৫০০
ফর্টুনা ডুসেলডর্ফ পল ইয়ানেস স্টেডিয়াম ২৮,০০০
রট-ভাইস এসেন গেওর্গ মেলশেস স্টেডিয়াম ৪০,০০০
আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ভাল্ডস্টাডিওন ৮৭,০০০
হামবুর্গার ফক্সপার্কস্টাডিওন ৮০,০০০
হানোফার ৯৬ নিডারজারকসেন স্টেডিয়াম ৮৬,০০০
কাইজারস্লাউটার্ন বেৎসেনবার্গ স্টেডিয়াম ৪২,০০০
কার্লস্রুহার ভিল্ডপার্কস্টাডিওন ৫০,০০০
কলন মুঙ্গার্সডর্ফার স্টেডিয়াম ৭৬,০০০
বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ বোকেলবার্গস্টাডিওন ৩৪,৫০০
১৮৬০ মিউনিখ গ্রুনভাল্ডার স্টেডিয়াম ৪৪,৩০০
বায়ার্ন মিউনিখ গ্রুনভাল্ডার স্টেডিয়াম ৪৪,৩০০
নুর্নবার্গ স্টাটিশেস স্টেডিয়াম ৬৪,২৩৮
শালকে গ্লুকাউফ-কাম্পবান ৩৫,০০০
স্টুটগার্ট নেকার স্টেডিয়াম ৫৩,০০০

পয়েন্ট তালিকা[সম্পাদনা]

অব দল ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো গোঅ পয়েন্ট যোগ্যতা অর্জন বা অবনমন
আইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ (C) ৩৪ ১৭ ৪৯ ২৭ ১.৮১৫ ৪৩ ইউরোপীয় কাপের প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ
১৮৬০ মিউনিখ ৩৪ ১৭ ১০ ৬০ ৪৭ ১.২৭৭ ৪১ আন্তঃনগর ফেয়ার্স কাপে উত্তীর্ণ
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৩৪ ১৫ ১০ ৭০ ৪১ ১.৭০৭ ৩৯
আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ৩৪ ১৫ ১০ ৬৬ ৪৯ ১.৩৪৭ ৩৯ আন্তঃনগর ফেয়ার্স কাপে উত্তীর্ণ
কাইজারস্লাউটার্ন ৩৪ ১৩ ১২ ৪৩ ৪২ ১.০২৪ ৩৮
বায়ার্ন মিউনিখ ৩৪ ১৬ ১৩ ৬২ ৪৭ ১.৩১৯ ৩৭ কাপ উইনার্স কাপের প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ[ক]
কলন ৩৪ ১৪ ১১ ৪৮ ৪৮ ১.০০০ ৩৭ আন্তঃনগর ফেয়ার্স কাপে উত্তীর্ণ
বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ৩৪ ১২ ১০ ১২ ৭০ ৪৯ ১.৪২৯ ৩৪
হানোফার ৯৬ ৩৪ ১৩ ১৩ ৪০ ৪৬ ০.৮৭০ ৩৪ আন্তঃনগর ফেয়ার্স কাপে উত্তীর্ণ
১০ নুর্নবার্গ ৩৪ ১২ ১০ ১২ ৪৩ ৫০ ০.৮৬০ ৩৪
১১ ডুসবুর্গ[খ] ৩৪ ১০ ১৩ ১১ ৪০ ৪২ ০.৯৫২ ৩৩
১২ স্টুটগার্ট ৩৪ ১০ ১৩ ১১ ৪৮ ৫৪ ০.৮৮৯ ৩৩
১৩ কার্লস্রুহার ৩৪ ১১ ১৪ ৫৪ ৬২ ০.৮৭১ ৩১
১৪ হামবুর্গার ৩৪ ১০ ১০ ১৪ ৩৭ ৫৩ ০.৬৯৮ ৩০ কাপ উইনার্স কাপের প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ[ক]
১৫ শালকে ৩৪ ১২ ১৬ ৩৭ ৬৩ ০.৫৮৭ ৩০
১৬ ভেয়ার্ডার ব্রেমেন ৩৪ ১০ ১৫ ৪৯ ৫৬ ০.৮৭৫ ২৯
১৭ ফর্টুনা ডুসেলডর্ফ (R) ৩৪ ১৮ ৪৪ ৬৬ ০.৬৬৭ ২৫ রেগিওনাললিগায় অবনমিত
১৮ রট-ভাইস এসেন (R) ৩৪ ১৩ ১৫ ৩৫ ৫৩ ০.৬৬০ ২৫
উৎস: জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: ১) পয়েন্ট; ২) গোলের অনুপাত।
(C) চ্যাম্পিয়ন; (R) অবনমিত।
টীকা:
  1. বায়ার্ন মিউনিখ ১৯৬৬–৬৭ ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ জয়লাভ করায় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৯৬৬–৬৭ ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপে উত্তীর্ণ হয়েছিল। যেহেতু বায়ার্ন মিউনিখ ১৯৬৬–৬৭ ডিএফবি-পোকালের জয়লাভ করেছিল, তাই রানার-আপ হামবুর্গারকে ঘরোয়া কাপ বিজয়ী হিসেবে সংরক্ষিত ইউরোপীয় স্থানটি প্রদান করা হয়েছিল।
  2. মাইডারিখার এই মৌসুম চলাকালীন তাদের নাম পরিবর্তন করে এমএসভি ডুইসবার্গ রেখেছিল।

