নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু
সমর মজুমদার নকশাকৃত প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
লেখকহুমায়ুন আজাদ
মূল শিরোনামনিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু
প্রচ্ছদ শিল্পীসমর মজুমদার
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
বিষয়পল্লীপ্রকৃতি, পারিবারিক কাহিনী, বিয়োগান্ত
ধরনউপন্যাস
প্রকাশিতফেব্রুয়ারি ২০০০
প্রকাশকআগামী প্রকাশনী
মিডিয়া ধরনছাপা (শক্তমলাট)
পৃষ্ঠাসংখ্যা১৬০ (প্রথম সংস্করণ)
আইএসবিএন984-7-000-60506-8
ওসিএলসি45790727
পূর্ববর্তী বইকবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ (১৯৯৯) 
পরবর্তী বইফালি ফালি ক'রে কাটা চাঁদ (২০০১) 

নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস। ফেব্রুয়ারি, ২০০০ সালে[১] (ফাল্গুন, ১৪০৬ বঙ্গাব্দ) একুশে গ্রন্থমেলায় বাংলাদেশের আগামী প্রকাশনী, ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়।

সারাংশ[সম্পাদনা]

রাড়িখাল গ্রাম; বৈশাখ মাসের শেষে জলকদরের এক ভোরে ঘুম ভাঙে, আকাশে একটু মেঘ মেঘ এবং তার একটু শীত শীত লাগে। সে গরু চরাতে যাবে। তখন অল্প অল্প বৃষ্টি দেখা দেয়। জলকদর পুকুরে লাফ দিয়ে সাঁতার কাটতে থাকে। জলকদর পুকুরে গোসল করতে করতে মাছ ধরে।

জলকদররা তিন ভাইবোন, ওর বোনের নাম ময়না আর ভাইয়ের নাম আবজু। বাড়িতে ওদের বাবামা সহ রকমান নামের এক কাজের লোক থাকে। জলকদরের আরো একটা বোন জন্মের পরপরই মারা যায়।

জলকদরের মজিদ নামের একটা বন্ধু থাকে যে জলকদরের ঘনিষ্ঠ, কিশোর বয়সে এই ছেলেটা জলকদরকে বিড়ি খাওয়া শেখায়।

বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

বাংলার গ্রামে জলকদর নামের এক বালকের বেড়ে উঠাই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। উপন্যাসটি শুরু হয় যখন জলকদর বছর দশের বালক থাকে, শেষ হয় যখন তার বয়স পনের অর্থাৎ যখন সে কিশোর। লেখক হুমায়ুন আজাদ এই উপন্যাসকে বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের উপন্যাস পথের পাঁচালীর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]