হিরো আলম
হিরো আলম | |
|---|---|
| জন্ম | আশরাফুল আলম সাঈদ[১] ২০ জানুয়ারি ১৯৮৫ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| অন্যান্য নাম | হিরো আলম |
| পেশা | অভিনেতা, গায়ক, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী |
| কর্মজীবন | ২০১৬-বর্তমান |
| পরিচিতির কারণ | অভিনয় ও মডেলিং |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সাবিহা আক্তার সুমি (বি. ২০১০) নুসরাত জাহান জিমু (বি. ২০১৯; বিচ্ছেদ. ২০২২) |
আশরাফুল আলম সাঈদ, যিনি হিরো আলম নামে অধিক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী সঙ্গীত ভিডিও মডেল, অভিনেতা, গায়ক, রাজনীতিবিদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আলোচিত ব্যক্তি।[২][৩][৪][৫][৬] তিনি একজন স্বাধীন শিল্পী হিসাবে কাজ করেন ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলিতে ভিডিও প্রকাশ করে থাকেন। তিনি তার বেসুর গলায় গাওয়া গানের জন্য সর্বাধিক আলোচিত, সমালোচিত।[৭] এই কারণে তিনি বিভিন্ন ইন্টারনেট মিমের উপাদানেও পরিণত হয়েছেন। তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে ১৬ লক্ষের বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে।[৮] তিনি ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন।[৯][১০][১১][১২] পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সংসদ উপনির্বাচনেরও প্রার্থী হয়েছেন।
২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করলে বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে হিরো আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুটো আসনেরই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।[১৩] উপনির্বাচনে তিনি উভয় আসনে পরাজিত হলেও বগুড়া-৪ আসনে বিজয়ী প্রার্থীর সাথে তার ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৮৩৪।[১৪][১৫] একই বছরের ১৭ জুলাই তিনি ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন,[১৬] তবে ভোট চলাকালীন পুলিশের সামনে থেকেই আওয়ামী লীগের কর্মীদের[১৭] মারধরের শিকার হওয়ার পাশাপাশি ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।[১৮][১৯][২০] তার উপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করে।[২১] মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারও তার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ঘটনাটি নিয়ে আলোকপাত করেন।[২২] ১৭ জুলাই ২০২৩ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ ও মারধরের ঘটনা সামনে রেখে ফলাফল প্রত্যাখান করে ইসিতে পুনঃনির্বাচনের দাবী জানান হিরো আলম।[২৩]
২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বগুড়া আদালত প্রাঙ্গণে মামলা করতে গিয়ে মারধরের শিকার হওয়ার পর হামলার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে হিরো আলম।[২৪]
প্রারম্ভিক জীবন
আশরাফুল আলম সাঈদ ১৯৮৫ সালের ২০ জানুয়ারি বগুড়া জেলার সদর উপজেলার এরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে তার পিতামাতা তাকে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারে পালক সন্তান হিসেবে তুলে দেয়। এই পরিবারের যথেষ্ট আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় ৭ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থাতেই তিনি জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা শুরু করেন।[২৫]
কর্মজীবন
হিরো আলম প্রথম দিকে নিজ গ্রাম এরুলিয়ায় সিডি বিক্রির কাজ করতেন এবং পরবর্তীতে স্যাটেলাইট টিভি সংযোগের (ক্যাবল পরিচালনা) ব্যবসায় নামেন।[২৬] ক্যাবল সংযোগের ব্যবসা চলাকালে শখের বশে তিনি সঙ্গীত ভিডিও নির্মাণ শুরু করেন।[২] আশরাফুল আলমের ইউটিউবে আপলোড করা সঙ্গীত ভিডিও নিয়ে ২০১৬ সালের দিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা ট্রল এবং মিম তৈরি শুরু করলে দ্রুতই তিনি পরিচিত হয়ে উঠেন।[৫][২৭][২৮] এসময় মুশফিকুর রহিমসহ আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তারকা আশরাফুল আলমের সাথে সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন।[৯][২৯]