ফলাফল[সম্পাদনা]

স্বাগতিক \ সফরকারী EBS SVW BVB DUI F95 RWE SGE HSV H96 FCK KSC KOE BMG M60 FCB FCN S04 VFB
আইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ ২–০ ৩–১ ০–০ ৪–০ ০–০ ৩–০ ২–০ ০–১ ২–০ ৪–১ ১–০ ২–১ ১–০ ৫–২ ৪–১ ১–০ ১–১
ভেয়ার্ডার ব্রেমেন ২–৩ ২–১ ১–১ ১–০ ০–০ ৩–০ ৫–১ ৩–০ ১–১ ০–৩ ১–৩ ২–২ ২–৪ ৪–১ ৪–৪ ২–১ ১–২
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ০–০ ২–০ ৪–১ ১–২ ০–০ ৩–১ ৭–০ ৩–০ ২–১ ২–১ ৬–১ ৩–২ ১–১ ৪–০ ০–১ ৬–২ ১–১
ডুসবুর্গ ০–০ ১–০ ১–৫ ১–১ ২–০ ০–০ ২–১ ৩–০ ১–১ ০–১ ১–০ ১–৩ ১–২ ০–০ ২–০ ৩–০ ০–০
ফর্টুনা ডুসেলডর্ফ ১–১ ০–১ ০–৫ ১–৫ ২–০ ২–৪ ২–২ ১–০ ৩–১ ১–০ ১–৩ ২–২ ০–১ ০–০ ২–২ ৩–১ ৩–৩
রট-ভাইস এসেন ০–০ ০–১ ১–১ ০–১ ০–৪ ১–১ ১–১ ৩–০ ১–১ ৩–১ ১–৩ ২–১ ২–২ ৩–১ ১–১ ৪–১ ১–৩
আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ০–১ ৪–১ ৩–৩ ১–০ ৩–০ ৫–০ ১–৩ ৩–৩ ১–১ ৫–১ ৪–০ ১–০ ৩–৩ ২–১ ১–৪ ৪–২ ৪–০
হামবুর্গার ১–০ ১–১ ১–১ ০–০ ২–১ ১–১ ০–২ ২–১ ১–০ ১–০ ১–৩ ২–০ ৩–২ ৩–১ ০–১ ১–১ ১–১
হানোফার ৯৬ ৪–২ ২–১ ২–০ ৩–০ ০–২ ১–০ ২–১ ১–০ ২–১ ৩–১ ০–১ ১–১ ২–২ ২–১ ২–০ ১–২ ২–২
কাইজারস্লাউটার্ন ২–০ ২–০ ১–১ ০–০ ২–১ ৫–২ ১–১ ২–১ ১–০ ৩–১ ০–০ ১–০ ০–৩ ১–০ ১–১ ১–০ ৩–৩
কার্লস্রুহার ৩–০ ৪–৪ ২–০ ৩–০ ৩–২ ০–১ ৩–২ ১–১ ০–০ ২–২ ১–১ ৩–৩ ৩–১ ১–৬ ০–১ ১–০ ৪–১
কলন ১–০ ৪–১ ১–১ ১–১ ২–০ ২–১ ১–৪ ০–০ ১–১ ২–১ ২–২ ১–২ ২–০ ২–৪ ২–০ ২–১ ৩–১
বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ০–০ ১–১ ৪–০ ৩–৩ ৩–১ ৪–৩ ০–০ ৪–২ ২–০ ১–১ ৩–১ ৩–০ ২–৩ ১–২ ২–০ ১১–০ ১–২
১৮৬০ মিউনিখ ২–১ ২–১ ১–২ ৩–৩ ৩–০ ১–০ ২–১ ২–০ ৩–০ ৩–০ ৩–০ ২–১ ৪–৩ ১–০ ১–২ ০–২ ১–১
বায়ার্ন মিউনিখ ২–০ ১–০ ১–০ ২–১ ১–২ ৪–১ ১–২ ৩–১ ০–০ ৫–০ ২–২ ২–০ ৪–৩ ৩–০ ০–১ ৫–০ ১–১
নুর্নবার্গ ০–৪ ২–১ ২–০ ৩–১ ৪–২ ১–১ ০–১ ১–০ ১–১ ১–২ ২–২ ১–১ ১–০ ২–২ ০–১ ০–৪ ৩–৩
শালকে ০–০ ০–১ ১–৪ ২–১ ২–১ ১–১ ১–১ ২–০ ২–১ ০–৩ ১–৩ ১–০ ০–০ ১–০ ২–১ ১–০ ২–০
স্টুটগার্ট ১–২ ১–১ ১–০ ১–৩ ৩–১ ১–০ ৩–০ ১–৩ ১–২ ০–১ ২–০ ২–২ ০–২ ২–০ ২–৪ ১–০ ১–১
উৎস: জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
রং: নীল = স্বাগতিক দল বিজয়ী; হলুদ = ড্র; লাল = সফরকারী দল বিজয়ী।

