১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ
১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ (২০০৩).jpg
লেখকহুমায়ুন আজাদ
প্রচ্ছদ শিল্পীসমর মজুমদার
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
বিষয়ধর্ষণ
ধরনউপন্যাস
প্রকাশকআগামী প্রকাশনী
প্রকাশনার তারিখ
ফেব্রুয়ারি, ২০০৩
মিডিয়া ধরনছাপা (শক্তমলাট)
পৃষ্ঠাসংখ্যা১৩২[১]
আইএসবিএন৯৭৮৯৮৪৪০১৭৩১৩
ওসিএলসি৫৩০১৯৩২৮
পূর্ববর্তী বইশ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা (২০০২) 
পরবর্তী বইপাক সার জমিন সাদ বাদ (২০০৪) 

১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ বাংলাদেশি লেখক হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস। ফেব্রুয়ারি, ২০০৩ সালে[২] (ফাল্গুন, ১৪০৯ বঙ্গাব্দ) একুশে গ্রন্থমেলায় বাংলাদেশের আগামী প্রকাশনী, ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে একটি তরুণী কিভাবে ধর্ষণের শিকার হবার পর পুনরায় সামাজিক-ধর্মীয়ভাবে নিপীড়ন ও নিগ্রহের শিকার হয় তা উপস্থাপিত হয়েছে।[৩]

আজাদ এই উপন্যাসের উৎসর্গ পাতায় লিখেছেন, "১০,০০০, এবং আরো ১টি ও অজস্র ধর্ষিতাকে- বাংলাদেশকে"।[৪]

সারাংশ[সম্পাদনা]

'বি. দ্র. সারাংশটি বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া

বাংলাদেশ এখন হয়ে উঠেছে এক উপদ্রুত ভূখণ্ড; হয়ে উঠেছে ধর্ষণের এক বিশাল রঙ্গমঞ্চ, ৫৬,০০০ বর্গমাইলব্যাপী পীড়নের এক শোচনীয় প্রেক্ষাগার। ধর্ষিত হচ্ছে মাটি মেঘ নদী রৌদ্র জ্যোৎস্না দেশ, এবং নারীরা। একটি ধর্ষণের কাহিনী বলা হয়েছে এ-উপন্যাসে। ধর্ষিত ময়না আত্মহত্যা করে নি, অভিযোগ করে নি; সে তার অবৈধ সন্তানটিকে টুকরো টুকরো করেছে একটি ধারালো দা দিয়ে; এবং প্রতিশোধ নিয়েছে- সে অন্তত একটি শুয়োরকে টুকরো টুকরো করতে পেরেছে।[৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "১০,০০০ এবং আরও ১টি ধর্ষণ"rokomari.com 
  2. মুহম্মদ সাইফুল ইসলাম (২০১২)। "আজাদ, হুমায়ুন"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন 9843205901ওএল 30677644Mওসিএলসি 883871743 
  3. সফিউল আলম প্রধান (মার্চ ২৫, ২০১৬)। "আর কত?"বণিক বার্তা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৪, ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. আজাদ, হুমায়ুন (ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। ১০,০০০, এবং আরো ১টি ধর্ষণ। ঢাকা: আগামী প্রকাশনী। পৃষ্ঠা ৫। আইএসবিএন 978-9-844-01731-3 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]