এরপর বিবিসি হিন্দি, জি নিউজ, এনডিটিভি, ডেইলি ভাস্কর, মিড-ডেসহ ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলো তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।[৯] ফলে তিনি ভারতীয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মাঝে আলোচিত হন।[৩০][৩১] ইয়াহু ইন্ডিয়ার এক জরিপ অনুসারে সেসময় ভারতীয় অভিনেতা সালমান খানের চেয়ে আলমকে বেশিবার গুগলে অনুসন্ধান করা হয়েছে।[৯][৩২]
১১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে আশরাফুল আলম অভিনীত প্রথম ছবি মার ছক্কা মুক্তি পায়।[৩৩] ২০১৮ সালে তিনি বিজু দ্য হিরো নামে একটি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।[৩৪] এছাড়া বাংলাদেশে বেশকিছু বিজ্ঞানপনচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[৩][৩৪] ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিয়ে আবার আলোচনায় আসেন।[৯] ২০১৮ সালের গুগল অনুসন্ধানের প্রবণতায় বাংলাদেশে দশম অবস্থানে থাকেন হিরো আলম।[৩৫][৩৬] হিরো আলমের জীবনী অবলম্বনে মহেশ রূপরাও ঘোদেশ্বর কর্তৃক নির্মিত ও পরিচালিত হিরো আলম শিরোনামের একটি হাস্যরসাত্মক মঞ্চনাটক ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি আহমেদাবাদে মঞ্চস্থ হয়।[৩৭][৩৮][৩৯] প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত এই মঞ্চনাটকটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।[৪০] ২০১৯ সালের মে মাসে মঞ্চনাটকটি মঞ্চস্থ হয় মুম্বাইতে।[৪১]
১৬ অক্টোবর ২০২০ মুক্তি পায় হিরো আলমের দ্বিতীয় সিনেমা 'সাহসী হিরো আলম'। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এ আর মুকুল নেত্রবাদী আর প্রযোজনা করেন হিরো আলম নিজেই। হিরো আলমের বিপরীতে অভিনয় করেন তিন নায়িকা সাকিরা মৌ, রাবিনা বৃষ্টি ও নুসরাত জাহান।[৪২] পরে তিনি গান গাওয়ার প্রতি মনোনিবেশ করেন ও তার প্রথম গান ছিল "বাবু খাইছো"।
এরপর তিনি বেশ কিছু গান ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়েন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল কয়েকটি রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি। তবে রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি ছাড়ার পর তার বিরুদ্ধে এগুলো বিকৃত করে গাওয়ার অভিযোগ ওঠে।[৪৩] ২০২২ সালের ২৭ জুলাই, বাংলাদেশে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা হিরো আলমকে তাদের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে যায়। পরে কখনও অনুমতি ছাড়া পুলিশের পোশাক পরবেন না, বিকৃত করে রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীত গাইবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।[৪৪] ছাড়া পেয়ে হিরো আলম বাংলাদেশের পুলিশের বিরুদ্ধে তার প্রতি মানসিক নির্যাতন ও অশোভন আচরণ করার অভিযোগ আনেন।[৪৫] হিরো আলমের উক্তি অনুসারে পুলিশ তাকে বলে যে, “তোর চেহারা কি হিরোর মতো? আয়নায় একবার নিজের চেহারা দেখেছিস? হিরোদের চেহারা কেমন হয় সিনেমায় দেখিস না? তোর হিরো আলম নাম পরিবর্তন করবি”।[৪৬] পরে হিরো আলমকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের গান গাইতে নিষেধ করায় গোয়েন্দা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হয়। এছাড়া নাম থেকে 'হিরো' শব্দটি বাদ দেওয়া ও চেহারা নিয়ে তাচ্ছিল্য করার বিষয়টিকে অনেকে বর্ণবাদী আচরণ বলে আখ্যায়িত করেন।[৪৭] বিষয়টি বিবিসি, এএফপি-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেরও খবর হয়।[৪৮]
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড
প্রথমদিকে তিনি নিজ এলাকায় একাধিক স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে একটিতে তিনি মাত্র ৭০ ভোটে হেরে যান।[২] পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার পর তিনি ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিরো আলম জাতীয় পার্টি থেকে বগুড়া-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন।[১২] পরে দলটি থেকে মনোনয়ন না পাবার পর বগুড়া-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।[৯][১০] নির্বাচনে তিনি পান ৬৩৮ ভোট এবং মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাবার দরুন তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।[৩৭][৪৯][৫০][৫১][৫২] ২০১৯ সালের মে মাসে তিনি জাতীয় পার্টির সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন।[৫৩][৫৪]