শীর্ষ গোলদাতা[সম্পাদনা]

অবস্থান খেলোয়াড় ক্লাব গোল
পশ্চিম জার্মানি লোটার এমেরিখ বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ২৮
পশ্চিম জার্মানি গের্ড মুলার বায়ার্ন মিউনিখ
পশ্চিম জার্মানি হারবার্ট লোমেন বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ১৮
পশ্চিম জার্মানি ক্রিস্টিয়ান মুলার কার্লস্রুহার ১৭
পশ্চিম জার্মানি ইয়োসেফ হাইনকেস বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ১৫
পশ্চিম জার্মানি বার্ন্ড রুপ বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ
পশ্চিম জার্মানি লোটার উলসাস আইন্ট্রাখট ব্রাউনশভাইগ
পশ্চিম জার্মানি রাইহোল্ড ভোসাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড
পশ্চিম জার্মানি হান্স কুপার্স ১৮৬০ মিউনিখ ১৪
১০ পশ্চিম জার্মানি ইয়োহানেস লোহর কলন ১৩

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Archive 1966/1967 Schedule"জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ৮ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "1. FC Köln - TSV 1860 München 2:0 (Bundesliga 1966/1967, 1. Round)"worldfootball.net। ৪ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২২ 
  3. Grüne, Hardy (২০০১)। Enzyklopädie des deutschen Ligafußballs, Band 7: Vereinslexikon (জার্মান ভাষায়)। Kassel: AGON Sportverlag। আইএসবিএন 3-89784-147-9 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]