২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করলে বগুড়ার বগুড়া-৬ (সদর) এবং বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। হিরো আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুটো আসনেরই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি তথ্যগত ত্রুটি ও প্রস্তাবক, সমর্থকদের স্বাক্ষরের গরমিল পাওয়ায় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।[৫৫] এরপর উচ্চ আদালতে রিট করে ১৭ জানুয়ারি হিরো আলম প্রার্থিতা ফিরে পান।[৫৬] ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তিনি মাত্র ৮৩৪ ভোটে বগুড়া-৪ আসনে হেরে যান।[৫৭][৫৮] যদিও তিনি নির্বাচনের ফলাফল বর্জন করার পাশাপাশি "নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা" ফল ঘোষণার সময় কালক্ষেপন করে তাকে "ষড়যন্ত্র করে হারিয়ে দেওয়া"র অভিযোগ করেন।[৫৯] উপ নির্বাচনে হারলেও তার সমর্থকরা তাকে "জনতার এমপি" উপাধিতে ভূূূষিত করে।[৬০] পরবর্তীতে একই বছরের জুনে অভিনেতা ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।[৬১] সেবার তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।[৬২] কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে তার করা আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে পান।[৬৩] ৫ জুলাই ২০২৩ ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনের প্রথম নির্বাচনী প্রচারণায় জনসংযোগকালে মহাখালীতে হামলার শিকার হন তিনি।[৬৪] হামলার ঘটনা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দারস্থ হয়ে মার্কিন দূতাবাসে চিঠি পাঠান হিরো আলম।[৬৫] ১৭ জুলাই ২০২৩ অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে পিছনে ফেলে ২য় স্থানে থেকে পরাজিত হন।[৬৬] নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলার পাশাপাশি কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাকে হামলা ও বেধড়ক মারধর করার ঘটনা উল্লেখ করে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত জানান। পাশাপাশি তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেন।[৫৯] হিরো আলমের উপর হামলার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ছাড়াও বাংলাদেশে অবস্থিত ১৩টি দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশন যৌথ বিবৃতি দেয়।[৬৭]
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সম্মিলিত মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে ডাব প্রতীকে বগুড়া-৪ আসন থেকে অংশ নেন ও পরাজিত হন।[৬৮]
লেখক জীবন
২০১৯ সালে একুশে বইমেলায় তার আত্মজীবনী “দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো” প্রকাশিত হয়, যেটি প্রকাশ করে তরফদার প্রকাশনী এবং বইটি সম্পাদনা করেন সৌরভ আলম সাবিদ।[৬৯][৭০][৭১]
ব্যক্তিগত জীবন
আশরাফুল আলম ব্যক্তিগত জীবনে সাবিহা আক্তার সুমির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[২][৭২] এই দম্পতির আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে এবং কবির নামে এক ছেলে রয়েছে।[৭২] স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে করা এক মামলায় ২০১৯ সালের মার্চে তিনি গ্রেফতার হন।[৭৩] এবং পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে জামিনে মুক্তি পান।[৭৪]
চলচ্চিত্র
| এখনও মুক্তি পায়নি এমন চলচ্চিত্র বোঝায় |
| সাল | চলচ্চিত্র | চরিত্র | উদ্ধৃতি | সূত্র |
|---|---|---|---|---|
| ২০১৭ | মার ছক্কা | হিরো আলম | প্রথম আবির্ভাব | [৭৫] |
| ২০২০ | সাহসী হিরো আলম | হিরো আলম | [৭৬] | |
| ২০২৩ | আমি টোকাই | ২ জুন ২০২৩ মুক্তি | [৭৭][৭৮][৭৯][৮০] | |
| ঘোষিত হবে | বিজু দ্য হিরো |
ঘোষিত হবে | হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রথম আবির্ভাব | [৮১] |
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
| সাল | চলচ্চিত্র | চরিত্র | উদ্ধৃতি |
|---|---|---|---|
| ২০১৮ | প্রতিবাদী হিরো আলম | হিরো আলম | |
| মাটি | |||
| টারজান দ্য হিরো আলম | টারজান | ||
| ২০১৯ | আলম দ্য পাওয়ার | হিরো আলম | |
| বাদাম ভালোবাসা | |||
| বিধবার সংসার | |||
| ভাইয়ের ভালোবাসা | |||
| ২০২০ | কিপটা | হিরো আলম | |
| হিংস্র বাঘ | |||
| পালটা জবাব | |||
| বরিশাইল্লা বউ | |||
| যোগ্যতা | |||
| ২০২১ | হিরো এখন জিরো | ||
| মা বড় না বউ বড় | |||
| ধর্ষিত বোন | |||
| বাঁশির সুরে পরি পাগল | |||
| মোটু পাতলুর প্রেম | পাতলু | ||
| আলম দালাল | আলম দালাল | ||
| মায়ের প্রতি ভালোবাসা | |||
| নবাব আলম | রাজা |
তথ্যসূত্র
- ↑ "হিরো আলম যে ঠিক করছেন না, এটা তো কাউকে বলতে হবে"। dw.com। ২৩ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২২।
- 1 2 3 4 "কে এই হিরো আলম?"। কালের কণ্ঠ। ২৭ জুন ২০১৬। ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "নুহাশ হুমায়ূনদের চোখে 'হিরো' আলম"। DW.COM। ১৬ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "হিরো আলম দ্য গ্যাংস্টার' [ভিডিও]!"। দৈনিক যুগান্তর। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২২।
- 1 2 "Ashraful Alom Saeed - Bangladesh's social media sensation"। জি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৬।
- ↑ "একজন হিরো আলম"। বাংলা ট্রিবিউন। ৩০ জুন ২০১৬। ৫ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ "বাংলাদেশি স্বপ্ন ও হিরো আলম"। দৈনিক প্রথম আলো। ১ জুলাই ২০১৬। ৩ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ "Hero Alom OFFICIAL - YouTube"। www.youtube.com। ১ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 "মনোনয়নপত্র জমা দিলেন হিরো আলম"। প্রথম আলো। ২৮ নভেম্বর ২০১৮। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২৯ নভেম্বর ২০১৮। ২৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হিরো আলম"। জাগো নিউজ। ২৯ নভেম্বর ২০১৮। ২৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেন হিরো আলম"। দৈনিক যুগান্তর। ১২ নভেম্বর ২০১৮। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "বগুড়ায় শূন্য দুটি আসনের মনোনয়নপত্র তুললেন হিরো আলম"। প্রথম আলো। ২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ সাঈদ, ইমাম হোসেন। "দিনের ভোট, রাতের ভোট, পকেটে ভোট, 'ছিনতাই হয়' হিরো আলমের ভোট"। প্রথম আলো। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "কিছু শিক্ষিত মানুষ আমাকে স্যার ডাকতে চায় না, তারাই আমাকে হারিয়ে দিয়েছে- হিরো আলম"। মানবজমিন। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "মোট ভোটার সোয়া ৩ লাখ, আরাফাত জিতলেন ২৮৮১৬ ভোট পেয়ে"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৯ জুলাই ২০২৩)। "হিরো আলমের ওপর হামলাকারীরা সরকারি দলের সঙ্গে যুক্ত"। দৈনিক প্রথম আলো। ২২ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "হিরো আলমকে পেটানোর শুরুটা পুলিশের সামনে থেকেই"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "হিরো আলমকে পেটাল নৌকার ব্যাজধারীরা"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ প্রতিবেদক, জ্যেষ্ঠ। "ভোটকেন্দ্রে হিরো আলমের ওপর হামলা"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ ডেস্ক, প্রথম আলো (১৮ জুলাই ২০২৩)। "হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ"। প্রথম আলো। ১৮ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ"। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ট। ১৮ জুলাই ২০২৩। ১৮ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "পুনর্নির্বাচনের দাবি নিয়ে ইসিতে হিরো আলম"। দৈনিক ইত্তেফাক। ২৩ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৩।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪)। "হিরো আলমকে আদালত প্রাঙ্গণে কিলঘুষি মেরে কান ধরে ওঠবস"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ মাহতাব হোসেন (২৭ জুন ২০১৬)। "কে এই হিরো আলম?"। কালের কণ্ঠ। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "'চা-দোকানি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে, আমার বেলায় হিংসা কেন?'"। এই সময়। ১৫ নভেম্বর ২০১৮। ১৫ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "হিরো আলম কি সুপারস্টার?"। দৈনিক প্রথম আলো। ২১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৬।
- ↑ "7 Things You Need To Keep In Mind Before Trolling Internet Sensation 'Hero Alom'"। All India Roundup (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "A 'Hero' in Tigers' den"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ জুলাই ২০১৬। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Shah Rukh Khan VS Fan: 'Saarukh' fan Hero Alam calls him 'siniar sitizen'"। dna (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ জুলাই ২০১৭। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Is Shah Rukh Khan Hero Alom's biggest fan? 'Photoshopped selfie' becomes the butt of all jokes"। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ জুলাই ২০১৭। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Hero Alom's Hits A New Low, Now Calls Shah Rukh Khan AKA 'Saarukh' A 'Siniar Sitizen'"। indiatimes.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৮।
- ↑ "জানতাম না এই ছবিতে হিরো আলম আছে: ওমর সানি"। banglanews24.com। ১২ আগস্ট ২০১৭। ১১ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "এবার বলিউড সিনেমায় হিরো আলম!"। আরটিভি অনলাইন। ১৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "2018 সালে কী জনপ্রিয় ছিল তা দেখুন-"। Google Trends। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "গুগল সার্চে বাংলাদেশীরা যাদের বেশি খোঁজ করেছেন"। বিবিসি বাংলা। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮। ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮।
দশ নম্বরে রয়েছেন বহুল আলোচিত তারকা ও স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম, যিনি হিরো আলম নামেই বেশি পরিচিত।
- 1 2 "Shattering frameworks of beauty"। The Hindu। ১ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৯।
- ↑ "Play on Hero Alom to be staged in Ahmedabad"। Times of India। ৮ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৯।
- ↑ "Things to do in Ahmedabad today"। Ahmedabad Mirror। ৬ জানুয়ারি ২০১৯। ২৪ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৯।
- ↑ "Theatre enthusiasts in Ahmedabad have a lot to look forward to this weekend"। Times Of India। ১৮ এপ্রিল ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৯।
- ↑ "Hero Alom to be staged for the first time in Mumbai"। Times of India। ২২ এপ্রিল ২০১৯। ২৪ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৯।
- ↑ "'তিন নায়িকা এই সিনেমার চমক'"। এনটিভি। ১৫ অক্টোবর ২০২০। ২২ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "বিকৃতভাবে রবীন্দ্র সংগীত: হিরো আলমকে আইনি নোটিশ"। সমকাল। ৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "রবীন্দ্রসংগীত না গাওয়ার মুচলেকা দিলেন হিরো আলম"। দৈনিক জনকণ্ঠ। ৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "বাংলাদেশের পুলিশ মানসিক নির্যাতন করেছে! বিস্ফোরক দাবি হিরো আলমের"। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ৫ আগস্ট ২০২২। ৬ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "'তোর চেহারা কি হিরোর মতো, নাম পরিবর্তন করবি'"। দৈনিক মানবকণ্ঠ। ৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় হিরো আলম, বিব্রত পুলিশ"। বাংলা ট্রিবিউন। ৬ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় হিরো আলম"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। ৬ আগস্ট ২০২২। ৬ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "৬৩৮ ভোট পেলেন হিরো আলম"। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৯।
- ↑ "কত ভোট পেলেন হিরো আলম?"। ১০ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৯।
- ↑ "বগুড়ায় হিরো আলমসহ ৩৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত"। প্রথম আলো। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮। ৫ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৯।
- ↑ "ভোটের ময়দানে হিরোগিরি দেখাতে ব্যর্থ হিরো আলম"। জি ২৪ ঘণ্টা। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "হিরো আলম এখন জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির নেতা"। জনকণ্ঠ। ২ মে ২০১৯। ১৭ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৯।
- ↑ "'সংস্কৃতিমনা' হিরো আলম এখন জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির নেতা"। এনটিভি। ২ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "দুটি আসনেই হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল"। কালের কণ্ঠ। জানুয়ারি ২০২৩। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিরো আলম"। মানবজমিন। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "অল্প ভোটে হেরে গেলেন হিরো আলম"। মানবজমিন। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ সংবাদদাতা, নিজস্ব; বগুড়া (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "৮৩৪ ভোটে হারলেন হিরো আলম"। দ্য ডেইলি স্টার। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - 1 2 প্রতিবেদক, নিজস্ব। "এই সরকারের অধীনে আর ভোটে যাব না: হিরো আলম"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "'ভোটে হারলেও আমাদের কাছে হিরো আলমই এমপি'"। www.kalerkantho.com। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন হিরো আলম"। প্রথম আলো। ৫ জুন ২০২৩। ৫ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৩।
- ↑ রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (১৮ জুন ২০২৩)। "হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৮ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২৩।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২২ জুন ২০২৩)। "আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিরো আলম"। প্রথম আলো। ২৬ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০২৩।
- ↑ "সাততলা বস্তিতে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে হামলার শিকার হিরো আলম"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। ৫ জুলাই ২০২৩। ৬ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "মার্কিন দূতাবাসে আলোচিত হিরো আলমের চিঠি"। www.jugantor.com। ১৩ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২৩।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৭ জুলাই ২০২৩)। "ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত আ.লীগের এ আরাফাত"। প্রথম আলো। ১৭ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "হিরো আলমের ওপর হামলা: সুষ্ঠু বিচার চাইলো ১৩ দূতাবাস"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১৯ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৩।
- ↑ "জামানত হারালেন হিরো আলম"। আজকের পত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "বইমেলায় আসছে হিরো আলমের লেখা বই"। ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৯।
- ↑ "হিরো আলমের লেখা বই 'দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো।' আসছে বইমেলায়"। ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৯।
- ↑ "হিরো আলমের নতুন বইটি কেন এত আলোচিত?"। ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৯।
- 1 2 "চানাচুর আলম, সিডি আলম, ডিশ আলম থেকে হিরো আলম"। জাগো নিউজ। ২১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "হিরো আলম গ্রেফতার"। যুগান্তর। ১৯ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৯।
- ↑ "জামিনে মুক্ত হিরো আলম"। বাংলা ট্রিবিউন। ১৮ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "জানতাম না এই ছবিতে হিরো আলম আছে: ওমর সানি"। banglanews24.com। ১২ আগস্ট ২০১৭। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ ‘তিন নায়িকা এই সিনেমার চমক’। NTV। ১৫ অক্টোবর ২০২০। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "Hero Alom's new film Tokai possibly releasing this Eid"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ এপ্রিল ২০২৩। ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "হিরো আলমের নতুন সিনেমা 'টোকাই'"। আজকের পত্রিকা। ৩১ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৩।
- ↑ আলম, মনজুরুল (২ জুন ২০২৩)। "এবার এলিট শ্রেণির দর্শকও আমার টার্গেট: হিরো আলম"। দৈনিক প্রথম আলো। ৩ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০২৩।
- ↑ "আমি টোকাই (Ami Tokai) - বাংলা মুভি ডেটাবেজ | BMDb"। বাংলা মুভি ডেটাবেজ। ২৯ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০২৩।
- ↑ Islam, Rafikul (১২ নভেম্বর ২০১৮)। "Hero Alom buys Jatiya Party nomination paper"। ঢাকা ট্রিবিউন। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৮।